ইস্ট্রোজেন হরমোন উৎপাদন যখন শরীরে একেবার বন্ধ হয়ে যায় এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়ে নারীদের হাড় ও হৃৎপিণ্ডের ওপর। তখন যদি থেরাপির মাধ্যমে এ হরমোন প্রতিস্থাপন করা যায় এবং শরীরে ইস্ট্রোজেন হরমোনের পরিমাণ ঠিক রাখা যায় তাহলে শরীরে এর নেতিবাচক প্রভাব কিছু কমানো সম্ভব
হরমোন বদলের ফলে নারীর শরীরে ব্যাপক প্রভাব পড়ে। মেনোপজের পর শরীর অদ্ভুত সব আচরণ শুরু করে। অবশ্য পরিবর্তনটা দেখা যায় মেনোপজ শুরু হওয়ার আরো আগে থেকেই। এ স্তরকে তাই বলা হয় প্রি-মেনোপজ। মেনোপজের সময় আকস্মিকভাবে আগুনের হল্কার মতন শরীরে গরম অনুভূত হওয়া, রাতের বেলায় ঘাম হওয়া, ঘুম না হওয়া, দুশ্চিন্তা হওয়া, মনমরা ভাব এবং যৌনতায় বা মিলনে আগ্রহ হারিয়ে ফেলার ঘটনা অতি সাধারণ। এছাড়া মূত্রথলিতে সমস্যা এবং যোনিপথ শুষ্ক হয়ে যাওয়ার ঘটনাও খুব স্বাভাবিক।
আর ইস্ট্রোজেন হরমোন উৎপাদন যখন শরীরে একেবার বন্ধ হয়ে যায় তখন এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়ে নারীদের হাড় ও হৃৎপিণ্ডের ওপর। যদি থেরাপির মাধ্যমে এ হরমোন প্রতিস্থাপন করা যায় এবং শরীরে ইস্ট্রোজেন হরমোনের পরিমাণ ঠিক রাখা যায় তাহলে শরীরে এর নেতিবাচক প্রভাব কিছু কমানো সম্ভব।
ইস্ট্রোজেন হরমোনের অভাবে অনেক গরম লাগে। এটি মানুষের ব্রেইন বা মস্তিষ্কের সঙ্গে সম্পৃক্ত। সাধারণত তাপমাত্রার পরিবর্তন হলে শরীর সেটির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয়। কিন্তু যখন ইস্ট্রোজেন হরমোন কমে যায়, মানবদেহের থার্মোস্ট্যাট বা তাপমাত্রা বোধের বিষয়টি এলোমেলো কিংবা দুর্বল হয়ে যায়। ফলে অনেক সময় মস্তিষ্ক মনে করে শরীরে অতিমাত্রায় গরম লাগছে।
ইস্ট্রোজেন হরমোনের কারণে মানুষের মুড বা মেজাজের ওপরও প্রভাব পড়ে। এ হরমোনের পরিমাণ কমে গেলে দুশ্চিন্তা বাড়তে পারে ও মনমরা ভাব হতে পারে।