পারস্য উপসাগরে কাতারের এলএনজি ট্যাংকারে ‘অজ্ঞাত বস্তুর’ আঘাত

আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও) ও যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনসের (ইউকেএমটিও) তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ১২০টির বেশি বাণিজ্যিক জাহাজ হামলার শিকার হয়েছে

পারস্য উপসাগরে চলাচলের সময় ‘অজ্ঞাত বস্তুর’ আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কাতারের একটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসবাসী (এলএনজি) ট্যাংকার। কাতার গ্যাস ট্রান্সপোর্ট কোম্পানি জানিয়েছে, শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় তাদের মালিকানাধীন আল মায়েদা জাহাজটিতে এ ঘটনা ঘটে। ফেব্রুয়ারিতে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর পর বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার সর্বশেষ ঘটনা এটি।

রোববার (১ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে কোম্পানিটি জানায়, এ ঘটনায় জাহাজের কোনো নাবিক আহত হননি। পরিবেশেরও কোনো ক্ষতি হয়নি। কাতার স্টক এক্সচেঞ্জে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়, জাহাজটি বর্তমানে নিরাপদ অবস্থায় রয়েছে এবং সচল আছে। ঘটনার প্রভাব ও ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

কাতার গ্যাস ট্রান্সপোর্ট কোম্পানি দেশটির বন্দর ও টার্মিনালগুলোকে টোয়িং এবং সামুদ্রিক সহায়তা সেবা দিয়ে থাকে। আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও) ও যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনসের (ইউকেএমটিও) তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ১২০টির বেশি বাণিজ্যিক জাহাজ হামলার শিকার হয়েছে।

যুদ্ধের শুরুর দিকে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয় ইরান। গুরুত্বপূর্ণ এ নৌপথ দিয়ে তাদের অনুমতি ছাড়া চলাচলের চেষ্টা করলে জাহাজগুলো ‘ধ্বংস’ করা হবে বলে বারবার হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটি।

জুলাইয়ে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে অবরোধ আরোপের পর জাহাজে হামলার ঘটনা বেড়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর অক্টোবর মাসে অন্তত ২৯টি জাহাজ হামলার শিকার হয়েছে, যা এ পর্যন্ত এক মাসে সর্বোচ্চ। এর আগে মার্চে ২০টি জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছিল।

আরও