জ্বালানি

চা বাগানের ফাঁকা জমিতে সোলার প্যানেল স্থাপনের অনুমতি দেয়া উচিত

বাংলাদেশের সিলেট বিভাগে প্রায় ১৬৮টি চা বাগান রয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশীয় চা সংসদের কয়েকজন সদস্য জানিয়েছেন, এসব চা বাগানের ৫০-৫২ শতাংশ জমিতে কারিগরিভাবে চা উৎপাদন সম্ভব।

বাকি অংশে প্রাকৃতিকভাবে চা উৎপাদন করা যায় না। জমির এসব অংশে সরাসরি সূর্যের আলো বেশি পড়ে তাই চা গাছ বাঁচে না। সংস্থাটির দাবি, এ ধরনের জমিতে সোলার প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের অনুমতি দেয়া উচিত সরকারের। এজন্য লিজ ডকুমেন্ট সংশোধন করা জরুরি। যদি তা করা যায় তাহলে দুই-তিন বছরের মধ্যেই চা বাগানগুলো থেকে জাতীয় গ্রিডে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য জ্বালানির মাধ্যমে যোগ করা যাবে। এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এ প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। ইউটিউবে এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানার পর বিষয়টি নিয়ে লেখার তাগিদ অনুভব করছি।

সৌরবিদ্যুতের প্রতি অবহেলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। গত মে মাসে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে ১ হাজার ৭৪৫ দশমিক ২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে। এটি মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ১০ শতাংশেরও কম। অথচ দক্ষিণ এশিয়ার দেশ পাকিস্তান এরই মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ৬ হাজার মেগাওয়াট অতিক্রম করেছে। বণিক বার্তার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর মাধ্যমে দেশটি বছরে ১২ বিলিয়ন ডলার সাশ্রয় করতে পারছে। ভারতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি সক্ষমতা ৭০ হাজার মেগাওয়াট অতিক্রম করেছে। ভিয়েতনামও তাদের বিদ্যুতের চাহিদার ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানির মাধ্যমে মেটাচ্ছে। বাংলাদেশের ‘সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউয়েবল এনার্জি ডেভেলপমেন্ট অথরিটি’ (স্রেডা) তাদের ঘোষিত ন্যাশনাল সোলার এনার্জি রোডম্যাপে ৩০ হাজার মেগাওয়াটের সোলার এনার্জির লক্ষ্য অর্জনের সুপারিশ করেছে। এর মধ্যে ১২ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ ছাদভিত্তিক সোলার প্যানেল থেকে আহরণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। কিন্তু এ রোডম্যাপ ঘোষণার কয়েক বছর পার হলেও লক্ষ্য পূরণের উপযুক্ত কর্মপদক্ষেপ নেয়া হয়নি। দেশের বড় বড় নগর ও মফস্বল শহরগুলোয় বেসরকারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বসতবাড়িগুলোর ছাদ ব্যবহারের মাধ্যমে ৭-৮ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন মোটেও অসম্ভব মনে হচ্ছে না। এজন্য প্রয়োজন হবে সোলার প্যানেল ও ব্যাটারির ভর্তুকি-দাম কর্মসূচি বাস্তবায়ন, সৌরবিদ্যুতের যন্ত্রপাতির ওপর আরোপিত শুল্ক হ্রাস এবং যুগোপযোগী ‘নেট মিটারিং’ পদ্ধতি চালু করা। ২০২৪ সালে ভারতের সাধারণ নাগরিকদের বাড়ির ছাদে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনের জন্য ‘প্রধানমন্ত্রীর সূর্যোদয় যোজনা’ বা ‘পিএম রুফটপ সোলার যোজনা’ চালুর যে বিস্তারিত বিবরণ ইউটিউবে পাওয়া যাবে। এ কর্মসূচির মাধ্যমে তিন কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষম সোলার প্যানেল বাড়িতে স্থাপন করার সুযোগ রয়েছে। মডেলটি বাংলাদেশের জন্যও কার্যকর হতে পারে। তাতে তিন কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার সোলার প্যানেল বাড়ির ছাদে স্থাপন করতে চাইলে উল্লিখিত যোজনার কাছে আবেদন করার নিয়মগুলো পরিপূর্ণভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছিল। ইউটিউবে যোজনার পূর্ণ বিবরণ পাঠ করার পর আমার কাছে মনে হয়েছে মডেলটি সরাসরি বাংলাদেশে প্রয়োগযোগ্য ব্যবস্থা। এখন তার সঙ্গে যুক্ত হলো ১৬৮টি চা বাগানে সোলার প্যানেল স্থাপনের এ যুগান্তকারী সম্ভাবনাটি। বসতবাড়ির সঙ্গে এবার যুক্ত হলো চা বাগানের ফাঁকা জমি।

অন্তর্বর্তী সরকারে উপদেষ্টা ড. ফাওজুল কবির খান সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য দেশে পর্যাপ্ত জমি নেই বলে যে ধারণা রয়েছে সেটিকে ভুল বলে মন্তব্য করেছিলেন। তিনি রেলওয়ের নিজস্ব জমি ও মহাসড়কের পাশের ফাঁকা জায়গাগুলোকে ব্যবহারের কথা বলেছিলেন। আমিও তার এ মন্তব্যের সঙ্গে একমত। নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে সরকার অগ্রাধিকার দিলে ২০৩০ সাল নাগাদ ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। এদিকে চা বাগানগুলোতে সোলার প্যানেল স্থাপনের প্রস্তাবনা নতুন সুযোগ তৈরি করেছে। তবে চা বাগান বাদেও আরো অনেক স্থান থেকেই এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো যায়। সে আলোচনা পর্যায়ক্রমেই করা হবে। দেশে বর্তমানে চারটি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র আমদানীকৃত কয়লার মাধ্যমে উৎপাদন চালিয়ে আসছে। চারটিই মেগা প্রকল্প। এসব বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে প্রায় ৫ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হওয়ার কথা। কিন্তু এ প্লান্টগুলো স্থাপনের পর বাংলাদেশ তো বটেই, গোটা বিশ্বেই আমূল পরিবর্তন ঘটেছে। রাশিয়া-ইউক্রেনের দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে কয়লার দাম বেড়েছে। পাশাপাশি দেশে বাণিজ্য ঘাটতি ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ধসের কারণে বাড়তি দাম বিদ্যুৎ প্লান্টের কাঁচামাল সংগ্রহের সক্ষমতা সংকুচিত করে ফেলেছে। ২০২৪ সালের আগস্ট থেকেই বাণিজ্য ঘাটতি ও ব্যালান্স অব পেমেন্টের কারেন্ট অ্যাকাউন্টের ঘাটতি মোকাবেলায় সরকার কঠোরভাবে আমদানি নিয়ন্ত্রণ নীতি নিয়েছে এবং বাস্তবায়ন করে চলেছে। এজন্য নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পরও কয়লার অভাবে এসব প্লান্ট প্রায়ই বন্ধ রাখা হয়। এমন পরিস্থিতিতে এসব মেগা প্রকল্প যেন দেশের জন্য অসহনীয় বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এদিকে মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হিসেবে ভারতের আদানি গ্রুপ থেকে অন্যায্য শর্তে বিদ্যুৎ আমদানির চুক্তি রয়েছে। পতিত শেখ হাসিনা সরকারের করা এ চুক্তি থেকে বেরোনোর কোনো পথ বর্তমান সরকার এখনো খুঁজে পাচ্ছে না। ফলে এ চুক্তির শর্ত মোতাবেক অনেক বেশি দামে বাংলাদেশকে সর্বোচ্চ ১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনতেই হচ্ছে আদানির ঝাড়খণ্ডের গড্ডা প্রকল্প থেকে।

এদিকে সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তীব্র জ্বালানি সংকটে পড়ে দেশ। এলএনজিচালিত অনেক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ থাকছে। প্রায় ২৭ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্যাপাসিটি অর্জন সত্ত্বেও দৈনিক উৎপাদনকে এখন ১৪-১৫ হাজার মেগাওয়াটে সীমিত রাখতে হচ্ছে। এ সংকটের জন্য প্রধানত দায়ী আমদানীকৃত এলএনজিনির্ভর জ্বালানি ও বিদ্যুৎ উৎপাদন নীতি। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, কয়েকজন প্রভাবশালী এলএনজি আমদানিকারককে অন্যায্য সুবিধা দেয়ার জন্য শেখ হাসিনা সরকারের সময় এ নীতি নেয়া হয়েছিল। এ নীতির কারণে দৃশ্যত একদিকে ইচ্ছাকৃত অবহেলার শিকার হয়েছে গ্যাস অনুসন্ধান, আর অন্যদিকে যথাযথ অগ্রাধিকার পায়নি সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন। দেশের স্থলভাগে গত ১৬ বছরে কয়েকটি ছোট ছোট গ্যাসকূপ ছাড়া উল্লেখযোগ্য তেল-গ্যাস ক্ষেত্রে সন্ধান মেলেনি। ভোলা গ্যাসের ওপর ভাসছে বলা হলেও ভোলার গ্যাস পাইপলাইনের মাধ্যমে দেশের মূল ভূখণ্ডে আনার কাজটি এখনো পুরোপুরি শুরু হয়নি। ২০১২ ও ২০১৪ সালে মিয়ানমার ও ভারতের বিরুদ্ধে মামলায় জিতে বাংলাদেশ ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটার সমুদ্রসীমার নিয়ন্ত্রণ পায়। এরপর ১২-১৪ বছর পেরোলেও সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধান চালানো হয়নি। ২০২৩ সালে সমুদ্রসীমায় জ্বালানি তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য পেট্রোবাংলা আন্তর্জাতিক টেন্ডার আহ্বান করে। তাতে সাড়া মেলেনি। এদিকে সেন্ট মার্টিনের অদূরে মিয়ানমার তাদের সমুদ্রসীমা থেকে পাঁচ ট্রিলিয়ন ঘনফুটেরও বেশি গ্যাস আহরণ করছে। একই ভূতাত্ত্বিক কাঠামো যেহেতু বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায়ও রয়েছে তাই বাংলাদেশের সেন্ট মার্টিন এলাকার সমুদ্রেও গ্যাস পাওয়া যাবে বলে বিশেষজ্ঞদের দৃঢ় অভিমত। ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের কাছাকাছি বঙ্গোপসাগরের গোদাবরী বেসিনে ভারতও এরই মধ্যে বিশাল গ্যাস ও তেল ক্ষেত্র আবিষ্কার করেছে।

দেশের বিদ্যুৎ খাতের জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভরতা থেকে নিস্তার পেতে চীন, ভারত ও ভিয়েতনামের সোলার পাওয়ারের সাফল্য কীভাবে অর্জিত হয়েছে তা জেনে এ দেশের সোলার-পাওয়ার নীতিকে অবিলম্বে ঢেলে সাজাতে হবে। এজন্য ভারতের ‘প্রধানমন্ত্রী সূর্যোদয় যোজনা’কে অবিলম্বে বাংলাদেশে চালু করার আশু প্রয়োজন অনুভব করছি। বাড়ির মালিকদের জন্য এ ভর্তুকি কর্মসূচি তাদেরকে অবিলম্বে বাড়ির ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপনে উৎসাহিত করবে। গণচীন, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, ভারত, ফিলিপাইন ও জার্মানি ছাদভিত্তিক সোলার পাওয়ার উৎপাদনে চমকপ্রদ সাফল্য অর্জন করেছে। সোলার প্যানেল ও ‘ব্যাটারি’র দামে সুনির্দিষ্ট ভর্তুকি প্রদান এবং ভর্তুকি-দামে ‘নেট মিটারিং’ স্থাপনে প্রণোদনা দিয়ে এসব দেশের সাফল্য অর্জন করেছে। এ ‘নেট-মিটারিং’ প্রযুক্তি গণচীন থেকে এখন সুলভে আমদানি করা যাচ্ছে। চা বাগানে সোলার প্যানেল স্থাপনের প্রস্তাবটিকেও সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হোক। সাম্প্রতিক গবেষণায় প্রমাণিত, এক ইউনিট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ এরই মধ্যে গণচীন, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডে বাংলাদেশী ১০ টাকার নিচে নেমে এসেছে।

সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে অনেক খালি জায়গা লাগে বিধায় বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে তা উৎপাদন সম্ভব নয় বলে যে ধারণা রয়েছে তা ঠিক নয়। এক্ষেত্রে বঙ্গোপসাগরে জেগে ওঠা বিভিন্ন চরাঞ্চল, দেশের সমুদ্র উপকূল এবং নদ-নদী ও খালগুলোর দুই পাড়ে সোলার প্যানেল স্থাপনের সম্ভাবনাটিও খতিয়ে দেখা হোক। বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের সীমানায় যে কয়েকশ চরাঞ্চল গড়ে উঠছে সেগুলোতে জনবসতি গড়ে ওঠার আগেই ওগুলোতে যদি বড় বড় সৌরবিদ্যুৎ-কাম-বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্প গড়ে তোলার মহাপরিকল্পনা অগ্রাধিকার সহকারে বাস্তবায়ন করা হয় তাহলে অত্যন্ত সাশ্রয়ী পন্থায় কয়েক হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন আগামী চার-পাঁচ বছরের মধ্যেই সম্ভব হবে। সম্প্রতি জার্মানি নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে বাংলাদেশকে বিপুলভাবে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। জার্মানি সমুদ্র উপকূলের কথা বলেছে। আমি এর চাইতেও সম্ভাবনাময় মনে করি বঙ্গোপসাগরে নতুন জেগে ওঠা চরাঞ্চলগুলোকে। এগুলোতে মানববসতি নেই, তাই ভূমি অধিগ্রহণের কোনো ঝামেলাই হবে না। উপরন্তু, উৎপাদিত বিদ্যুৎ সাবমেরিন কেবলের মাধ্যমে দেশের মূল ভূখণ্ডের বিদ্যুৎ গ্রিডে নিয়ে আসাও খুব বেশি ব্যয়সাধ্য হওয়ার কথা নয়। ডেনমার্ক বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলে ১ হাজার ৩০০ মেগাওয়াট বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য যে বিনিয়োগ প্রস্তাব বিগত হাসিনা সরকারের কাছে পেশ করেছিল তা অবিলম্বে গ্রহণ করা প্রয়োজন। বাংলাদেশের নদ-নদীর দুই পাড় ও চর, বঙ্গোপসাগরের নতুন জেগে ওঠা চর এবং সমুদ্র-উপকূলে এ রকম বড় বড় সৌরবিদ্যুৎ-কাম-বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন করলে দেশের বিদ্যুতের চাহিদার অধিকাংশই নবায়নযোগ্য সোর্স থেকে আহরণ করা সম্ভব হবে। তাহলে আমদানীকৃত কয়লা ও এলএনজির ওপর অতি নির্ভরতা থেকে জাতি মুক্তি পাবে। সম্প্রতি বিএনপি সরকার সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনকে অগ্রাধিকার প্রদানের জন্য নীতিমালা ঘোষণা করেছে। কিন্তু বেসরকারি ভবনগুলোর জন্য ভারতের ‘পিএম রুফটপ সোলার পাওয়ার যোজনার’ আদলে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনকে প্রণোদনা প্রদানের জন্য কোনো নীতিমালা নেয়া হয়নি। চা বাগানে সোলার প্যানেল স্থাপন এবং রুফটপ সোলার প্যানেল স্থাপনকে অবিলম্বে সরকারের অগ্রাধিকারে নিয়ে আসা হোক। ‘নেট মিটারিং’ প্রযুক্তি আমদানি ও ব্যবহারকে উৎসাহিত করার জন্য উপযুক্ত ভর্তুকি নীতিমালা বাস্তবায়নকে কেন অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে না তা আমার বোধগম্য হচ্ছে না। এ দুটি ব্যাপারে অবিলম্বে সরকারি সিদ্ধান্ত ঘোষণার জোর দাবি জানাচ্ছি।

ড. মইনুল ইসলাম: সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি; একুশে পদকপ্রাপ্ত অর্থনীতিবিদ ও অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

আরও