তারা বিদেশে গিয়ে অবহেলিত শ্রমিক নয়; নিজের দেশেই দক্ষ কর্মী, প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদ হিসেবে মর্যাদার জীবন গড়ছে। আরো একটু দূরে, সেই শিল্পাঞ্চলের পাশেই গড়ে উঠেছে একটি ছোট প্রযুক্তি-নগরী—সিলিকন ভ্যালির ধাঁচে তৈরি একটি তথ্যপ্রযুক্তি গ্রাম (আইটি ভিলেজ), যেখানে কাচের দেয়ালের আধুনিক ভবনের সারি, খোলা প্রাঙ্গণ আর সবুজ ক্যাম্পাসের মাঝখান দিয়ে সকাল সকাল ল্যাপটপ ব্যাগ কাঁধে হাসিমুখে ঢুকছে তরুণ-তরুণী প্রকৌশলী আর বিজ্ঞানীরা—কেউ চিপ নকশা (চিপ ডিজাইন) নিয়ে কাজ করছে, কেউ ব্যাটারি ব্যবস্থাপনা সিস্টেম, কেউ সফটওয়্যার ও শিল্পপ্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে। এ স্বপ্ন আজ দূরের মনে হলেও সঠিক সিদ্ধান্ত নিলে তা অসম্ভব নয়।
প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন চীন সফরকে তাই শুধু একটি কূটনৈতিক সৌজন্য সফর হিসেবে দেখলে ভুল হবে। এটি বাংলাদেশের শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। এ সফরকে দলীয় রাজনীতির বাইরে রেখে জাতীয় অর্থনৈতিক স্বার্থের প্রশ্ন হিসেবে দেখা দরকার। সাফল্য মাপা উচিত কতটি বিনিয়োগ, কতটি প্রযুক্তি হস্তান্তর, কতটি কর্মসংস্থান এবং কতটি রফতানির সুযোগ তৈরি হলো—তা দিয়ে।
বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে চীনের কাছ থেকে অবকাঠামো সহযোগিতা নিয়েছে। সড়ক, সেতু, বিদ্যুৎ, বন্দর, টানেল—এসব ক্ষেত্রে চীনা অর্থায়ন ও নির্মাণ সংস্থার ভূমিকা আছে। কিন্তু এখন প্রশ্ন হলো, এসব অবকাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ কি শিল্পায়নের দ্বিতীয় ধাপে প্রবেশ করতে পারবে? চীন সফরের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত সেই উত্তর খোঁজা।
অবকাঠামো মানেই শুধু সেতু, রাস্তা বা শিল্পাঞ্চল নয়; নদী, পানি ও কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিও জাতীয় উৎপাদনের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। তাই তিস্তা প্রকল্প যদি এ সফরের আলোচ্যসূচিতে থাকে, তবে সেটিকেও শুধু একটি বড় অবকাঠামো প্রকল্প হিসেবে নয়, উত্তরবঙ্গের কৃষি, সেচ, নদীভাঙন, মৎস্যসম্পদ ও আঞ্চলিক অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত জীবন-জীবিকার প্রকল্প হিসেবে দেখতে হবে। চীনের অর্থায়ন বা কারিগরি সহায়তা নেয়া হলে চুক্তিতে স্বচ্ছ ঋণশর্ত, পরিবেশগত মূল্যায়ন, বাংলাদেশী প্রকৌশলীদের প্রশিক্ষণ এবং স্বাধীন তদারকির ব্যবস্থা থাকা উচিত। তিস্তা যেন আরেকটি ঋণনির্ভর মেগা প্রকল্প না হয়ে উত্তরাঞ্চলের মানুষের বাস্তব অর্থনৈতিক পুনর্জাগরণের ভিত্তি হয়—সেটাই হওয়া উচিত বাংলাদেশের অবস্থান।
চীন আজ শুধু অবকাঠামো নির্মাণকারী দেশ নয়। বৈদ্যুতিক যান, ব্যাটারি, সৌরশক্তি, ডিজিটাল প্রযুক্তি, বন্দর ব্যবস্থাপনা, শিল্প উৎপাদন এবং আধুনিক সরবরাহ-শৃঙ্খল ব্যবস্থায় চীন বিশ্বের অন্যতম প্রধান শক্তি। তাই বাংলাদেশের লক্ষ্য হওয়া উচিত—ঋণ নয়, বিনিয়োগ; সেতু নয়, শিল্প; আমদানি নয়, উৎপাদন এবং কেবল প্রকল্প নয়, প্রযুক্তি হস্তান্তর। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের অভিজ্ঞতাও আমাদের মনে রাখা দরকার। সেখানে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা ছিল, কিন্তু প্রশিক্ষণ আর প্রকৃত প্রযুক্তি হস্তান্তর এক জিনিস নয়। তাই চীনের সঙ্গে নতুন কোনো বড় প্রকল্পে শুধু জনবল প্রশিক্ষণ নয়, দেশীয় প্রকৌশল সক্ষমতা, রক্ষণাবেক্ষণ জ্ঞান, স্থানীয় সরবরাহকারী উন্নয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতার শর্ত থাকতে হবে।
প্রথমেই নজর দিতে হবে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় প্রস্তাবিত চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চলকে। বহু বছর ধরে আলোচনায় থাকা এ প্রকল্পকে এখন শুধু জমি, রাস্তা, বিদ্যুৎ, পানি ও সীমানা প্রাচীরের প্রকল্প বানালে হবে না। বাংলাদেশের উচিত চীনের কাছ থেকে নির্দিষ্ট শিল্প বিনিয়োগের বাধ্যতামূলক প্রতিশ্রুতি চাওয়া। কোন কোম্পানি আসবে, কত বিনিয়োগ করবে, কোন পণ্য উৎপাদন করবে, কতজন বাংলাদেশীকে চাকরি দেবে, কত শতাংশ স্থানীয় উপকরণ ব্যবহার করবে এবং কত বছরের মধ্যে উৎপাদন শুরু করবে—এসব স্পষ্টভাবে চুক্তিতে থাকতে হবে।
বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা হলো, বিদেশী বিনিয়োগ এলেই প্রযুক্তি হস্তান্তর আসে না। রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলভিত্তিক গার্মেন্টস, টেক্সটাইল, পোশাক সহায়ক উপকরণ, টেলিকম, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য খাতে বিনিয়োগ কর্মসংস্থান তৈরি করেছে; কিন্তু দেশীয় প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, স্থানীয় সরবরাহকারী ব্যবস্থা এবং উচ্চ দক্ষতার মানবসম্পদ তৈরিতে প্রত্যাশিত অগ্রগতি সব ক্ষেত্রে হয়নি। তাই এবার চীনের সঙ্গে যেকোনো সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) বা সমঝোতা চুক্তিতে (এমওএ) প্রযুক্তি হস্তান্তর, প্রকৌশলী প্রশিক্ষণ, স্থানীয় ব্যবস্থাপনা দক্ষতা উন্নয়ন এবং বাংলাদেশী সরবরাহকারী সংযোগ বাধ্যতামূলক করা দরকার।
চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের আলোচনায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ব্যাটারি ও বৈদ্যুতিক যান খাত বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে। বাংলাদেশ তেল-গ্যাস আমদানিনির্ভরতা কমাতে চায়, আবার বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর চাপও বাড়ছে। চীন সৌর প্যানেল, লিথিয়াম ব্যাটারি, ব্যাটারিভিত্তিক বিদ্যুৎ সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং বৈদ্যুতিক যান উৎপাদনে শক্তিশালী অবস্থানে আছে। বাংলাদেশ যদি শুধু সৌর প্যানেল সংযোজন কারখানায় আটকে না থেকে সৌর মডিউল, ইনভার্টার, ব্যাটারি প্যাক, চার্জিং স্টেশন, বৈদ্যুতিক বাস এবং দুই চাকার বৈদ্যুতিক যান উৎপাদনের সমন্বিত শিল্প ব্যবস্থা তৈরি করতে পারে, তাহলে কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি ও আমদানি ব্যয় কমানো—তিনটি লক্ষ্যই একসঙ্গে এগোবে।
সেমিকন্ডাক্টর ও ইলেকট্রনিকস খাতেও বাস্তবসম্মত অবস্থান নেয়া দরকার। বাংলাদেশকে এখনই বিলিয়ন ডলারের চিপ তৈরির কারখানার স্বপ্ন দেখানো বাস্তবসম্মত নয়। কিন্তু চিপ নকশা, এম্বেডেড সফটওয়্যার, পরীক্ষা, প্যাকেজিং, প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড, সেন্সরনির্ভর যন্ত্র এবং ইলেকট্রনিক উপাদান উৎপাদনের মতো ক্ষেত্রে বাংলাদেশ-চীন অংশীদারত্ব সম্ভব। বাংলাদেশের তরুণ প্রকৌশলী আছে; দরকার ল্যাব, পরামর্শদাতা, শিল্প সংযোগ এবং বাজারে প্রবেশাধিকার।
এ কারণে একটি বাংলাদেশ-চীন শিল্পদক্ষতা ও প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। শুধু বৃত্তি বা সংক্ষিপ্ত সফর যথেষ্ট নয়। দরকার একটি স্থায়ী প্রতিষ্ঠান, যেখানে তরুণদের সৌর প্রযুক্তি, বৈদ্যুতিক যান রক্ষণাবেক্ষণ, ব্যাটারি ব্যবস্থাপনা, শিল্প স্বয়ংক্রিয়করণ, রোবোটিকস, মান নিয়ন্ত্রণ ও সরবরাহ-শৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। প্রশিক্ষণ শেষে চাকরির সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকতে হবে।
চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতাও আলোচনায় আসা জরুরি। চীন বাংলাদেশের বড় আমদানি উৎস, কিন্তু বাংলাদেশের রফতানি চীনে এখনো সীমিত। শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার থাকলেও বাংলাদেশ তা পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারেনি। এর কারণ শুধু শুল্ক নয়; পণ্যের মানদণ্ড, মোড়কীকরণ, সনদায়ন, পণ্য পরিবহন, বিপণন, চীনা ভোক্তার রুচি এবং ভাষাগত অদক্ষতাও বড় বাধা। তাই চীনা বাজারে প্রবেশ সহায়তা তহবিল গঠন করা যেতে পারে, যার মাধ্যমে পাটজাত পণ্য, চামড়াজাত পণ্য, সামুদ্রিক খাদ্য, ওষুধ, কৃষি-প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, হালাল খাদ্য, সিরামিক, হালকা প্রকৌশল পণ্য ও উন্নতমানের পোশাক চীনা বাজারের জন্য প্রস্তুত করা হবে।
কৃষি ও খাদ্যপ্রযুক্তিতেও সহযোগিতার বড় সুযোগ আছে। বাংলাদেশ খাদ্য উৎপাদনে অগ্রগতি করেছে, কিন্তু ফসল-পরবর্তী ক্ষতি, শীতল সরবরাহ-শৃঙ্খল, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াকরণ, খাদ্যনিরাপত্তা সনদায়ন এবং আধুনিক সেচ ব্যবস্থা এখনো দুর্বল। চীন হাইব্রিড বীজ, কৃষিযন্ত্র, শীতল গুদাম, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, ড্রোনভিত্তিক ফসল পর্যবেক্ষণ এবং পানি ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে পারে।
তবে কৃষকের উন্নয়ন শুধু কৃষি কার্ড, ভর্তুকি বা স্বল্পমেয়াদি ঋণ দিয়ে সম্ভব নয়। এগুলো দরকার হতে পারে, কিন্তু এগুলো কৃষককে টিকিয়ে রাখে; এগিয়ে নেয়ার জন্য দরকার মালিকানার সুযোগ। উত্তরবঙ্গ, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও উপকূলীয় অঞ্চলে কৃষি-শিল্প গুচ্ছ গড়ে তুলতে হলে সেখানে কৃষকদেরও অংশীদার করার নীতি থাকতে হবে। হিমাগার, পণ্য সংরক্ষণাগার, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা ও রফতানিমুখী কৃষিপণ্য সরবরাহ ব্যবস্থায় কৃষকদের সমবায়, শেয়ারহোল্ডিং বা অংশীদারত্বের সুযোগ তৈরি করা গেলে তারা শুধু কাঁচামাল সরবরাহকারী থাকবে না; কৃষি-শিল্পের লাভের অংশীদার হবে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ঋণ ব্যবস্থাপনায় সতর্কতা। বাংলাদেশের দরকার বিনিয়োগ, উৎপাদন ও রফতানি; শুধু নতুন ঋণ নয়। চীন যদি অবকাঠামো অর্থায়ন দেয়, তবে তা যেন বাংলাদেশের ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা যাচাই, প্রকল্পের অর্থনৈতিক লাভজনকতা, স্বচ্ছ সুদের হার, পর্যাপ্ত গ্রেস পিরিয়ড, পরিষ্কার ঋণ পরিশোধসূচি এবং জনসমক্ষে তথ্য প্রকাশের ভিত্তিতে হয়। প্রদর্শনমূলক প্রকল্প নয়, আয়সৃষ্টিকারী প্রকল্পকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
বন্দর, পণ্য পরিবহন ও কাস্টমস আধুনিকীকরণ ছাড়া কোনো শিল্পায়ন টেকসই হবে না। বাংলাদেশ যদি চীনা বিনিয়োগকে আঞ্চলিক উৎপাদন কেন্দ্র করতে চায়, তাহলে দ্রুত বন্দর ছাড়পত্র, বন্ডেড গুদাম, ডিজিটাল কাস্টমস, শীতল সরবরাহ-শৃঙ্খল, রেল-সড়ক-বন্দর সংযোগ এবং নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।
সবশেষে চুক্তি বাস্তবায়নের একটি শক্তিশালী তদারকি ব্যবস্থা দরকার। আমাদের দেশে বড় সমস্যা হলো সমঝোতা স্মারক সই হয়, ছবি তোলা হয়, সংবাদ সম্মেলন হয়; তারপর প্রকল্প বছরের পর বছর ঝুলে থাকে। এবার প্রতিটি এমওইউ বা এমওএ-তে সময়বদ্ধ কর্মপরিকল্পনা থাকতে হবে। কোন মন্ত্রণালয় দায়িত্বে থাকবে, কোন কোম্পানি প্রধান বিনিয়োগকারী হবে, কত দিনের মধ্যে জমি ইজারা হবে, কত দিনের মধ্যে বিদ্যুৎ-পানি-গ্যাস সংযোগ হবে, কত দিনের মধ্যে উৎপাদন শুরু হবে—এসব লিখিতভাবে থাকতে হবে।
বাংলাদেশের চীননীতি অবশ্যই ভারসাম্যপূর্ণ হতে হবে। চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক সম্পর্ক মানে অন্য কারো বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া নয়। বাংলাদেশকে চীন, ভারত, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র এবং আসিয়ান—সব পক্ষের সঙ্গে বাস্তববাদী সম্পর্ক রাখতে হবে। পররাষ্ট্রনীতির মূলনীতি হওয়া উচিত: কারো উপগ্রহ নয়, সবার সঙ্গে সম্মানজনক সম্পর্ক; কিন্তু জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে স্পষ্ট দরকষাকষি।
প্রধানমন্ত্রীর সফরের সাফল্য কতটি সমঝোতা স্মারক সই হলো, তা দিয়ে মাপা উচিত নয়। মাপা উচিত—কতটি কারখানা আসবে, কতজন তরুণ প্রশিক্ষণ পাবে, কতজন চাকরি পাবে, কত প্রযুক্তি বাংলাদেশে আসবে, কত রফতানি বাড়বে এবং কতটা শিল্প সক্ষমতা তৈরি হবে।
চীন সফরের আসল সাফল্য হবে তখনই, যখন বাংলাদেশ শুধু চীনা পণ্যের বাজার থাকবে না; বরং চীনা প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ ব্যবহার করে নিজেই উৎপাদন, রফতানি ও দক্ষ মানবসম্পদের নতুন কেন্দ্র হয়ে উঠবে। কিন্তু এ অর্জন চীনের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করে আসবে না; তা আদায় করতে হবে সঠিক কৌশল, প্রস্তুত দরকষাকষি এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষার স্পষ্ট চুক্তির মাধ্যমে।
মহিউদ্দিন আহমেদ: আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিশেষজ্ঞ