থাইরয়েড স্টর্ম কী

থাইরয়েডের দুটি ভাগ আছে— হাইপোথাইরয়েডিজ়ম ও হাইপারথাইরয়েডিজ়ম। এ হাইপোথাইরয়েডিজ়মের মাত্রা বাড়লেই তা থাইরয়েড স্টর্মের রূপ নেয়।

থাইরয়েডের দুটি ভাগ আছে— হাইপোথাইরয়েডিজ়ম ও হাইপারথাইরয়েডিজ়ম। এ হাইপোথাইরয়েডিজ়মের মাত্রা বাড়লেই তা থাইরয়েড স্টর্মের রূপ নেয়। ফলে থাইরয়েড হরমোনের অত্যধিক হারে ক্ষরণ শুরু হয়, যা শরীরের নানা অঙ্গের ক্ষতি করতে শুরু করে।

থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন শরীরের বিভিন্ন কাজ নিয়ন্ত্রণ করে, যেমন বিপাকক্রিয়া, বুদ্ধিমত্তার বিকাশ, শরীরের বৃদ্ধি ও গঠন, নারীদের ঋতুচক্র, গর্ভধারণ ইত্যাদি। থাইরয়েড হরমোন দুই প্রকার—টি-থ্রি ও টি-ফোর, যা নির্দিষ্ট মাত্রায় রক্তে থাকে। এ দুই হরমোনের ক্ষরণ যখন অস্বাভাবিক বেড়ে বা কমে যায়, তখনই থাইরয়েড হয়। হাইপোথাইরয়েডিজ়মের ক্ষেত্রে হরমোনের মাত্রা কমে যায়। তবে যদি এ থাইরয়েডের চিকিৎসা সঠিক সময়ে না হয়, তখন হরমোনের ভারসাম্য এতটাই বিগড়ে যায় যে রক্তে টি-থ্রি ও টি-ফোরসহ আরো নানা হরমোনের ক্ষরণও বাড়তে শুরু করে। একটা পর্যায়ে গিয়ে থাইরয়েড হরমোনের বিস্ফোরণ ঘটে শরীরে, তখন নানা উপসর্গ দেখা দিতে থাকে।

লক্ষণ

 ১০২ ডিগ্রির ওপরে জ্বর থাকবে।

 হৃৎস্পন্দনের হার মারাত্মকভাবে বেড়ে যাবে। রোগীর বুক ধড়ফড়, শ্বাসকষ্ট শুরু হবে।

 বুক জ্বালা, বমি ভাব, পেট ব্যথা, এমনকি ডায়রিয়ার উপসর্গও দেখা দেবে।

 নানা ধরনের মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। যেমন উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বেড়ে যাবে। ভুলে যাওয়ার সমস্যা বাড়বে। অবসাদ দেখা দেবে।

 ওজন বাড়া, ঠাণ্ডা ভালো না হওয়া, পেশি ও অস্থিসন্ধিতে ব্যথা, চুল পড়ে যাওয়া, পা ও মুখ ফুলে যাওয়া, গলার স্বর পাল্টে যাওয়া, ত্বক শুষ্ক হওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেবে।

আরও