শ্বাসকষ্ট ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি

শ্বাসকষ্টের প্রকারভেদ ও কারণ

তীব্র শ্বাসকষ্ট: স্থায়িত্ব কয়েক মিনিট থেকে কয়েক ঘণ্টা হতে পারে।

তীব্র শ্বাসকষ্ট: স্থায়িত্ব কয়েক মিনিট থেকে কয়েক ঘণ্টা হতে পারে।

দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসকষ্ট: সপ্তাহ বা তার বেশি সময় ধরে থাকে, প্রায়ই দীর্ঘমেয়াদি কোনো স্বাস্থ্য সমস্যার সঙ্গে যুক্ত।

শ্বাসকষ্ট: শারীরিক কার্যকলাপের ফলে উদ্দীপিত হয় এবং বিশ্রামের সঙ্গে সঙ্গে ঠিক হয়।

অর্থোপনিয়া: ঘুমানোর সময় বা সোজা শুয়ে শ্বাসকষ্ট।

প্যারোক্সিসমাল নাইটকার্নাল ডিসপনিয়া (পিএনডি): রাতে হঠাৎ শ্বাসকষ্ট, সাধারণত হৃদযন্ত্রের ব্যর্থতার কারণে এ ধরনের শ্বাসকষ্ট হয়।

কারণ: শ্বাসকষ্টের কারণে একজন স্বাভাবিক ব্যক্তির শ্বাস নেয়ার ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে। অন্যান্য রোগের কারণেও শ্বাসকষ্ট হতে পারে। যেমন:

শ্বাস-প্রশ্বাসের সংক্রমণ

হাঁপানি

ক্রনিক অবস্ট্রাক্টিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি)

হৃদরোগ (যেমন হৃদযন্ত্রের সমস্যা বা অ্যারিথমিয়া)

উদ্বেগ ও প্যানিক ডিজঅর্ডার

শারীরিক পরিশ্রম

স্থূলতা

অ্যালার্জি (শ্বাসকষ্টজনিত অ্যালার্জিসহ)

পরিবেশগত কারণ (যেমন দূষণ, ধোঁয়া)

ঘুমের ব্যাঘাত (যেমন ঘুমের সময় শ্বাসকষ্ট)

আরও