রেলপথের উন্নয়নে পর্যাপ্ত পরিকল্পনার অভাব রয়ে গেছে

কমিউটিং দূরত্বে দ্রুতগতির রেল আনার উদ্যোগে আমরা বরাবরই ব্যর্থ। এতদিনে রেলের অবকাঠামোগত অনেক উন্নয়ন হয়েছে।

নতুন মিটার গেজ, ব্রড গেজ এমনকি সড়ক ও রেললাইনের মানোন্নয়ন হয়েছে। আর এখন কর্তৃপক্ষ বলছে, তাদের ট্রেনের ইঞ্জিন নেই। ইঞ্জিন না কিনে এত অর্থ ব্যয়ে অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হলো কেন? তার মানে রেলের উন্নয়নে পর্যাপ্ত পরিকল্পনার অভাব শুরু থেকেই ছিল।

আরেকটি বাস্তবতা হলো বাস মালিক ও সংশ্লিষ্টরা চান না দেশে রেললাইনের উন্নয়ন হোক। এখানে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততাও যে নেই তা বলা যাবে না। রেলের মাধ্যমে ৩০০-৩৫০ কিলোমিটার দূরত্বের অধিকাংশ রুটেই যাত্রীসেবা দেয়া সম্ভব। আর ১০০ কিলোমিটারের দূরত্ব হিসাব করলে বিশাল যাত্রীসংযোগের সুযোগ রয়েছে। মেট্রোর নতুন লাইন কিংবা মনোরেলের মতো প্রকল্প নেয়া যেতে পারে। কিন্তু দেশব্যাপী বড় যোগাযোগমাধ্যমকে আগে গুরুত্ব না দিয়ে এগুলো বাস্তবায়ন করা সুপরিকল্পনার পরিচায়ক নয়। বড় প্রকল্পকে রাজনৈতিক বিলাসের প্রতীক ভাবার প্রবণতা থেকে আমাদের বেরুতে হবে। অন্য কোনো অঞ্চলের সঙ্গে কীভাবে যোগাযোগ বাড়িয়ে অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো যায় এ আলাপটা এখন বেশি জরুরি।

ড. আদিল মুহাম্মদ খান: নগর পরিকল্পনাবিদ ও নির্বাহী পরিচালক, ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইপিডি)

আরও