নিউরোপ্যাথিক ব্যথা

স্নায়ুতন্ত্রের সুস্থতায় জরুরি খাবার

স্নায়ুর রোগে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। পা, কোমর, ঘাড়ে ব্যথার কারণ হচ্ছে নার্ভ। তবে এ রোগের মুক্তি কিন্তু শুধু ওষুধে সম্ভব নয়। ডায়েটে জোর দিতে হবে বলেই জানান বিশেষজ্ঞরা।

স্নায়ুর রোগে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। পা, কোমর, ঘাড়ে ব্যথার কারণ হচ্ছে নার্ভ। তবে এ রোগের মুক্তি কিন্তু শুধু ওষুধে সম্ভব নয়। ডায়েটে জোর দিতে হবে বলেই জানান বিশেষজ্ঞরা। নার্ভের ক্ষতি আটকাতে হলে স্নায়ুকে সুস্থ রাখলেই অনেক সমস্যার সমাধান করা যায়। তবে বর্তমানে অনেক ব্যক্তি নার্ভের রোগে ভুগছেন। তাই তাদের ডায়েটে এমন কিছু খাবার যুক্ত করতে হবে, যা স্নায়ুর জটিলতা দূর করতে সক্ষম।

স্নায়ু খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। আমাদের মস্তিষ্ক থেকে নানা সংকেত শরীরের সব জায়গায় পৌঁছায় নার্ভের মাধ্যমে। এছাড়া শরীরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকেও নানা সংকেত নিয়ে মাথায় পৌঁছে দেয়। এরা অনেকটা বিদ্যুতের তারের মতো কাজ করে, যার মাধ্যমে সংকেত পৌঁছে যায়।

স্নায়ুর সমস্যায় আক্রান্ত অনেকে। এর পেছনে নানা কারণ থাকতে পারে। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, ডায়েট ঠিক না থাকায় স্নায়ুর পুষ্টিতে ঘাটতি হচ্ছে। ফলে নানা অসুখে আক্রান্ত হচ্ছে। স্নায়ুর খেয়াল রাখতে চাইলে কয়েকটি খাবার অবশ্যই খেতে হবে।

 সমুদ্রিক মাছ

স্নায়ুর সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে গেলে ভিটামিন বি১২ দরকার। এই ভিটামিন সব খাবারে পাওয়া যায় না। এক্ষেত্রে টুনা, সার্ডিন, স্যালমনের মতো সামুদ্রিক মাছে এই ভিটামিন বেশি পরিমাণে থাকে। এ মাছে আছে ওমেগা থ্রি। এ উপাদানও স্নায়ুর জন্য উপকারী। মাছ ডায়েটে রাখতে হবে। দেশীয় ছোট মাছেও এ উপাদান আছে।

 মুরগির মাংস স্নায়ুর জন্য উপকারী

মুরগির মাংসে রয়েছে ভিটামিন বি৬। ভিটামিন বি১২-কে শরীরে গ্রহণ করতে সাহায্য করে এ ভিটামিন। তাই স্নায়ুর জন্য মুরগির মাংস ভালো। এ খাবারে এছাড়াও রয়েছে প্রোটিনের প্রাচুর্য। ফলে পেশির ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে চাইলেও এ মাংস খাওয়া জরুরি।

 বিনস, মটরশুঁটি

স্নায়ু সুস্থ রাখতে প্রয়োজন হয় ভিটামিন বি১। এই ভিটামিনটি দেহে ভিটামিন বি৬ গ্রহণে সাহায্য করে। ফলে স্নায়ু নিজের কাজ অনবরত করে যেতে পারে। এমনকি ব্যথা, অসাড় ভাব দূর হয়। বিনস, মটরশুঁটিতে এই ভিটামিন থাকে। তাই নিয়মিত এই দুই সবজি খেতে হবে। এছাড়া এতে পেয়ে যাবেন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা নানাবিধ শারীরিক সমস্যা দূর করে। এমনকি স্নায়ুর প্রদাহ কমায়।

 সয়াবিন, পালংশাক

ভিটামিন বি২ সবারই প্রয়োজন। এ ভিটামিনও নার্ভের খেয়াল রাখে। এক্ষেত্রে সয়াবিন, পালংশাকের মতো খাবারে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি২ পেয়ে যাবেন। এছাড়া এ খাবারগুলোতে রয়েছে প্রোটিন। এ প্রোটিন পেশির ক্ষমতা বৃদ্ধি করতেও সাহায্য করে। তাই নিয়মিত সয়াবিন ও পালংশাক খেলে স্নায়ুর যন্ত্রণা কমে।

 সবুজ শাকসবজি

সবুজ শাকসবজিতে রয়েছে পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম। এই দুই উপাদান স্নায়ুর কাজ করার জন্য প্রয়োজন। এছাড়া এতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা নার্ভের প্রদাহ কমায়। ফলে স্নায়ুর অসাড় ভাব অনায়াসে কাটে। তাই নিয়মিত মৌসুমি তাজা শাকসবজি খাওয়া জরুরি।

আরও