শ্বাসকষ্ট ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি

কখন চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে?

যদি কারো নিয়মিত শ্বাসকষ্ট হয়, বিশেষ করে রাতে।

যদি কারো নিয়মিত শ্বাসকষ্ট হয়, বিশেষ করে রাতে। আবার যদি শ্বাসকষ্টের কারণে ঘুম ভেঙে যায় অথবা গলায় টান টান ভাব হয় বা শ্বাসকস্টের অনুভূতি হয় তাহলে তার চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া জরুরি।

শ্বাসকষ্ট একটি গুরুতর শারীরিক অবস্থা। এটি দেখা দিলে তাৎক্ষণিক চিকিৎসার প্রয়োজন। যদি ৩০ মিনিট বিশ্রাম নেয়ার পরও শ্বাস নিতে সমস্যা হয় তাহলে অবিলম্বে হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়া জরুরি। এছাড়া যদি নিম্নলিখিত সমস্যা থাকে তবে জরুরি সহায়তা নিন :

আঙুল বা ঠোঁট নীল বর্ণ ধারণ করলে

বুকে ব্যথা বা ভারী হওয়া

হৃৎস্পন্দন অস্বাভাবিক

মাত্রাতিরিক্ত জ্বর

চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনা

চিকিৎসক শ্বাসকষ্টের সমস্যাগুলোর অন্তর্নিহিত কারণ চিহ্নিত করে এবং সমাধান করার মাধ্যমে শ্বাসকষ্ট কমাতে আপনাকে সহায়তা করবেন। অন্তর্নিহিত অবস্থার ওপর নির্ভর করে চিকিৎসার মধ্যে নিম্নলিখিত এক বা একাধিক চিকিৎসা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে :

মেডিসিন: হাঁপানি ও সিওপিডিতে ব্রঙ্কোডাইলেটর নামক শ্বাস-প্রশ্বাসের ওষুধ শ্বাসনালিকে শিথিল করতে সাহায্য করে। শ্বাসকষ্টের ব্যথা উপশম করে এমন ওষুধ।

অক্সিজেন থেরাপি: একটি মাস্ক বা নাকের মধ্যে ঢোকানো টিউবের মাধ্যমে অতিরিক্ত অক্সিজেন রোগীকে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে সাহায্য করে। এটি শুধু চিকিৎসকের সুপারিশে দেয়া হয়। যখন রোগীর অক্সিজেনের মাত্রা কম থাকে।

পালমোনারি ইনফ্লামেটরি: ফুসফুসের কার্যকারিতা উন্নত করার জন্য শ্বাস-প্রশ্বাসের কৌশল এবং শারীরিক প্রশিক্ষণের একটি প্রোগ্রাম।

সংক্রমণজনিত চিকিৎসা: যদি শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কারণে লক্ষণগুলো দেখা দেয় তবে অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ দেয়া যেতে পারে।

আরও