টাইফয়েড মোকাবেলায় ভ্যাকসিনের যাত্রা

১৮৯৬ সালে ব্রিটিশ চিকিৎসাবিজ্ঞানী আলম্রোথ এডওয়ার্ড রাইট, রিশার্ড ফাইফার ও ভিলহেলম কোল্লে ব্যাকটেরিয়া ব্যবহার করে প্রথম টাইফয়েডের ভ্যাকসিন তৈরি করেন।

টাইফয়েড প্রতিরোধে ভ্যাকসিনের যাত্রা শুরু হয় উনিশ শতকের শেষ দিকে। ১৮৯৬ সালে ব্রিটিশ চিকিৎসাবিজ্ঞানী আলম্রোথ এডওয়ার্ড রাইট, রিশার্ড ফাইফার ও ভিলহেলম কোল্লে ব্যাকটেরিয়া ব্যবহার করে প্রথম টাইফয়েডের ভ্যাকসিন তৈরি করেন। বর্তমানে কয়েক ধরনের টিকা পাওয়া যায়, যেমন টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাক্সিন (টিসিভি), টিওয়াই২১এ (মুখে খাওয়ার জীবন্ত টিকা) এবং ভি‌আই ক্যাপসুলার পলিস্যাকারাইড ভ্যাকসিন (ইনজেকশনের মাধ্যমে দেয়া হয় এমন উপএকক টিকা)। ধরনের ওপর নির্ভর করে টাইফয়েড টিকা প্রায় ৫০ থেকে ৮৫ শতাংশ কার্যকর। বর্তমানে টিসিভি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরোধক টিকাগুলোর একটি। ২০১৭ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষজ্ঞরা টাইফয়েডপ্রবণ দেশগুলোয় ছয় মাসের বেশি বয়সী শিশুদের নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে টিসিভি যুক্ত করার সুপারিশ করেন। আধুনিক ভ্যাকসিনের বিস্তৃত ব্যবহার রোগের প্রকোপ কমানোর পাশাপাশি সংক্রমণের বিস্তার কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

আরও