আবার এ ঝুঁকির বিপরীতে নানা ক্ষেত্রে সম্ভাবনার হাতছানিও রয়েছে। এক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ অস্থিতিশীলতাই আমাদের অর্থনীতিকে বেশি ভোগাচ্ছে। দেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে রয়েছে শঙ্কা। ফলে দেশী-বিদেশী বিনিয়োগকারী সংস্থাগুলো বাণিজ্যের সুষ্ঠু পরিবেশের ওপর আস্থা রাখতে পারছে না। বাণিজ্য তো বটেই, উৎপাদনমুখী খাতের স্বাভাবিক গতিও নানাভাবে ব্যাহত হচ্ছে। উৎপাদন হ্রাস পাওয়ায় বাজারে চাহিদার নিরিখে পণ্যের জোগান হচ্ছে সীমিত। মানুষের চাহিদা ও অভাবকে পুঁজি করে বাজারে অসাধু ব্যবসায়ীরা কারসাজির মাধ্যমে মূল্য পরিস্থিতিকে অস্থির করে তুলছেন। পণ্য সরবরাহে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করায় পণ্যদ্রব্যের দাম হু হু করে বাড়ছে। বিশেষত কৃষি খাত থেকে উৎপাদিত পণ্যের ক্ষেত্রে এ বিষয়টি বেশি লক্ষ করা যায়।
গত কয়েক বছর উচ্চ মূল্যস্ফীতি জনজীবন দুর্বিষহ রেখেছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সুশাসনের অভাব, সরকারের ওপর ঋণের বোঝা বাড়া, রাজস্ব আহরণে ব্যর্থতাসহ নানা কারণে জাতীয় সামষ্টিক অর্থনীতি নাজুক হয়ে পড়েছে। এ নাজুক পরিস্থিতি জনজীবনেও প্রভাব ফেলছে। উৎপাদনমুখী এবং মানুষের নিত্যদিনের চাহিদা মেটায় এমন খাতগুলোর ক্ষেত্রে এ সংকট দ্রুত সমাধান করা জরুরি। অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের স্বার্থে জনজীবনে স্বস্তি আনে এমন সিদ্ধান্ত নতুন সরকারকে নিতে হবে। এক্ষেত্রে মেধাকে মূল্যায়নের মাধ্যমে উপযুক্ত কর্মসংস্থান বাড়ানো এবং নিয়োগ বণ্টনের কথা ভাবতে হবে। প্রশাসনিক সেবার মানোন্নয়ন এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োগের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জাতীয় বরাদ্দের সবটুকু যেন সঠিকভাবে পৌঁছানো যায়, সেদিকেও মনোযোগ বাড়াতে হবে। এ মুহূর্তে কৃষি ও শিল্প খাতে উৎপাদন বাড়ানো, বাজার তদারকি এবং বাজারে যেকোনো অস্থিতিশীল পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এসব সিদ্ধান্তের মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি হ্রাসই নতুন সরকারের অগ্রাধিকার।
বাজার নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে কৃষি খাতের উৎপাদন, বিপণন ও ব্যবস্থাপনার বিষয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া উচিত। কারণ খাতটি উৎপাদনশীল এবং সরাসরি খাদ্যনিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত। খাতওয়ারি বিবেচনায় সবচেয়ে অগ্রাধিকার পাওয়ার যোগ্য কৃষি খাত। এটি প্রধান উৎপাদনশীল খাত এবং খাদ্যনিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত কৃষি খাতে বছরে ৩ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। এখন দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও জলবায়ু পরিবর্তন, ভূরাজনৈতিক জটিলতা এবং অভ্যন্তরীণ অস্থিতিশীলতার কারণে কৃষি খাতে উৎপাদন বাড়লেও প্রবৃদ্ধি হ্রাস পাচ্ছে। কারণ যা উৎপাদন হচ্ছে তার অধিকাংশই গুণগত মানের নিরিখে চাহিদা পূরণ করতে পারছে না। উৎপাদনের প্রবৃদ্ধি হ্রাস পাওয়ায় বিদেশ থেকে প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে খাদ্যপণ্য আমদানিও বাড়ে।
গত অর্থবছরে (২০২৪-২৫) বাংলাদেশে ৭৬ লাখ ৭২ হাজার ৩১ টন খাদ্যশস্য (চাল ও গম) আমদানি করা হয়। এর মধ্যে চালের পরিমাণ ১৩ লাখ ১ হাজার ৩৯ টন। চলতি অর্থবছরেও আমদানি বাড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। আমদানি চাহিদা বাড়ায় বৈদেশিক মুদ্রার মজুদের ওপরও চাপ বাড়ছে। বিশেষত ডলারের বিপরীতে টাকার মূল্যমান কম বিধায় বিনিময় হার এখন নমনীয়। বিনিময় হার নমনীয় হওয়ায় অভ্যন্তরীণ বাজারে খাদ্যপণ্যের মূল্য বাড়ছে। তদুপরি অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে বাজার অস্থির হয়ে উঠছে। উচ্চ খাদ্য মূল্যস্ফীতির কারণে ভোক্তার জীবন অতিষ্ঠ।
আমরা দেখেছি, কয়েক মাস আগে খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা নমনীয় হয়ে এসেছিল। কিন্তু চার মাস ধরে তা লাগাতার বেড়েছে। চলতি বছর জানুয়ারিতে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ। তার আগে ডিসেম্বরে ছিল ৭ দশমিক ৭১ শতাংশ। ওই সময় উচ্চ মূল্যস্ফীতির ৬২ দশমিক ৮ শতাংশই এসেছে আমিষজাতীয় পণ্য থেকে। বাজারে মাছ, মাংস, শুঁটকি, দুধ ও ডালের দাম এখনো তুলনামূলকভাবে বেশি। এ অবস্থায় ফসল কৃষি ও শস্যবহির্ভূত কৃষি খাতে উৎপাদন বাড়ানো ভীষণ জরুরি। নতুন সরকারের উদ্যোগের মধ্যে এ বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত হওয়া জরুরি। কারণ ২০৩০ সালের মধ্যে খাদ্য ও পুষ্টিনিরাপত্তা অর্জনের জন্য ন্যূনতম পক্ষে ৪ শতাংশ হারে বৃহত্তর কৃষি খাতের উৎপাদন বৃদ্ধি করা দরকার। সেক্ষেত্রে আগামী দিনের বিনিয়োগ পরিকল্পনায় কৃষি খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া অপরিহার্য।
দীর্ঘদিন পর বিএনপি আবার ক্ষমতায়। এর আগেও তারা রাষ্ট্রকাঠামো পরিচালনা করেছে। দলটির ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে, জাতীয় অর্থনীতিতে তারা খাদ্যনিরাপত্তা ও কৃষি উৎপাদন বাড়ার বিষয়টি সবসময় গুরুত্ব দিয়েছে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান সত্তর দশকের শেষদিকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার নীতিমালাকে ব্যাপক গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তিনি স্বেচ্ছাশ্রমে খাল খনন কর্মসূচি নিয়েছিলেন। চাষাবাদে আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ ও সেচ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ ঘটিয়েছিলেন। এছাড়া দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন খাতে সর্বোচ্চ ৩১ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত করা হয়েছিল। তারই শাসনামলে ১৯৮১ সালে দেশকে সর্বপ্রথম খাদ্যে স্বয়ম্ভর বলে ঘোষণা করা হয় এবং কিছু চাল বিদেশে রফতানিও করা হয়। পরবর্তী সময়ে অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণের ফলে কৃষিতে বিনিয়োগ হ্রাস পায়। ভর্তুকি নেমে আসে প্রায় শূন্যের কোঠায়। ১৯৯৮-৯৯ অর্থবছরে ভয়াবহ বন্যায় কৃষি খাতে বিপর্যয় নেমে এলে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার আবারো কৃষিতে ভর্তুকি দেয়া চালু করে। ২০০১-০২ অর্থবছরের বাজেটে তার পরিমাণ ১০০ কোটি টাকায় উপনীত হয়।
২০০৫-০৬ অর্থবছরের বাজেটে প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার কৃষি ভর্তুকির পরিমাণ ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা ঘোষণা করে। ২০০৬-০৭ অর্থবছরের বাজেটে তা বাড়িয়ে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা করা হয়। এটি ছিল মোট বাজেটের প্রায় পৌনে ২ শতাংশ। এরপর কৃষি ভর্তুকির আকার বেড়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষি ভর্তুকি খাতে বরাদ্দ করা হয় ১৭ হাজার ২৬১ কোটি টাকা। এটি মূল বাজেটের ২ দশমিক ২ শতাংশ, যা কৃষি খাতের পরিসর বিবেচনায় অপ্রতুল। কৃষি খাতের ভর্তুকি মোট উৎপাদনের ১০ শতাংশ বা ৪০ হাজার কোটি টাকায় বৃদ্ধি করা উচিত। বৃহত্তর কৃষি খাতে মোট বাজেটের ১০ শতাংশ অর্থ বরাদ্দ দেয়া যুক্তিসংগত। বর্তমানে তা ৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ।
বিএনপির নির্বাচনী ইশতাহারে কৃষি কার্ড করা এবং তার মাধ্যমে কৃষি উপকরণ, ভর্তুকি, ঋণ, বীমা সুবিধা ইত্যাদি প্রদানের কথা বলা হয়েছে। বিভিন্ন শ্রেণীর কৃষকের মাঝে প্রগতিশীল হারে আচ্ছাদিত ভর্তুকিযুক্ত উপকরণ এবং নগদ অর্থ সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে কৃষকের কার্ড খুবই সহায়ক হতে পারে। বর্তমানে মূল সমস্যা কৃষি উপকরণে সরবরাহ ঘাটতি। উদাহরণস্বরূপ রাসায়নিক সারের কথা বলা যায়। এবার বোরোর মৌসুমে কৃষক তার প্রয়োজনের অর্ধেক পরিমাণ সারও জোগাড় করতে পারছেন না, এমন সংবাদ সবসময় পাওয়া যাচ্ছে। জুলাই অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলে গ্যাস সংকটের অজুহাতে অধিকাংশ সার কারখানা বন্ধ রাখা হয়েছে। অন্যদিকে অর্থ সংকটের কারণে পর্যাপ্ত সার আমদানি করা যায়নি। গ্রাম ও প্রান্তিক অঞ্চলেও সারের দাম বেড়ে গেছে। এ সংকট মোকাবেলায় দেশের সার কারখানাগুলো পুরোদমে চালু করা দরকার। বীজ ও বালাইনাশকের আমদানি হ্রাস করে দেশের অভ্যন্তরে তা উৎপাদনের ওপর গুরুত্ব দেয়া দরকার। বিদেশী নামকরা কোম্পানিগুলোর সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরে কৃষি যন্ত্রপাতি উৎপাদনের প্রয়োজনীয় কারখানা স্থাপন করা দরকার। খাল খনন কর্মসূচি পুনরায় চালু করে ভূ-উপরিস্থিত পানির সুষম বণ্টন নিশ্চিত করে সেচের সম্প্রসারণ করা উচিত।
বিএনপির নির্বাচনী ইশতাহারের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার অঙ্গীকার। এর জন্য সরকারের শস্য সরবরাহ নীতির পরিবর্তন করা দরকার। ফসলের উৎপাদন খরচের ওপর ন্যূনপক্ষে ২০ শতাংশ লাভ যোগ করে শস্য সংগ্রহ মূল্য নির্ধারণ করা উচিত। বর্তমানে শুধু ধান-চাল ও গম উৎপাদন মৌসুমে সরকারিভাবে খাদ্যশস্য সংগ্রহ করা হয়। এর পরিধি বৃদ্ধি করে প্রাথমিকভাবে ১০টি ফসল সংগ্রহের পরিকল্পনা নেয়া যেতে পারে। বিভিন্ন ফসল উৎপাদনের ১০ শতাংশ কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি সংগ্রহ করা উচিত। বাজারে কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার জন্য সরকারকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার জন্য বাজারে সরকারের বড় ধরনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। তাতে মধ্যস্বত্বভোগীদের কারসাজি থামিয়ে ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষা করা সম্ভব হবে। শুধু চোখ রাঙানিতে অসাধু ব্যবসায়ীদের নৈরাজ্য বন্ধ করা যাবে না। পণ্য সরবরাহ ক্ষেত্রেও সরকারকে কৌশলী ভূমিকা নিতে হবে। তাছাড়া কৃষিপণ্যের মূল্য নির্ধারণ, বিপণন, আমদানি ও রফতানি নীতি সুষ্ঠুভাবে প্রণয়নের জন্য একটি কৃষি মূল্য কমিশন গঠন করা যেতে পারে।
মনে রাখতে হবে, কৃষি উন্নয়নের সঙ্গে পল্লী উন্নয়ন প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। সম্প্রতি কৃষিপণ্যের উৎপাদনে যে অগ্রগতি সাধিত হয়েছে তাতে সমবায় ও গ্রামীণ প্রতিষ্ঠানগুলোর সরাসরি সহায়তা রয়েছে। কৃষকদের সংগঠিত করা, উপকরণের জোগান দেয়া, সেচের ব্যবস্থা করা, কৃষি ঋণ বিতরণ এবং কৃষিপণ্য বিপণনে সহায়তা করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে কৃষি সমবায়। চিরায়ত সমবায় বিভাগ এবং বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করতে পারে ভবিষ্যতেও। বর্তমানে কৃষি খামারের আকার দ্রুত ছোট হয়ে যাচ্ছে। শতকরা প্রায় ৯২ শতাংশ কৃষকই এখন ছোট ও প্রান্তিক। এদের সংগঠিত করে উৎপাদন দক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য এবং পরিকল্পিতভাবে গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়নের মাধ্যমে কৃষিজমি হ্রাস ঠেকানোর জন্য স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ সুফল আনতে পারে।
স্বাধীনতার সময় ফসল কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, বন, খাদ্য ও পানিসম্পদ একই মন্ত্রণালয় অধীনে ছিল। পরে কাজের সুবিধার্থে কৃষি মন্ত্রণালয় ভাগ করে বিষয়ভিত্তিক আলাদা মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়। এখন শুধু ফসল খাত চিরায়ত কৃষি মন্ত্রণালয় হিসেবে পরিচয় বহন করছে। এসব মন্ত্রণালয়ের মধ্যে অনেক ক্ষেত্রে কাজের পুনরাবৃত্তি আছে। সেক্ষেত্রে সমন্বয়ের দারুণ অভাব। এক্ষেত্রে দক্ষ ও যোগ্য ব্যক্তিদের এ দায়িত্ব দিতে হবে।
দীর্ঘদিন ধরে চলমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আঁটসাঁট মুদ্রা ও রাজস্বনীতি অনুসরণ করা উচিত। সেবা খাতে বেশি বিনিয়োগ করা উচিত। একটি গণতান্ত্রিক সরকারের নেতৃত্বে সামনের দিনগুলোতে উন্নত ও নিরাপদ জীবনযাপনের প্রত্যাশা করছে দেশের সাধারণ মানুষ। তাতে সবার একটিই ভাবনা, সরকার যেন সুষ্ঠু পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সফল হয়।
ড. জাহাঙ্গীর আলম: একুশে পদকপ্রাপ্ত কৃষি অর্থনীতিবিদ। সাবেক উপাচার্য, ইউনিভার্সিটি অব গ্লোবাল ভিলেজ ও সাবেক মহাপরিচালক, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট