বিশ্ব মশা দিবস

দেশে মশাবাহিত রোগে বাড়ছে বহুমাত্রিক জনস্বাস্থ্যঝুঁকি

দেশে একসময় মশাবাহিত রোগের আলোচনা প্রধানত ম্যালেরিয়াকে ঘিরেই আবর্তিত হতো। পার্বত্য ও সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের জন্য এটি ছিল দীর্ঘদিনের পরিচিত স্বাস্থ্যঝুঁকি। সময়ের সঙ্গে সে চিত্র বদলেছে। রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত এখন ডেঙ্গুর বিস্তার। এর সঙ্গে রয়েছে চিকুনগুনিয়া, ম্যালেরিয়া ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি। জলবায়ু পরিবর্তন, দ্রুত ও অপরিকল্পিত নগরায়ণ, জনঘনত্ব, পরিবেশগত পরিবর্তন এবং মশা নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত কীটনাশকের কার্যকারিতা কমে আসার মতো বিষয়গুলো মিলিয়ে তৈরি হচ্ছে নতুন এক জনস্বাস্থ্য বাস্তবতা।

মশাবাহিত রোগ নিয়ে ফ্রন্টিয়ার্স ইন পাবলিক হেলথ জার্নালে সম্প্রতি প্রকাশিত ‘রিভিউ অব সিলেক্টেড মসকুইটো-বোর্ন ডিজিজেস: আরবো-ভাইরাসেস অ্যান্ড প্যারাসাইটিক ডিজিজেস’ শীর্ষক গবেষণাপত্রেও এ বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। গবেষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, মশা শুধু একটি বিরক্তিকর কীটপতঙ্গ নয়; বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক রোগবাহক প্রাণীগুলোর একটি। ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, চিকুনগুনিয়া, জিকা, জাপানিজ এনসেফালাইটিস ও ফাইলেরিয়াসিসের মতো রোগ ছড়িয়ে দেয় বিভিন্ন প্রজাতির মশা। এসব রোগের বিস্তার নির্ভর করে শুধু মশার সংখ্যার ওপর নয়, বরং তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাত, মানুষের বসতি, পরিবেশ এবং রোগজীবাণুর বিকাশের মতো একাধিক বিষয়ের ওপর।

বাংলাদেশের মতো জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশের জন্য তাই প্রশ্নটি শুধু বর্তমানের ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে নয়। ভবিষ্যতে রোগের মৌসুমের সময়কাল কি পরিবর্তিত হবে? আগে কম ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত এলাকাগুলোতে কি মশাবাহিত রোগ বাড়বে? একাধিক রোগের বাহক মশা কি একই সময়ে জনস্বাস্থ্যের জন্য নতুন সংকট তৈরি করতে পারে? এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে রোগী শনাক্তের তথ্যের পাশাপাশি আবহাওয়া, পরিবেশ ও মশার প্রজাতিভিত্তিক তথ্য একত্র করে বিশ্লেষণ করতে হবে

বাংলাদেশের জন্য এ গবেষণার তাৎপর্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ দেশটি এমন একটি ভৌগোলিক অঞ্চলে অবস্থিত, যেখানে উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়া মশার বংশবিস্তারের জন্য অনুকূল। বর্ষাকালে বৃষ্টিপাত, জলাবদ্ধতা ও জমে থাকা পানির পরিমাণ বাড়ে। শহরে অপরিকল্পিত নির্মাণকাজ, ভবনের ছাদ, ড্রেন, পরিত্যক্ত পাত্র ও বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি এডিস মশার প্রজনন ক্ষেত্র তৈরি করে। আবার দেশের পাহাড়ি ও বনাঞ্চলভিত্তিক এলাকাগুলোয় অ্যানোফিলিস মশার কারণে ম্যালেরিয়ার ঝুঁকি এখনো রয়ে গেছে।

দেশে ডেঙ্গুর বিস্তার সাম্প্রতিক বছরগুলোয় সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। একসময় রোগটি মূলত ঢাকাকেন্দ্রিক হিসেবে বিবেচিত হলেও এখন এর ভৌগোলিক বিস্তার অনেক বেশি। বিভিন্ন জেলা থেকে ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হচ্ছে। ফলে রোগ নিয়ন্ত্রণের প্রচলিত ধারণাও বদলাতে হচ্ছে। শুধু রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনের মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির মাধ্যমে ডেঙ্গুর মতো রোগ মোকাবেলা করা সম্ভব হবে না, বরং প্রয়োজন দেশব্যাপী সমন্বিত নজরদারি ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা।

ডেঙ্গু ওয়ার্ড ছবি:ফাইল/নিজস্ব আলোকচিত্রী

এখানেই নতুন গবেষণাগুলোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা নিহিত। মশাবাহিত রোগের বিরুদ্ধে লড়াইকে শুধু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কিংবা হাসপাতালের দায়িত্ব হিসেবে দেখলে চলবে না। একটি শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, নগর পরিকল্পনা, নির্মাণকাজ, পানি সরবরাহ, পরিবেশ এবং স্থানীয় সরকারের কার্যক্রম—সবকিছুর সঙ্গে এ রোগের সম্পর্ক রয়েছে। অর্থাৎ মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও নগর ব্যবস্থাপনাকে একই কাঠামোর মধ্যে আনতে হবে।

জলবায়ু পরিবর্তন এ চ্যালেঞ্জকে আরো জটিল করে তুলছে। তাপমাত্রার পরিবর্তন মশার জীবনচক্রকে প্রভাবিত করতে পারে। উষ্ণ পরিবেশে মশার বংশবিস্তার দ্রুত হতে পারে এবং নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে তাদের শরীরে রোগজীবাণুর বিকাশও দ্রুততর হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। বৃষ্টিপাতের ধরন বদলে গেলে নতুন এলাকায় পানি জমে মশার প্রজনন ক্ষেত্র সৃষ্টি হতে পারে। আবার অতিবৃষ্টি ও বন্যার পরও অনেক এলাকায় জমে থাকা পানি রোগবাহক মশার সংখ্যা বাড়াতে ভূমিকা রাখতে পারে।

বাংলাদেশের মতো জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশের জন্য তাই প্রশ্নটি শুধু বর্তমানের ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে নয়। ভবিষ্যতে রোগের মৌসুমের সময়কাল কি পরিবর্তিত হবে? আগে কম ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত এলাকাগুলোতে কি মশাবাহিত রোগ বাড়বে? একাধিক রোগের বাহক মশা কি একই সময়ে জনস্বাস্থ্যের জন্য নতুন সংকট তৈরি করতে পারে? এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে রোগী শনাক্তের তথ্যের পাশাপাশি আবহাওয়া, পরিবেশ ও মশার প্রজাতিভিত্তিক তথ্য একত্র করে বিশ্লেষণ করতে হবে।

মশা নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশের প্রধান ভরসা এখনো কীটনাশক। কিন্তু এ পদ্ধতিরও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে একই ধরনের কীটনাশক ব্যবহারের ফলে মশার মধ্যে প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। কোনো এলাকায় ব্যবহৃত ওষুধ বা কীটনাশক কতটা কার্যকর, সে বিষয়ে নিয়মিত বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা ছাড়া শুধু অভিযান পরিচালনা করে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া কঠিন। ফলে মশা নিয়ন্ত্রণে এখন প্রয়োজন তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত।

কোন এলাকায় কোন প্রজাতির মশার আধিক্য রয়েছে, কোন ধরনের কীটনাশক সেখানে কার্যকর, বছরের কোন সময়ে মশার ঘনত্ব বাড়ছে এবং কোথায় রোগের প্রাদুর্ভাবের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এসব তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। অর্থাৎ ‘সব এলাকায় একই ধরনের অভিযান’ পদ্ধতির পরিবর্তে এলাকাভিত্তিক ঝুঁকি নির্ধারণ এবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে।

মশা নিয়ন্ত্রণে সর্বব্যাপী একটি প্রচলিত পদ্ধতি ছবি: ফাইল/নিজস্ব আলোকচিত্রী

এক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহারও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এখন মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে প্রচলিত কীটনাশকের পাশাপাশি জৈবিক নিয়ন্ত্রণ, উন্নত নজরদারি, জিনগত গবেষণা এবং ওলবাচিয়া-ভিত্তিক (প্রাকৃতিক ও অতি ক্ষুদ্র ব্যাকটেরিয়া) প্রযুক্তির মতো নতুন পদ্ধতি নিয়ে কাজ হচ্ছে। এসব পদ্ধতির মূল লক্ষ্য শুধু মশা ধ্বংস করা নয়; বরং রোগ ছড়ানোর ক্ষমতা কমিয়ে আনা।

বাংলাদেশেও ভবিষ্যতের মশা নিয়ন্ত্রণ কৌশল নির্ধারণে এসব প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণার সুযোগ রয়েছে। তবে কোনো নতুন প্রযুক্তি গ্রহণের আগে স্থানীয় পরিবেশ, মশার প্রজাতি, রোগের ধরন এবং সম্ভাব্য কার্যকারিতা নিয়ে পর্যাপ্ত পরীক্ষা ও গবেষণা প্রয়োজন। বিদেশে সফল হওয়া কোনো পদ্ধতি বাংলাদেশের পরিবেশেও একইভাবে কাজ করবে এমন নিশ্চয়তা নেই।

মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হলো আগাম সতর্কতা। বর্তমানে কোনো এলাকায় রোগীর সংখ্যা বাড়ার পর সেখানে জরুরি ব্যবস্থা নেয়া হয়। কিন্তু আধুনিক জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার লক্ষ্য হওয়া উচিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার আগেই ঝুঁকি চিহ্নিত করা। এজন্য রোগীর তথ্য, মশার ঘনত্ব, আবহাওয়ার পূর্বাভাস এবং পরিবেশগত পরিবর্তনের তথ্য সমন্বিত করে আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা গড়ে তোলা যেতে পারে।

ধরা যাক, কোনো এলাকায় কয়েক সপ্তাহ ধরে তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের ধরন মশার বংশবিস্তারের জন্য অনুকূল হয়ে উঠেছে। একই সময়ে সেখানে এডিস মশার ঘনত্বও বাড়ছে। এমন তথ্য আগে থেকে জানা গেলে রোগী শনাক্ত হওয়ার অপেক্ষা না করে স্থানীয় পর্যায়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হবে। এতে রোগ ছড়িয়ে পড়ার আগেই ঝুঁকি কমানো যেতে পারে।

বাংলাদেশের সামনে আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ হলো জনসচেতনতার সঙ্গে বাস্তব ব্যবস্থাপনার সমন্বয়। মানুষকে শুধু বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানালে সমস্যার সমাধান হবে না। কারণ বড় শহরগুলোয় অসংখ্য সম্ভাব্য প্রজননস্থল ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণের বাইরে। নির্মাণাধীন ভবন, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বাজার, পরিবহন টার্মিনাল, খাল, ড্রেন এবং বিভিন্ন অব্যবস্থাপিত স্থান মশার প্রজনন ক্ষেত্রে পরিণত হতে পারে। ফলে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সরকারের দায়িত্বকে একই কাঠামোয় আনতে হবে।

বিশেষজ্ঞদের আলোচনায় এখন ক্রমেই গুরুত্ব পাচ্ছে ‘ইন্টিগ্রেটেড ভেক্টর ম্যানেজমেন্ট’ বা সমন্বিত বাহক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। এর অর্থ হলো, শুধু ফগিং বা কীটনাশক ছিটানো নয়; পরিবেশ ব্যবস্থাপনা, লার্ভা নিয়ন্ত্রণ, রোগ নজরদারি, গবেষণা, জনসম্পৃক্ততা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার—সবকিছুকে একসঙ্গে কাজে লাগানো। বাংলাদেশের জন্য এটি এখন দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত প্রশ্ন। কারণ ডেঙ্গুর মতো রোগ যদি স্থায়ীভাবে এন্ডেমিক চরিত্র ধারণ করে এবং প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সংক্রমণ ঘটতে থাকে, তাহলে শুধু জরুরি মৌসুমি কর্মসূচি দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়া কঠিন হবে। প্রয়োজন হবে বছরজুড়ে মশা ও রোগের ওপর নজরদারি।

ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা এক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হতে পারে। নির্দিষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করা, রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা একসঙ্গে পরিচালনার মাধ্যমে রোগ নিয়ন্ত্রণে অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে। ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগের ক্ষেত্রেও একই ধরনের তথ্যভিত্তিক ও এলাকাভিত্তিক কৌশল প্রয়োজন হতে পারে।

সব মিলিয়ে দেশের সামনে মশাবাহিত রোগের চ্যালেঞ্জ এখন বৃহৎ আকার ধারণ করছে। এটি আর শুধু বর্ষাকালের কয়েক মাসের ডেঙ্গু পরিস্থিতি নয়। জলবায়ু পরিবর্তন, দ্রুত নগরায়ণ, রোগের ভৌগোলিক বিস্তার এবং মশার পরিবর্তিত আচরণ—সব মিলিয়ে ভবিষ্যতের ঝুঁকি আরো জটিল হয়ে উঠতে পারে। তাই এখনই প্রয়োজন একটি দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় কৌশল; যেখানে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, চিকুনগুনিয়াসহ সব গুরুত্বপূর্ণ মশাবাহিত রোগকে একই নজরদারি কাঠামোর আওতায় আনা হবে। সেই সঙ্গে স্বাস্থ্য খাতের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে স্থানীয় সরকার, পরিবেশ, নগর উন্নয়ন ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে। পাশাপাশি কীটনাশকের কার্যকারিতার নিয়মিত পরীক্ষা, মশার প্রজাতিভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ এবং নতুন প্রযুক্তি নিয়ে স্থানীয় গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়ানো জরুরি।

মশার বিরুদ্ধে লড়াই শেষ পর্যন্ত শুধু একটি কীটপতঙ্গ নিধনের অভিযান নয়। এটি নগর ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু অভিযোজন, বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং জনস্বাস্থ্য সক্ষমতার পরীক্ষা। বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় প্রশ্ন তাই—পরবর্তী বড় প্রাদুর্ভাবের পর আমরা আবারো প্রতিক্রিয়ামূলক ব্যবস্থা নেব, নাকি রোগ ছড়িয়ে পড়ার আগেই বিজ্ঞানভিত্তিক প্রস্তুতির একটি কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তুলব। কারণ মশাবাহিত রোগের পরিবর্তিত এ বাস্তবতায় প্রস্তুতির বিকল্প এখন আর নেই।

ওবায়দুল্লাহ সনি: প্রধান সহসম্পাদক, বণিক বার্তা

আরও