- দাঁড়ানো, জিনিস তোলা বা খেলাধুলা করতে অসুবিধার মতো উপসর্গগুলো থাকলে সেগুলোর অনুসন্ধান।
- পারিবারিক ইতিহাস বিশ্লেষণ করা।
- শারীরিক পরীক্ষা।
- রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে ক্রিয়েটিন কিনাসের মূল্যায়ন, যা মাংসপেশি ক্ষতিগ্রস্ত হলে রক্তে বিমুক্ত হয় এবং পেশি কোষের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি খোঁজে।
- পেশি সংকোচন এবং স্নায়ু স্পন্দন পর্যবেক্ষণ করতে পেশি ও স্নায়ুর ওপর ইলেকট্রিক্যাল টেস্ট।
- পেশিকলার নমুনা সংগ্রহ করে অণুবীক্ষণ যন্ত্রে পেশি প্রোটিনের পরীক্ষাসহ পেশির বায়োপসি। ক্ষতিগ্রস্ত পেশি এবং ক্ষতির পরিসর শনাক্ত করার জন্য বিস্তারিত ছবি পেতে এমআরআই ও সিটি স্ক্যান।
- শ্বাস-প্রশ্বাস এবং হার্টের উপসর্গের ওপর নজর রাখতে বুকের এক্স-রে, ইসিজি আর টু-ডি ইকোকার্ডিওগ্রাম।
- ডিস্ট্রোফিন জিনের মিউটেশন শনাক্তের উদ্দেশে জেনেটিক টেস্ট।