এটি প্রতিরোধে নিয়মিত ও সুষম খাদ্যাভ্যাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত ৩-৪ ঘণ্টা অন্তর অল্প পরিমাণে খাবার খাওয়া, জটিল কার্বোহাইড্রেট বেছে নেয়া এবং পর্যাপ্ত প্রোটিন ও ফাইবার গ্রহণ করলে রক্তে শর্করার ওঠানামা কমে।
খাবার গ্রহণের নিয়ম
১. ঘন ঘন অল্প পরিমাণে খাবার খান, দীর্ঘক্ষণ খালি পেটে থাকবেন না। দিনে তিনটি বড় মিলের পরিবর্তে পাঁচ-ছয়টি ছোট মিল গ্রহণ করুন।
২. জটিল কার্বোহাইড্রেট বেছে নিন। লাল চালের ভাত, ওটস, আটার রুটি, ডাল ও শাকসবজি খেতে পারেন। এসব খাবার ধীরে ধীরে গ্লুকোজ সরবরাহ করে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে।
৩. প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর চর্বি রাখুন। মাছ, মুরগির মাংস, ডিম, ডাল ও দুগ্ধজাত খাবার প্রোটিনের ভালো উৎস। বাদাম, বীজ, অলিভ অয়েল ও অ্যাভোকাডো স্বাস্থ্যকর চর্বির উৎস হিসেবে উপকারী।
৪. ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার খান। শাকসবজি, ফলমূল, ডাল, বাদাম ও বীজজাতীয় খাবার খাদ্যতালিকায় রাখুন। ফাইবার রক্তে শর্করার দ্রুত বৃদ্ধি ও পতন প্রতিরোধে সহায়তা করে।
যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন
অতিরিক্ত মিষ্টি, ক্যান্ডি, চকোলেট ও কোমল পানীয়।
পরিশোধিত চিনি ও অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার।
অ্যালকোহল, বিশেষ করে খালি পেটে।