পেট্রোস্টেট বনাম ইলেক্ট্রোস্টেট

ইরান যুদ্ধ দেখাল— বিশ্ব কীসে আটকায়

এ ধরনের সংকট নতুন কিছু নয়, বরং গত ছয় বছরের তৃতীয় বড় ধাক্কা ছিল ইরান যুদ্ধ। এর আগে বিশ্ব দেখেছে কভিড-১৯ মহামারী ও ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ। কিন্তু ইরান যুদ্ধ একটি বিষয় স্পষ্ট করে দিয়েছে, বিশ্ব অর্থনীতি এখনো গভীরভাবে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল

ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় বৈশ্বিক অর্থনীতি আবারো কেঁপে উঠেছে। জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি গড়ে প্রায় ১১০ ডলার বজায় ছিল গত এক মাসে। কিছু পূর্বাভাস বলছিল ১৫০ ডলার ছুঁতেও পারে দাম। ব্যাপক প্রাণহানি, ধ্বংসযজ্ঞ, উত্তেজনাকর বাদ-বিবাদ ও মধ্যস্থতার পর আজ দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়ছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু এ যুদ্ধ দেখিয়ে দিয়েছে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি কীসে আটকে আছে। সেটা হলো জ্বালানি তেল। নবায়নযোগ্য প্রযুক্তি বা পরিচ্ছন্ন জ্বালানি নিয়ে কয়েক দশক ধরে তৎপরতা দেখা গেলেও বিশ্ব এখনো জ্বালানি তেলের কাছেই বন্দী। যা অর্থনৈতিক নিরপত্তাহীনতার পাশাপাশি জলবায়ু সংকটের ক্ষতিকেও বাড়িয়ে তুলছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, যুদ্ধের প্রভাব শুধু জ্বালানি বাজারেই সীমাবদ্ধ নয়। কারণ সার সরবরাহ সংকটের মাধ্যমে খাদ্যের দাম বাড়ে। সম্প্রতি ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম ইউএসএ সতর্ক করে বলেছে, বিশ্বে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে এবং আরো সাড়ে ৪ কোটি মানুষ তীব্র ক্ষুধার মুখে পড়তে পারে। ইস্পাত থেকে রাসায়নিকসহ বিভিন্ন শিল্প কাঁচামালের সংকট ও বাড়তি খরচের ইঙ্গিত দিয়েছিল এ যুদ্ধ। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষও চাপে পড়েছে। বিভিন্ন দেশের সরকার হিটিং মেশিনের ব্যবহার কমাতে, গাড়ির গতি কমাতে, এমনকি বাস বা সাইকেল ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছিল।

মার্কিন জ্বালানি তেল ও গ্যাস খাত ইরান যুদ্ধ থেকে প্রায় ৬০ বিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত আয় করতে পারে। ইউক্রেন যুদ্ধের চাপে থাকা রাশিয়া উচ্চ পণ্যমূল্যের কারণে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে। ইরানের হামলার মুখে পড়লেও সৌদি আরবের জাতীয় তেল কোম্পানি আরামকোর শেয়ারদর বেড়েছে

এ ধরনের সংকট নতুন কিছু নয়, বরং গত ছয় বছরের তৃতীয় বড় ধাক্কা ছিল ইরান যুদ্ধ। এর আগে বিশ্ব দেখেছে কভিড-১৯ মহামারী ও ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ। কিন্তু ইরান যুদ্ধ একটি বিষয় স্পষ্ট করে দিয়েছে, বিশ্ব অর্থনীতি এখনো গভীরভাবে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল। জাতিসংঘের জলবায়ু প্রধান সাইমন স্টিয়েল সতর্ক করে বলেছেন, এ নির্ভরতা জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং দেশগুলোকে বাড়তি খরচের ফাঁদে ফেলে।

পেট্রোস্টেট বনাম ইলেক্ট্রোস্টেট

এ প্রেক্ষাপটে বিশ্বের সবচেয়ে বড় নির্গমনকারী দেশগুলোকে মোটামুটি দুই ভাগে ভাগ করা যায়। একদিকে রয়েছে তেল-গ্যাসনির্ভর দেশগুলো, যারা এখনো জীবাশ্ম জ্বালানির সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে চায়। অন্যদিকে রয়েছে কিছু দেশ, যারা কম-কার্বন নিঃসরণ করে এমন ভবিষ্যতের দিকে এগোচ্ছে। এ বিভাজনকে অনেকে ‘পেট্রোস্টেট বনাম ইলেক্ট্রোস্টেট’ অভিহিত করেন। যেখানে ভবিষ্যতে বিশেষ করে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরির ভাষায়, আমরা কীভাবে ইলেকট্রনের শক্তি ব্যবহার ও পরিবহন করতে পারি তার ওপর নির্ভর করবে ভবিষ্যৎ।

নবায়নযোগ্য শক্তির ক্ষেত্রে ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা গেলেও বাস্তবতা পুরোপুরি বদলায়নি। প্রথমবারের মতো কম-কার্বন নিঃসরণকারী উৎস থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ কয়লাকে ছাড়িয়ে গেছে এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানিতে বিনিয়োগ জীবাশ্ম জ্বালানির তুলনায় দ্বিগুণ হয়েছে। চীন ও ভারতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনও কমেছে, যা ১৯৭০-এর পর প্রথম। তবুও যুদ্ধের বাস্তবতা দেখিয়েছে, অনেক শক্তিশালী দেশ এখনো জ্বালানি তেলের বাড়তি দাম থেকে লাভবান হচ্ছে।

জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে উত্তোলনকারী দেশের বাড়তি আয়

মার্কিন জ্বালানি তেল ও গ্যাস খাত ইরান যুদ্ধ থেকে প্রায় ৬০ বিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত আয় করতে পারে। ইউক্রেন যুদ্ধের চাপে থাকা রাশিয়া উচ্চ পণ্যমূল্যের কারণে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে। ইরানের হামলার মুখে পড়লেও সৌদি আরবের জাতীয় তেল কোম্পানি আরামকোর শেয়ারদর বেড়েছে। এমনকি ইরানও ব্যাপক অবকাঠামোগত ক্ষতির মাঝে জ্বালানি তেল বিক্রি বাবদ আয় বাড়িয়েছে। এ উচ্চ মূল্য পেট্রোস্টেটগুলোর জন্য এক ধরনের বোনাস হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা তারা আবার জ্বালানি তেল-গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে ব্যবহার করতে পারে।

২০২৪ সালে গ্রিডে ৩৬০ গিগাওয়াট এবং ২০২৫ সালে ৪৩০ গিগাওয়াট নতুন সৌর ও বায়ু বিদ্যুৎ সংযোজন করেছে চীন। গ্রিন টেকনোলজি এখন দেশটির রফতানির বড় অংশ এবং অর্থনীতিরও উল্লেখযোগ্য অংশ জুড়ে রয়েছে। পরিচ্ছন্ন জ্বালানিতে বিনিয়োগ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে

চীনে বায়ু ও সৌরশক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্রয়েই বাড়ছে। ছবি: রয়টার্স

বিকল্প জ্বালানি ব্যবস্থায় কে কতটা এগিয়ে

এ অবস্থার মধ্যেই জীবাশ্ম জ্বালানির পরিবর্তে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎনির্ভর ভবিষ্যতের দিকে দ্রুত এগোচ্ছে চীন। প্রায় দুই বছর ধরে তাদের কার্বন নিঃসরণের হার স্থির বা নিম্নমুখী। ২০২৪ সালে গ্রিডে ৩৬০ গিগাওয়াট এবং ২০২৫ সালে ৪৩০ গিগাওয়াট নতুন সৌর ও বায়ু বিদ্যুৎ সংযোজন করেছে দেশটি। গ্রিন টেকনোলজি এখন দেশটির রফতানির বড় অংশ এবং অর্থনীতিরও উল্লেখযোগ্য অংশ জুড়ে রয়েছে। পরিচ্ছন্ন জ্বালানিতে বিনিয়োগ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। যদিও কয়লার ব্যবহার এখনো পুরোপুরি বন্ধ হয়নি, বিশ্লেষকদের মতে ব্যাটারি প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে তা কমতে পারে।

তবে ভিন্ন পথে এ রূপান্তরের দৌড়ে সামিল রয়েছে ভারত। দেশটি ২০৩৫ সালের মধ্যে কম-কার্বন উৎস থেকে ৬০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে এবং গত বছর ৪৫ গিগাওয়াট নবায়নযোগ্য সক্ষমতা যোগ করেছে। পূর্বাভাস বলছে, এ লক্ষ্য ২০৩০ সালেই অর্জিত হতে পারে। তবুও ভারত পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছে, জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য কয়লা এখনো গুরুত্বপূর্ণ থাকবে। অর্থাৎ তারা সম্পূর্ণ রূপান্তরের বদলে একটি ‘হাইব্রিড’ পথ অনুসরণ করছে।

বিকল্প জ্বালানি গ্রহণে দ্বিধা ও বৈপরীত্য

অন্যদিকে জার্মানি ও জাপানের মতো উন্নত দেশগুলোও দ্বিধায় রয়েছে। জার্মানি নবায়নযোগ্য শক্তিতে পথিকৃৎ হলেও এখনো গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল এবং কিছু সংস্কার থেকে পিছিয়ে আসছে। জাপানের জলবায়ু পরিকল্পনাও বিশ্লেষকদের কাছে দুর্বল বলে বিবেচিত হয়েছে। ইন্দোনেশিয়া ‘ন্যায়সংগত রূপান্তর’ পরিকল্পনায় এগোলেও বাস্তবায়নে নানা বাধার মুখে পড়েছে। দেশটিতে কয়লা উৎপাদন বেড়েছে, নবায়নযোগ্য খাতের বিনিয়োগ আটকে গেছে, এমনকি বড় আকারে বন উজাড়ও চলছে।

ইরান নিজেও একটি বিশেষ উদাহরণ। যুদ্ধের ফলে দেশটির জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হলেও একটি বড় সমস্যা সামনে এসেছে। ইরানে উত্তোলিত গ্যাসের প্রায় ৪০ শতাংশ অপচয় হয় মিথেন হিসেবে, যা কার্বন ডাই-অক্সাইডের চেয়ে অনেক বেশি ক্ষতিকর। যদি এই অবকাঠামো উন্নত করা যায়, তবে নিঃসরণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।

যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান সবচেয়ে বৈপরীত্যপূর্ণ। একদিকে ২০২৫ সালের মার্চে প্রথমবারের মতো তাদের অর্ধেকের বেশি বিদ্যুৎ কম-কার্বন উৎস থেকে এসেছে এবং ইনফ্লেশন রিডাকশন অ্যাক্টের ফলে প্রায় ৫০০ বিলিয়ন ডলারের সবুজ বিনিয়োগ হয়েছে। অন্যদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন জ্বালানি তেল-গ্যাস খাতকে উৎসাহ দিচ্ছে এবং নবায়নযোগ্য প্রকল্প বন্ধ করছে।

রাশিয়া এ ক্ষেত্রে আরো একধাপ এগিয়ে। জ্বালানি তেল ও গ্যাসকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে দেশটি এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে প্রায় কোনো অগ্রগতি নেই। প্রতিদিন প্রায় ১৫০ মিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত আয় করছে দেশটি, আর তাদের অবকাঠামো থেকে বিপুল পরিমাণ মিথেন নিঃসরণ হচ্ছে।

ক্লিনটনের সময়ে হোয়াইট হাউজের জলবায়ু উপদেষ্টা পল ব্লেডসো বলেন, ‘ট্রাম্প, পুতিন এবং অন্যান্য ডানপন্থী স্বৈরশাসকরা স্বল্পমেয়াদি ও বিভ্রমমূলক রাজনৈতিক লাভের জন্য বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের নিরাপত্তা ও সুরক্ষাকে ঝুঁকিতে ফেলছেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের অর্ধেক অঙ্গরাজ্য ও বেসরকারি খাত কিছু প্রয়োজনীয় জলবায়ু বিনিয়োগ চালিয়ে যেতে পারে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত জাতীয় পর্যায়ে ম্যাগাকে (মেক আমেরিকা গ্রেট অ্যাগেইন) রাজনৈতিকভাবে পরাজিত না করলে বড় বিপর্যয় ঠেকানো যাবে না।’

ইরান যুদ্ধ জীবাশ্ম জ্বালানি নির্ভরতাকে খোলাখুলি দেখানোর পাশাপাশি একটি বড় প্রশ্ন সামনে এনে দিয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ১০টি কার্বন নিঃসরণকারী দেশ মোট নিঃসরণের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের জন্য দায়ী, এবং তাদের সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে ভবিষ্যৎ কোন পথে যাবে। আমরা কি পরিচ্ছন্ন জ্বালানির দিকে এগোব, নাকি জ্বালানি তেলের ওপর আরো নির্ভরশীল হয়ে পড়ব?

জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা যুদ্ধের চেয়েও বড় খরচ তৈরি করবে। ছবি: রয়টার্স

বিপদ বাড়াচ্ছে মিথেন

সনাতনী জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় মিথেন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে ওঠে এসেছে। গবেষণায় দেখা গেছে, মিথেন নিঃসরণ কমানো গেলে ২০৪০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক তাপমাত্রা দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমানো সম্ভব। স্যাটেলাইট প্রযুক্তির মাধ্যমে এর উৎস শনাক্ত করা সম্ভব হওয়ায় এটি মোকাবেলা করা তুলনামূলক সহজ। উচ্চ দামের বাজারে কোম্পানিগুলো মিথেন ক্রেডিট বিক্রি করতেও উৎসাহিত হয়।

উন্নয়ন অর্থনীতিবিদ ও যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জয়তী ঘোষের মতে, সরকারি হস্তক্ষেপ ছাড়া কোনো সবুজ রূপান্তর হয়নি, এবং হতে পারে না। তিনি বলেন, ‘কার্যকর রূপান্তরের জন্য পরিবহন খাতকে বিদ্যুতায়ন করতে হবে, বিদ্যুচ্চালিত যানবাহনের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে হবে, উৎপাদক ও ভোক্তাদের প্রাথমিক ভর্তুকি দিতে হবে, চার্জিং অবকাঠামো গড়ে তুলতে হবে এবং নিশ্চিত করতে হবে যে বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে আসে।’

বড় প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে যুদ্ধ

ইরান যুদ্ধ জীবাশ্ম জ্বালানি নির্ভরতাকে খোলাখুলি দেখানোর পাশাপাশি একটি বড় প্রশ্ন সামনে এনে দিয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ১০টি কার্বন নিঃসরণকারী দেশ মোট নিঃসরণের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের জন্য দায়ী, এবং তাদের সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে ভবিষ্যৎ কোন পথে যাবে। আমরা কি পরিচ্ছন্ন জ্বালানির দিকে এগোব, নাকি জ্বালানি তেলের ওপর আরো নির্ভরশীল হয়ে পড়ব?

কারণ সবচেয়ে বড় সতর্কবার্তাটি সামনে—যদি বৈশ্বিক তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়ে, যা বর্তমান গতিতে দুই দশকের কম সময়েই সম্ভব, তাহলে এর অর্থনৈতিক প্রভাব হবে প্রতি বছর একটি বড় জ্বালানি তেল যুদ্ধের সমান। বর্তমান সংকট তাই কেবল একটি ইঙ্গিত—এর চেয়েও বড় ঝড় হয়তো সামনে অপেক্ষা করছে।

দ্য গার্ডিয়ান অবলম্বনে

আরও