প্রত্যাশা

ব্যাংক খাত গঠন ও বিনিয়োগ পুনর্জাগরণের বছর হতে পারে ২০২৬

২০২৪-এর আগস্টে ক্ষমতা নেয়া অন্তর্বর্তী সরকার অর্থনীতিকে অনেকটা ভঙ্গুর অবস্থায় পেয়েছে। বিশেষ করে ব্যাংক খাত ও পুঁজিবাজারসহ সামগ্রিক অর্থ খাতে ছিল বেশ কয়েকটি কৃষ্ণগহ্বর।

২০২৪-এর আগস্টে ক্ষমতা নেয়া অন্তর্বর্তী সরকার অর্থনীতিকে অনেকটা ভঙ্গুর অবস্থায় পেয়েছে। বিশেষ করে ব্যাংক খাত ও পুঁজিবাজারসহ সামগ্রিক অর্থ খাতে ছিল বেশ কয়েকটি কৃষ্ণগহ্বর। সরকারের প্রধান উপদেষ্টা দুটো বড় কথা দিয়েছিলেন যে তিনি একটি মজবুত অর্থনীতি দিয়ে যাবেন এবং শেষে দেবেন ইতিহাসের সুন্দরতম নির্বাচন। আগামী নির্বাচনের রূপ জীবনানন্দের রূপসী বাংলার মতো সৌন্দর্যমণ্ডিত হয়ে উঠবে কিনা তা এখন বলা যাচ্ছে না। তবে অর্থনীতি যে একটা মজবুত জায়গায় আসেনি তা নিশ্চিত করে বলা যায়। সামগ্রিক অর্থ খাতের ভঙ্গুরতা বেড়েছে বৈ কমেনি।

বিনিয়োগে দুর্বলতা শুধু তথ্য বা পরিসংখ্যানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বিনিয়োগের জন্য সঠিক পরিবেশের এতটা অভাব এর আগের ৩৫ বছরেও দেখা যায়নি। অনিশ্চয়তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ভীতি, যা ১৬ মাস ধরেই চলেছে অব্যাহত গতিতে। চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও মব-তাণ্ডবের অভূতপূর্ব উত্থানে ব্যবসায়ীরা জিম্মি হয়ে পড়েছিলেন। তিন শতাধিক কারখানা বন্ধ হয়েছে। কর্মনিরাপত্তা কমেছে। বেড়েছে বেকারত্ব। দুর্বল হয়েছে জিডিপির প্রবৃদ্ধি। ২০২৫ অর্থবছরে তা নেমেছে শতকরা চার ভাগের নিচে, যা কভিড-বর্ষ বাদে গত ৩৫ বছরে দেখা যায়নি। সব মিলিয়ে এ সরকার আগামী নির্বাচিত সরকারের জন্য অর্থনীতির কাজটি কঠিনতর করে গেছে। এ ‘কঠিনেরে ভালোবাসিলাম’ মেনে নিয়েই আগামী নির্বাচিত সরকার অর্থনীতিতে একটি পুনর্জাগণের ঢেউ জাগিয়ে তুলতে সক্ষম হবে বলেই বিশ্বাস।

এ অমোঘ বিশ্বাসের মূলে নেই কোনো গণকের বাণী। নেই কোনো রাজনৈতিক পছন্দ-অপছন্দের তাড়না। এটি অর্থনৈতিক ইতিহাসের শিক্ষা। অনিশ্চয়তা, অদক্ষতা বা দুর্বলতার অবসানে সব দেশেই বিনিয়োগের একটা জোয়ার আসে। এটি একটি রাজনৈতিক বাণিজ্যচক্র, যা আমরা আগেও দেখেছি। ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮-এর নির্বাচনের পর পরই বিনিয়োগ নবগতিতে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। ১৯৮৯ সালের এপ্রিল থেকে চীনের তরুণরা বেইজিংয়ের তিয়েন-আনমেন স্কোয়ারে গণতন্ত্রের জন্য বিক্ষোভ শুরু করে। থমকে যায় বিদেশী বিনিয়োগ টানার ধারাবাহিকতা।

সে বছর জুনে চীন সরকার কঠোর অবস্থানে গিয়ে বিদ্রোহীদের হত্যা করে। সারা বিশ্ব বিশেষ করে পুঁজিবাদী বিশ্ব ধিক্কার ও নিন্দা জানায়। কিন্তু সেই পুঁজিবাদী উদ্যোক্তারাই ১৯৯১ সাল থেকে বিনিয়োগের বস্তা চীনের ওপর নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। বিনিয়োগের পূর্বশর্ত নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, যা অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্বল প্রশাসন দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এতে সরকারের সদিচ্ছার অভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে বলেও উদ্যোক্তারা গুটিয়ে গেছেন। নির্বাচিত সরকার এ গুটিয়ে যাওয়া মানুষগুলোকে ভরসায় আনতে পারবে। তবে শর্ত একটিই—সরকারি কর্তাদেরকে আইন-শৃঙ্খলা ও বিচারকর্মের দৃশ্যমান উন্নয়নে আন্তরিক ও সক্ষম হতে হবে। শুধু ‘সিঙ্গাপুর হয়ে যাওয়া’ কিংবা ‘দর্শক থেকে খেলোয়াড়’ হয়ে যাওয়ার বাগাড়ম্বতাই যথেষ্ট নয়।

ব্যাংক খাতের সবচেয়ে বড় ব্যাধির নাম খেলাপি ঋণের ক্রমবর্ধমান দৌরাত্ম্য, যা বিগত আওয়ামী সরকার কার্পেটের নিচে লুকিয়ে রেখে কম দেখাত। অসৎ ও ক্ষমতার ভাগীদার ব্যবসায়ীরা এক্ষেত্রে অর্থলুণ্ঠনের সুবিধা পেতেন, যা ম্যানেজ করে দিতে একজন হিসাববিদকে অর্থমন্ত্রী বানানো হয়েছিল। এ অর্থমন্ত্রী ছিলেন খেলাপি ঋণের বিকৃত সংজ্ঞার এক সেয়ান গুরু। অর্থ পাচার ও শেয়ারবাজার কেলেংকারিতেও তার সুনাম ছিল। অন্তর্বর্তী সরকার ব্যাংক খাত পুনরুদ্ধারের বাসনায় বাংলাদেশ ব্যাংকে নতুন গভর্নর নিয়োগ করে। এটি এ সরকারের এক অন্যতম পুণ্যকর্ম। গভর্নর যোগ্য মানুষ। আগের সরকারের নিয়োজিত অবসরপ্রাপ্ত আমলা গভর্নরদের মতো তিনি অর্থমন্ত্রীর হুকুমের অপেক্ষায় থাকেন না।

নতুন গভর্নরের সামনে ছিল পাঁচটি বড় সমস্যা—উচ্চ মূল্যস্ফীতি, তারল্য সংকটে নিমজ্জিত ঘুণে খেয়ে দেয়া গোটা দশেক ব্যাংক, বৈদেশিক রিজার্ভের নিম্নগমন, বর্ধমান খেলাপি ঋণের বোঝা এবং লেনদেনের ভারসাম্যে টানাপড়েন। তিনি প্রথমেই নীতি সুদহার বা রেপো রেটকে শতকরা ১০ ভাগে উন্নীত করেন, যা একটি কষায়িত বা ‘টাইটেন্ড’ মুদ্রানীতির লক্ষণ। এতে ব্যক্তি খাতে ঋণগ্রহণের মাত্রা কমে আসে, যা ২০২৫ অর্থবছরে ছিল শতকরা মাত্র সাড়ে ৬ ভাগ। স্বাভাবিক সময়ে এটি ১২-১৬ ভাগের মধ্যে থাকার কথা। চাহিদার দিকে এ কষায়ণের ফলে মূল্যস্ফীতি তরতরিয়েই কমে আসার কথা। কিন্তু তা হয়নি। সরকার গঠনের সময় অর্থাৎ ২০২৪-এর আগস্টে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল দশ শতাংশ (৯ দশমিক ৯৫)। ১৫ মাস পর ২০২৫-এর নভেম্বরে তা অতি সামান্য কমে ৯ শতাংশে (৮ দশমিক ৯৬) ঠেকেছে। এ ১ শতাংশীয় পয়েন্টের পতন পরিসংখ্যানগতভাবে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি নয়। প্রতিবেশী দেশগুলোয় কেউই আর উচ্চ মূল্যস্ফীতির কবলে নেই। বিশ্ববাজারে তেল ও পণ্যমূল্যও এখন বেশ সহনীয়। তার পরও বলা যায় গভর্নর মূল্যস্ফীতির প্রবণতা রেখাকে কিছুটা নিম্নমুখী করতে পেরেছেন।

মূল্যস্ফীতি আশানুরূপভাবে কমে না আসার অন্যতম কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্যবসায়ীদের ওপর অবাধ চাঁদাবাজি দমনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ব্যর্থতা, মুমূর্ষু ব্যাংকগুলোকে তারল্য সহায়তা প্রদান ও সরকারের রাজস্ব আদায়ের ব্যর্থতা পোষাতে টাকা ছাপিয়ে সরকারকে সহায়তা দেয়া। এ স্ববিরোধী কাজগুলোই মূল্যস্ফীতিকে উঁচুতে ধরে রেখেছে। পাঁচটি শরিয়াহ ধারার ব্যাংককে একীভূত করা হলেও এর গ্রাহকরা এখনো তাদের আমানত বুঝে পাননি। মুদ্রা পাচার কতটা কমেছে তার কোনো সঠিক হিসাব কারো কাছে না থাকলেও বলা যায় যে এ পাচারের ক্ষেত্রে যথেষ্ট ছন্দপতন ঘটেছে। অনেক পাচারকারী দৌড়ের ওপর আছেন, কেউবা সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছেন, কেউবা নির্বাচনী খরচকে সামনে রেখে মুদ্রা পাচার আপাতত স্থগিত রেখেছেন। আমদানিতে কষনি খেয়েও কিছু ব্যবসায়ী সে পথে পাচার কমিয়ে দিয়েছেন।

নতুন গভর্নর ডলারের দামকে যথেষ্ট বাজারভিত্তিক করায় বৈধ পথে রেমিট্যান্স বেড়েছে প্রায় ২৬ শতাংশ। ২০২৪ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল প্রায় ২৪ বিলিয়ন ডলার। ২০২৫ অর্থবছরে তা বেড়ে ৩০ বিলিয়নের সামান্য ওপরে উঠেছিল। ২০২৭ অর্থবছরে এ অংক ৩৩-৩৬ বিলিয়নের মধ্যে থাকবে বলে আশা করা যায়। নির্বাচনী মৌসুমে সম্ভাব্য এমপিকে সহায়তা দিতে ভাই-বন্ধুরা টাকা পাঠাবেন, যা সরকারের চলতি হিসাবকে আরেকটু ধনাত্মক করবে। এর সুফল গিয়ে পড়েছে রিজার্ভের ওপর, যা বছরের শেষে প্রায় ২৮ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়। ২০২৪-এর জুলাইয়ের শেষ দিনে এ রিজার্ভ ছিল সাড়ে ২০ বিলিয়ন ডলার, যা অন্তর্বর্তী সরকার হাতে পেয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বড় দক্ষতা এখানে। গভর্নর আওয়ামী আমলের শেষ সময়ে প্রাপ্ত নিম্নমুখী রিজার্ভের ধারাকে হালকা পাতলা হলেও ঊর্ধ্বমুখী ধারায় নিতে পেরেছেন। তবে সম্প্রতি-সংকুচিত আমদানির বিচারে এ সঞ্চিতি কিছুটা সন্তোষজনক হলেও স্বাভাবিক সময়ের সাবলীল আমদানির বিচারে এটি পর্যাপ্ত নয়। ক্ষুধামান্দ্য রোগে আক্রান্ত হয়ে কারো যদি চাল-ডালের খরচ কমে তাহলে তা খুব একটা ভালো লক্ষণ নয়।

২০২৫ অর্থবছরে মূলধনি পণ্যের আমদানি কমে গেছে ২৫ শতাংশ ও মধ্যবর্তী পণ্যের আমদানি কমে গেছে প্রায় ৯ শতাংশ। এ প্রবণতা রিজার্ভ বৃদ্ধিতে সহায়তা দিলেও দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির উৎপাদনশীলতা ও নিয়োগ কমিয়ে দিয়েছে। এরাও প্রবৃদ্ধি কমাতে ভূমিকা রেখেছে। চিন্তার বিষয় হচ্ছে, এ সক্ষমতা হারানোর ধারায় ২০২৬-এর জুলাই-নভেম্বর কালপর্বেও কোনো পরিবর্তন আসেনি। মাত্র পাঁচ মাসের এ সময়েই পুঁজিপণ্যের আমদানি কমেছে প্রায় ১৭ শতাংশ, মধ্যবর্তী পণ্য প্রায় ১৬ শতাংশ ও পেট্রোলিয়াম পণ্য কমেছে প্রায় ১১ শতাংশ।

অর্থনীতির এ সক্ষমতা-বর্ধক আমদানিগুলোর বেশ বড় মাপের পতন না হলে শুধু রেমিট্যান্সের ২৬ শতাংশ বৃদ্ধি ও রফতানির পৌনে ৮ শতাংশ বৃদ্ধি দিয়ে রিজার্ভ বাড়ানো সম্ভব হতো না। অতএব রিজার্ভ বৃদ্ধির গল্পটি অবিমিশ্রভাবে সুখকর নয়। এর জন্য অর্থনীতিকে বেশ মূল্য দিতে হচ্ছে। ২০২৬-এ নির্বাচিত সরকার আসার পর বিনিয়োগের পুনর্জাগরণে রিজার্ভ সংকট আবার মাথাচাড়া দিতে পারে। ২০২৫ অর্থবছরে আমদানি ছিল প্রায় ৬৮ বিলিয়ন ডলার আর রফতানি ছিল প্রায় ৪৪ বিলিয়ন ডলার। রিজার্ভকে স্বস্তির জায়গায় নিতে হলে কমপক্ষে ছয় মাসের আমদানি ব্যয় নির্বাহের ক্ষমতা থাকা বাঞ্ছনীয়। এতে ২০২৬ সালে ৪০-৪২ বিলিয়ন ডলারের মতো প্রয়োজন পড়বে। আমদানি বাড়লে রফতানিও বাড়বে।

অন্তর্বর্তী সরকার আসীন হওয়ার আগে ২০২৪-এর জুনে খেলাপির পরিমাণ ছিল মোট ঋণের প্রায় ১৩ শতাংশ। একই বছর সেপ্টেম্বরে তা ১৭ শতাংশে ও ডিসেম্বরে ২০ শতাংশে উন্নীত হয়। ২০২৫-এর মার্চে তা ২৪ ভাগ, জুনে ৩৪ ভাগ ও সেপ্টেম্বরে ৩৬ ভাগে উঠে যায়। খেলাপি ঋণের এ দ্রুত উত্তরণ একে ক্যান্সার থেকে করোনা মহামারির পর্যায়ে নিয়ে গেছে, যা নবনির্বাচিত সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াবে। কেন এমন হলো?

প্রথমত, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রথমে আমলা গভর্নরের সংজ্ঞা বর্জন করে মানসম্পন্ন সংজ্ঞায় খেলাপি ঋণের প্রকৃত অবস্থা মানুষকে বোঝাতে চেয়েছে। এটি ভালো উদ্যোগ। তবে কিছুদিন বাদেই নতুন গভর্নর অনুধাবন করলেন যে সুস্থ সংজ্ঞা অনুসরণ করলে খেলাপির পরিমাণ ৫০ শতাংশে উঠে যেতে পারে, যা ব্যাংক খাত নিয়ে আমানতকারীদের আস্থা বিনাশ করবে এবং এ খাতকে সোজা রাস্তায় বসিয়ে দেবে। এ ভয়ে গভর্নর আবার ফিরে গেলেন সেই আওয়ামী আমলের ‘টিপ অব দ্য আইসবার্গ’ সংজ্ঞায় যা সমস্যাটিকে ছোট করে দেখাবে। বিষয়টিতে চালাকির স্বাক্ষর থাকলেও দৃঢ় নীতি-সামঞ্জস্যতার ছাপ নেই।

দ্বিতীয়ত, শুধু সংজ্ঞার রঙ বদলেই খেলাপি বাড়েনি। প্রকৃত অংকেও বেড়েছে। বণিক ও শিল্পপতিরা নানা সভায় বলছেন তারা ব্যবসা করতে পারছেন না। কলকারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ঋণের অভাবে কিংবা সর্বগ্রাসী চাঁদাবাজ কিংবা বর্ধমান নৈরাজ্যের কবলে পড়ে। সংস্কারের নামে অস্থিরতা বেড়েছে। তাই হাজার হাজার ব্যবসায়ী খেলাপি হয়ে যাচ্ছেন বাধ্য হয়ে। এ অবস্থা থেকে উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদেরকে উদ্ধার করাই হবে নির্বাচিত সরকারের অন্যতম প্রধান কাজ।

চলমান সরকারের মতো প্রথমেই ইতিহাস ও ‘সভ্যতা’ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লে নির্বাচিত সরকারকে আবারো খাদে পড়তে হবে। ২০২৬-এর অর্থনীতি চাঙ্গা হওয়ার পূর্বশর্ত হচ্ছে সামাজিক নিরাপত্তা বিধান। নির্বাচিত সরকার প্রথমে সে দিকটায় নজর দিলে দ্বিতীয় ধাপে ব্যাংক খাতের পুনর্গঠন কঠিন হবে না। এরপর বিনিয়োগের উজ্জীবন নিশ্চিত করা স্বাভাবিক গতিতেই এগিয়ে যাবে। এটি বিনিয়োগের ধর্ম।

ড. বিরূপাক্ষ পাল: যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্ক অ্যাট কোর্টল্যান্ডে অর্থনীতির অধ্যাপক

আরও