গাজায় সাততলা ভবন ধসে নিহত ১২, ধ্বংসস্তূপে আটকা শতাধিক

ভবনটিতে এর আগে ইসরায়েলি বোমা হামলা হয়েছিল। সে হামলায় ভবনটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ফাটল ধরে। কাঠামোগতভাবে দুর্বল হয়ে পড়ায় সেটি ধসে পড়েছে। গাজায় দীর্ঘ যুদ্ধের কারণে হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা আংশিকভাবে ধ্বংস হয়েছে। যুদ্ধের মধ্যে মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় নির্মাণসামগ্রী প্রবেশেও কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক ভবন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে

গাজা সিটিতে যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি সাততলা আবাসিক ভবন ধসে অন্তত ১২ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে পাঁচ শিশু। আহত হয়েছেন আরো ১৪ জন। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো প্রায় ১০০ মানুষ আটকা পড়ে আছেন বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্স। পর্যাপ্ত উদ্ধার সরঞ্জাম না থাকায় ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়াদের কাছে পৌঁছাতে হিমশিম খাচ্ছে উদ্ধারকারী দল। খবর আল জাজিরাভ

ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্স জানায়, বোমা হামরায় ক্ষতিগ্রস্ত ভবনটি রাতের বেলা ধসে পড়ে। ধ্বংসস্তূপ থেকে আটকে পড়াদের উদ্ধারে কাজ করছে কর্তৃপক্ষ। ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছেন স্থানীয়রাও। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে সাহায্যের জন্য শিশুদের চিৎকার শোনা যাচ্ছিল বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

ভারী সরঞ্জাম প্রবেশে বিধিনিষেধ উদ্ধার তৎপরতাকে আরো জটিল করে তুলেছে উল্লেখ করে গাজা সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল আল জাজিরাকে তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম না থাকায় ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মানুষদের কাছে পৌঁছানো যাচ্ছে না। ভারি ধ্বংসাবশেষ সরানোর জন্য যে ধরনের যন্ত্রপাতি প্রয়োজন, সেগুলোরও তীব্র সংকট রয়েছে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভবনটিতে এর আগে ইসরায়েলি বোমা হামলা হয়েছিল। সে হামলায় ভবনটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ফাটল ধরে। কাঠামোগতভাবে দুর্বল হয়ে পড়ায় সেটি ধসে পড়েছে। গাজায় দীর্ঘ যুদ্ধের কারণে হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা আংশিকভাবে ধ্বংস হয়েছে। যুদ্ধের মধ্যে মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় নির্মাণসামগ্রী প্রবেশেও কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত এমন অনেক ভবন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে।

মাহমুদ বাসাল বলেন, উপযুক্ত আশ্রয়কেন্দ্র বা নিরাপদ তাঁবুর ব্যবস্থা না থাকায় অনেক ফিলিস্তিনি এমন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। এসব ভবন তাদের জীবনকে হুমকির মুখে ফেলছে।

আরও