আফগানিস্তানের ১০ স্থানে পাকিস্তানের বিমান হামলা, নিহত ৪

এক্সে দেয়া এক পোস্টে পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার বলেন, গতকাল আফগানিস্তানের ভূখণ্ড থেকে পাকিস্তানের দিকে ড্রোন উড়ানো হয়েছিল। পাকিস্তানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এসব ড্রোন শনাক্ত করে। নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানোর আগেই সেগুলোকে অনুসরণ করে নিষ্ক্রিয় করা হয়। এর পরই পাকিস্তান বিমানবাহিনী আফগানিস্তানের ১০টি স্থানে ‘নির্ভুল বিমান ও ড্রোন হামলা’ চালায়

আফগানিস্তানের অন্তত ১০টি স্থানে আজ বৃহস্পতিবার হামলা চালিয়েছে পাকিস্তানের বিমানবাহিনী। এসব হামলায় অন্তত চারজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে কাবুল। খবর রয়টার্স।

এদিকে, ইসলামাবাদ দাবি করছে, গতকাল আফগান ভূখণ্ডের এসব স্থান থেকে পাকিস্তানে ড্রোন হামলার চেষ্টা করা হয়েছিল। এর জবাবে আজকের হামলা চালানো হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার বলেন, গতকাল আফগানিস্তানের ভূখণ্ড থেকে পাকিস্তানের দিকে ড্রোন উড়ানো হয়েছিল। পাকিস্তানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এসব ড্রোন শনাক্ত করে। নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছনোর আগেই সেগুলোকে নিষ্ক্রিয় করা হয়।

এরপরই পাকিস্তান বিমানবাহিনী আফগানিস্তানের ১০টি স্থানে ‘নির্ভুল বিমান ও ড্রোন হামলা’ চালায় বলে জানান আতাউল্লাহ তারার। তার ভাষ্য, হামলাগুলো ‘শনাক্ত করা সামরিক লক্ষ্যবস্তুর’ মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। তিনি সতর্ক করে বলেন, আফগান তালেবান ভবিষ্যতে এ ধরনের ‘উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড’ চালালে তার জবাব ‘দৃঢ় ও কঠোরভাবে’ দেয়া হবে।

তবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ড্রোন হামলা চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছে তালেবানরা। তাদের প্রধান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ জানান, মিথ্যা অভিযোগে কান্দাহার, পাকতিয়া ও খোস্ত প্রদেশে বিমান হামলা চালানো হয়েছে। এর উপযুক্ত জবাব দেয়ারও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এক বিবৃতিতে জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেন, এ ধরনের ‘বেপরোয়া, অসতর্ক ও শত্রুতাপূর্ণ কর্মকাণ্ড’ নিঃসন্দেহে আফগান জনগণের ক্ষোভ উসকে দেবে এবং পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর জন্য বিরূপ পরিণতি বয়ে আনবে।

সীমান্তবর্তী পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে সশস্ত্র বিদ্রোহী তৎপরতা বাড়তে থাকায় দুই প্রতিবেশীর সম্পর্কে ক্রমেই টানাপোড়েন তৈরি হচ্ছে। ইসলামাবাদের অভিযোগ, আফগানিস্তান সীমান্তপারের হামলা চালানো ইসলামপন্থী জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে। তবে আফগানিস্তানের তালেবান সরকার এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তাদের দাবি, জঙ্গিবাদ পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সমস্যা।

আরও