দীর্ঘস্থায়ী কোনো রোগে আক্রান্ত হলে তার চিকিৎসা করানো: দীর্ঘস্থায়ী কোনো রোগে ভুগে থাকলে সেক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। যেমন হৃদরোগ। এ ধরনের রোগীদের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসা নেয়া জরুরি। এতে ব্যক্তির হাইপোক্সিয়াও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।
উঁচু জায়গা এড়িয়ে চলা: যাদের উঁচু জায়গায় গেলে শ্বাসকষ্ট হয়, তাদের সেসব জায়গায় চড়া এড়িয়ে চলতে হবে। গেলেও প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ করতে পারেন বা ধীরে ধীরে সে জায়গার সঙ্গে অভিযোজন করে নিতে পারেন।
ধূমপান ত্যাগ: তামাক অনেক রোগের মূল কারণ। ধূমপান ত্যাগ করলে দীর্ঘস্থায়ী ফুসফুসের রোগ এবং হাইপোক্সিয়ার ঝুঁকি কমে।
স্বাস্থ্যকর জীবনধারা: নিয়মিত ব্যায়াম, সুষম খাদ্য এবং স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা সামগ্রিক শ্বাসযন্ত্রের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে পারে এবং হাইপোক্সিয়ার ঝুঁকি কমাতে পারে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থা: কার্বন মনোক্সাইডের মতো বিষাক্ত পদার্থের সংস্পর্শে আসা সম্ভব এমন পরিবেশে, সঠিক বায়ু চলাচল এবং কার্বন মনোক্সাইড ডিটেক্টর ব্যবহার বিষক্রিয়া প্রতিরোধ করতে পারে এবং পরবর্তী হাইপোক্সিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
টিকা নেয়া: ইনফ্লুয়েঞ্জা ও নিউমোনিয়ার বিরুদ্ধে টিকাকরণ শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে পারে। যার ফলে ব্যক্তি হাইপোক্সিয়া থেকে অনেকাংশে সুরক্ষিত থাকবে।