অগ্নিকাণ্ডে দম্পতির সঙ্গে পুড়ে মারা গেল ৭৩টি বিড়াল

স্থানীয় ও অনলাইন মাধ্যমে জানা গেছে, পরিবারটি প্রায় ১০০টি বিড়াল লালন-পালন করত। স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরেই এ দম্পতি পথের অসহায় বিড়াল উদ্ধার করে আশ্রয় দিতেন। মর্মান্তিক এ ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের একটি তিনতলা টাউনহাউসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এক দম্পতি ও তাদের পোষা ৭৩টি বিড়ালের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার সকালে ব্যাংককের থন বুরি জেলার সামরে এলাকার সোই তাকসিন ১১ নম্বর সড়কের একটি ভবনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থল থেকে দুই মাস বয়সী এক শিশু ও শয্যাশায়ী এক বৃদ্ধাকে জীবিত উদ্ধার করেছেন।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, সকালে আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। সে সময় আগুন নিচতলা থেকে দ্রুত দ্বিতীয় তলায় ছড়িয়ে পড়েছিল। পরে দমকল কর্মীদের প্রায় ১০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

অগ্নিকাণ্ডের পর ঘরের ভেতরের ছবি

দ্বিতীয় তলা থেকে ৬৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি ও তার ৫৫ বছর বয়সী স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সামরে থানার পুলিশ জানিয়েছে, ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় ও অনলাইন মাধ্যমে জানা গেছে, পরিবারটি প্রায় ১০০টি বিড়াল লালন-পালন করত। স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরেই এ দম্পতি পথের অসহায় বিড়াল উদ্ধার করে আশ্রয় দিতেন। মর্মান্তিক এ ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

ব্যাংককের গভর্নর চ্যাডচার্ট সিত্তিপুন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান, অগ্নিকাণ্ডে ৭৩টি বিড়াল মারা গেছে এবং ১৯টি বেঁচে আছে। এর মধ্যে ২টি বিড়াল ধোঁয়াজনিত কারণে হাসপাতালে শ্বাসকষ্টের চিকিৎসা নিচ্ছে। বাকি ১৭টিকে প্রাওয়েত জেলার একটি প্রাণী আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।

প্রাথমিক তদন্তে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে কর্তৃপক্ষ কাজ শুরু করেছে।

—খবর ব্যাংকক পোস্ট

আরও