অভিমত

নতুন অর্থমন্ত্রী অর্থ লোপাটের তদন্তে আগ্রহী হবেন?

নতুন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর ব্যাপারে এরই মধ্যে অনেকেই ইতিবাচক ধারণা ব্যক্ত করেছেন। অবশ্য ভিন্ন কথাও বলেছেন কেউ কেউ। অর্থাৎ এ-সংক্রান্ত মন্তব্য ও অভিমতগুলো মিশ্র। তবে সেসব মিশ্র অভিমতের ভেতর থেকেও আশাবাদী মানুষের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এ মর্মে প্রস্তাব করতে চাই যে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) সম্প্রতি ব্যাংক থেকে ৯২ হাজার কোটি টাকা লোপাটের যে তথ্য

নতুন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর ব্যাপারে এরই মধ্যে অনেকেই ইতিবাচক ধারণা ব্যক্ত করেছেন। অবশ্য ভিন্ন কথাও বলেছেন কেউ কেউ। অর্থাৎ এ-সংক্রান্ত মন্তব্য ও অভিমতগুলো মিশ্র। তবে সেসব মিশ্র অভিমতের ভেতর থেকেও আশাবাদী মানুষের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এ মর্মে প্রস্তাব করতে চাই যে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) সম্প্রতি ব্যাংক থেকে ৯২ হাজার কোটি টাকা লোপাটের যে তথ্য প্রকাশ করেছে, সে বিষয়ে নতুন অর্থমন্ত্রী যেন নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে চিহ্নিত দোষীদের শাস্তির আওতায় আনার ব্যাপারে উদ্যোগী হন। এটি করতে পারলে দেশের ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে বিষয়টি অনেকখানি সহায়ক হবে বলে আশা করা যায়। অবশ্য ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার বিষয়টি শুধু এই একটি ঘটনার তদন্তের ওপরই নির্ভরশীল নয়। এর জন্য ব্যাংক পরিচালকদের মেয়াদকাল সংক্রান্ত আইন পরিবর্তন, ঋণের পুনঃতফসিলীকরণ সংক্রান্ত বিধি-বিধান সংশোধন, অর্থ পাচার নিয়ন্ত্রণ রোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণসহ আরো অনেক কিছুই করণীয় আছে। আর সেসব কাজ নতুন অর্থমন্ত্রীর পক্ষে কতটা করা সম্ভব হবে, সিপিডি প্রদত্ত তথ্যের তদন্ত হওয়া বা না হওয়ার বিষয়টিকে তার একটি অম্ল পরীক্ষা (অ্যাসিড টেস্ট) হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে।

সিপিডির দেয়া সর্বসাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ বছরে দেশের ১৯টি সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকের মোট ২৪টি বড় অনিয়মের ঘটনায় ব্যাংকগুলো থেকে ৯২ হাজার কোটি টাকারও বেশি লোপাট হয়ে গেছে। এ তথ্য সিপিডি প্রকাশ করেছে গত ২৩ ডিসেম্বর।কিন্তু অদ্যাবধি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক, বাংলাদেশ ব্যাংক কিংবা রাষ্ট্রের কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকেই কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করা হয়নি। তাহলে কি এ বিষয়ে তাদের কারো কোনো দায় নেই? যদি থাকে তাহলে ১৯ ব্যাংকের মাত্র ২৪ ঘটনায় ৯২ হাজার কোটি টাকা লোপাট হয়ে যাওয়ার পরও তারা নিশ্চুপ কেন? এ বিষয়ে প্রথম বক্তব্য আসার কথা ছিল সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে। কিন্তু ব্যাংকগুলো নিজেরাই যেহেতু দায়ী, সেহেতু এর পরের দায়িত্ব ছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে জরুরি ভিত্তিতে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা। আর তাতেও শৈথিল্য থাকলে অর্থ মন্ত্রণালয় কিংবা রাষ্ট্রের উচ্চ পর্যায় থেকে হস্তক্ষেপ। কিন্তু এ পর্যন্ত সময়ে সর্বত্রই শুনশান নীরবতা। তবে নতুন অর্থমন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণের পরিপ্রেক্ষিতে এখন সে নীরবতা ভঙ্গ হয় কিনা সেটাই এখন দেখার বিষয়।

উল্লিখিত ৯২ হাজার কোটি টাকা লোপাট হয়েছে কেবল ১৯টি ব্যাংকের ২৪টি ঘটনায়। এর বাইরে ওই ১৯ ব্যাংকেই এমন আরো বহুসংখ্যক ঘটনা থাকতে পারে যেগুলোর আওতায় আরো বহু হাজার কোটি টাকা লোপাট হয়েছে। দেশে এখন তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা মোট ৬১টি। ফলে ওই ১৯ ব্যাংকের বাইরে আরো যে ৪২টি ব্যাংক রয়েছে, সেখানেও অনুরূপ ঘটনা যথেষ্টই ঘটে থাকতে পারে এবং তা ঘটার আশঙ্কাই সর্বাধিক। তাছাড়া তফসিলি ব্যাংকের বাইরে দেশে আরো বহুসংখ্যক আর্থিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে, সেগুলোতেও অহরহই নানা অনিয়মের ঘটনা ঘটার খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ হচ্ছে। গত ২৮ ডিসেম্বরের গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর, ঋণে অনিয়ম ও আমানতকারীদের স্বার্থবিরোধী কাজে জড়িত থাকার অপরাধে ফিনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে বরখাস্ত করে তার বিদেশ গমনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। মোট কথা, সাম্প্রতিক বছরগুলোয় দেশের বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের দুর্নীতি ও অনিয়ম এত ব্যাপক হারে ও বিপুল পরিমাণে ঘটেছে যে সব অনিয়ম ও দুর্নীতিকে একসঙ্গে করতে পারলে সেটি আরো কয়েকটি ৯২ হাজার কোটি টাকায় রূপ নেবে বলে ধারণা করা চলে।

দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাজ তো তার আওতাধীন ব্যাংকগুলো বিধিবদ্ধ নিয়মের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে কিনা তা দেখভাল করা, নাকি? তো উল্লিখিত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোয় যখন লাখ লাখ কোটি টাকা লোপাটের ঘটনা ঘটে চলেছে, তখন বাংলাদেশ ব্যাংক কী করেছে? এ ঘটনাগুলো তাদের জ্ঞাতসারেই ঘটেছে নাকি? যদি তা-ই হয়ে থাকে, তাহলে বুঝতে হবে যে এগুলোর ব্যাপারে তাদের অবহেলা ও প্রশ্রয় যথেষ্টই রয়েছে। আর তফসিলি ব্যাংকের অনিয়মে যখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রশ্রয় থাকে, তখন নিরুপায় শেষ পদক্ষেপ হচ্ছে অর্থ মন্ত্রণালয় কিংবা রাষ্ট্রের ঊর্ধ্বতন পর্যায় থেকে হস্তক্ষেপ। কিন্তু সেটিও যখন এত দিন দেখা যায়নি, তখন কি এর অর্থ দাঁড়ায় না যে এ ব্যাপারে তারা সবাই নিজেদের দায় এড়াতে চাচ্ছে কিংবা অন্তরালের দুর্বলতাগুলো প্রকাশ পেয়ে যাওয়ার ভয়ে কেউই এগিয়ে এসে মুখ খুলতে চাচ্ছে না।

তো যে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক তার আওতাধীন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেখভাল ও নিয়ন্ত্রণ করার পরিবর্তে নিজেরাই ওইসব ব্যাংকের দুর্নীতি ও অনিয়মের প্রশ্রয়দাতা হয়ে ওঠে, সে দেশে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো যে অর্থ লগ্নি করে লাভবান হওয়ার পরিবর্তে তার তথাকথিত মালিকদের (ব্যাংকের প্রকৃত মালিক যদিও আমানতকারীরা) স্বার্থে অর্থ আত্মসাতে যুক্ত হবে, সেটাই স্বাভাবিক। আর সে যুক্ততায় রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত রাজনীতিকরা যদি মালিকদের পাশে থাকেন, তাহলে বিষয়টি তখন তাদের উভয় পক্ষের জন্যই অনেকটা সোনায় সোহাগা হয়ে দাঁড়ায় বৈকি এবং সে পরিস্থিতির সুযোগেই হয়তো দেশে সীমাহীন লোপাটের এসব ঘটনা ঘটে চলেছে। আর এক্ষেত্রে এর চেয়েও অধিক দুর্ভাগ্যের বিষয় হচ্ছে, এ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর কারোর মধ্যেই কোনো ধরনের আগ্রহ লক্ষ করা যাচ্ছে না। যদি যেত, তাহলে এসব ঘটনা ও তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর তাদের কেউ না কেউ এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে আত্মপক্ষ সমর্থনের চেষ্টা করত। কিন্তু এ নীরবতা তাদের এ দৃষ্টিভঙ্গিকেই তুলে ধরে যে ‘গণমাধ্যমের কাজ গণমাধ্যম করেছে, আমরাও আমাদের আত্মসাতের কাজটুকু নিজেদের মতো করে নীরবে করে যাব’।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর মো. নুরুল ইসলামকে যদি এ দেশে বেসরকারি খাতে ব্যাংক প্রতিষ্ঠার অনুমতিদানের জন্য অন্যতম অগ্রণী ব্যক্তিত্ব হিসেবে চিহ্নিত করা যায়, তাহলে বেসিক ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল হাই বাচ্চুকে বলা যেতে পারে বাংলাদেশে ব্যাংক কেলেঙ্কারির অন্যতম নায়ক। কিন্তু প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে যে আবদুল হাই বাচ্চু কোনো দিনই এসব দুর্নীতি করতে পারতেন বা করে টিকে থাকতে পারতেন না, যদি না তার ব্যাপারে রাষ্ট্রের উচ্চতর পর্যায় থেকে সমর্থন ও সুরক্ষা না থাকত। সে সুরক্ষা এতটাই শক্তিশালী যে ওই ঘটনা ঘটে যাওয়ার বহু বছর পর পর্যন্ত তাকে কেউ স্পর্শ করতে পারেনি। এ ব্যাপারে সাবেক অর্থমন্ত্রী এএমএ মুহিত অর্থমন্ত্রী থাকা অবস্থাতেই একাধিক বার তার কষ্ট, আক্ষেপ ও হতাশার কথা ব্যক্ত করেছিলেন। তো বর্তমান পর্যায়ে ৯২ হাজার কোটি টাকা লোপাটের ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের নিথর নীরবতা দেখে কি এটাই মনে হয় না যে বর্তমান কেলেঙ্কারির হোতারাও হয়তো আবদুল হাই বাচ্চুর মতোই সব ধরনের বিচার, শাস্তি ও ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাবেন?

তাহলে এর মানে দাঁড়াচ্ছে, ওই ৯২ হাজার কোটি টাকা লোপাটের ঘটনায় কারো কোনো বিচার বা শাস্তি হচ্ছে না। আর এর বিচার না হওয়ার মানে হচ্ছে, সামনের দিনগুলোতেও এ ধরনের আত্মসাতের ঘটনা অব্যাহত থাকা। আর শেষ পর্যন্ত সত্যি সত্যি যদি তাই ঘটে, অর্থাৎ এসবের বিচার না হয় এবং এ ধারায় নানামাত্রিক দুর্নীতি ও অনিয়মের পাশাপাশি বিদেশে অর্থ পাচারের মতো হীন কর্মকাণ্ডগুলো অব্যাহত থাকে, তাহলে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে নগদ ডলার ক্রয় করে কি বৈদেশিক মুদ্রার স্থায়ী ও টেকসই মজুদ গড়ে তোলা সম্ভব হবে? মনে তো হয় না। উল্লিখিত মজুদ নিশ্চিত করতে হলে সবার আগে প্রয়োজন ব্যাংক ও আর্থিক খাতে অবিলম্বে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা। কিন্তু ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ আইন গত জুনে যেভাবে সংশোধন করা হয়েছে এবং ব্যাংক পরিচালনা-সংক্রান্ত অন্যান্য বিধিবিধানকে যেভাবে মৌলিক ন্যায়-ন্যায্যতার বাইরে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে, সেগুলো বজায় রেখে দেশের ব্যাংক খাতে কখনই শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়।

গত জুনে সংশোধিত ব্যাংকের পরিচালক পর্ষদ গঠন আইনে পরিচালকদের মেয়াদকাল করা হয়েছে ১২ বছর। আর রাজনৈতিক বিবেচনায় দলীয় ও পছন্দের লোকদের পরিচালক হিসেবে মনোনয়ন দেয়ার বিধান তো রয়েছেই। এ আইন সংশোধন-সংক্রান্ত বিলটির খসড়া গত ২১ জুন জাতীয় সংসদে উত্থাপনের পর জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্যরা তা দেখে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং এর প্রতিবাদে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেন, যা সংসদের কার্যবিবরণীতে লিপিবদ্ধ আছে। এ সময় কষ্ট ও ক্ষোভে তারা বলেন যে ব্যাংক পরিচালকদের মেয়াদ আজীবন করে দেয়া হোক। (প্রথম আলো, ২২ জুন ২০২৩)। কিন্তু তার পরও তাদের প্রতিবাদ ও মতামতকে বিন্দুমাত্র আমলে না নিয়ে ব্যাংকের পরিচালকদের মেয়াদকাল ৯ বছর থেকে বাড়িয়ে ১২ বছর করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে বিলটি পাস করিয়ে নেয়া হয়। বাংলাদেশে ব্যাংক খাতের আইনি কাঠামো প্রণয়নের ইতিহাসে এটি একটি বড় ধরনের কু নজির হয়ে থাকল বৈকি! তো, বিষয়টি তখন যাদের স্বার্থে ও পরামর্শেই করা হয়ে থাকুক না কেন, ব্যাংক খাতকে বাঁচাতে হলে এ আইন পুনরায় সংশোধন করে পরিচালকদের মেয়াদকাল অবিলম্বে যুক্তিসংগত পরিসরে কমিয়ে আনা উচিত হবে বলে মনে করি। একইভাবে রাজনৈতিক বিবেচনায় পরিচালক নিয়োগের বিষয়টিকেও পেশাগত দৃষ্টিকোণকে প্রাধান্য দিয়ে জরুরি ভিত্তিতে সংশোধন করা আবশ্যক।

সব মিলিয়ে বলব, রাজনৈতিক বিবেচনায় পরিচালক নিয়োগ, পরিচালকদের মেয়াদকাল ১২ বছরকরণ, অসম্ভাবনাময় প্রকল্পে ঋণদান, যখন তখন বকেয়া ঋণ পুনঃতফসিলীকরণ, ঋণগ্রহীতাদের আবদারে সুদ মাফ করে দেয়া, তাদের কথায় সুদের হার ও অন্যান্য শর্ত নির্ধারণ, রফতানি আয় দেশে না আনা সত্ত্বেও তাদের শাস্তির আওতায় না আনা, আমদানি ঋণপত্র খোলার ক্ষেত্রে ওভার ইনভয়েসিংয়ের প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করা ইত্যাদির চর্চা অব্যাহত রেখে বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে কখনই শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। আর সে শৃঙ্খলা ফিরে না এলে এ ধরনের ভবিষ্যদ্বাণী করার জন্য মোটেও কোনো বিশেষজ্ঞ হওয়ার দরকার নেই যে উল্লিখিত লোপাটকৃত অর্থের পরিমাণ সহসাই ৯২ হাজার কোটি টাকা থেকে বেড়ে আরো বহুগুণ হয়ে গেলেও তাতে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। নবনিযুক্ত অর্থমন্ত্রী কি বিষয়টির দিকে তাকাবেন?

আবু তাহের খান: সাবেক পরিচালক, বিসিক, শিল্প মন্ত্রণালয়

আরও