ফুসফুস আমাদের দেহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর একটি। ফুসফুস ভালো রাখতে যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন। শ্বাসপ্রশ্বাস, রক্তে অক্সিজেন প্রবেশ, কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণসহ দেহের অনেক জরুরি কাজ করে। সুস্থ ফুসফুসের কারণে মানুষ সুস্থভাবে জীবনযাপন করে। এছাড়া এমন কিছু খাবার আছে, যা নিশ্বাসের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়ায়।
মধু: প্রাকৃতিক মিষ্টি ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্যের জন্য জনপ্রিয় মধু। হালকা গরম পানিতে এক চামচ মধু ফুসফুস পরিষ্কার করার জন্য অত্যন্ত উপকারী। এটি শ্বাসকষ্ট কমায়। ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বজায় রাখতেও এটি সহায়ক।
ব্রোকলি: ব্রোকলি ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়ায়। এতে থাকা বিভিন্ন উপাদান ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমায়। ব্রোকলিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সি থাকায় এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে।
আপেল: আপেলে থাকা ফ্ল্যাভনয়েড ফুসফুসের ক্ষতি হওয়া প্রতিরোধ করে। এতে থাকা ভিটামিন সি ও ই শ্বসনতন্ত্রের জন্য উপকারী।
গাজর: গাজরে থাকা বিটা ক্যারোটিন ফুসফুসের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। গবেষকরা বলছেন, বিটা ক্যারোটিন এমন একটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা ফুসফুসকে ফ্রি রেডিকেলের হাত থেকে রক্ষা করে। এটি খেলে ফুসফুস ক্যান্সারেরও ঝুঁকি কমে।
বাদাম ও বীজ: প্রায় সব ধরনের বাদাম নিশ্বাস উন্নত করে। এতে থাকা ম্যাগনেশিয়াম ফুসফুসের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
আদা: আদায় থাকা অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়ায়। সেই সঙ্গে যেকোনো সংক্রমণ কমাতে সাহায্য করে।
হলুদ: রান্নার উপকরণ হিসেবে পরিচিত হলুদ ফুসফুসের জন্য দারুণ উপকারী। নিয়মিত হলুদ চা কিংবা সামান্য কাঁচা হলুদ খেলে শরীরের প্রদাহ কমে। গবেষণায় দেখা গেছে, হলুদ খেলে ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমে।
বাঁধাকপি: ব্রোকলির মতো বাঁধাকপিও শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়।