উচ্চ শিক্ষা

আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কি ভালো নাগরিক তৈরি করছে

আমেরিকা সারা বিশ্বের মেধা ও প্রতিভাকে আকর্ষণ করলেও পৃথিবীর জ্ঞান এবং বিজ্ঞানে আধিপত্যের অন্য কারণ তার লিবারেল আর্টস শিক্ষা ব্যবস্থা।

আমেরিকা সারা বিশ্বের মেধা ও প্রতিভাকে আকর্ষণ করলেও পৃথিবীর জ্ঞান এবং বিজ্ঞানে আধিপত্যের অন্য কারণ তার লিবারেল আর্টস শিক্ষা ব্যবস্থা। হার্ভার্ড (আমেরিকার প্রাচীনতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান), ইয়েল ও কর্নেলের মতো বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক প্রোগ্রামগুলো লিবারেল আর্টস পদ্ধতিনির্ভর। যারা আমেরিকায় শুধু পিএইচডি করে অনেকেই তারা স্নাতক স্তরের লিবারেল আর্টস শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে পরিচিত হন না। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে দেয়া হয় মাস্টার্স এবং পিএইচডি ডিগ্রি; কলেজে শুধু স্নাতক পর্যায়ে পড়ানো হয়। লিবারেল আর্টস কলেজ শুধু আর্টস শিক্ষা দেয় না; তারা বিজ্ঞান, প্রকৌশল এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানেরও পাঠ্য দেয়। লিবারেল আর্টস একটি ধারণা এবং একটি ব্যবস্থা। সংগীত, ভাষা এগুলো শুধু সমাজে নয়, ব্যক্তিগত পর্যায়েও সৃজনশীলতা এবং সমৃদ্ধির ভিত্তি; প্রকৌশলবিদ্যা যদি সৃজনশীল কাজে না লাগে তবে তা হয়ে যাবে রসকষহীন। অ্যাপল প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস ক্যালিগ্রাফি জানতেন বলেই তার সৃষ্টিগুলো এতটা দৃষ্টিনন্দন।

বাংলাদেশে বেশির ভাগ বিশ্ববিদ্যালয় শুধু পড়াশোনার কলেজ হিসেবেই কাজ করছে। এখানে আমরা মনে করি খারাপ ছাত্ররাই আর্টস বিষয় নিয়ে পড়ে, আর আশা করি সেরা ছাত্রছাত্রীরা প্রকৌশল বা চিকিৎসাবিদ্যা পড়বে। শিক্ষা শুধু একটি নির্দিষ্ট শাস্ত্রের জ্ঞান ও দক্ষতার মাধ্যমে স্নাতক তৈরি করা নয়। শিক্ষার উদ্দেশ্য শুধু প্রশিক্ষিত মানবসম্পদ তৈরি করা, নাকি ভালো নাগরিক তৈরি করা? আমরা কি চাকরি খোঁজার”জন্য শিক্ষা দিচ্ছি, নাকি চাকরি দেয়ার”জন্য? আমাদের যারা উচ্চ শিক্ষার জন্য কানাডায় যায়, তাদের বেশির ভাগই স্নাতকোত্তর শেষে এমন চাকরি পায়, যেটি সেখানকার বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকরাই পেয়ে যায়! কারণ আমাদের স্নাতক শিক্ষায় তাদের মতো একটি লিবারেল আর্টস শিক্ষা ব্যবস্থা”অনুসরণ করি না যেটি আসলে একজন স্নাতককে সুষম কর্মোপযোগী করে গড়ে তোলে।

লিবারেল আর্টস পদ্ধতি শুধু আর্টসই নয়, এটি একটি পরিপূর্ণ পদ্ধতি যেখানে একজন ছাত্র প্রথমেই তার পছন্দের বিষয় অধ্যয়ন করে না, বরং সে প্রথমে একটি তেভাগা প্রোগ্রামে ভর্তি হয়, যার মোট ক্রেডিটের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত হলো সাধারণ শিক্ষা। এরপর রয়েছে মূল বিষয়গুলো এবং শেষাংশে ঐচ্ছিক বিষয়গুলো। সাধারণত বেশ কয়েকটি জিইডি গুচ্ছ থাকে এবং একজন ছাত্রকে প্রতিটি গুচ্ছ থেকে নির্দিষ্ট সংখ্যক কোর্স নিতে হয়। গুচ্ছগুলো হতে পারে যেমন মানবিক, চারু-শিল্প এবং নান্দনিকতা, প্রাকৃতিক বিজ্ঞান, ভূগোল এবং পরিবেশ, সামাজিক বিজ্ঞান, ভাষা এবং যোগাযোগ, প্রকৌশল এবং বিজ্ঞান ইত্যাদি।

প্রথম বছরেই জিইডি কোর্সগুলো গ্রহণের অনেক কারণ রয়েছে। প্রথমত, যে ইতিহাস বা অর্থনীতি পড়তে চায়, সে গণিত বা প্রকৌশল বিষয়ে কিছু জানতে পারে, আবার যে প্রকৌশল বা নিউক্লিয়ার ফিজিক্স পড়বে, সে সংস্কৃতি বা পরিবেশ সম্পর্কেও কিছু শেখে। তাই একজন সম্ভাব্য প্রকৌশল ছা্ত্র ইতিহাস বা দর্শন সম্পর্কে জানতে পারে তার ইপ্সিত বিষয় গ্রহণের আগেই; যে হিসাববিদ্যা পড়বে, সে পরিবেশ বা নাটক সম্পর্কেও কিছু শিখতে পারে! এতে করে একজন ছাত্র জ্ঞান যে একটি পরিপূর্ণ বিষয়, প্রতিটি শাস্ত্রই গুরুত্বপূর্ণ এবং পরস্পর বোঝাপড়া দরকার তা বুঝতে পারবে। জিইডি কোর্সগুলো পড়ার সময় একজন ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ও শহর সম্পর্কে পরিচিত হয়, উচ্চ শিক্ষা, চাকরির ক্ষেত্র ও চাহিদা ইত্যাদি সম্পর্কে ধারণা পায়, তার পরিস্থিতি, আগ্রহ, উদ্দীপনা, ক্ষমতা ও ইচ্ছার ভিত্তিতে আরো সুদূরপ্রসারী সিদ্ধান্ত নিতে পারে এবং প্রয়োজনে নতুন কোনো বিষয়ের দিকে আগ্রহী হলে সেদিকেও সরে যেতে পারে। এ কারণেই এটি”লিবারেল” এবং আর্টস। কারণ এটি একটি ‘মুক্ত’ পদ্ধতি এবং একজন ছাত্র প্রতিষ্ঠানটির নিয়ম ও বিধি মেনে নিজেই তার ডিগ্রির রূপ এঁকে নেয়।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে জিইডি একটি আন্তঃবিভাগীয় স্নাতক ডিগ্রি নেয়াটাকে সহজতর করে, যাতে একজন ছাত্র যেকোনো সমকালীন বিষয় সম্পর্কে বিস্তৃত ধারণা লাভ করতে পারে, সে যে ডিগ্রিই পছন্দ করুক না কেন এবং একজন শিক্ষিত সুষম ব্যক্তি হিসেবে ট্রান্সফারেবল দক্ষতা এবং গুণাবলি আয়ত্ত করতে পারে। লিবারেল আর্টস একজন ছাত্রকে দায়িত্ববান ও আত্মনির্ভরশীল নাগরিক বানাবে, যার রয়েছে সমাজ, রাষ্ট্র, পরিবেশ, বিজ্ঞান এবং গাণিতিক বিষয় সম্পর্কে ধারণা। এতে তার বিশ্লেষণমূলক চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের দক্ষতা বাড়বে। সে একই সঙ্গে একজন উদ্যোক্তা এবং শিল্প ও সাহিত্য বোদ্ধা হতে পারে, অথবা হতে পারে সমাজের প্রতি দায়বদ্ধ একজন চিকিৎসক। বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা ছাত্রদের শুধু নির্দিষ্ট [পুঁথিগত] বিদ্যা প্রদান করি, যাতে তারা শ্রমবাজারে যুক্ত হতে পারে। এতে অন্য একটি দিক উপেক্ষিত থাকে—চরিত্র নির্মাণ ও কর্ম-উপযোগিতা। এগুলো হলো সেই গুণাবলি যা আধুনিক পাঠ্যক্রমে “গ্র্যাজুয়েট অ্যাট্রিবিউটস” হিসেবে পরিচিত যা ‘মানবসম্পদ’ তৈরিতে অবদান রাখে।

আমরা মানবসম্পদ নিয়ে কথা বলি, কিন্তু ভুলে যাই তার কর্ম-উপযোগিতা। আমার বর্তমান দায়িত্বে অনেক প্রতিষ্ঠানপ্রধানের সঙ্গে আমার দেখা হয়; তারা স্নাতকদের মধ্যে দেখতে চান কাজের মনোবৃত্তি, যোগাযোগ পারঙ্গমতা, সিদ্ধান্ত গ্রহণে ক্ষমতা এবং বিশ্লেষণী দক্ষতা, যেন তাদের ভালো কাজে লাগানো যায়। স্নাতকদের এ উপযোগিতা অর্জন করতে হবে নানা উপায়ে: জিইডি কোর্সের মাধ্যমে, ক্যাম্পাসে সময় কাটিয়ে এবং বিভিন্ন পাঠ্যক্রম সহায়ক ও দলগত কার্যক্রমে অংশ নিয়ে এবং অনেক সময় সহপাঠীদের কাছ থেকে শিখেও। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষিত জনগোষ্ঠী তৈরি করার কাজটি মধ্যযুগে শুরু হয়েছিল, যখন মঠ ও গিল্ডগুলো শৈল্যবিদ, ধর্মীয় শিক্ষক, জ্যোতির্বিজ্ঞানী, আইনজীবী, কারিগর ইত্যাদি বানানোর প্রশিক্ষণ দেয়া শুরু করে; অনেকেই পেশাদারদের অধীনে শিক্ষানবিশি করত, ঠিক যে শ্রেণীকক্ষেই পড়তে হবে তা নয়। রেনেসাঁর সময়ে শিল্প ও নান্দনিকতার দিকে মানুষের মনোযোগ যেতে থাকে, যা পরবর্তী সময়ে আধুনিকতার উন্মেষ ঘটায় এবং বিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যার আবির্ভাব হয়। ফলে একজন রেনেসাঁ-পরবর্তী ব্যক্তি শিল্প, সংস্কৃতি এবং তার চারপাশের পৃথিবী সম্পর্কে ভালোভাবে জানত এবং তার সহকর্মী বা বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে সাধারণ বিষয়ে আলোচনা করতে পারত।

আমরা যে বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক তৈরি করি, চিকিৎসক বা প্রকৌশলী নয়, এমন একটি ধারণা ধীরে ধীরে রেনেসাঁ ও নব্য-ধ্রুপদী যুগে বিকশিত হয়। আমাদের উচিত, স্নাতককে প্রথমে একজন মানুষ হিসেবে বিবেচনা করা যে একটি ‘স্তর’ অতিক্রম করেছে সে একজন পূর্ণাঙ্গ ও পরিশীলিত মানব, যার মনে কাজ করে যুক্তি, নৈতিকতা, দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা, সময়নিষ্ঠা, পেশাদারত্ব এবং জ্ঞান অর্জনের তৃষ্ণা। সে হবে একজন সমস্যা সমাধানকারী, উদ্যোক্তা, উদ্ভাবক এবং স্বভাবগত নেতা, শুধু চিকিৎসক বা আইনজীবী বা স্থপতি নয়। একজন স্নাতক এমন সব ট্রান্সফারেবল গুণাবলি অর্জন করবে, যা সারা জীবন তার আচরণগত বৈশিষ্ট্য হয়ে থাকবে এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে সে তা কাজে লাগাবে। যেমন একজন স্নাতক যদি নৈতিকতার ধারণা রাখে, তবে সে এটি যেকোনো পেশা বা কাজেই ব্যবহার করতে পারবে; যোগাযোগ দক্ষতার ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। স্নাতক যদি শৃঙ্খলাপরায়ণ এবং সময়নিষ্ঠ হয়, তবে সে তার পেশাগত এবং ব্যক্তিগত জীবনে সব সময় সুসংগত এবং যুক্তিসংগ আচরণ করবে। এর মানে হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভালো নাগরিক, ভবিষ্যৎমুখী শিক্ষিত যুবক, উদ্যমী ব্যক্তিত্ব তৈরি করবে, যারা একই সঙ্গে যেকোনো একটি শাস্ত্রের জন্য নির্দিষ্ট জ্ঞান এবং দক্ষতাও অর্জন করবে।

বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছুরা একটি পূর্বনির্ধারিত নির্দিষ্ট প্রোগ্রামে আসতে চায় যা তাদের চিকিৎসক, প্রকৌশলী, ব্যবসায়ী কর্মকর্তা, আইনজীবী, কৃষিবিদ ইত্যাদি বানাবে। তারা শুরু থেকেই বিশেষায়িত বিষয়গুলো পড়ে, যেখানে বাস্তবতা বা সমাজ ও দেশের প্রতি তাদের দায়িত্ব সম্পর্কে জানানো হয় না। যেহেতু এখানে আন্তঃবিভাগীয় মিথস্ক্রিয়া নেই, ফলে অন্য বিভাগের ছাত্রদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ওঠে না, অন্য পেশার প্রতি সম্মান সৃষ্টি হয় না এবং একসঙ্গে কাজ করার মতো মনোভাবও গড়ে ওঠে না। স্নাতকরা শুধু পুঁথিগত জ্ঞান নিয়ে কেবল একজন কেরানির মতো কারো অধীনে কাজ করতে পারে, যা ছিল ঔপনিবেশিক শিক্ষা ব্যবস্থার উদ্দেশ্য। অথচ বাংলাদেশ ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক অনুযায়ী একজন স্নাতককে তত্ত্বাবধান ছাড়াই কাজ করতে পারতে হবে। অথচ আমাদের অধিকাংশ স্নাতক স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারে না অথবা চিন্তাচেতনায় উদ্ভাবনী হতে পারে না। গত তিন বছরে আমি শতাধিক স্নাতকের সাক্ষাৎকার নিয়েছি। দুর্ভাগ্যবশত আমি খুব কমই পেয়েছি যে কিনা তত্ত্বের বাস্তব প্রয়োগ দেখাতে পারে অথবা নির্দিষ্ট ছকের বাইরে চিন্তা করতে পারে!

বাংলাদেশে কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নামমাত্র লিবারেল আর্টস শিক্ষা ব্যবস্থা অনুসরণ করে। তারাও জিইডির পরিমাণ খুব কম রাখে। সাধারণভাবে প্রকৌশল এবং বিজ্ঞান প্রোগ্রাম তৈরিকারী এবং তাদের ছাত্ররা জিইডি কোর্সের প্রতি অনীহা দেখায়। কারণ তারা এটি রাখার যৌক্তিকতা জানে না। আর তাই এ ধরনের বিষয় পড়াকে ‘অপ্রয়োজনীয়’ মনে করে। আমার অভিজ্ঞতা থেকে আমি বাংলাদেশে বিভাগীয় নয় এমন কোর্সকেই কেবল জিইডি হিসেবে মনে করার একটি সাধারণ প্রবণতা দেখেছি। এটা অনেক সময় করা হয় অ্যাক্রেডিটেশনের প্রয়োজন মেটাতে, কিন্তু এর আসল উদ্দেশ্যে নয়! সমাজও উচ্চ শিক্ষাকে একটি বিশেষায়ণ হিসেবে দেখে, বিজ্ঞান, কলা বা ইতিহাসের জ্ঞান কোথায় ব্যবহার হবে তা চিন্তা না করেই। অথচ বিশেষায়ণ হওয়া উচিত স্নাতকোত্তর পর্যায়ে। যদি জ্ঞান সমাজ সেবার জন্য হয়, তবে বিজ্ঞানীদের মানুষের আচরণ জানার প্রয়োজন এবং ইতিহাসবিদদের জানতে হবে কেন জলবায়ু, ভূগোল বা কৃষকের অবস্থা দুর্ভিক্ষের মতো ঘটনা সৃষ্টি করেছিল, যা হয়তো একটি সাম্রাজ্যের পতন ঘটিয়েছে। চিকিৎসকদের কিছু অঙ্গ বা লক্ষণের স্থানীয় নাম জানতে হবে এবং ভূগোলবিদদের জানতে হবে কেন একটি নির্দিষ্ট খনিজ একটি সমাজের কাছে মূল্যবান বা বৈশ্বিক মেরুকরণের অংশ।

শিক্ষার মানে হলো একজন সঠিক মানুষ বা নাগরিক তৈরি করা, যে কিনা একজন আত্মমর্যাদাবান, স্বতন্ত্র, আত্মনির্ভরশীল ব্যক্তি, দেশপ্রেমী এবং সমাজ, দেশ এবং মানবতার প্রতি তার দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন। যদি আমাদের কাছে সঠিক ‘স্নাতক’ থাকত, হয়তো আজও আমাদের দুর্নীতিবিহীন, বৈষম্যবিহীন ও অন্যায়বিহীন একটি কল্যাণ রাষ্ট্র বিনির্মাণে এত সংগ্রাম করতে হতো না। আমরা হতাম সৃজনশীল এবং উদ্ভাবনী একটি জাতি। আমাদের থাকত সুশাসন, পরিবেশের প্রতি ন্যায়বিচার, সব নাগরিকের সাম্য এবং একটি সুখী-সমৃদ্ধ জাতি।

ড. মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান: আহ্‌ছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য। পাঠ্যক্রম তৈরি এবং অ্যাক্রেডিটেশন বিষয়ক আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ

আরও