ভিটামিন ডির ঘাটতি

অভাবে ঘটতে পারে ঘুমে ব্যাঘাত

আমরা আমাদের জীবনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ঘুমিয়ে কাটাই।

আমরা আমাদের জীবনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ঘুমিয়ে কাটাই। অনেক চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞ পরামর্শ দেন একটি স্বাস্থ্যকর জীবনধারা নিশ্চিত করতে প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতিদিন ন্যূনতম ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানো উচিত। আমাদের ঘুম-জাগরণ চক্র মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাসে অবস্থিত বিভিন্ন হরমোন ও নিউরন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

ঘুমের গুণমানে ভিটামিন ডির ভূমিকা

ভিটামিন ডি একটি চর্বি-দ্রবণীয় ভিটামিন, যা খাদ্য থেকে গ্রহণ করতে হয়। অথবা সূর্যালোকের সাহায্যে শরীরে সংশ্লেষিত করতে পারেন। ভিটামিন ডির অভাবে শরীরে বিভিন্ন ধরনের রোগ হতে পারে। যেমন সংক্রামক রোগ, কার্ডিওভাসকুলার রোগ ও অন্যান্য ঘুমের সমস্যা।

বিশেষ করে যেসব রোগীর ঘুম দরকার তাদের ভিটামিন ডি ঘাটতি হলে কম ঘুম, সারাদিন তন্দ্রাচ্ছন্নতা এবং ঘুমের গুণমান খারাপ হতে পারে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে ভিটামিন ডির অভাবে যে রোগগুলোর ঝুঁকি বাড়ে, সেগুলো হলো অনিদ্রা, ঘুমের ব্যাঘাত ও স্লিপ অ্যাপনিয়া।

ভিটামিন ডির অভাবে ঘুমের যে সমস্যাগুলো রয়েছে, সেগুলো হলো স্লিপ অ্যাপনিয়া। স্লিপ অ্যাপনিয়া হলো এমন একটি অবস্থা যার কারণে ঘুমের সময় শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। ভিটামিন ডির মাত্রা শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি ঘুমকেও প্রভাবিত করে। দিনের বেলায় যে ধরনের সমস্যাগুলো দেখা দেয়, সেগুলো হলো সবসময় ক্লান্তি বোধ করা, দিনের বেলায় তন্দ্রাভাব, ডিপ্রেশন, উদ্বেগ। এটি ছাড়াও অন্যান্য বিভিন্ন জটিলতাও অনুভব করতে হতে পারে, তা হলো স্মৃতিশক্তি হ্রাস। এটি ব্যক্তির মেজাজ ও আবেগকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। ফলে বিরক্তি ও মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। কিছু গবেষণা এও পরামর্শ দেয় পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম আমাদের শরীর দ্বারা ভিটামিন ডি শোষণ বৃদ্ধির সরাসরি সমানুপাতিক।

চিকিৎসকরা পরামর্শ দেন প্রতিদিন ১০-৩০ মিনিট সরাসরি সূর্যালোক ভিটামিন ডির মাত্রা বাড়ায়। সময় ও শোষণের মাত্রা বয়স, ঋতু ও দিনের সময়ের ওপর নির্ভর করে। তবে ক্যান্সার বা ত্বকের কিছু রোগের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত।

আরও