অ্যান্টিঅক্সিডেন্টযুক্ত খাবার রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়ায় এবং কোষকে সুস্থ রাখে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট-জাতীয় খাবারের মধ্যে রয়েছে রসুন, খেজুর, কলা ও গাজর। এসব খাবার প্রাকৃতিকভাবে শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়ায়। নির্দিষ্ট কিছু খাবার রয়েছে যা শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়ায়
লেবু : শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়ানোর জন্য লেবু অন্যতম সেরা খাবার। লেবু ঠাণ্ডা, কাশি, বুকজ্বালা ও অতিসংবেদনশীলতার মতো রোগের চিকিৎসা করে। লেবু লিভারকে বিষমুক্ত করে এবং বর্জ্য পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে। অক্সিজেনের মাত্রা ও সামগ্রিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে খালি পেটে এক গ্লাস উষ্ণ লেবু পানি পান করা জরুরি।
হলুদ: হলুদ শরীরে নাইট্রিক অক্সাইডের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। যা রক্তনালিকে প্রশস্ত করে এবং গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোয় রক্তপ্রবাহে সাহায্য করে। ফলে শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। হলুদ শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতাও বাড়ায়।
পালংশাক: পালংশাকের মতো সবুজ শাকসবজি নাইট্রেটের একটি সমৃদ্ধ উৎস। শরীর নাইট্রেটকে নাইট্রিক অক্সাইডে রূপান্তর করে। সবুজ শাক খেলে শরীরে কোনো বাধা ছাড়াই রক্ত প্রবাহিত হয়। পালংশাক রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। ধমনি প্রসারিত করে। যার ফলে অক্সিজেনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়।
আঙুর: আঙুরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা রক্তের প্রবাহ উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এতে হরমোনের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এমন বেশকিছু এনজাইমও রয়েছে। গাঢ় বেগুনি রঙের আঙুরে রক্ত সঞ্চালনের সমস্যা কম হয় এবং শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়।
অ্যাভোকাডো: অ্যাভোকাডোতে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি থাকে। এর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন এ, বি৩, বি৬, বি১২, কোলিন, ফোলেট ও স্বাস্থ্যকর চর্বি। এ পুষ্টি উপাদানগুলো অক্সিজেনের মাত্রা বাড়ায়, কোলেস্টেরল কমায়, রক্তে শর্করার মাত্রা এবং লিপিড প্রোফাইল নিয়ন্ত্রণ করতে, ডিএনএ সুরক্ষিত করতে, হৃদযন্ত্রের কার্যকারিতা উন্নত করতে, দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে এবং ওজন বজায় রাখতে সহায়তা করে। অ্যাভোকাডো স্মুদি, সালাদ করেও খাওয়া যায়।
বাদাম: বাদাম একটি পুষ্টিগুণসম্পন্ন খাবার। বাদাম হৃৎপিণ্ড ও রক্তনালিগুলোর জন্য অত্যন্ত উপকারী। এগুলো শরীরে মসৃণ রক্তপ্রবাহ ঠিক করে এবং অক্সিজেনের মাত্রা বাড়ায়। ক্ষুধা নিবারণ এবং শক্তির মাত্রা বাড়াতে নাশতা হিসেবে কয়েকটি বাদাম খাওয়া উচিত।