বৈশ্বিক
উষ্ণায়নের
প্রভাবে
পৃথিবীর
জলবায়ুর
পরিবর্তনকে
জাতিসংঘ
মহাসচিব
‘মানব জাতির
জন্য
লাল
সংকেত’
বলে
অভিহিত
করেছেন।
আজ
বিশ্বের
কোনো
না
কোনো
দেশে
নিয়মিতভাবে
কোনো
না
কোনো
প্রাকৃতিক
দুর্যোগের
সৃষ্টি
হচ্ছে।
এক
জায়গায়
বন্যা
হলে
আরেক
জায়গায়
খরা।
এক
জায়গায়
সাইক্লোন
হলে
অন্য
জায়গায়
টর্নেডো,
এক
জায়গায়
ভূমিকম্প
হলে
অন্য
জায়গায়
বজ্রপাত,
এক
জায়গায়
নদী
ভাঙন
হলে
অন্য
জায়গায়
নদী
শুকিয়ে
যাচ্ছে,
এক
জায়গায়
লবণাক্ততা
হলে
অন্য
জায়গায়
আর্সেনিক
ইত্যাদি।
মাত্রাতিরিক্ত
কার্বন
নিঃসরণের
ফলে
যে
বৈশ্বিক
উষ্ণায়ন
তা
পরিবেশবিজ্ঞানীদের
গবেষণায়
প্রমাণিত
সত্য।
এ
সত্য
সবাই
স্বীকার
করলেও
দায়ীরা
পাশ
কাটিয়ে
চলার
কারণে
জলবায়ুর
ওপর
প্রভাব
ক্রমাগত
বেড়েই
চলেছে।
উন্নত
দেশগুলোর
অভিজাত
জীবনযাপনের
খেসারত
দিচ্ছে
বিশ্ববাসী।
মরতে
মরতে
বিশ্ববাসী
পরিবেশ
নিয়ে
যত
চিত্কারই
করুক
না
কেন,
তা
উন্নত
দেশগুলো
এক
কান
দিয়ে
শোনে
অন্য
কান
দিয়ে
বের
করে
দেয়।
এ
কারণে
পরিবেশের
ওপর
বিরূপ
প্রভাব
ক্রমাগত
বাড়ছেই।
বিপরীতে
কিছু
অর্থ
দান-খয়রাত
করে
সমস্যাকে
ভিন্ন
খাতে
প্রবাহিত
করতে
চাইলেও
তাতে
কোনো
কাজের
কাজ
হচ্ছে
না।
অন্যদিকে
ভুক্তভোগীরা
পরিবেশ
সচেতন
হয়ে
মুক্তির
পথ
পাচ্ছেন
না,
পাবেন
না।
মুক্তি
পেতে
প্রয়োজনীয়
অর্থ
নিজেদের
নেই,
আর
দানের
অর্থে
মুক্তি
পাওয়ার
ইতিহাসও
নেই।
তাই
বৈশ্বিক
উষ্ণায়নের
প্রভাবে
পরিবেশবিদদের
আশঙ্কাকে
রাজ
তিলক
হিসেবে
ভোগ
করতে
হবে
সাধারণ
মানুষকে।
পৃথিবীর
জলবায়ু
পরিবর্তনে
ক্ষতিগ্রস্ত
দেশগুলোর
মধ্যে
বাংলাদেশ
ওপরের
সারিতে
অবস্থান
করছে।
গ্রিন
হাউজ
গ্যাস
নিঃসরণের
বর্তমান
হার
অব্যাহত
থাকলে
২০৫০
সাল
নাগাদ
সমুদ্রপৃষ্ঠের
উচ্চতা
১
মিটার
বাড়লে
বাংলাদেশের
উপকূলীয়
অঞ্চলের
১৭
শতাংশ
সমুদ্রের
নোনা
পানিতে
ডুবে
যাবে
বলে
গবেষণায়
উঠে
এসেছে।
এরই
মধ্যে
কয়েক
লাখ
মানুষ
বসতবাড়ি
ছেড়ে
নগরীতে
বস্তিবাসী
হয়ে
গিয়েছে।
জলবায়ু
পরিবর্তনে
বাংলাদেশের
ভূমিকা
নগণ্য
হলেও
ক্ষতিটা
কিন্তু
আমাদেরই
স্বীকার
করতেই
হবে।
দেশের
ওই
১৭
শতাংশ
বসবাসকারী
মানুষকে
দুর্ভোগ
থেকে
বাঁচানোর
কোনো
উপায়
এখনো
দেখা
যাচ্ছে
না।
আগামীতে
তা
দেখা
যাবে
এমন
লক্ষণও
নেই।
এ
মানুষগুলো
দিনে
দিনে
নিজেদের
সহায়-সম্পদ
হারিয়ে
বস্তিবাসী
হয়ে
যাবে
তাতে
কোনো
সন্দেহ
নেই।
দেশের
এমন
মারাত্মক
পরিস্থিতির
বিপরীতে
অনেকে
আশার
আলো
দেখছেন
বঙ্গোপসাগরে
জেগে
ওঠা
দ্বীপকে
নিয়ে।
এরা
বিশ্বাস
করে,
পৃথিবীর
পরিবর্তনশীল
জলবায়ুর
সঙ্গে
খাপ
খাইয়ে
মানুষ
যেমন
অতীত
থেকে
বর্তমানে
এসে
পৌঁঁছেছে,
ভবিষ্যতেও
এর
ধারাবাহিকতায়
তেমনিভাবে
জীবন
বাহিত
হবে।
তবে
সে
জীবন
যে
মসৃণ
হবে
না
তার
চিত্র
বিশ্বব্যাপী
পরিষ্কারভাবে
ফুটে
উঠেছে।
পরিবেশবিজ্ঞানীরা
বলছেন,
বৈশ্বিক
উষ্ণায়নের
কারণে
বর্তমানে
বরফ
গলতে
শুরু
করায়
প্রতিদিন
পানি
বাড়ছে।
বৈশ্বিক
উষ্ণায়নের
ফলে
সমুদ্রে
পানি
বাড়ছে।
বরফে
ফাটল
ধরে
এ
পানি
বাড়ার
গতিকে
আরো
ত্বরান্বিত
করছে।
তাই
সমুদ্রের
পানিতে
বাংলাদেশের
মতো
অনেক
দেশ
আংশিক
ডুবে
যাবে,
মানুষ
বাস্তুহারা
হবে।
বৈশ্বিক
উষ্ণায়নে
বাংলাদেশের
দায়
নগণ্য
হলেও
কিছু
দায়
এড়িয়ে
যাওয়ার
কোনো
পথ
নেই।
জলবায়ু
পরিবর্তনের
প্রভাব
থেকে
দেশকে
রক্ষা
করার
যথাযথ
কর্মপরিকল্পনা
আজও
সাধারণ
মানুষ
দেখতে
পাচ্ছে
না।
দেশে
বর্তমানে
আন্তর্জাতিক
নদীগুলোর
পানি
প্রবাহ
ঠিক
রাখতে
না
পারার
পাশাপাশি
আঞ্চলিক
নদীগুলোও
মৃতপ্রায়।
মৃত
নদীগুলোকে
রক্ষার
জনদাবির
সমর্থনে
সরকারিভাবে
শত
শত
কোটি
টাকার
নদী
সংস্কার
কার্যক্রম
সারা
দেশে
চলমান।
কিন্তু
উৎসে
পানির
নিশ্চয়তা
না
থাকার
কারণে
এসব
সংস্কার
নদীকে
রক্ষা
করতে
পারছে
না।
তাই
তো
অতীত
থেকে
শিক্ষা
গ্রহণ
না
করার
ফলে
একাধিকবার
নদী
সংস্কার
করেও
কোনো
সুফল
দেখা
যাচ্ছে
না।
সাধারণ
মানুষের
কাছে
তাই
এসব
সংস্কার
জনদাবির
অংশ
হিসেবে
ঘোষিত
হলেও
এসব
ব্যবসার
অংশ
হিসেবে
বিবেচনার
সময়
এসেছে।
এ
সংস্কার
আপেক্ষিক
কিছুদিন
শোভাবর্ধন
করে,
পানি
নিষ্কাশনের
সুবিধা
বৃদ্ধি
করে,
কিছুটা
সেচ
সুবিধা
বাড়িয়ে
দেয়
কিন্তু
এসব
সুযোগ-সুবিধা
সাধারণ
মানুষ
বেশি
দিন
ভোগ
করতে
পারে
না।
স্বল্প
সময়ের
মধ্যে
নদী
তার
অতীতের
রূপ
ফিরে
পায়।
মাথাভাঙ্গা
নদী
থেকে
বের
হয়ে
মেহেরপুর-চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ-যশোর
থেকে
খুলনার
পথে
বয়ে
চলা
এ
অঞ্চলের
প্রধান
নদ
ভৈরব।
কয়েক
বছর
ধরে
চলমান
ভৈরব
নদের
সংস্কারকাজ
বর্তমানে
শেষের
পথে।
এরই
মধ্যে
প্রতিদিনের
স্থানীয়
ও
জাতীয়
পত্রিকায়
সংবাদ
প্রকাশিত
হচ্ছে।
একদিক
থেকে
সংস্কার
কার্যক্রম
চলমান
থাকলেও
অন্যদিকে
সংস্কার
করা
অংশ
ভরাট
হয়ে
যাচ্ছে
বা
অতীতের
রূপ
ফিরে
পাচ্ছে।
এসব
সংবাদ
সংশ্লিষ্টদের
কেউ
পড়েন
কিনা
মানুষ
জানে
না।
জনকল্যাণে
২৭২
কোটি
টাকা
ব্যয়
করে
কী
ধরনের
জনকল্যাণ
হচ্ছে?
জনদাবি
ছিল
বহতা
ভৈরব
নদ
কিন্তু
সরকার
প্রকল্প
করল
পানি
নিষ্কাশন
ও
সেচ
সুবিধা
বৃদ্ধির
জন্য
ভৈরব
নদ
খননের।
শেষ
বিচারে
কোনোটাই
হলো
না
এবং
হবেও
না।
এটা
শুধু
ভৈরব
নদ
সংস্কারের
ক্ষেত্রে
নয়,
সারা
দেশে
যত
ছোট-বড়
নদী
সংস্কার
করা
হচ্ছে
সর্বত্রই
এ
চিত্র
প্রযোজ্য।
তাই
সংস্কারে
হাত
দেয়ার
আগে
গুরুত্বের
সঙ্গে
ভাবা
প্রয়োজন।
সুষ্ঠু
পরিকল্পনাবিহীন
কোনো
কার্যক্রম
জনকল্যাণে
কোনো
সুফল
বয়ে
আনতে
পারে
না।
বৈশ্বিক
উষ্ণায়নে
গ্রিন
হাউজ
গ্যাস
নিঃসরণের
নিয়ন্ত্রণহীনতা
দায়ী
এটা
যেমন
সত্য,
ঠিক
তেমনি
এটাও
সত্য
বর্তমান
অবস্থা
উত্তরণে
পানি
ও
গাছ
গুরুত্বপূর্ণ।
দেশে
নদীকে
ইচ্ছামতো
ব্যবহার
করা
হচ্ছে।
কারো
কোনো
জবাবদিহিতা
নেই,
দায়বদ্ধতা
নেই।
কেউ
বাঁধ
বা
স্লুইস
গেট
দিয়ে
নদী
নিয়ন্ত্রণ
করছে।
কেউ
ইচ্ছামতো
ব্রিজ-কালভার্ট
নির্মাণ
করছে।
কেউ
লিজ
দিয়ে
দান
করে
দিচ্ছে,
কেউ
বাঁধ
দিয়ে
মাছ
চাষ
করছে।
কেউ
ইমারত,
ইটভাটা
ও
বনায়ন
করছে।
কেউ
নৌ-পথ
ব্যবহার
করতে
গিয়ে
দূষণ
করছে।
কেউ
শিল্পবর্জ্য
ফেলে
দূষণ
করছে।
কেউ
নিজ
স্বার্থ
ও
শক্তিতে
শুধু
দখলই
করছে।
নদীর
কোনো
মালিক
না
থাকায়
সরকারি
সম্পত্তি
হিসেবে
যে
যার
মতো
ব্যবহার
করছে।
কারো
স্বার্থহানি
ঘটলে
উচ্ছেদের
নাটক
হয়
কিন্তু
কিছুদিনের
মধ্যে
অবস্থা
আবার
পুরনো
রূপ
ফেরত
পেয়ে
যায়।
ভুল
পরিকল্পনায়
আমরা
যে
শুধু
নদীগুলো
ধ্বংস
করেছি,
তা
নয়।
দেশের
জলাভূমিগুলোকেও
কোনো
ছাড়
দেয়া
হয়নি।
বিদেশী
পরামর্শে
প্রতি
ইঞ্চি
জমি
আবাদ
করার
নীতি-কৌশলে
বিল-হাওড়-বাঁওড়
থেকে
শুরু
করে
পুকুরগুলো
পর্যন্ত
আমরা
ধ্বংস
করে
ফেলেছি।
এখনো
প্রতিনিয়ত
এসব
কাজ
চলমান।
দেশের
সাধারণ
মানুষ
সমুদ্র
বিজয়
দেখেছে।
মানুষের
মনে
একটা
বিশ্বাস
জন্মেছে,
সাহসে
বুক
বেঁধে
দাঁড়াতে
পারলে
বিশ্বে
বাংলাদেশের
মাথা
উঁচু
করে
দাঁড়ানো
সম্ভব।
কিন্তু
আমাদের
সমস্যা
বিদেশনির্ভরতা
এবং
নিজেদের
বিশেষজ্ঞদের
সুপরামর্শ
না
থাকা।
বাংলাদেশের
সমস্যা,
বাংলাদেশীর
পরামর্শে
সমাধান
করার
মতো
বিশেষজ্ঞের
খুব
অভাব।
সরকার
পরিচালিত
এতগুলো
বিষয়ভিত্তিক
বিশ্ববিদ্যালয়
এবং
সেখানে
দেশের
অন্যতম
মেধাবীরা
শিক্ষা
গ্রহণ
করার
পরও
আমাদের
বিদেশনির্ভরতা
কাটে
না।
এ
পেশাজীবীরা
একটা
বঙ্গবন্ধু
সেতু
দেখে
একটা
লালন
সেতু
বা
একটা
পদ্মা
সেতু
তৈরি
করতে
পারে
না।
আজ
দেশের
আমলারা
পুকুর
কাটা
শিখতে
বিদেশে
প্রশিক্ষণ
গ্রহণ
করতে
যায়।
দেশের
বিষয়ভিত্তিক
বিশ্ববিদ্যালয়
যদি
একান্ত
এ
শিক্ষা
দিতে
নাই
পারে,
তবে
শিক্ষকদের
বিদেশ
থেকে
এ
শিক্ষা
গ্রহণ
করিয়ে
আনা
যেতে
পারে।
কারণ
যে
মানুষটি
পদ্মা
সেতু
তৈরির
মূল
কাজ-পদ্ধতি
জানে
না,
সে
কীভাবে
তার
তদারকি
করবে?
তদারকির
ফাঁকফোকর
নিশ্চয়ই
বিদেশীরা
আমাদের
লোকদের
শিখিয়ে
দেবে
না।
তাই
তদারকি
যথাযথ
হয়
না।
ফলে
কাজের
মান
সর্বোচ্চ
পর্যায়ে
নিয়ে
যাওয়া
সম্ভব
হয়
না।
বঙ্গবন্ধু
সেতুকে
বহুমুখী
করার
জন্য
সাধারণ
মানুষ
বহু
দাবি
জানিয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা
তা
করেনি।
ফলে
এখন
নতুন
করে
যমুনায়
রেলসেতু
নির্মাণ
করতে
হচ্ছে।
যশোর
খুলনার
দুঃখ
ভবদহ-বিল
ডাকাতিয়া।
বিদেশী
পরামর্শে
বন্যা
নিয়ন্ত্রণে
অতীতে
যে
কর্মকাণ্ড
পরিচালনা
করা
হয়েছে
তার
ফলে
আজ
৪০
বছর
এলাকার
মানুষ
জলাবদ্ধ।
জলাবদ্ধতা
দূর
করতে
যে
অর্থ
ব্যয়ের
বাজেট
করা
হয়েছিল,
তার
কয়েক
গুণ
বেশি
ব্যয়
করার
পর
আজও
মুক্তি
আসেনি।
বিদেশী
এনে
মুক্তির
পথ
খুঁজতে
গিয়েও
জলাবদ্ধ
এলাকার
বিস্তারের
কাজে
আমাদের
বিশেষজ্ঞরা
নিবেদিত
হয়েছিলেন।
এবার
আবার
নতুন
করে
৮০০
কোটি
টাকার
মুক্তি
প্রকল্প
তৈরি
হয়েছে।
এ
বিশেষজ্ঞরাই
কিন্তু
দেশে
‘মিস্টার টেন
পার্সেন্ট’
হিসেবে
খ্যাত।
দেশী-বিদেশী
যে
প্রকল্পই
আসুক
না
কেন
তাতে
দেশ
ও
মানবকল্যাণ
বিবেচনার
চেয়ে
টেন
পারসেন্টদের
স্বার্থজনিত
আগ্রহ
অধিক
বলেই
সাধারণ
জনগণ
বিশ্বাস
করে।
গোষ্ঠী
স্বার্থ
রক্ষা
করতে
এবং
রাজনৈতিক
মতাদর্শে
বিভক্ত
হয়ে
পেশাজীবীরা
দেশ
ও
জাতির
কল্যাণের
কথা
ভুলেই
গিয়েছে।
পেশার
উন্নয়নে
কোনো
সময়
তাদের
হাতে
নেই।
আরো
সুবিধা
হয়েছে,
দেশে
এখন
কাউকে
জবাবদিহিও
করতে
হয়
না,
দায়বদ্ধতাও
নেই।
দেশ
হিসেবে
বৈশ্বিক
উষ্ণায়নে
আমাদের
সম্পৃক্ততা
সামান্য।
কিন্তু
তাই
বলে
নিজেদের
মঙ্গলের
কাজ,
কল্যাণের
কাজটি
যথাযথ
হবে
না,
তা
কোনোভাবেই
মেনে
নেয়া
যায়
না।
আমাদের
খেলা
শুধু
পানি
নিয়ে
নয়,
আমরা
বনায়ন
বা
গাছ
নিয়েও
কম
খেলা
দেখিনি।
যশোর-বেনাপোল
সড়কের
শতবর্ষী
গাছগুলোকে
ধ্বংস
করতে
কারো
হাত
কাঁপতে
দেখা
যায়নি।
কত
বুদ্ধি
ব্যয়
করে
গাছগুলোর
সর্বনাশ
করা
হলো
তা
সরেজমিনে
না
দেখলে
এসব
পেশাজীবীর
মাহাত্ম্য
বোঝা
যাবে
না।
যশোর-খুলনা
সড়কের
গাছগুলো
কী
সুন্দরভাবে
ধ্বংস
করা
হলো
তাও
দেখার
মতো
বিষয়।
রামপাল
কয়লা
বিদ্যুৎ
উৎপাদন
কেন্দ্র
সুন্দরবনের
ক্ষতি
করবে
জেনেও
তা
বাস্তবায়নের
কাজ
জোর
কদমে
এগিয়ে
চলেছে।
দেশের
উন্নয়ন
ও
অগ্রগতিতে
সবসময়
পরিবেশকে
গুরুত্ব
দেয়ার
দাবি
করা
হয়ে
থাকে।
দলীয়
পেশাজীবীরা
যা
কিছু
উন্নয়ন,
যা
কিছু
ঘটছে,
তা
পরিবেশের
ক্ষতি
করবে
না
বলে
যুক্তি
দেয়ায়
অন্য
মানুষ
কী
বলল
তাতে
সরকারের
তেমন
কিছু
এসে
যায়
বলে
মনে
হয়
না।
আজ
হয়তো
সমস্যা
হচ্ছে
না,
কিন্তু
আগামীকাল
যে
সমস্যা
হবে
না—তার
নিশ্চয়তা
কোথায়।
সারা
দেশের
নদীর
অবস্থা,
জলাবদ্ধতা,
প্রাকৃতিক
দুর্যোগ,
জনসংখ্যার
ভার,
সার-কীটনাশকের
ব্যবহার
ও
জীবন-যাপনের
অভিজাত
চাহিদা
দেখে
অনেকেই
শঙ্কার
মধ্যে
আছে।
সেই
শঙ্কা
থেকেই
বৈশ্বিক
উষ্ণায়নে
বাংলাদেশের
অবস্থান
যাই
হোক
না
কেন
নিজেদের
মতো
করে
মুক্তির
পথ
ভাবছেন।
সাধারণ
মানুষ
আশা
করে,
দেশের
মেধাবী
সন্তানরা
পেশাজীবী
হিসেবে
নিজেদের
পেশার
প্রতি
আন্তরিক
হবে
এবং
পেশার
উন্নয়ন
ঘটিয়ে
বিদেশনির্ভরতা
শূন্যের
কোটায়
নিয়ে
আসবে।
তারা
দেশ
ও
মানব
কল্যাণে
নিবেদিত
হবে।
নিজেদের
মেধা,
দক্ষতা
ও
যোগ্যতার
প্রমাণ
রাখবে।
সাধারণ
জনগণের
অনেক
অনেক
আস্থা
ও
বিশ্বাসের
মর্যাদা
তারা
রাখবে।
তাহলেই
নদী
বাঁচবে,
কৃষি
বাঁচবে,
শিল্প
বাঁচবে,
মানুষ
বাঁঁচবে,
পরিবেশ
বাঁচবে।
এম আর
খায়রুল উমাম: প্রকৌশলী,
প্রাবন্ধিক
সাবেক
সভাপতি,
ইনস্টিটিউশন
অব
ডিপ্লোমা
ইঞ্জিনিয়ার্স
বাংলাদেশ (আইডিইবি)