নিয়মিত শরীরচর্চা, স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা, পর্যাপ্ত ঘুম এবং ধূমপান থেকে দূরে থাকাও গুরুত্বপূর্ণ।
যোনির ভেতর পরিষ্কার করার জন্য ডুচিং না করাই ভালো। এতে স্বাভাবিক উপকারী ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। সুগন্ধি, রঙ বা জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করতে পারে, এমন পণ্য যৌনাঙ্গের আশপাশে ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকতে হবে।
প্রস্রাবের বেগ দীর্ঘ সময় চেপে না রাখাই ভালো। তবে প্রস্রাব চেপে রাখাকে সরাসরি জরায়ুর রোগের কারণ হিসেবে দেখা ঠিক নয়; এটি মূলত মূত্রনালির স্বাস্থ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত।
ধূমপানও পরিহার করা জরুরি। ধূমপান প্রজনন স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে এবং গর্ভধারণের সক্ষমতাও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
শুধু খাবারের ওপর নির্ভর নয়
জরায়ুর স্বাস্থ্য ভালো রাখতে খাবারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হলেও শুধু খাদ্যাভ্যাস দিয়ে জরায়ুর রোগ প্রতিরোধ বা চিকিৎসা করা যায় না। অতিরিক্ত মাসিক রক্তপাত, তীব্র মাসিক ব্যথা, অনিয়মিত মাসিক, সহবাসে ব্যথা, অস্বাভাবিক যোনিপথের রক্তপাত বা দীর্ঘদিন গর্ভধারণে সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া প্রয়োজন।
ফাইব্রয়েড, এন্ডোমেট্রিওসিস, পলিপসহ বিভিন্ন গাইনোকোলজিক্যাল সমস্যার চিকিৎসা প্রয়োজন হতে পারে। তাই কোনো নির্দিষ্ট খাবারকে এসব রোগের ‘চিকিৎসা’ বা ‘প্রতিরোধের নিশ্চয়তা’ হিসেবে দেখা উচিত নয়।
জরায়ুর স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সবচেয়ে কার্যকর পথ হলো বৈচিত্র্যময় ও সুষম খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন বজায় রাখা। খাদ্যতালিকায় শাকসবজি, ফল, পূর্ণ শস্য, মাছ, বাদাম ও স্বাস্থ্যকর চর্বি বাড়ানো এবং অতিরিক্ত চিনি, প্রক্রিয়াজাত খাবার ও অস্বাস্থ্যকর চর্বি কমানোই হতে পারে ভালো শুরুর পথ।