পাশাপাশি শরীরে লবণ, খনিজ ও তরলের ভারসাম্য বজায় রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই কিডনিকে সুস্থ রাখতে প্রতিদিনের জীবনযাপনে কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন। কম লবণযুক্ত সুষম খাদ্য, পর্যাপ্ত শাকসবজি ও ফলমূল, পরিমিত প্রোটিন গ্রহণ এবং পর্যাপ্ত পানি পান কিডনির জন্য উপকারী। একই সঙ্গে রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা, নিয়মিত ব্যায়াম করা, ধূমপান ও অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা এবং অপ্রয়োজনে ব্যথানাশক ওষুধ সেবন না করাও জরুরি। প্রস্রাবে অস্বাভাবিক পরিবর্তন, শরীর ফুলে যাওয়া বা দীর্ঘদিন উচ্চ রক্তচাপের মতো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত কিডনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া উচিত। কারণ সময়মতো রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা শুরু করলে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।