বিভিন্ন কারণে মাথাব্যথা হতে পারে। এর মধ্যে মাইগ্রেন অন্যতম। এ মাথাব্যথার সঙ্গে জীবনাচরণের কিছু সম্পর্ক রয়েছে। কাজেই কিছু বিষয়ে সচেতন হলে এর থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব।
- কিছু তেল রয়েছে, যা ব্যবহার করলে মাইগ্রেনের ব্যথা উপশম হয়।
- ডিহাইড্রেশন মাইগ্রেনের ব্যথা বাড়ায়। যে কারণে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে হবে।
- প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া কমিয়ে দিতে হবে। স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার দিকে নজর দিতে হবে।
- ক্যাফেইনে মাথাব্যথা কমায়। কিন্তু অতিরিক্ত পরিমাণে গ্রহণ স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে।
- আদায় অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি গুণ রয়েছে। তাই আদা চা মাইগ্রেনের তীব্রতা কমাতে সাহায্য করতে পারে।
- মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হয়ে গেলে পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে (বিশেষ করে বমি হলে)। এছাড়া বিশ্রাম নিতে হবে। ঠাণ্ডা কাপড় মাথায় জড়িয়ে রাখলে কিছুটা আরাম পাওয়া যাবে। কিছু খাবার মাইগ্রেনের সমস্যা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
- নিয়মিত ঘুমের ধরন এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম অপরিহার্য। ঘুম-সম্পর্কিত মাইগ্রেন এড়াতে ঘুমের সময়সূচি বজায় রাখতে হবে।
- ম্যাগনেশিয়ামসমৃদ্ধ ঢেঁকিছাঁটা চালের ভাত, আলু ও বার্লি অন্যতম। বিভিন্ন ফল, বিশেষ করে খেজুর ও ডুমুর ব্যথা উপশম করে। সবুজ শাকসবজি, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন-ডি মাইগ্রেন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। তিল, আটা ও বিটে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম থাকে।
- মাইগ্রেনের সমস্যায় চকোলেট, দুগ্ধজাত খাবার, টমেটো, সাইট্রাস ফল (লেবু, কমলালেবু ইত্যাদি), গমজাতীয় খাবার ও চীনাবাদাম এড়িয়ে চলাই ভালো।
- দুশ্চিন্তা কমিয়ে আনতে হবে। দুশ্চিন্তা মাইগ্রেনের ব্যথা বাড়িয়ে দেয়।