◉ লাইভ

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন

মার্কিন সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিল ডেমোক্র্যাটরা

যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে ৫১টি আসন নিশ্চিত করে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে ডেমোক্র্যাটরা। এর মধ্য দিয়ে মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে দলটি

৮ আপডেট
  • ২৬ মিনিট আগে

    ট্রাম্পের শুল্কনীতি উল্টে দিতে পারবে ডেমোক্র্যাটরা?

    ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে আরোপ করা সব শুল্কই নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে কার্যকর করা হয়েছে। ফলে প্রেসিডেন্টের ভেটো ক্ষমতার কারণে এসব শুল্ক প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে ডেমোক্র্যাটদের সুযোগ সীমিত। বাণিজ্য আইন বিশেষজ্ঞ ও কংগ্রেসের কর্মকর্তারা এ কথা জানিয়েছেন।

    প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় প্রশ্নটি তৈরি হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ট্রাম্পের কিছু শুল্ক প্রত্যাহারে আইন পাসের চেষ্টা করতে পারে দলটি। যেমন কানাডার পণ্যের ওপর আরোপিত শুল্ক প্রত্যাহার কিংবা এসব শুল্কের পক্ষে ব্যবহার করা পুরনো কিছু আইন বাতিলের উদ্যোগ নিতে পারে তারা। এর মধ্যে রয়েছে ১৯৩০ সালের ট্যারিফ অ্যাক্টের ধারা ৩৩৮, যা এর আগে কখনো ব্যবহার করা হয়নি।

    বাণিজ্যবিষয়ক কংগ্রেসীয় কমিটিগুলোর কার্যসূচি নির্ধারণের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেলে ট্রাম্পের বাণিজ্যনীতি নিয়ে ধারাবাহিক তদারকি শুনানি ও তদন্ত শুরু করতে পারে ডেমোক্র্যাটরা। এসব তদন্তের বিষয় হতে পারে, কোন বিবেচনায় বিভিন্ন পণ্যের শুল্ক ছাড় দেয়া হয়েছে কিংবা অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিতে থাকা শত শত কোটি ডলারের বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতির অস্পষ্ট শর্তগুলো কীভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

    খবর: রয়টার্স

  • ৫৩ মিনিট আগে

    ফল ‘মেনে নিতে প্রস্তুত' প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

    রিপাবলিকান পার্টির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত কিছু আসনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের জয়ের পর নিউইয়র্ক টাইমসকে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    এক সাক্ষাৎকারে জানান, তিনি ‘এই ফলগুলো মেনে নিতে পুরোপুরি ইচ্ছুক’ এবং বিরোধী দলের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত।

    ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা তাদের সাথে কাজ করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।’

    ‘আমরা সম্ভবত কোনো একটা উপায় বের করে নেব,’ বলেন ট্রাম্প।

    এর আগে নিজের ট্রুথ সোশ্যাল প্লাটফর্মে তিনি লিখেছিলেন, ‘আমি ব্যালটে ছিলাম না, আর যদি থাকতাম, তাহলে আমরা বিপুল ভোটে জিতে যেতাম!’

    খবর: বিবিসি

  • ৫৮ মিনিট আগে

    প্রতিনিধি পরিষদে পঞ্চমবারের মতো নির্বাচিত রাশিদা তালিব

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য ও ডেমোক্র্যাট প্রার্থী রাশিদা তালিব পঞ্চমবারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন। মিশিগানের ১২তম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টে রিপাবলিকান প্রার্থী জেমস ডি হুপারকে হারিয়ে জয়ী হন তিনি। টানা দ্বিতীয়বারের মতো এই দুই প্রার্থী পরস্পরের মুখোমুখি হয়েছিলেন।

    আইনজীবী ও সাবেক অঙ্গরাজ্য আইনপ্রণেতা তালিব নিজেকে গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রী হিসেবে পরিচয় দেন। তিনি ডেমোক্র্যাট সিনেট প্রার্থী আবদুল এল-সাইয়েদের সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিয়েছেন সম্প্রতি।

    ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের যুদ্ধের কঠোর সমালোচনা করেছেন তালিব। গাজায় হামাসের সঙ্গে সংঘাত নিয়েও ইসরায়েলের সমালোচনা অব্যাহত রেখেছেন তিনি।

    গত বছরের মাঝামাঝিতে মিনেসোটার ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি পরিষদ সদস্য ইলহান ওমরের বাড়িতে ভোররাতে চালানো ফেডারেল সরকারের অভিযানের সমালোচনা করেন তালিব। অভিযানটিকে তিনি ‘ফ্যাসিবাদী’ ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিহিত করেন।

    খবর: দ্য ডেট্রয়েট নিউজ

  • ১ ঘণ্টা আগে

    মার্কিন সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিল ডেমোক্র্যাটরা

    যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে ৫১টি আসন নিশ্চিত করে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে ডেমোক্র্যাটরা। এর মধ্য দিয়ে মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে দলটি। এছাড়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে যাচ্ছে।

    খবর: আল জাজিরা

  • ১ ঘণ্টা আগে

    ডেমোক্র্যাটদের সাফল্যকে দলের রূপান্তরের সূচনা বললেন মামদানি

    ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের সাফল্যকে দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বাঁকবদল হিসেবে অভিহিত করেছেন নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি। নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোকুলের পুনর্নির্বাচিত হওয়ার সাফল্যসহ দলটির বিভিন্ন অর্জনের কথা উল্লেখ করে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    নির্বাচনের রাতে হোকুলের বিজয় উদ্‌যাপনের অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তব্যে মামদানি বলেন, ‘আমরা দলের রূপান্তরে কাজ শুরু করেছি। দলটিকে আবারো শ্রমজীবী মানুষের দলে পরিণত করার কাজ শুরু করেছি।’

    খবর: আল জাজিরা

  • ১ ঘণ্টা আগে

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম আদিবাসী নারী গভর্নর হচ্ছেন ডেব হালান্ড

    রিপাবলিকান প্রার্থী গ্রেগ হালেরকে পরাজিত করে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যের পরবর্তী গভর্নর নির্বাচিত হয়েছেন ডেব হালান্ড। এর মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো অঙ্গরাজ্যের নেতৃত্বে প্রথম আদিবাসী নারী হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন তিনি।

    কংগ্রেসের সাবেক সদস্য ও যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক সেক্রেটারি অব ইন্টেরিয়র হালান্ড লাগুনা পুয়েবলো আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সদস্য। জাতীয় পর্যায়ে পরিচিতিকে কাজে লাগিয়ে নির্বাচনী প্রচারে রেকর্ড ২ কোটি ডলার তহবিল সংগ্রহ করেছিলেন তিনি। সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাসহ ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রভাবশালী নেতাদের সমর্থনও পেয়েছেন।

    নির্বাচনী প্রচারে বিদ্যমান কর রেয়াতের সুবিধা সম্প্রসারণ এবং পরিবারিক জীবনযাত্রার ব্যয় সামলাতে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে সরকারি ব্যয় বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন হালান্ড।

    তবে নিউ মেক্সিকোর সামগ্রিক পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটানো তার জন্য সহজ হবে না। ডেমোক্র্যাট-শাসিত এই অঙ্গরাজ্য শিক্ষা খাতে ফলাফল, উচ্চ দারিদ্র্যের হার ও অপরাধের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সূচকে মার্কিন অঙ্গরাজ্যগুলোর মধ্যে নিচের দিকে রয়েছে।

  • ২ ঘণ্টা আগে

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী গভর্নর হতে যাচ্ছেন কেইশা ল্যান্স বটমস

    জর্জিয়ার গভর্নর নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট কেইশা ল্যান্স বটমস জয়ী হবেন বলে অনুমান করা হচ্ছে।

    পূর্বাভাস সত্যি হলে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী গভর্নর হিসেবে নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়বেন।

    রিপাবলিকান রিক জ্যাকসনের বিরুদ্ধে তার জয়ের অর্থ হলো ডেমোক্র্যাটরা গভর্নরের পদটি নিজেদের দখলে নিয়েছে।

    বটমস এর আগে ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত আটলান্টার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং পরে এবং বাইডেন প্রশাসনে যোগ দেন।

    খবর: বিবিসি

  • ২ ঘণ্টা আগে

    ফল যা-ই হোক, ‘র‍্যাডিক্যাল বামপন্থীদের’ থামাতে দৃঢ় সংকল্প ট্রাম্প

    যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটের ফল আসতে শুরু করার পরও অনড় অবস্থান নিয়েছে হোয়াইট হাউজ। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভোটাররা নির্বাচনের সময়ই কেবল ভোটকেন্দ্রে যান—এমন যুক্তি তুলে ধরে ফল নিয়ে উদ্বেগের বিষয়টি খারিজ করেছেন হোয়াইট হাউজের এক কর্মকর্তা। তার দাবি, নির্বাচনের ফল যা-ই হোক, ‘র‍্যাডিক্যাল বামপন্থীদের’ থামাতে ট্রাম্পের সংকল্প আরও দৃঢ় হবে।

    হোয়াইট হাউজের ওই কর্মকর্তা বলেন, এবারের নির্বাচনে ট্রাম্প নিজে প্রার্থী ছিলেন না। তবে তিনি যখন নির্বাচনে থাকেন, তখন তার সমর্থকরা ভোট দিতে আসেন—এটি আগেও প্রমাণিত হয়েছে।

    যদিও নির্বাচনী প্রচারের সময় ট্রাম্প নিজেই সমর্থকদের তাকে প্রার্থী মনে করে ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। গ্রীষ্মে এক নির্বাচনী সমাবেশে এবং সোমবার রাতে টেলিভিশনে দেয়া বক্তব্যেও তিনি ভোটারদের বলেছিলেন, ‘ধরে নিন, আমিই ব্যালটে আছি।’

    হোয়াইট হাউজের ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, নির্বাচনে প্রার্থীদের যোগ্যতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। দাবি করেন, রিপাবলিকান প্রার্থীদের নিজেদের প্রচারের চেয়ে ট্রাম্প তাদের পক্ষে প্রচারে বেশি কার্যকর ভূমিকা রেখেছেন।

    নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে ভোট দেয়া ভোটারদের ভবিষ্যতে অনুশোচনা হবে বলেও মন্তব্য করেন ওই কর্মকর্তা। তার যুক্তি, ইরান সংঘাতের অবসান হলে জ্বালানি তেলের দাম কমবে। তখন ডেমোক্র্যাটদের বেছে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ভোটারদের অনুশোচনা হবে। কারণ তাদের সামনে থাকবে ‘উদারপন্থী চরমপন্থী ডেমোক্র্যাটদের’ একটি দল।

    নির্বাচনের রাতের ফলাফল যা-ই হোক, ‘র‍্যাডিক্যাল বামপন্থীদের’ থামাতে ট্রাম্পের সংকল্প আরও শক্তিশালী হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। বক্তব্যের শেষে সতর্কবার্তার সুরে বলেন, ‘শক্ত হয়ে বসুন, সামনে আরো অনেক কিছু আসছে।’

    খবর: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি আসনে জয় পেয়েছে ডেমোক্রেটিক পার্টি। সিনেট নির্বাচনে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে রয় কুপার, জর্জিয়া থেকে জন অসফ এবং নিউ হ্যাম্পশায়ার থেকে ক্রিস পাপাস জয়ী হয়েছেন। অন্যদিকে প্রতিনিধি পরিষদের নির্বাচনেও রিপাবলিকানদের একটি আসন নিজেদের দখলে নিয়েছে দলটি। এসব ফলাফল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির জন্য বড় রাজনৈতিক ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বার্তা সংস্থা এপির পূর্বাভাস অনুযায়ী, নর্থ ক্যারোলিনায় সাবেক গভর্নর রয় কুপার রিপাবলিকান প্রার্থী মাইকেল হোয়াটলিকে পরাজিত করেছেন। আসনটি রিপাবলিকানদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। জর্জিয়ায় রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক কলিন্সকে হারিয়ে নিজের সিনেট আসন ধরে রেখেছেন ডেমোক্র্যাট সিনেটর জন অসফ। আর নিউ হ্যাম্পশায়ারে রিপাবলিকান জন সুনুনুকে পরাজিত করেছেন ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি পরিষদ সদস্য ক্রিস পাপাস।

সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ফিরে পেতে ডেমোক্র্যাটদের আরো তিনটি আসনে জয় পেতে হবে। তবে নিজেদের দখলে থাকা আসনগুলোও ধরে রাখতে হবে তাদের। আলাস্কা, আইওয়া, কানসাস, মেইন, মিশিগান, ওহাইও ও টেক্সাসের নির্বাচন এখন এ লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

প্রতিনিধি পরিষদেও ডেমোক্র্যাটদের অগ্রগতি

সিনেটের পাশাপাশি প্রতিনিধি পরিষদের নির্বাচনেও গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য পেয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। নর্থ ক্যারোলিনার পশ্চিমাঞ্চলে রিপাবলিকানদের দখলে থাকা একটি আসনে জয় পেয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জেমি আগার। তিনি রিপাবলিকান প্রার্থী জেনিফার বালকমকে পরাজিত করেছেন। ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে এ আসনে প্রায় ১০ শতাংশ পয়েন্টের ব্যবধানে জিতেছিলেন ট্রাম্প।

ফ্লোরিডায় রিপাবলিকানদের নির্বাচনী সীমানা পুনর্নির্ধারণের চ্যালেঞ্জের মুখেও নিজেদের দুটি আসন ধরে রেখেছেন ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি ক্যাথি কাস্টর ও ড্যারেন সোটো। তবে অঙ্গরাজ্যটির সিনেট নির্বাচনে রিপাবলিকান অ্যাশলি মুডি এবং গভর্নর নির্বাচনে বায়রন ডোনাল্ডস জয়ী হয়েছেন। ফলে ফ্লোরিডায় ডেমোক্র্যাটদের অগ্রগতির চিত্র প্রতিনিধি পরিষদের কয়েকটি আসনে সীমাবদ্ধ রয়েছে।

ডেমোক্র্যাটদের আরো কয়েকটি জয়

নর্থ ক্যারোলিনা, জর্জিয়া ও নিউ হ্যাম্পশায়ারের বাইরেও সিনেট নির্বাচনে জয় পেয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা। ডেলাওয়্যারে ক্রিস কুনস, ম্যাসাচুসেটসে এড মার্কি, রোড আইল্যান্ডে জ্যাক রিড এবং নিউ জার্সিতে কোরি বুকার নিজেদের আসন ধরে রেখেছেন। ইলিনয়ে নতুন সিনেটর নির্বাচিত হয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জুলিয়ানা স্ট্র্যাটন।

ইলিনয়ের এ জয়ের মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একই সময়ে তিনজন কৃষ্ণাঙ্গ নারী সিনেটরের দায়িত্ব পালন করবেন। অন্য দুজন হলেন ডেলাওয়্যারের লিসা ব্লান্ট রচেস্টার ও মেরিল্যান্ডের অ্যাঞ্জেলা অলসব্রুকস।

নিউ হ্যাম্পশায়ারে পাপাসের জয়ও ডেমোক্র্যাটদের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, তার কাছে হেরে যাওয়ায় রিপাবলিকানরা ওই আসনটি নিজেদের দখলে নিতে পারেনি। পাপাস যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে নির্বাচিত প্রথম প্রকাশ্যে সমকামী পুরুষ।

অর্থনীতি ও ট্রাম্পের নীতি নিয়ে অসন্তোষ

নির্বাচনের ফলাফলের পাশাপাশি ভোটারদের মনোভাব নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে এসএসআরএস পরিচালিত বুথফেরত জরিপে। এতে অর্থনীতি ও গণতন্ত্রের অবস্থা ভোটারদের প্রধান উদ্বেগ হিসেবে উঠে এসেছে।

জরিপে অংশ নেয়া অধিকাংশ ভোটার যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে নেতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছেন। প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ মনে করেন, ট্রাম্পের নীতির কারণে দেশটির অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়েছে। ১০ জনের মধ্যে ছয়জন জ্বালানি তেল ও খাদ্যের দাম নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন। দুই বছর আগের তুলনায় নিজেদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা খারাপ হয়েছে বলে জানিয়েছেন ১০ জনের মধ্যে চারজনের বেশি।

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নিয়েও অসন্তোষ রয়েছে ভোটারদের মধ্যে। প্রায় ১০ জনের মধ্যে ছয়জন মনে করেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেয়ার সিদ্ধান্তটি ভুল ছিল। তিন-চতুর্থাংশ ভোটার বলেছেন, এই সংঘাত কংগ্রেস নির্বাচনে তাদের ভোট দেয়ার সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ বা প্রধান প্রভাব ফেলেছে।

এ ছাড়া প্রায় ৯০ শতাংশ ভোটার সরকারি দুর্নীতিকে ভোট দেয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থা (আইসিই) যেভাবে দায়িত্ব পালন করছে, তা সমর্থন করেন না ১০ জনের মধ্যে ছয়জন।

এসএসআরএসের জরিপের এসব তথ্যের সঙ্গে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বিশ্লেষণেও ভোটারদের মধ্যে ট্রাম্প প্রশাসনের অর্থনৈতিক নীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে অসন্তোষের বিষয়টি উঠে এসেছে।

আরও