পরিষেবা

হুইলচেয়ার ব্যবস্থাপনা ও প্রবীণ যাত্রীদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক বিমানবন্দর সেবা

মোট বিমানযাত্রীদের মধ্য প্রায় ৫-৬ শতাংশের বয়স ৬৫ বছরের ওপরে (ইউএস এভিয়েশন)। বিমান ছাড়া অন্যান্য বাহনের মাধ্যমে ২০২৩ সালে বিশ্বে প্রায় ৩৭ শতাংশ যাত্রী ৬০ বছরের ওপরে ছিল।

এর সঙ্গে স্বাস্থ্যগত কারণে কিছুটা অক্ষম, অসুস্থ, সদ্যোজাত শিশুসন্তানদের সঙ্গে নিয়ে ভ্রমণের সংখ্যা যোগ করলে এ হার আরো কিছু বেশি হবে। এ ধরনের যাত্রীদের জন্য এয়ারপোর্টে হুইলচেয়ারের ব্যবস্থা নতুন কিছু নয়। ব্যবস্থাটি আগেও ছিল, তবে ইদানীং এটি ব্যবহারের প্রবণতা বেড়েছে বলে মনে হয়। যেহেতু সেবাটি বিনামূল্যে পাওয়া যায়, তাই এটি গ্রহণে বেশ আগ্রহ দেখা যায়। এয়ারপোর্টে দীর্ঘ পথ হাঁটা, নিরাপত্তা চেক এবং বোর্ডিং প্রক্রিয়া বয়স্ক ও প্রবীণ যাত্রীদের জন্য কষ্টকর হতে পারে। তাই প্রতিটি আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরে পর্যাপ্ত হুইলচেয়ার ও সহায়ক কর্মী থাকে। এটি শুধু একটি সেবামূলক উদ্যোগ নয়, বরং বয়স্ক নাগরিকদের প্রতি দায়িত্বশীল ও মানবিক আচরণের প্রতিফলন। তবে সেবাটি দেয়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা ভিন্ন।

১৯৮৬ সালে ইউএসএতে এয়ার ক্যারিয়ার অ্যাকসেস অ্যাক্ট (এসিএএ) প্রণয়ন করা হয়েছিল, যাতে বিমান পরিবহন সংস্থাগুলো প্রতিবন্ধী যাত্রীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের বৈষম্য করতে না পারে, যা পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক কেরিয়ারগুলোয়ও সংযোজন হয়, তবে রেগুলেশন দেশভেদে ভিন্ন। এ আইনের লক্ষ্য ছিল আকাশপথ ও বিশ্বকে এমনভাবে উন্মুক্ত করা, যাতে শারীরিক বা বুদ্ধিবৃত্তিক কোনো প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও সবাই সমানভাবে ভ্রমণের সুযোগ পায়। এ আইন কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে এখনো অনেক কাজ বাকি থাকলেও এটি সিনিয়র সিটিজেন বা প্রবীণ, স্বাস্থ্যগত কারণে কিছুটা অক্ষম প্রতিবন্ধী ভ্রমণকারীদের প্রতি আচরণে উল্লেখযোগ্য উন্নতি এনেছে। এখন একটি উল্লেখযোগ্যসংখ্যক এ ধরনের লোক নিয়মিত ভ্রমণ ও এ সেবা নেন।

একজন ট্রিপল অ্যাম্পিউটি (তিন অঙ্গহীন) হুইলচেয়ার ব্যবহারকারীর পক্ষে এ সুবিধা না থাকলে এবং আইনটি না হলে তার মতো মানুষের জন্য বিমান ভ্রমণ অসম্ভব ছিল। প্রতিবন্ধী বিমানযাত্রীদের জন্য নির্দিষ্ট অধিকারগুলো ১৯৯০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহন বিভাগ নির্ধারণ করে। পরে ২০০৮ সালে এ নির্দেশিকাগুলো সর্বশেষ হালনাগাদ করা হয়, যার একটি বড় সংশোধন ২০০৯ সালের মে মাসে কার্যকর হয়। ২০২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর, যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহন বিভাগ ‘‌Ensuring Safe Accommodations for Air Travelers With Disabilities Using Wheelchairs’ শিরোনামে একটি গুরুত্বপূর্ণ চূড়ান্ত বিধি জারি করে, যা ‘‌হুইলচেয়ার রুল’ নামে পরিচিত। বিধিটি বিমান সংস্থার দায়িত্বগুলোকে উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারণ করেছে। বিধিটি ২০২৫ সালের ১৬ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে, তবে বিভিন্ন শর্তপূরণের সময়সীমা আলাদা, যার মধ্যে প্রশিক্ষণ-সংক্রান্ত শর্তগুলো পূরণের সময়সীমা আগামী জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। কিছু বিধানের ক্ষেত্রে বাস্তবায়ন বিলম্বিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহন বিভাগ ঘোষণা করেছে হুইলচেয়ার ব্যবহারকারী যাত্রীদের জন্য সহজলভ্য বিমান ভ্রমণ অধিকার সম্প্রসারণ একটি ‘মাইলফলক’। যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহন বিভাগ একটি চূড়ান্ত বিধি জারির দ্বারা বিমান সংস্থাগুলোর মাধ্যমে হুইলচেয়ার ব্যবহারকারী এবং অন্যান্য প্রতিবন্ধী যাত্রীর জন্য আরো উন্নত মানের সেবা ও সুবিধা নিশ্চিত করেছে।

বাংলাদেশেও অন্যান্য দেশের মতো এ হুইলচেয়ার সুবিধা রয়েছে, তবে তা অন্যান্য দেশের মতো সংগঠিত নয়। বাংলাদেশে কোনো হুইলচেয়ার বিধিমালা আছে কিনা তা জানা নেই। সম্প্রতি কয়েকটি দেশ ভ্রমণের সুযোগ হয়েছিল, এ প্রথমবারের মতো হুইলচেয়ার ব্যবহার করার সুবাদে অভিজ্ঞতাটা বেশ দারুণ ছিল, যা আমাদের ভ্রমণকে অনেক বেশি আনন্দদায়ক করেছে। তবে আমাদের ও অন্যান্য দেশের সেবাদানের তফাত বেশ চোখে পড়ার মতো। সাম্প্রতিক সময়ে বিদেশ ভ্রমণকালে আমার কিছু অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য এ লেখা।

গত মার্চে আমাদের অস্ট্রেলিয়া ভ্রমণের সময়ে হুইলচেয়ার ব্যবহারের অভিজ্ঞতা বেশ মজার। বিনামূল্যের সেবাটি টিকিট কেনার সময় উল্লেখ করা থাকে। আমাদের টিকিটের মধ্যও ‘ডব্লিউএইচসিআর’ শব্দটি লেখা ছিল। তাই এয়ারপোর্টে ঢোকার শুরুতেই কর্মকর্তাদের ব্যবহারে আন্তরিকতার পরিচয় পাওয়া যাচ্ছিল। আমার মতে, ঢাকা এয়ারপোর্টের আয়তন এতটাই ছোট যে এখানে খুব বেশি অসুস্থ না হলে এ সেবার তেমন দরকারই নেই। তার পরও কারো কারো জন্য এটির প্রয়োজন হতেই পারে সেটি ভিন্ন বিষয়।

চেক-ইন করার সময় লাইনে দাঁড়িয়ে আছি, এ সময় কিছু করিতকর্মা অফিসার আমাদের সাহায্য করার জন্য এগিয়ে আসেন। বারবার অনুরোধ করতে থাকেন। এরই মধ্যে দুটো হুইলচেয়ার আমাদের নিয়ে যাওয়ার জন্য হাজির। আমার কর্তা কিছুতেই হুইলচেয়ার নেবেন না, কারণ ঢাকা এয়ারপোর্টের ইমিগ্রেশন পর্যন্ত যেতে খুব বেশি হাঁটার দরকার পড়ে না। আমরা সে সিন্ধান্তে অটল থাকলাম এবং লাগেজ পাঠিয়ে ইমিগ্রেশনের দিকে রওনা হলাম। সবকিছু পার হয়ে আমরা ওয়েটিং রুমে অপেক্ষা করছি, বেশকিছু হুইলচেয়ার ব্যবহারকারীকে দেখা গেল এবং সবাই যার যার সাধ্যমতো হুইলচেয়ার বহনকারীকে খুশি করছে। চোখ আটকে গেল হুইলচেয়ার বহনকারী একজন প্যাসেঞ্জারের দিকে, তার সঙ্গে তীব্র বচসা চলছে, ভদ্রলোক বিদেশে থাকেন, তার কাছে বাংলাদেশী কারেন্সি তেমন নেই, তাই বারবার জানালেন। কিন্তু বহনকারী নাছোড়বান্দা, তিনি বরং বললেন বিদেশী কারেন্সিই দিন কোনো সমস্যা নেই। তিনি এরই মধ্য কিছু টাকা দিয়েছেন, কিন্তু চাহিদাটি একটু বেশি। যা-ই হোক শেষকালে একজন তৃতীয় ব্যক্তির মাধ্যমে ফায়সালা হলো। বুঝতে পারলাম চেক-ইনের সময় সবাই আমাদের কেন এত খাতির করে বারবার হুইলচেয়ার এ বসার অনুরোধ করছিল। শেষমেশ ৩-৪ ঘণ্টা জার্নি করে গুয়াংজু পৌঁছে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র। প্লেনে থাকাকালীনই কেবিন ক্রু বারবার জিজ্ঞেস করছিলেন হুইলচেয়ারের কথা এবং একটা পর্যায়ে তারা জানালেন যাতে আমরা নামার সময় সংশ্লিষ্ট কেবিন ক্রুয়ের মাধ্যমে এয়ারক্র্যাফট থেকে বের হই, তাতে সে আমাদের পরবর্তী ট্রানজিটের ক্ষেত্রে হুইলচেয়ার ব্যবহার-সংক্রান্ত সব রকমের সহায়তা করবে। তারা হুইলচেয়ার ব্যবহারকারীদের আলাদাভাবে শনাক্ত করার জন্য একটি ব্যাজ আমাদের জ্যাকেটের হাতায় লাগিয়ে দিল। ট্রানজিটজুড়ে এত বড় একটা এয়ারপোর্টে লিফট, প্লেন ল্যান্ড, বাস সবকিছুতে তারা যে সেবা দিয়ে যাচ্ছিল তা অভূতপূর্ব। প্লেনে চায়না ওয়েস্টার্নের একটি বই নাড়াচাড়া করছিলাম, সেখানে দেখলাম তারা ২০২৬ সালের সামার থেকে অটাম পর্যন্ত ৫৩ লাখ ৩০ হাজার ফ্লাইট পরিচালনা করবে। তারা যে পারবে তা তাদের সেবার মাধ্যমে তারা প্রমাণ করল।

প্লেন ল্যান্ড করলে সব যাত্রী নামা পর্যন্ত আমরা কয়েকজন অর্থাৎ হুইলচেয়ার যাত্রীরা অপেক্ষা করলাম, ঠিক সময়ে আমাদের প্লেন থেকে নামার পরই হুইলচেয়ারের মাধ্যমে রিসিভ করল। সব কার্যক্রমটি তারা বেশ দক্ষতার সঙ্গে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে পালন করল। অর্থাৎ এয়ার হোস্টেজ প্লেন পর্যন্ত, তারপর সে আমাদের তুলে দিল দক্ষ হুইলচেয়ার বহনকারীদের কাছে, ইমিগ্রেশনের পর আর একজন তার দায়িত্ব নিল। তৃতীয় ব্যক্তি সময়মতো আমাদের সংশ্লিষ্ট গেটে পৌঁছে দিয়ে মিষ্টি হেসে অপেক্ষা করার অনুরোধ জানিয়ে বিদায় নিল। সঙ্গে সঙ্গে আমাদের নিজ দেশের চিত্রটি চোখের সামনে ভেসে এল, মনে হলো কবে আমাদের দেশের পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে এবং আমরা ভদ্রভাবে দক্ষ সেবা দিতে শিখব।

অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছে একইভাবে অত্যন্ত যত্নের সঙ্গে আমাদের এয়ারপোর্টের বাইরে নিয়ে এল। এমনকি লাগেজ খুঁজে দিতে এবং এগুলো ট্রলিতে ওঠানোর জন্য সাহায্য করল। আমার ছেলেকে হুইলচেয়ার ও ট্রলিটি হস্তান্তর করে বলল গুডবাই এবং এনজয় ইওর ভিজিট ইন অস্ট্রেলিয়া। এ সেবাদানকারী অবশ্য অন্য দেশের। যা-ই হোক এ রকম জাতিগত বৈশিষ্ট্য এবং সেবা আমরা প্রশংসা না করে পারি না। বাংলাদেশে যারা সেবাটি দিয়ে থাকেন তারা সেভাবে দক্ষ নয়, তাদের বেতনভাতা হয়তো তাদের ঠিকভাবে চলতে দেয় না। সে কারণে তারা কিছু বাড়তি রোজগারের চেষ্টা করে। তবে কিছু অত্যন্ত সেনসেটিভ জায়গায় যেমন এয়ারপোর্ট, হাসপাতাল ও বিশেষ যাত্রীদের উন্নততর সেবার বিষয়টি মাথায় রেখে ব্যবস্থা নেয়া দরকার। বারবার মনে হলো আমরা বিদেশী বিনিয়োগ চাই, কিছুটা বয়স্ক উদ্যোক্তা যখন কোনো এ ধরনের সহায়তা চাইবে এবং আমাদের ফ্লোর লেভেলের কর্মকর্তারা তাদের সঙ্গে কী ধরনের ব্যবহার করতে পারে সেটা চিন্তা করে শিউরে উঠি। দেশের ভেতরে পৌঁছার আগেই যদি এয়ারপোর্টে ভিন্ন অভিজ্ঞতা হয় তা হলে আর কথাই নেই।

বাংলাদেশের প্রধান বিমানবন্দরগুলো—যেমন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য পর্যাপ্তসংখ্যক হুইলচেয়ার ও প্রশিক্ষিত সহায়ক কর্মী থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রধান বিমানবন্দরগুলোর পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা আর একটি বিরাট ব্যাপার। কবে বাংলাদেশে একটি মশামুক্ত, পরিচ্ছন্ন এয়ারপোর্ট আমরা দেখতে পাব। ইমিগ্রেশনে সেবার মান কিছুটা বেড়েছে বলে মনে হয়, লাগেজ বেল্টেও সময় আগের তুলনায় কমেছে। বাকি কাজগুলো ধীরে ধীরে সম্পন্ন করা দরকার। এয়ারপোর্ট একটি দেশের প্রতিবিম্ব, এখানে ঢুকতেই পার্থক্যটা এত বেশি প্রকট হয়ে দেখা দেয়, যা সত্যিই বেদনাদায়ক। এ দেশের সরকারে থাকা ব্যক্তিরা প্রায় ভ্রমণ করেন, তবে তাদের জন্য ভিআইপি সেবা থাকায় হয়তো তারা পুরোটা বুঝতে পারেন না। কিন্তু এয়ারপোর্ট ব্যবস্থাপনার যে উন্নতি দরকার তাতে কোনো দ্বিমত নেই। সেকেন্ড টার্মিনাল চালু হলে এ অবস্থার উন্নতি হবে বলে আশা করা গিয়েছিল, কিন্তু সেটা এখনো চালু কেন হচ্ছে না, তা আমরা জানি না। আমরা শিগগিরই উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বিশ্বে পা রাখতে যাচ্ছি। এরই মধ্যে অনেক দেরি হয়েছে। এখন নতুন সরকারের এটি একটি অগ্রাধিকার হওয়া দরকার। একজন বিদেশী যাত্রী এয়ারপোর্টে প্রবেশের মুহূর্ত থেকে শুরু করে বোর্ডিং গেট এবং গন্তব্যে পৌঁছার পর লাগেজ সংগ্রহ পর্যন্ত সব রকম সহায়তা পাওয়ার সুযোগ থাকা দরকার। বর্তমানে অবশ্য এয়ারপোর্ট সেবাদানকারী পাওয়া যায়। কিছু পয়সার বিনিময়ে এ কাজগুলো তারা করে। বিশেষ করে বয়স্ক যাত্রীদের ভ্রমণকে নিরাপদ, স্বাচ্ছন্দ্যময় ও ঝামেলামুক্ত করা হলে বিশ্বে আমাদের সম্মান বাড়বে। এয়ারপোর্টে সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য কার্যকর হুইলচেয়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা একটি আধুনিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবহন ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বয়স্ক নাগরিকদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে এবং তাদের ভ্রমণ অভিজ্ঞতা আরো সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে।

হুইলচেয়ার ব্যবস্থার উন্নয়নে টিকিট বুকিংয়ের সময় হুইলচেয়ার সেবা অগ্রিম নিশ্চিত করার সঙ্গে সঙ্গে সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য পৃথক সহায়তা ডেস্ক স্থাপন, পর্যাপ্তসংখ্যক হুইলচেয়ার সংরক্ষণ এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি সহায়ক কর্মীদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ প্রদান করলে সেবার মান আরো উন্নত হবে এবং যাত্রীদের সন্তুষ্টি বাড়বে। বিশ্বের ১৯২ দেশের ইউএন কনভেনশন অন দ্য রাইটস অব পারসন উইথ ডিসঅ্যাবিলিটি বা ‘সিআরপিডি’র সদস্য। বাংলাদেশও ব্যতিক্রম নয়, তাই এ ব্যাপারে আরো যত্নবান হতে আমাদের কাজ করতে হবে।

ফেরদাউস আরা বেগম: সিইও, বিল্ড—একটি পাবলিক প্রাইভেট ডায়ালগ প্লাটফর্ম

আরও