কর্ণফুলী নদীর পাড় দিয়ে কিছু সমতল ভূমি পাওয়া যাবে। এদিকে ঢাকা, খুলনা ও বরিশালের মতো শহরগুলো সমতল ভূমিতে। সমতল হওয়ায় এসব অঞ্চলে বৃষ্টিপাত হলে পানি প্রাকৃতিক নালা দিয়ে যায়, তাই ভূমিক্ষয় হয় কম। আর চট্টগ্রামের ভৌগোলিক অবস্থানই এমন যে আশপাশের নদী এ শহরের ওপর দিয়েই প্রবাহিত হয়। এজন্য ভারি বৃষ্টিপাত হলে অল্প সময়ে প্রচুর পলি পানির সঙ্গে মিশে আসে। এগুলো চট্টগ্রাম শহর দিয়েই প্রবাহিত হয় বলে নালা-নর্দমা প্রতি বছর ভরাট হয়ে যায়। ভূমিক্ষয়টা এখানে বেশি হয় নির্বিচারে পাহাড় কাটার ফলে। অপরিকল্পিত ও আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে অনেকেই পাহাড় কাটেন। এগুলোর তদারক কেউ করে না। সব মিলিয়ে চট্টগ্রামের পানি নিষ্কাশন পরিকল্পনায় এসব সমস্যা বিবেচনা করা হয় না।
জলাবদ্ধতা নিরসনে বড় প্রকল্প নেয়া
হয়। এসব প্রকল্পে বিশেষজ্ঞ কাউকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রাখা হয় না। ভৌগোলিক চাহিদা অনুযায়ী উন্নয়ন প্রকল্প না নিলে বাস্তবায়নের সুফলও মেলে না। শুধু পানি নিষ্কাশন কাঠামো করে রাখলেই তো হবে না। ব্যবস্থাপনায়ও মনোযোগ থাকতে হবে।
ড. মো. জিল্লুর রহমান: সাবেক পরিচালক ও অধ্যাপক, ডিজাস্টার সায়েন্স অ্যান্ড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়