ফ্লাইদুবাইয়ের একটি ফ্লাইট জরুরি অবতরণ করায় যাত্রীরা আটকে আছেন সৌদি আরবে। তাদের ফিরিয়ে নিতে দেশটিতে নিজেদের উড়োজাহাজ পাঠানোর অনুরোধ করেছে ইসরায়েল। তবে সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে রিয়াদ। গতকাল দেশটির দুটি নিরাপত্তা সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। খবর রয়টার্স।
সূত্র দুটি জানায়, সৌদি আরব থেকে ইসরায়েলিদের ফিরিয়ে নিতে সামরিক উড়োজাহাজ পাঠানোর অনুমতি চেয়েছিল তেল আবিব।
সৌদি আরবের সঙ্গে ইসরায়েলের কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই।
এ বিষয়ে সৌদি সরকারের মিডিয়া অফিস তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্যের অনুরোধেও জবাব দেয়নি।
ইসরায়েলি যাত্রীদের ফিরিয়ে নিতে বিমানবাহিনী সি-১৩০জে সুপার হারকিউলিস উড়োজাহাজ পাঠানোর প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছিল বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।
তবে যাত্রীরা ফ্লাইদুবাইয়ের উড়োজাহাজেই তাদের যাত্রা অব্যাহত রাখবেন বলে জানিয়েছে এয়ারলাইনস সংস্থাটি।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বুধবার জানান, দুবাই থেকে তেল আবিবগামী ওই ফ্লাইটের পাইলটকে ছুরিকাঘাত করে সহকারী পাইলট উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত করার চেষ্টা করেছিলেন। পরে যাত্রীরা তাকে ধরে ফেলেন এবং অন্য পাইলটরা নিরাপদে উড়োজাহাজটি সৌদি আরবে অবতরণ করান।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দেয়ার জন্য চাপ দিয়ে আসছেন। এই চুক্তির আওতায় কয়েকটি আরব দেশ তেল আবিবের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেছে। তবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দিকে অগ্রসর হওয়ার কোনো পথ তৈরি না হলে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দেবে না বলে দীর্ঘদিন ধরে অবস্থান জানিয়ে আসছে সৌদি আরব।
এদিকে সৌদি আরবের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা গতকাল সৌদি ও ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠকের খবর অস্বীকার করেছেন। এর আগে ইসরায়েলি গণমাধ্যমে বলা হয়েছিল, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) সফরের সময় নেতানিয়াহু মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন, যাদের মধ্যে একজন সৌদি কর্মকর্তাও ছিলেন।