বিশ্ব পরিবেশ দিবস

সুস্থ শরীর-মনের জন্য প্রকৃতিকে বাঁচাতে হবে

জলবায়ু পরিবর্তন বিশ্বজুড়ে বাসস্থান ও বাস্তুতন্ত্রকে বদলে দিচ্ছে, ফলে ব্যাপক প্রাণহানি, প্রজাতির স্থানান্তর এবং অপূরণীয় জীববৈচিত্র্য হ্রাস ঘটছে। ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা, পরিবর্তিত বৃষ্টিপাত এবং সমুদ্রের অম্লীকরণ প্রজাতির অস্তিত্বকে হুমকির মুখে ফেলে, খাদ্যশৃঙ্খল ব্যাহত করে এবং জলবায়ু নিয়ন্ত্রণে প্রকৃতির ক্ষমতা কমায়। বিশ্ব উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বন্যপ্রাণীরা শীতল তাপমাত্রার সন্ধানে মেরু অঞ্চলের দিকে বা উচ্চতর স্থানে স্থানান্তর হতে বাধ্য হয়

প্রকৃতিতে প্রাণের সঞ্চার ও সেখানেই বিকাশ। মাটি, পানি, বায়ু যেমন জীবনের উদ্ভব ঘটিয়েছে পৃথিবীতে, তেমনি এ তিন অনুষঙ্গ ব্যতীত প্রাণের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা অসম্ভব। আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের অভিজ্ঞতা ও গবেষণা বলছে প্রকৃতির সঙ্গে গভীর সংযোগ সুস্থ জীবনের জন্য অপরিহার্য। একই সঙ্গে টেকসই উন্নয়নের জন্যও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে কাজ করে। সৃষ্টির শুরু থেকে প্রাকৃতিক নিয়মে পৃথিবীতে নানা পরিবর্তন ঘটে চলেছে। প্রাকৃতিক পরিবর্তন পৃথিবীকে করেছে জীববৈচিত্র্যময়। পৃথিবী হয়ে উঠেছে প্রাণ প্রাচুর্যে ভরপুর।

তবে প্রকৃতিকে পাশ কাটিয়ে বিশ্বব্যাপী শহুরে জীবনযাত্রার বিস্তার ঘটছে। ফলে জীববৈচিত্র্য কমছে এবং মানুষ ও অন্যান্য জীবের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হচ্ছে। অথচ জীবজগতের পারস্পরিক সম্পর্কই বাস্তুতন্ত্রকে সচল রাখে; এ সম্পর্ক দুর্বল হলে মানুষ ও পরিবেশ উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিপরীতে প্রকৃতির যত্ন, পুনরুদ্ধার ও প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সম্পৃক্ততা মানুষ এবং পরিবেশের জন্য বহুমুখী সুফল বয়ে আনে। প্রকৃতির সঙ্গে এ সংযোগ বলতে বোঝায় প্রকৃতিকে নিয়ে মানুষের চিন্তা, অনুভূতি, অভিজ্ঞতা ও নিজেকে বৃহত্তর প্রাকৃতিক জগতের অংশ হিসেবে দেখার মানসিকতা। মনোবিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, পরিবেশশাস্ত্র, শিক্ষা কিংবা স্বাস্থ্য সব ক্ষেত্রেই স্পষ্ট যে প্রকৃতির সঙ্গে সংযোগ ছাড়া মানবজীবন ও পরিবেশের সুস্থ বিকাশ সম্ভব নয়।

মানুষ আত্মিক প্রশান্তির জন্য সবকিছুর ঊর্ধ্বে প্রকৃতিকেই যেন বেছে নেয়। আত্মার প্রশান্তির জন্য প্রকৃতির সঙ্গে সংযোগ ঘটাতে মানুষ মরিয়া হয়ে থাকে। প্রকৃতির মাঝে বা কাছাকাছি সময় কাটানো, প্রকৃতির প্রতি সখ্যতা এবং সংযোগের অনুভূতি, পরিবেশবান্ধব আচরণ সবকিছুই যেন জীবনকে প্রাণময় করে তোলে। নানা গবেষণা বলছে প্রকৃতির সঙ্গে সংযোগের ফলে জীবনে যে বিষয়গুলো প্রভাবিত হয় তার মধ্যে রয়েছে মানসিক-শারীরিক স্বাস্থ্য, জীবন নিয়ে সন্তুষ্টি ও সার্বিক সুস্থতা। গবেষণার ফলাফল এটিও বলছে, প্রকৃতিমুখী জীবন অনেক সমস্যা থেকে নিরাপদ থাকে। এর মধ্যে রয়েছে স্থূলতা, হৃদরোগ, হতাশা ইত্যাদি। এছাড়া কোনো নির্দিষ্ট এলাকার জীববৈচিত্র্যের মাত্রা সেখানকার অধিবাসীদের মানসিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে ইতিবাচকভাবে সম্পর্কিত। যদিও সুস্থতার ধারণাটি অনেকটা ‘ক্যাপাবিলিটি অ্যাপ্রোচ’ দ্বারাও ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় বস্তুগত, যেমন আয় ও বাসস্থান, মনস্তাত্ত্বিক, স্বাস্থ্যগত এবং সামাজিক দিকগুলোও প্রভাব বিস্তার করে।

জীবনের বিকাশে প্রকৃতির ভূমিকা অনুসন্ধান করতে গিয়ে সাম্প্রতিককালে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়েছে। এসব গবেষণার ফলাফল থেকে আমাদের সুস্থতাকেও প্রকৃতির সঙ্গে সংযোগের মতো বহুমাত্রিক প্রেক্ষাপটনির্ভর বিষয় বলে মনে করা হয়। অর্থাৎ প্রকৃতির সঙ্গে সুস্থতার সম্পর্ক নিবিড়।

জীবের প্রতি ভালোবাসা মানুষের একটি সহজাত প্রবৃত্তি, এটিকে ‘বায়োফিলিয়া থিওরি’ অথবা ‘জীবপ্রেম তত্ত্ব’ নামেও অভিহিত করা যেতে পারে। মানুষ ও অন্যান্য জীবের মাঝে এ আবেগিক বন্ধনের ফলেই প্রাকৃতিক পরিবেশ বিঘ্নিত হলে তার ওপর নির্ভরশীল জীবকূল সংকটে পড়ে। এটি একটি মিথজীবী সম্পর্ক তুলে ধরে, যেখানে মানব স্বাস্থ্য এবং পৃথিবীর স্বাস্থ্য একই সূত্রে বাঁধা। জীবজগৎ যেন জালের মাধ্যমে পরস্পর সংযুক্ত। উদ্ভিদ মাটির পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করে জৈব পদার্থ উৎপাদন করে, যা প্রাণীদের খাদ্য জোগায় এবং পুনরায় মাটিতে ফিরে যায়। বাস্তুতন্ত্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ যেমন সাগর, মহাসাগর, বন এবং মিঠা পানির উৎস আবহাওয়া ও জলবায়ু নিয়ন্ত্রণ করে এবং জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় বাসযোগ্য অঞ্চল তৈরি করে। ফলে প্রাকৃতিক জগতের সঙ্গে সম্পৃক্ততা প্রাণীর সুস্থতার সঙ্গেও সম্পর্কিত। গবেষণায় দেখা গেছে, বাইরে সময় কাটানো বা প্রকৃতির সঙ্গে একাত্মতা অনুভব করলে মানসিক চাপ ও বিষণ্নতা কমে এবং জীবনে সন্তুষ্টি বাড়ে। এটি আনন্দ, প্রশান্তি ও মানসিক একাগ্রতার মতো ইতিবাচক অনুভূতিগুলোকে জাগিয়ে তোলে। কিন্তু শঙ্কার বিষয় হলো তথাকথিত উন্নততর আরাম আয়েশের জীবনযাত্রার লক্ষ্য আমাদের প্রকৃতিবিমুখ করছে এবং আমরা প্রকৃতির ক্ষতি করছি।

জলবায়ু পরিবর্তন বিশ্বজুড়ে বাসস্থান ও বাস্তুতন্ত্রকে বদলে দিচ্ছে, ফলে ব্যাপক প্রাণহানি, প্রজাতির স্থানান্তর এবং অপূরণীয় জীববৈচিত্র্য হ্রাস ঘটছে। ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা, পরিবর্তিত বৃষ্টিপাত এবং সমুদ্রের অম্লীকরণ প্রজাতির অস্তিত্বকে হুমকির মুখে ফেলে, খাদ্যশৃঙ্খল ব্যাহত করে এবং জলবায়ু নিয়ন্ত্রণে প্রকৃতির ক্ষমতা কমায়। বিশ্ব উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বন্যপ্রাণীরা শীতল তাপমাত্রার সন্ধানে মেরু অঞ্চলের দিকে বা উচ্চতর স্থানে স্থানান্তর হতে বাধ্য হয়। ফলে অনেক অঞ্চলের প্রাণী বৈচিত্র্য ধ্বংস হচ্ছে। জীববৈচিত্র্য নষ্ট হওয়ার প্রভাব পড়ছে সেই অঞ্চলের খাদ্যশৃঙ্খল থেকে শুরু করে প্রাকৃতিক ভারসাম্যের ওপর। বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে ঝুঁকিতে রয়েছে নানা প্রজাতির প্রাণী। এর মধ্যে কিছু বিলুপ্ত হয়ে গেছে, কিছু আবার বিলুপ্তির পথে। গবেষণা বলছে শুধু উষ্ণায়নের কারণে স্থলভাগের ১৪ শতাংশ পর্যন্ত প্রজাতি বিলুপ্তির অত্যন্ত উচ্চঝুঁকির সম্মুখীন হয়।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঋতু বৈচিত্র্যের ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে। ঋতু বৈচিত্র্য ধ্বংস হওয়ায় উদ্ভিদের মুকুল গঠন, ফুল ফোটা কিংবা প্রাণীদের স্থানান্তরের মতো প্রাকৃতিক চক্রগুলো আর একযোগে চলতে পারে না। উদ্ভিদের মুকুলধারণ বিঘ্নিত হওয়ার প্রভাব পড়ে নানা পোকামাকড়ের জীবনধারণ ও প্রজননের ওপর। এভাবে পোকামাকড়ের প্রজাতি বৈচিত্র্য নষ্ট হচ্ছে এবং স্বাভাবিক পরাগায়ন বাধাপ্রাপ্ত হওয়ায় উদ্ভিদের ফলন কমে যাচ্ছে।

এদিকে নগরায়ণ, শিল্পকারখানার প্রসার থেকে প্রচুর কার্বন ডাই-অক্সাইড মিশছে বায়ুমণ্ডলে। মহাসাগর বায়ুমণ্ডল থেকে অতিরিক্ত তাপ ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের বেশির ভাগ শোষণ করে, যা সামুদ্রিক জীবনকে মৌলিকভাবে পরিবর্তন করে দিচ্ছে। বিশ্বব্যাপী উষ্ণায়ন প্রবালের বিবর্তনতার জন্য দায়ী। উষ্ণ পানি প্রবালের ওপর চাপ সৃষ্টি করে, ফলে ব্যাপক হারে প্রবালের মৃত্যু ঘটে এবং এভাবে প্রবালদ্বীপগুলো হারিয়ে যাওয়ার শঙ্কায়। সমুদ্রের পানিতে কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় পানির পিএইচ কমে যাচ্ছে, অম্লতা বাড়ছে, ফলে শামুক ও প্রবাল তাদের প্রতিরক্ষামূলক খোলস ও কঙ্কাল তৈরি করতে পারছে না। এ কারণে অনেক সামুদ্রিক খোলসযুক্ত প্রাণী হুমকির মুখে। অন্যদিকে আবহাওয়ার চরমভাবের প্রভাব পড়ছে প্রাকৃতিক পরিবেশের ওপর। তীব্র খরা ও তাপপ্রবাহের কারণে বিধ্বংসী দাবানল লাখ লাখ একর বনভূমি পুড়িয়ে দিচ্ছে এবং প্রাণীর বাসস্থান ধ্বংস করছে। দীর্ঘস্থায়ী খরার কারণে অ্যামাজন রেইনফরেস্ট ও অন্যান্য গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলগুলো বন উজাড়ের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছে, যা বিলিয়ন টন সঞ্চিত কার্বন নিঃসরণ করার হুমকি সৃষ্টি করছে। দিন দিন মিঠা পানির প্রাপ্যতা কমে যাওয়ায় বাস্তুতন্ত্র দুর্বল হয়ে পড়ছে, মরুভূমি বিস্তৃত হচ্ছে, তাই জীবনে প্রশান্তি দেয়া শ্যামলিমা কেমন কমেই আসছে।

প্রকৃতি বৈশ্বিক উষ্ণায়নের বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরোধক। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তন অত্যাবশ্যকীয় প্রাকৃতিক কার্বন শোষকগুলোকে কার্বন নিঃসরণকারীতে পরিণত করার হুমকি দিচ্ছে। যেমন উষ্ণায়নের কারণে আর্কটিকের হিমায়িত মাটি গলে যাওয়ায় বিপুল পরিমাণ আবদ্ধ গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ হওয়ায় জলবায়ু পরিবর্তন আরো দ্রুতগতিসম্পন্ন হচ্ছে। মানুষের অসংলগ্ন কর্মকাণ্ডের ফলে প্রকৃতি ভয়াবহরূপে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং বিরূপ আচরণ করছে। পৃথিবী নামক এ গ্রহে সবচেয়ে বুদ্ধিমান এবং দীর্ঘ সময় টিকে থাকার লড়াইয়ে সফল মানুষ নামক প্রাণী নিজের আরাম আয়েশ এবং টিকে থাকার জন্য প্রকৃতিকে নিজের মতো করে নিয়ন্ত্রণ করছে, তাতেই নতুন নতুন বিপর্যয় নেমে আসছে পৃথিবীতে। বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলায় মাতোয়ারা উন্মত্ত শক্তি আজ পারমাণবিক বোমা থেকে শুরু করে আণবিক চুল্লি নির্মাণ, জীবাণু বোমা তৈরির মতো যেসব কর্মসূচি নিচ্ছে, তা আদতে পরিবেশের কি কোনো মঙ্গল বার্তা বয়ে আনবে? যুদ্ধোন্মত্ত দেশগুলো তাদের সমরাস্ত্রের পরীক্ষা নিরীক্ষার ক্ষেত্র হিসেবে বেছে নিচ্ছে সমুদ্রকে। প্রশান্ত মহাসাগরের দূরতম অঞ্চলে যদি কোনো বোমা বিস্ফোরিত হয়, তার তেজস্ক্রিয় পদার্থ দেশ থেকে দেশান্তরে ছড়িয়ে পড়ে।

বায়ুদূষণের কারণে বাড়ছে উষ্ণায়ন, মেরু অঞ্চলের বরফ গলন এবং সমুদ্র সমতলের উচ্চতা বৃদ্ধি, জলবায়ুর পরিবর্তন, সবকিছু মানুষকে শঙ্কিত করছে। তাপমাত্রার অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কারণে মেরু এলাকায় শুরু হয়েছে বরফ গলন প্রক্রিয়া, ফলে সমুদ্রস্তর বাড়ছে। বিজ্ঞানীরা এরই মধ্যে ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন বাংলাদেশ, মালদ্বীপসহ দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশে উপকূলীয় অঞ্চল সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। সমুদ্রস্তর বৃদ্ধির কারণে যেমন বিপর্যস্ত হচ্ছে ভূভাগ, তেমনি সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থানেও আসছে বিপর্যয়। সারা বিশ্বের স্বাভাবিক অস্তিত্বের ওপর হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে পরিবেশ সমস্যা। জল, স্থল ও বায়ুমণ্ডল তিনটি মাধ্যমে গঠিত আমাদের এ পরিবেশ চক্র। আমাদের দেশ কিংবা বিশ্ব প্রেক্ষাপট যেদিকেই দৃষ্টিপাত করি না কেন, সর্বত্রই পরিবেশগত বিপর্যয় লক্ষণীয়। উন্নয়নের মোহে আজ সারা বিশ্ব চলছে প্রযুক্তির পেছনে, এটা খারাপ নয়। কিন্তু প্রকৃতি ধ্বংস করে উন্নয়ন হতে পারে না। মানুষের খবরদারির জন্য প্রকৃতির ভারসাম্য হারিয়ে যাচ্ছে। যে প্রকৃতির মাঝে নির্ভরতা নিয়ে আমরা বেঁচে থাকি, প্রশান্তি খুঁজি, সেই প্রকৃতি আমাদের প্রাণ। প্রাণ সংহার করে কোনো সম্প্রদায় কোথায় টিকেছে? তাই বেঁচে থাকতে হলে প্রকৃতিকে সংরক্ষণ করতে হবে, বিশ্ব উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তন করে একে কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত করা যাবে না।

ড. এএসএম সাইফুল্লাহ: অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

আরও