তাই বয়স বাড়লেও শারীরিক সক্ষমতা অনুযায়ী নিয়মিত হালকা ব্যায়াম ও হাঁটার অভ্যাস করা উচিত। এতে শরীর সচল থাকার পাশাপাশি মনও ভালো রাখতে সাহায্য করে। সকালে বা বিকালে কিছুক্ষণ হাঁটা, হালকা স্ট্রেচিং, সহজ ব্যায়াম কিংবা উপযুক্ত যোগব্যায়াম করা যেতে পারে। নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রম পেশিশক্তি ও নমনীয়তা ধরে রাখতে এবং দৈনন্দিন কাজ করার সক্ষমতা বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে। বয়স্কদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য পুষ্টিকর খাবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বয়স বাড়ার সঙ্গে ক্ষুধা কমে যেতে পারে বা খাবারের প্রতি আগ্রহে পরিবর্তন আসতে পারে। তাই তাদের নিয়মিত, সুষম ও সহজপাচ্য খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। দীর্ঘদিন ক্ষুধামান্দ্য, ওজন কমে যাওয়া বা খাবার খেতে অসুবিধা হলে কারণ নির্ণয় ও প্রয়োজনীয় পরামর্শের জন্য চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।