চীনের
প্রেসিডেন্ট
শি
জিন
পিং
একবার
বলেছিলেন,
পরিবেশ
হলো
জীবিকা।
আর
সবুজ
পাহাড়
ও
নীল
আকাশ
হলো
সৌন্দর্য
ও
সুখ।
আমাদের
দেশে
অবশ্য
প্রকৃতি
ও
পরিবেশ
এখনো
ভোট
পাওয়া
বা
না-পাওয়ার
কারণ
হয়ে
ওঠেনি।
তাই
এ
নিয়ে
রাজনীতিকদেরও
আগ্রহ
কম!
দূষণ
নিয়ন্ত্রণে
যেটুকু
কাজ
হয়,
তার
সিংহভাগই
কোনো
না
কোনো
আদালতের
নির্দেশে
আর
কিছু
পরিবেশবাদীর
সরব
ভূমিকার
সুফল।
তবে
দূষণ
কমিয়ে
প্রকৃতি
বাঁচাতে
কী
কী
করণীয়—তা
নিয়ে
সম্মেলন,
সেমিনার,
কর্মশালা,
নানা
গবেষণাও
কম
নয়;
বেশির
ভাগ
প্রস্তাব
ও
পরামর্শ
কাগজে-কলমেই
আটকে
যায়।
পরিণতিতে
যা
হওয়ার
তাই-ই
হচ্ছে।
আবহমান গ্রামবাংলায়
রাস্তার
দুই
পাশে
একসময়
ফলমূলের
গাছ
ছিল।
যেখানে
বিভিন্ন
পশু-পাখি
এসে
বসত।
প্রকৃতি
রাঙানো
শিমুল,
পলাশ,
জারুল,
সোনালো
গাছও
হারিয়ে
যাচ্ছে।
সেই
স্থান
দখল
করেছে
ইউক্যালিপ্টাস,
আকাশমণি,
আকাশিয়া,
শিশুসহ
নানা
ভিনদেশী
গাছ।
এর
ফলে
গত
কয়েক
দশকে
দেশের
প্রকৃতি
থেকে
ধীরে
ধীরে
হারিয়ে
গেছে
অন্তত
হাজারখানেক
প্রজাতির
নিজস্ব
গাছ,
যা
পরিবেশ
ও
জীববৈচিত্র্যকে
স্বাভাবিক
রাখত।
বিদেশী
এসব
গাছ
আমাদের
পরিবেশে
ছাকনির
ভূমিকা
পালন
করতে
পারছে
না।
ফলে
বাতাসে
ছড়াচ্ছে
বিষ,
যা
ডেকে
আনছে
অকাল
মৃত্যু।
ধূমপানের
থেকেও
বেশি
ঘাতক
বায়ুদূষণ।
শুধু
তাই
নয়,
এতে
রোগের
প্রকোপ
যেমন
বাড়ছে,
তেমনই
কমছে
মানুষের
আয়ু।
সার্বিকভাবে দীর্ঘমেয়াদি
বায়ুদূষণের
ফলে
নানা
রোগে
প্রায়
পাঁচ
মিলিয়ন
মানুষের
মৃত্যু
হয়।
এমনকি
দূষিত
বায়ুর
কারণে
বাংলাদেশীদের
গড়
আয়ু
কমে
যাচ্ছে
প্রায়
এক
বছর
তিন
মাস।
বিশ্বজুড়ে
একযোগে
প্রকাশিত
‘বৈশ্বিক
বায়ু
পরিস্থিতি-২০১৯’
শীর্ষক
প্রতিবেদন
এ
তথ্যই
দিচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক
গবেষণা
সংস্থা
হেলথ
ইফেক্টস
ইনস্টিটিউট
(এইচইআই) এবং
ইনস্টিটিউট
ফর
হেলথ
মেট্রিক্স
অ্যান্ড
ইভালুয়েশনের
(আইএইচএমই) যৌথ
উদ্যোগে
গবেষণাটি
করা
হয়েছিল।
গেল
তিন
বছরে
সে
পরিস্থিতি
তো
আরো
খারাপের
দিকে
গেছে।
বায়ুদূষণে
মৃত্যুর
হারের
দিক
থেকে
শীর্ষ
১০
দেশের
মধ্যে
আমরা
পঞ্চম
স্থানে
উঠে
এসেছি।
বিশ্ব
স্বাস্থ্য
সংস্থার
(ডব্লিউএইচও) মতে,
বছরে
এ
দূষণের
কারণে
বাংলাদেশে
মৃত্যু
হয়
প্রায়
২
লাখ
৪০
হাজার
লোকের।
পরিবেশ অধিদপ্তরের
তথ্যেও
উঠে
এসেছে
বায়ুদূষণের
ভয়াবহ
চিত্র।
বায়ুর
মান
পরীক্ষায়
নির্মল
বায়ু
ও
টেকসই
পরিবেশ
(সিএএসই) প্রকল্পের
আওতায়
ঢাকা,
গাজীপুর,
নারায়ণগঞ্জ,
চট্টগ্রাম,
সিলেট,
খুলনা,
রাজশাহী
ও
বরিশাল
শহরে
মোট
১১টি
কন্টিনিউয়াস
এয়ার
মনিটরিং
স্টেশন
(সিএএমএস) স্থাপন
করে
অধিদপ্তর।
এর
ভিত্তিতে
২০১৭
ও
২০১৮
সালের
শেষ
কয়েক
মাসের
উপাত্ত
বিশ্লেষণ
করা
হয়।
তাতে
দেখা
যায়,
সাধারণত
শুষ্ক
মৌসুমে;
বিশেষ
করে
বছরের
শেষদিকে
বায়ুদূষণের
মাত্রা
বাড়ে।
আর
বাতাসে
যেসব
ক্ষতিকর
উপাদান
আছে,
এর
মধ্যে
মানবদেহের
জন্য
সবচেয়ে
বেশি
ক্ষতিকর
পার্টিকুলেট
ম্যাটার
(পিএম) ২
দশমিক
৫।
তার
চেয়ে
কম
ব্যাসের
অতিক্ষুদ্র
এসব
বস্তুকণার
সহনীয়
মাত্রা
প্রতি
ঘনমিটার
বাতাসে
৬৫
মাইক্রোগ্রাম,
যদিও
ঢাকার
বাতাসে
পাওয়া
গেছে
এর
চেয়ে
বেশি
মাত্রায়।
এসব
সূক্ষ্ম
বন্তুকণা
নিঃশ্বাসের
সঙ্গে
গ্রহণের
ফলে
সাময়িকভাবে
দেখা
দেয়
শ্বাসকষ্ট,
শ্বাসযন্ত্রে
প্রদাহ,
চোখ
জ্বলা
ও
ফুসফুসের
রোগ।
তবে
এর
দীর্ঘমেয়াদি
প্রভাবই
বেশি।
দীর্ঘস্থায়ী
শ্বাসযন্ত্রের
রোগ
ছাড়াও
ফুসফুসের
ক্যান্সার,
হূদরোগ,
স্নায়ুতন্ত্র,
কিডনি,
লিভার
ও
মস্তিষ্কে
মারাত্মক
ক্ষতির
কারণ
হতে
পারে,
এমনকি
অকাল
মৃত্যুও।
বাতাসে কয়েকটি
রঙ
ও
ভাসমান
ক্ষতিকর
বস্তুকণার
(ওজোন গ্যাস,
হাইড্রোজেন
সালফাইড,
সিসা,
নাইট্রোজেন
ডাই-অক্সাইড,
সালফার
ডাই-অক্সাইড
ও
কার্বন
মনোক্সাইড)
উপস্থিতির
পরিমাণ
দিয়ে
বায়ুমান
জানা
যায়।
মান
ভালো
হলে
সবুজ,
মোটামুটি
ভালো
হলে
হলুদ,
কারো
কারো
ক্ষেত্রে
অস্বাস্থ্যকর
হলে
কমলা,
সবার
জন্য
অস্বাস্থ্যকর
হলে
লাল,
খুবই
অস্বাস্থ্যকরের
ক্ষেত্রে
বেগুনি
আর
বিপজ্জনক
হলে
খয়েরি
রঙ
দিয়ে
সূচকে
চিহ্নিত
করা
হয়।
কয়েক
বছর
ধরে
অত্যাধুনিক
প্রযুক্তি
বসিয়ে
মার্কিন
দূতাবাস
ঢাকার
বাতাসে
দূষণ
ও
বিপদের
মাত্রা,
সেই
সঙ্গে
তাত্ক্ষণিক
করণীয়
জানান
দিয়ে
আসছে।
যেটির
নাম
রিয়াল
টাইম
এয়ার
কোয়ালিটি
ইনডেক্স
(একিউআই) বা
সার্বক্ষণিক
বায়ুমান
সূচক।
বিশ্বে
নির্ভরযোগ্য
এ
যন্ত্রের
সূচকে
ঢাকার
বাতাসে
দূষণ
বা
বিষের
অবস্থান
মারাত্মক।
২৪
ঘণ্টায়ও
সবুজ
সূচকে
আসছে
না
বায়ুমান।
এমনকি
কমলাতেও
না।
বেশির
ভাগ
সময়
বায়ুতে
অতিবিপজ্জনক
উপাদানের
উপস্থিতি,
যা
কিনা
চমকে
ওঠার
মতোই
তথ্য।
সবচেয়ে
বেশি
ভাবিয়েছে
চলতি
বছরের
২০
জানুয়ারির
রেটিং।
ওইদিন
ঢাকার
বায়ুমান
ছিল
মারাত্মক
অস্বাস্থ্যকর।
ওই
তথ্য
বিশ্লেষণের
ভিত্তিতে
আন্তর্জাতিক
সংস্থা
এয়ার
ভিজ্যুয়ালের
হিসাব
অনুযায়ী,
সাপ্তাহিক
ছুটির
ওইদিন
সকাল
৮টার
দিকে
বিশ্বের
সবচেয়ে
দূষিত
বায়ুর
শহরের
তালিকায়
ঢাকা
ছিল
এক
নম্বরে।
বায়ুমান
সূচকে
তখন
স্কোর
ছিল
৩১৭।
খারাপ
বায়ুর
শহরের
তালিকায়
ওই
সময়
দ্বিতীয়
অবস্থানে
ছিল
ভারতের
শহর
কলকাতা।
তালিকায়
তৃতীয়
অবস্থানে
ছিল
ভারতের
মুম্বাই।
ওই
সময়ে
এ
দুটি
শহরের
স্কোর
ছিল
১৯৬
ও
১৮৯।
তার
মানে
দ্বিতীয়
স্থানে
থাকা
কলকাতার
চেয়ে
ঢাকার
বাতাসে
দূষণের
পার্থক্যটা
প্রায়
দ্বিগুণ!
অনিয়ন্ত্রিত নির্মাণকাজ,
তীব্র
যানজট,
মেয়াদোত্তীর্ণ
মোটরযান
ও
শিল্প-কারখানা
থেকে
নির্গত
বিষাক্ত
ভারী
ধাতু
যোগ
হচ্ছে
ধুলার
সঙ্গে।
ফলে
ঘরের
বাইরে
তো
বটেই;
বাড়িঘর,
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের
শ্রেণীকক্ষ
ও
খেলার
মাঠেও
ভেসে
বেড়াচ্ছে
অতিক্ষুদ্র
বস্তুকণা।
রাজধানীকে
ঘিরে
রয়েছে
অসংখ্য
ইটভাটা।
যেখান
থেকে
নানা
ধরনের
সূক্ষ্ম
ধূলিকণা
ছড়িয়ে
যায়
বাতাসের
সাহায্যে।
অবকাঠামো
তৈরিতেও
কোনো
নিময়
মানা
হয়
না।
দীর্ঘদিন
যত্রতত্র
ফেলে
রাখা
হয়
নির্মাণকাজের
মাটি,
বালিসহ
অন্যান্য
সামগ্রী।
সেই
সঙ্গে
রাস্তার
পাশে
ছড়িয়ে
ছিটিয়ে
রাখা
ময়লা-আবর্জনা
থেকেও
হচ্ছে
বায়ুদূষণ।
পরিবেশ বাঁচাও
আন্দোলনের
(পবা) তথ্য
অনুসারে,
রাজধানীর
বায়ুদূষণের
৫০
ভাগ
হয়
ইটভাটা
থেকে,
৩০
ভাগের
উৎস
উন্নয়নের
নামে
চলা
রাস্তা
খোঁড়াখুঁড়ি
ও
সিটি
করপোরেশনের
বর্জ্য।
এছাড়া
১০
ভাগ
আসে
গাড়ির
জ্বালানি
এবং
বাকি
১০
ভাগ
হয়
শিল্প-কারখানার
বর্জ্য
থেকে।
ঢাকার
আশপাশে
যেসব
ভাটা
রয়েছে
সেগুলোয়
ইট
পোড়াতে
যে
মানের
কয়লা
পোড়ানো
হয়,
তাতে
সালফারের
পরিমাণ
পাঁচ
শতাংশ।
অথচ
সেটি
কেবল
১
শতাংশ
থাকার
কথা।
সেই
দূষণ
সরাসরি
ঢাকার
বাতাসে
এসে
মিশছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
এক
গবেষণা
বলছে,
ব্যস্ত
এ
শহরে
বায়ুদূষণে
ধুলার
অবদান
প্রায়
৭৭
শতাংশ।
গ্রীষ্মমণ্ডলীয়
দেশ
হিসেবে
এ
দেশে
ধুলা
এমনিতেই
বেশি।
এরপর
কয়েক
বছর
ধরে
অনিয়ন্ত্রিতভাবে
উন্মুক্ত
পরিবেশে
নতুন
নতুন
নির্মাণযজ্ঞ
বাড়িয়েছে
ধুলাদূষণ।
পাশাপাশি
ঢাকা
ও
পাশের
এলাকার
জলাশয়
ভরাট
হওয়ায়
ধুলার
নতুন
উৎস
জন্মেছে,
যা
বায়ুদূষণ
বাড়াচ্ছে
কয়েকগুণ।
সাম্প্রতিক
সময়গুলোয়
বিশ্বের
শহরগুলোর
মধ্যে
দূষণে
ঢাকার
অবস্থান
প্রায়ই
শীর্ষে
উঠে
আসাই
তার
প্রমাণ।
২০২১
সালের
সেপ্টেম্বরে
প্রকাশিত
শিকাগো
ইউনিভার্সিটির
এনার্জি
পলিসি
ইনস্টিটিউটের
‘এয়ার
কোয়ালিটি
লাইফ
ইনডেক্স’-এর
তথ্যে
বলা
হয়েছে,
বায়ুদূষণের
কারণে
বাংলাদেশের
মানুষের
গড়
আয়ু
কমেছে
প্রায়
পাঁচ
বছর
চার
মাস।
আর
ঢাকায়
কমেছে
প্রায়
সাত
বছর
সাত
মাস।
প্রকৃতি ও
মানুষের
সহাবস্থান
নিশ্চিতকরণে
অভূতপূর্ব
সফলতা
দেখিয়েছে
চীনের
রাজধানী
শহর
বেইজিং।
অথচ
একসময়
বিশ্বের
সবচেয়ে
দূষিত
শহরগুলোর
একটি
ছিল
এটি।
তখন
নিয়মিত
বিরতিতে
এ
মেগাসিটির
দিকে
ধেয়ে
আসত
বালিঝড়।
পাশাপাশি
যুক্ত
হয়েছিল
বিভিন্ন
শিল্প-কলকারখানা
থেকে
ভেসে
আসা
ক্ষতিকর
গ্যাস
ও
কালো
ধোঁয়া।
রাস্তায়
চলাচলকারী
লাখ
লাখ
যানবাহন
তো
ছিলই।
কিন্তু
মাত্র
১০
বছরে
বেইজিংয়ের
বায়ুর
মান
নাটকীয়ভাবে
উন্নতির
পেছনে
কাজ
করেছে
সরকারের
পরিবেশবান্ধব
নীতিমালা
এবং
এসবের
যথাযথ
বাস্তবায়ন।
যদিও
অনেকেই
শুরুতে
তাদের
এ
পরিকল্পনার
বাস্তবায়ন
ও
সাফল্য
নিয়ে
সন্দেহ
প্রকাশ
করেছিলেন,
কিন্তু
বেইজিং
পেরেছে;
মাত্র
এক
দশকেই
সে
লক্ষ্য
অর্জনে
সক্ষম
হয়েছে।
ব্যাপক
বনায়নের
মাধ্যমে
বালিঝড়ের
ক্ষয়ক্ষতি
কমিয়ে
আনা
হয়েছিল।
বিপুলসংখ্যক
উচ্চদূষণকারী
শিল্পপ্রতিষ্ঠান
বন্ধ
কিংবা
সরিয়ে
নেয়া
হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ
এলাকায়
কয়লার
বদলে
বাড়ানো
হয়েছে
গ্যাস
ও
বিদ্যুতের
ব্যবহার।
বছরে
বছরে
কমিয়ে
আনা
হচ্ছে
গাড়ির
নতুন
নম্বর
প্লেট
ইস্যু।
বাড়ানো
হয়েছে
দূষণমুক্ত
জ্বালানিচালিত
গাড়ির
সংখ্যা।
শুধু
তাই
নয়,
বিষাক্ত
ধোঁয়া
নিয়ন্ত্রণে
শহরে
নামানো
হয়েছে
পরিবেশ
পুলিশের
দল।
আর
এ
পুলিশ
দলের
কাজ
হবে
বিভিন্ন
স্থান
থেকে
বায়ুদূষণের
উৎস
খুঁজে
বের
করা।
আর এদিকে
গাছ
ও
পানির
মাধ্যমে
ঢাকার
বায়ুর
মান
বাড়ানোর
কথা
থাকলেও,
পরিবেশ
অধিদপ্তরের
বিনিয়োগ
এক্ষেত্রে
খুবই
সামান্য।
উল্টো
বায়ুদূষণের
কারণগুলোকে
জিইয়ে
রেখেই
নেয়া
হচ্ছে
উন্নয়ন
পরিকল্পনা।
পরিবেশ
অধিদপ্তর,
রাজধানী
উন্নয়ন
কর্তৃপক্ষ
(রাজউক), সিটি
করপোরেশনের
মতো
প্রতিষ্ঠানগুলোও
দূষণকারীদের
পরোক্ষ
বা
প্রত্যক্ষভাবে
সহযোগিতা
দিয়ে
যাচ্ছে।
কল-কারখানা
ও
ইটভাটা
বায়ুদূষণের
প্রধান
কারণ
হলেও
প্রতিষ্ঠানগুলোর
দূষণ
নিয়ন্ত্রণে
পরিবেশ
অধিদপ্তরের
ভূমিকা
বলতে
গেলে
শূন্য।
এমনকি
উন্নয়নের
দোহাই
দিয়ে
দূষণকারীদেরই
ছাড়
দেয়া
হচ্ছে।
রাজধানীর
সড়কগুলোয়
ধুলা
নিয়ন্ত্রণে
প্রতিদিন
সকালে
দুই
সিটি
করপোরেশনের
কর্মীদের
পানি
ছিটানোর
নিয়ম
রয়েছে,
কিন্তু
সে
দৃশ্য
একেবারেই
বিরল।
তাছাড়া
নির্মাণাধীন
ভবনের
ধুলা
নিয়ন্ত্রণে
প্রয়োজনীয়
ব্যবস্থা
নেয়া
হচ্ছে
কিনা,
তা
দেখার
দায়িত্ব
রাজউকের।
তারাও
সে
দায়িত্বটা
পালন
না
করে
ঢাকার
কলেবর
বাড়ানোতেই
মনোযোগী।
দূষণের
জন্য
আমাদের
আরামপ্রিয়তারও
দায়
আছে।
কারণে-অকারণে
এসি
চালাচ্ছি।
আর
সেই
শীতলীকরণ
যন্ত্র
থেকে
নির্গত
বিষাক্ত
গ্যাস
বায়ুকে
দূষিত
করছে।
আবার
বনায়নের
নামে
ভিনদেশী
যেসব
গাছ
লাগানো
হচ্ছে
সেগুলো
থেকে
কতটুকু
কার্বন
ডাই
অক্সাইড
অবজার্ভ
হচ্ছে,
কতটুকু
অক্সিজেন
নিঃসরণ
হচ্ছে
সেটা
নিয়েও
কোনো
গবেষণা
নেই।
তাহলে
কি
আমাদের
এ
বিষবায়ু
থেকেই
অক্সিজেন
টানতে
হবে?
নিঃশ্বাসের
সঙ্গে
ক্ষতিকর
সূক্ষ্ম
বন্তুকণা
টেনেই
বেঁচে
থাকতে
হবে?
ওবায়দুল্লাহ সনি: সাংবাদিক