প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে
ব্যাংকিং
খাতের
জন্য
বাংলাদেশ
ব্যাংক
গৃহীত
পদক্ষেপগুলো,
যথা
রেপো
রেট
৬
শতাংশ
থেকে
৫
দশমিক
২৫
শতাংশে
কমানো,
সিআরআর
৫
দশমিক
৫
থেকে
কমিয়ে
৪
শতাংশ
ধার্য
করা,
জানুয়ারি-জুন
২০২০
পর্যন্ত
লোন
শ্রেণীকরণ
অপরিবর্তিত
রাখা,
কভিড-১৯
ওষুধের
জন্য
৯০
দিন
থেকে
১৮০
দিনের
ডেফার্ড
এসি
(deferred LC) ৫
লাখ
ডলার
অগ্রিম
প্রদান
ইত্যাদি
সময়োপযোগী
বলে
মনে
করছি।
জাতীয় রাজস্ব
বোর্ডের
চেয়ারম্যান
এরই
মধ্যে
এসআরও
নং
৯২-আইন/২০২০/৬৯/কাস্টমস
তারিখ
২২
মার্চ
২০২০
খ্রিস্টাব্দের
মাধ্যমে
নভেল
করোনাভাইরাস
মোকাবেলার
জন্য
১৭টি
সামগ্রীর
ওপর
কর
মওকুফ
করার
জন্য
আইন
জারি
করেছেন।
এর
মধ্যে
টেস্টিং
কিটস,
রি-এজেন্টস,
সার্জিকেল
মাস্ক,
ব্যক্তিগত
সুরক্ষা
উপকরণ
(পিপিই), বিপুল
পরিমাণে
জীবাণুনাশক
আমদানি
ইত্যাদি
রয়েছে।
তবে
এ
দুর্যোগ
মোকাবেলার
জন্য
নীতিগত
সহায়তা
হিসেবে
শুধু
আমদানি
পর্যায়েই
কর
মওকুফ
যথেষ্ট
নয়।
জাতীয়
রাজস্ব
বোর্ড
কর্তৃক
আরো
কিছু
বাস্তবভিত্তিক
পদক্ষেপ
সম্পর্কে
আমার
এ
প্রবন্ধে
আলোকপাত
করতে
চাই।
ক) স্থানীয় পর্যায়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসামগ্রীর উৎপাদন ও
সরবরাহে উৎসাহ
প্রদান
এরই মধ্যে
আমরা
লক্ষ
করেছি
অনেক
স্থানীয়
উদ্যোক্তা
ও
বেসরকারি
সংস্থা
মাস্ক
ও
পিপিই
উৎপাদনে
আগ্রহ
প্রকাশ
করেছে।
গণস্বাস্থ্য
কেন্দ্রকে
কিট
উৎপাদনের
জন্য
অনুমোদন
দেয়া
হয়েছে।
তবে প্রশ্ন
হলো,
যদি
কোনো
বেসরকারি
সংস্থা
বা
এনজিও
মাস্ক
বা
পিপিই
উৎপাদন
করে,
তা
ভ্যাট
বা
কর
অব্যাহতি
পাবে
কিনা?
যদি কোনো
বেসরকারি
সংস্থা
বা
এনজিও
স্থানীয়ভাবে
কোনো
সরবরাহকারীর
কাছ
থেকে
মাস্ক
বা
পিপিইর
কাঁচামাল
ক্রয়
করে
থাকে,
তবে
ওই
ক্রয়
জোগানদার
হিসেবে
গণ্য
হবে
(ধরে নেয়া
হলো,
যিনি
কাঁচামাল
সরবরাহ
করেন
তিনি
উৎপাদনকারী
নন)।
জোগানদার
হিসেবে
পরিগণিত
হলে
ওই
সংস্থাকে
৭
দশমিক
৫
শতাংশ
হারে
ভ্যাট
উেস
কর্তন
করে
সরকারি
কোষাগারে
জমা
দিতে
হবে।
যা
বাস্তবে
ওই
সংস্থার
পক্ষ
থেকে
জমা
দিতে
হবে।
অন্যদিকে
এ
মাস্ক
বা
পিপিই
যদি
বিনা
মূল্যে
সরবরাহ
করা
হয়,
তবে
মূল্য
সংযোজন
কর
আইন
ধারা
৩২(৪)
অনুযায়ী,
পণবিহীন
করযোগ্য
সরবরাহের
মূল্য
হবে
ওই
সরবরাহের
ন্যায্য
বাজারমূল্য
থেকে
এর
কর-ভগ্নাংশের
বিয়োজিত
মূল্য।
অর্থাৎ
একটি
পিপিইর
বাজারমূল্য
যদি
২
হাজার
টাকা
হয়,
তবে
২৬১
টাকা
ভ্যাট
প্রযোজ্য
হবে।
এর
অর্থ
হলো,
কোনো
প্রতিষ্ঠান
যদি
বিনা
মূল্যে
১০
হাজার
পিপিই
সরবরাহ
করে,
তবে
ওই
প্রতিষ্ঠানকে
২
লাখ
৬১
হাজার
টাকা
সরকারি
কোষাগারে
ভ্যাট
হিসেবে
জমা
দিতে
হবে।
এ অবস্থায়
নিম্নে
দেয়া
আমার
সুনির্দিষ্ট
প্রস্তাবনাগুলোর
প্রতি
জাতীয়
রাজস্ব
বোর্ডের
দৃষ্টি
আকর্ষণ
করছি—
১.
সরকারি
ও
বেসরকারি
প্রতিষ্ঠান
টেস্টিং
কিটস,
মাস্ক,
পিপিই,
রি-এজেন্টস
স্থানীয়ভাবে
উৎপাদনপূর্বক
অনুদানের
মাধ্যমে
সরবরাহের
ক্ষেত্রে
প্রযোজ্য
ভ্যাট
মূল্য
সংযোজন
কর
ও
সম্পূরক
শুল্ক
আইন,
২০১২-এর
ধারা
১২৬
মোতাবেক
অব্যাহতি
প্রদান
করা।
২.
বাণিজ্যিক
ভিত্তিতে
মাস্ক,
পিপিই
বিক্রয়ের
ক্ষেত্রে
সংযোজন
কর
আইনের
তৃতীয়
তফসিলের
খণ্ড-ক
অন্তর্ভুক্ত
করে
৫
শতাংশ
হারে
ভ্যাট
আরোপ
করা।
৩.
রফতানিকারকদের
কাঁচামাল
আমদানির
ওপর
প্রযোজ্য
ডিউটি
মওকুফ
করা।
স্থানীয়
উৎপাদনকারীর
ক্ষেত্রে
প্রযোজ্য
জোগানদার
ভ্যাট
মওকুফ
করা
এবং
কাঁচামাল
সরবরাহকারীদের
মূল্য
পরিশোধের
সময়
উেস
কর
(ধারা ৫২)
প্রযোজ্যতা
পরিহার
করা।
৪.
যেসব
কোম্পানি
বা
সংস্থা
উৎপাদকদের
কাছ
থেকে
সংগ্রহ
করে
দান/অনুদান
প্রদান
করছে,
তা
ব্যবসায়িক
খরচ
হিসেবে
অনুমোদন
করা
এবং
উৎপাদনকারীকে
মূল্য
পরিশোধের
সময়
উেস
কর
(ধারা ৫২)
প্রযোজ্যতা
পরিহার
করা।
খ) জরিমানা ও
সাধারণ সুদ
ছাড়া রিটার্ন জমাদানের সময়
বৃদ্ধীকরণ
বর্তমানে
আয়কর
বিধিমালা,
১৯৮৪-এর
বিধি
১৩
মোতাবেক
একজন
করদাতাকে
পরবর্তী
মাসের
১৪
দিনের
মধ্যে
উেস
কর
জমা
দিতে
হয়
এবং
বিধি
১৮
ও
২১
মোতাবেক
একজন
করদাতাকে
২০
তারিখের
মধ্যে
উেস
কর
জমাদানের
মাসিক
রিটার্ন
দাখিল
করতে
হয়।
এটি
প্রতিপালিত
না
হলে
করদাতাকে
জরিমানা
প্রদান
করতে
হয়
এবং
দেরিতে
জমাদানের
জন্য
২
শতাংশ
হারে
মাসিক
সুদ
দিতে
হয়।
অন্যদিকে মূল্য
সংযোজন
কর
ও
সম্পূরক
শুল্ক
আইন,
২০১২-এর
ধারা
৬৪
মার্চ
২০২০
সালের
ভ্যাট
রিটার্ন
১৫
এপ্রিলের
মধ্যে
জমা
দিতে
হবে,
না
হলে
ধারা
৮৫
অনুযায়ী
১০
হাজার
টাকা
জরিমানার
পাশাপাশি
ধারা
১২৭
অনুযায়ী
২
শতাংশ
সাধারণ
সুদ
দিতে
হবে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে
কোম্পানির
অধিকাংশ
কর্মচারী
মার্চের
শুরু
থেকে
কর্মস্থলে
নিয়মিত
উপস্থিত
হতে
পারছেন
না।
তাছাড়া
২৬
মার্চ
থেকে
২৫
এপ্রিল
পর্যন্ত
সরকারি
ছুটি
ঘোষণা
করা
হয়েছে।
আদৌ
২৫
এপ্রিল
পরবর্তী
পরিস্থিতি
অনুমান
করা
এ
মুহূর্তে
সম্ভবপর
নয়।
এ
অবস্থায়
একটি
কোম্পানির
পক্ষে
মাসিক
হিসাব
বিবরণী
প্রস্তুত
না
করে
সরকারি
কোষাগারে
কর
ও
ভ্যাট
এবং
মাসিক
রিটার্নগুলো
জমা
প্রদান
করা
সম্ভবপর
না-ও
হতে
পারে।
সরকার
একদিকে
সাধারণ
ছুটি
ঘোষণা
করেছে,
অন্যদিকে
জাতীয়
রাজস্ব
বোর্ড
১০
এপ্রিল
২০২০-এ
নথি
নং
০৮.০১.০০০০.০০০.০৮.০১৯.১৮.৪৯২
মোতাবেক
করদাতাদের
১২
থেকে
১৫
এপ্রিল
২০২০-এর
মধ্যে
মার্চ
২০২০-এর
ভ্যাট
রিটার্ন
দাখিল
করার
জন্য
সীমিত
আকারে
ভ্যাট
অফিস
খোলা
রাখার
সিদ্ধান্ত
গ্রহণ
করেছে।
বেশির
ভাগ
প্রতিষ্ঠান
কর্মচারীদের
ছুটি
দিয়েছে।
অনেক
ব্যাংকের
ব্রাঞ্চ
এরই
মধ্যে
লকডাউন
হয়েছে।
জাতীয়
রাজস্ব
বোর্ডের
এ
নথিটি
অবিলম্বে
প্রত্যাহারের
আবেদন
জানাচ্ছি।
এ অবস্থায়
নিম্নে
দেয়া
আমার
সুনির্দিষ্ট
প্রস্তাবনাগুলোর
প্রতি
জাতীয়
রাজস্ব
বোর্ডের
দৃষ্টি
আকর্ষণ
করছি—
১.
বিধি
১৩
অনুযায়ী
মার্চের
উেস
কর্তন
১৪
এপ্রিলের
পরিবর্তে
১৫
মের
মধ্যে
জমা
দিতে
পারে।
এক্ষেত্রে
ধারা
৫৭
অনুযায়ী
২
শতাংশ
সাধারণ
সুদ
প্রযোজ্য
হবে
না।
২.
বিধি
১৮
ও
২১
অনুযায়ী
মার্চ
২০২০-এর
উেস
করের
রিটার্ন
২০
এপ্রিল
২০২০
থেকে
বর্ধিত
করে
২০
মের
মধ্যে
দাখিল
করতে
পারে।
এক্ষেত্রে
ধারা
১২৪
অনুযায়ী
জরিমানা
প্রযোজ্য
হবে
না।
৩.
মার্চ
২০২০
সালের
ভ্যাট
রিটার্ন
১৫
এপ্রিল
২০২০-এর
পরিবর্তে
১৫
মে
২০২০-এর
মধ্যে
দাখিলযোগ্য
হতে
পারে।
এক্ষেত্রে
ধারা
১২৭
অনুযায়ী
২
শতাংশ
সাধারণ
সুদ
এবং
ধারা
৮৫
অনুযায়ী
জরিমানা
আরোপিত
হবে
না।
তবে
যারা
নিয়মিত
উেস
কর
ও
ভ্যাট
জমা
দেবেন,
তাদের
প্রণোদনা
দেয়া।
৪.
আপিল
দাখিল,
ট্রাইব্যুনাল
দাখিল,
বিকল্প
বিরোধ
নিষ্পত্তি
কার্যক্রম
ইত্যাদি
ক্ষেত্রে
ছুটির
দিনগুলো
বাদ
দিয়ে
সময়
গণনা
করা।
আমাদের পার্শ্ববর্তী
দেশ
ভারত
সব
ধরনের
রিটার্ন
দাখিলের
সময়
বৃদ্ধি
করেছে,
যাতে
করদাতারা
এ
পরিস্থিতিতে
জরিমানা
ও
সাধারণ
সুদ
ছাড়া
রিটার্ন
জমাদান
করতে
পারেন।
গ) সাধারণ কর্মজীবীদের জন্য আয়কর
ভার হ্রাসকরণ ও করজাল
সম্প্রসারণ
বর্তমানে
সাধারণ
কর্মজীবীরা
সার্বিক
অর্থনৈতিক
মন্দার
দ্বারা
প্রভাবিত।
একদিকে
যেমন
রয়েছে
বাজারমূল্যের
ঊর্ধ্বগতি,
অন্যদিকে
রয়েছে
চাকরিচ্যুতি
বা
বেতন
হ্রাসের
আশঙ্কা।
খোদ
মার্কিন
যুক্তরাষ্ট্রে
বেকারত্বের
হার
২০
শতাংশ
হতে
পারে।
এ অবস্থায়,
নিম্নে
দেয়া
আমার
সুনির্দিষ্ট
প্রস্তাবনাগুলোর
প্রতি
জাতীয়
রাজস্ব
বোর্ডের
দৃষ্টি
আকর্ষণ
করছি—
বর্তমানে একজন
ব্যক্তি
করদাতার
জন্য
ছয়টি
ধাপ
রয়েছে।
২
লাখ
৫০
হাজার
টাকা
পর্যন্ত
আয়ের
ওপর
কোনো
কর
দিতে
হয়
না।
এটি
পাঁচ
করবর্ষ
ধরে
অপরিবর্তিত
রয়েছে।
বর্তমান
পরিস্থিতি
বিবেচনায়
এর
পরিবর্তন
জরুরি
বিধায়
আয়করের
ধাপগুলো
নিম্নরূপ
প্রস্তাব
করছি—
এ পরিবর্তনের
ফলে
ধাপগুলো
সহজীকরণ
হবে।
বর্তমানে
কোনো
ধাপে
৫
শতাংশ
হারে
করারোপ
হয়
না।
প্রথম
ধাপ
শুরু
হয়
১০
শতাংশ
থেকে।
ফলে
কোনো
ব্যক্তি
৮
লাখ
টাকা
আয়
করলে
বর্তমানে
৩২
হাজার
৫০০
টাকা
কর
দিতে
হয়।
অন্যদিকে
প্রস্তাবিত
আয়করের
ধাপ
অনুযায়ী
৮
লাখ
টাকা
আয়ের
বিপরীতে
৫
হাজার
টাকা
কর
দিতে
হবে।
প্রস্তাবিত
আয়করের
ধাপ
অনুযায়ী
সরকার
রাজস্ব
হিসেবে
হয়তো
করদাতাপ্রতি
২৭
হাজার
৫০০
টাকা
কম
আহরণ
করতে
পারবে।
কিন্তু
এ
পরিবর্তনের
ফলে
বর্তমান
পরিস্থিতিতে
যে
ব্যক্তি
করদাতাকে
স্বস্তি
দেবে
তা
নয়।
করজালের
বাইরে
যারা
আছেন,
তারাও
উৎসাহিত
হবেন।
মাত্র
শূন্য
দশমিক
৬
শতাংশ
আয়কর
প্রদান
করে
৮
লাখ
টাকা
পর্যন্ত
আয়
প্রদর্শন
করতে
পারবেন।
এতে
করজাল
সম্প্রসারিত
হওয়ার
সম্ভাবনা
রয়েছে।
এছাড়া
বর্তমানে
কিছু
কোম্পানি
বেতনের
উল্লেখযোগ্য
অংশ
নগদে
পরিশোধ
করে।
এ
প্রণোদনার
ফলে
কর্মচারীরা
কোম্পানিগুলোকে
তাদের
বেতন
ব্যাংকিং
চ্যানেলে
প্রদান
করতে
চাপ
দেবে,
তাতে
কোম্পানির
এই
ব্যয়
প্রদর্শন
করতে
হবে।
এই
স্বচ্ছতা
বৃদ্ধি
কোম্পানির
আয়
প্রদর্শনে
অস্বচ্ছতা
কমাবে,
যা
পরোক্ষভাবে
কোম্পানি
থেকে
আয়কর
আহরণ
বৃদ্ধি
করবে।
বর্তমানে ৪৭
লাখ
৫০
হাজার
টাকার
অধিক
আয়ের
ওপর
৩০
শতাংশ
হারে
আয়কর
দিতে
হয়।
প্রস্তাবিত
আয়করের
ধাপ
অনুযায়ী
৩৮
লাখ
টাকার
অধিক
আয়ের
ওপর
৩০
শতাংশ
হারে
আয়কর
দিতে
হবে,
যা
সমতা
বৃদ্ধিতে
সহায়ক
হবে।
উল্লেখ্য, আমাদের
পার্শ্ববর্তী
দেশ
ভারত
ও
ভিয়েতনামে
৫
শতাংশ
আয়কর
হারের
প্রচলন
আছে।
এ
প্রস্তাবনা
যত
দ্রুত
বাস্তবায়ন
করা
সম্ভব
হবে,
আশা
করা
যায়
তত
দ্রুত
ব্যক্তি
পর্যায়ের
করদাতারা
স্বস্তি
পাবেন।
ঘ) কোম্পানির করহার
হ্রাসকরণ প্রসঙ্গে
বাংলাদেশের
বর্তমান
করপোরেট
করহার
৩৫
শতাংশ।
পার্শ্ববর্তী
দেশ
ভারতে
কোম্পানির
টার্নওভারের
ভিত্তিতে
করপোরেট
করহার
রয়েছে।
এ
নীতিটি
ছোট
সংস্থাকে
একটি
বড়
সংস্থা
হিসেবে
গড়ে
উঠতে
সহায়তা
করে।
৫
দশমিক
৫৫
মিলিয়ন
ডলারের
নিচে
সংস্থাগুলোকে
২৫
শতাংশ
কর
দিতে
হবে
এবং
৫৫
দশমিক
৫৫
মিলিয়ন
ডলারের
উপরে
টার্নওভার
হলে
৩০
শতাংশ
কর
দিতে
হবে।
তদুপরি
বিদেশী
সংস্থার
জন্য
করহার
৩০
শতাংশ।
ভিয়েতনামে স্ট্যান্ডার্ড
করপোরেট
আয়কর
(সিআইটি) হার
২০
শতাংশ।
তেল
ও
গ্যাস
শিল্পে
পরিচালিত
উদ্যোগগুলো
সিআইটি
হারের
অধীনে
৩২
থেকে
৫০
শতাংশ
পর্যন্ত
থাকে,
অবস্থান
ও
নির্দিষ্ট
প্রকল্পের
অবস্থার
ওপর
ভিত্তি
করে।
ভিয়েতনামের
শিল্পায়নে
উচ্চতর
বিনিয়োগের
জন্য
২০১৬
সালে
করপোরেট
আয়কর
হারকে
২২
শতাংশ
থেকে
কমিয়ে
২০
শতাংশ
করেছে।
অর্থনৈতিক অগ্রগতি
ও
বিশ্ববাণিজ্যকে
উৎসাহিত
করার
জন্য
প্রতিষ্ঠিত
সংস্থা
ওইসিডি,
করপোরেট
ট্যাক্স
সম্পর্কিত
তার
প্রথম
প্রতিবেদনে
২০০০
থেকে
২০১৮
সাল
পর্যন্ত
৯৪টি
দেশের
করপোরেট
আয়কর
হারের
বিষয়ে
বিশদ
বিশ্লেষণ
করে
এবং
নিম্নলিখিত
বিষয়গুলো
উল্লেখ
করে:
*
২০০০
থেকে
২০১৮
সালের
তুলনা
করে
ছয়টি
দেশ—বুলগেরিয়া,
জার্মানি,
গার্নসি,
জার্সি,
আইল
অব
ম্যান
ও
প্যারাগুয়ে—তাদের
বিধিবদ্ধ
করহার
২০
শতাংশ
বা
তারও
বেশি
কমিয়েছে।
*
২০১৭
থেকে
২০১৮
সাল
পর্যন্ত
১০টি
দেশে
সম্মিলিত
বিধিবদ্ধ
করহার
হ্রাস
পেয়েছে।
*
২০১৭
ও
২০১৮
সালের
মধ্যে
সম্মিলিত
করপোরেট
করহার
সর্বাধিক হ্রাসের
দেশগুলো
হলো
ফ্রান্স
(প্রায় ১০
শতাংশ
পয়েন্ট
হ্রাস)
এবং
মার্কিন
যুক্তরাষ্ট্র
(১৩.০৮
শতাংশ
পয়েন্ট
হ্রাস)।
এ অবস্থায়
নিম্নে
দেয়া
আমার
সুনির্দিষ্ট
প্রস্তাবনাগুলোর
প্রতি
জাতীয়
রাজস্ব
বোর্ডের
দৃষ্টি
আকর্ষণ
করছি—
করপোরেট করহার
৩৫
শতাংশ
থেকে
হ্রাস
করে
৩০
শতাংশে
আনা
সমীচীন।
অনুরূপভাবে
লিস্টেড
কোম্পানির
করহার
২৫
থেকে
২০
শতাংশে
হ্রাস
করা
সমীচীন।
পাশাপাশি
৮২সি
অনুযায়ী
২০১৯-২০
আয়বর্ষের
সর্বনিম্ন
করহার
শূন্য
দশমিক
৬
শতাংশ
থেকে
হ্রাস
করে
শূন্য
দশমিক
৩
শতাংশ
করা
সমীচীন।
তবে শর্ত
থাকে
যে
ওই
কোম্পানিগুলোকে
কর
সেভিংসের
কমপক্ষে
৭৫
শতাংশ
কোম্পানির
সম্প্রসারণের
জন্য
পুনরায়
বিনিয়োগ
করতে
হবে
বা
কোনো
কর্মচারীকে
মার্চ
থেকে
জুন
২০২০
পর্যন্ত
কাজ
থেকে
অব্যাহতি
দেয়া
যাবে
না।
যদি সরকার
সংস্থাগুলোকে
এ-জাতীয়
সুবিধা
প্রদানের
ব্যবস্থা
করে,
তবে
ব্যবসায়ীদের
করভার
লাঘব
হবে।
এ
অর্থ
পুনরায়
ব্যবসায়
বিনিয়োগের
ফলে
ব্যবসা
সম্প্রসারণে
সহায়তা
করবে,
যা
কর্মসংস্থান
বৃদ্ধিতে
সহায়ক
হবে।
প্রতিযোগিতামূলক
বিশ্বে
টিকে
থাকতে
সহায়ক
ভূমিকা
পালন
করবে।
স্নেহাশিষ বড়ুয়া:
ফেলো
চার্টার্ড
অ্যাকাউন্ট্যান্ট