[গতকালের
পর]
ডিসেম্বর
২০১৯
শিক্ষা
মন্ত্রণালয়
শিক্ষার
উল্লেখযোগ্য
কিছু
অর্জন
উল্লেখ
করে
বিভিন্ন
গণমাধ্যমে
সংবাদ
বিজ্ঞপ্তি
পাঠিয়েছিল।
সাধারণ
মানুষের
জানা
প্রয়োজন
বিবেচনায়
তালিকাটি
তুলে
ধরা
হলো:
১. সবচেয়ে
বড়
অর্জন
নতুন
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
এমপিওভুক্ত
করা।
গত
প্রায়
দশ
বছর
বন্ধ
থাকার
পর
এ
বছর
একসঙ্গে
এমপিওভুক্ত
করা
হয়েছে
২
হাজার
৭৩০টি
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
২.
চতুর্থ
শিল্প
বিপ্লবের
চাহিদা
অনুয়ায়ী
পাঠ্যক্রম
যুগোপযোগী
করার
লক্ষ্যে
পরিমার্জনের
কাজ
শুরু
হয়েছে।
৩.
পাবলিক
ও
বিশেষায়িত
বিশ্ববিদ্যালয়সহ
প্রাইভেট
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর
শিক্ষক
নিয়োগে
ন্যূনতম
শিক্ষাগত
যোগ্যতা
নির্ধারণ
করে
বিধিমালা
প্রণয়নের
উদ্যোগ
গ্রহণ
করা
হয়েছে।
৪.
২০২০
সাল
থেকে
ষষ্ঠ
থেকে
অষ্টম
শ্রেণী
পর্যন্ত
৬৪০টি
স্কুলে
কারিগরি
শিক্ষার
ব্যবস্থা
করা
হয়েছে
এবং
২০২১
সাল
থেকে
মাধ্যমিকের
সব
ক্লাসে
কারিগরি
শিক্ষা
বাধ্যতামূলক
করা
হয়েছে।
৫.
প্রশ্নপত্র
ফাঁস
ও
গুজব
প্রতিরোধ
করা
হয়েছে
এবং
নির্ধারিত
সময়ের
আগেই
এসএসসি
ও
এইচএসসি
পরীক্ষার
ফলাফল
ঘোষণা
করা
হয়েছে।
৬.
শিক্ষা
প্রকৌশল
অধিদপ্তরের
মাধ্যমে
১৩
হাজার
স্কুল,
কলেজ
ও
মাদ্রাসায়
নতুন
ভবনের
কাজ
এরই
মধ্যে
শুরু
করা
হয়েছে।
৭.
শিক্ষা
প্রকৌশল
অধিদপ্তরের
২
হাজার
৪৯৪
জন
নতুন
জনবল
অর্গানোগ্রামে
অন্তর্ভুক্ত
করা
হয়েছে।
৮.
শিক্ষার
মান
উন্নয়নে
অ্যাক্রেডিটেশন
কাউন্সিল
গঠন
করা
হয়েছে।
৯.
বঙ্গবন্ধু
এভিয়েশন
ও
এরোস্পেস
বিশ্ববিদ্যালয়
আইন
পাস
করা
হয়েছে।
১০.
হবিগঞ্জে
ও
চাঁদপুরে
নতুন
বিশ্ববিদ্যালয়
আইন
প্রণয়ন
করা
হয়েছে।
১১.
মাদ্রাসা
বোর্ড
আইন,
২০১১
পাস
করা
হয়েছে।
১২.
১০
বছর
ধরে
ঝুলে
থাকা
শিক্ষা
আইন
চূড়ান্ত
করা
হয়েছে।
১৩.
খুলনা
কৃষি
বিদ্যালয়ের
একাডেমিক
কার্যক্রম
চালু
করা
হয়েছে।
১৪.
কোচিং
বাণিজ্য
বন্ধে
কার্যকর
বিধিমালা
প্রণয়ন
করা
হয়েছে।
১৫.
জিপিএ
গ্রেডিং
সিস্টেম
সমন্বয়
করা।
সারা
বিশ্বের
সঙ্গে
তাল
মিলিয়ে
জিপিএ
৫-এর
পরিবর্তে
জিপিএ
৪
প্রবর্তনের
উদ্যোগ
গ্রহণ
করা
হয়েছে।
১৬.
একাদশ
শ্রেণীর
৩০
লাখ
পাঠ্যপুস্তক
যথাসময়ে
শিক্ষার্থীদের
হাতে
পৌঁছানো
হয়েছে।
১৭.
হাইকোর্টের
নির্দেশনা
অনুযায়ী
সব
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে
যৌন
নির্যাতন
রোধে
কমিটি
করার
উদ্যোগ
গ্রহণ
করা
হয়েছে।
১৮.
র্যাগিং
প্রতিরোধে
অ্যান্টিবুলিং
বিধিমালা
চূড়ান্ত
পর্যায়ে
রয়েছে।
১৯.
বিভিন্ন
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে
‘বঙ্গবন্ধু
ও
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক
কর্নার’
চালু
করা
হয়েছে।
২০.
ধারাবাহিক
মূল্যায়ন
পদ্ধতি
বাস্তবায়নের
উদ্দেশ্যে
একটি
সফল
পাইলটিং
প্রজেক্ট
সম্পন্ন
হয়েছে
এবং
২০২০
সালে
মাধ্যমিক
পর্যায়ে
তিনটি
বিষয়ে
(শারীরিক শিক্ষা
ও
স্বাস্থ্য,
চারু
ও
কারু,
কর্ম
ও
জীবনমুখী
শিক্ষা)
ধারাবাহিক
মূল্যায়ন
পদ্ধতি
কার্যকর
করা
হবে।
অন্যান্য
বিষয়ে
শতকরা
২০
ভাগ
নম্বর
ধারাবাহিক
মূল্যায়নের
মাধ্যমে
দেয়া
হবে।
এ
উদ্দেশ্যে
ষষ্ঠ
ও
সপ্তম
শ্রেণীর
সব
শিক্ষার্থীর
হাতে
বিনা
মূল্যে
দুটি
ডায়েরি
সরবরাহের
কাজ
এরই
মধ্যে
শুরু
হয়েছে।
২১.
বিসিএস
সাধারণ
শিক্ষা
ক্যাডারের
দ্বিতীয়
গ্রেডের
তিনটি
পদ
সৃজন
এবং
তৃতীয়
গ্রেডে
৯৮টি
পদ
আপগ্রেড
করা
হয়েছে।
এছাড়া
দ্বিতীয়
ও
তৃতীয়
গ্রেডের
আরো
৩৩৫
পদ
সৃজন,
আপগ্রেডের
কাজ
চলমান
রয়েছে।
অভিন্ন
পর্যায়ের
প্রায়
১২
হাজার
৫০০
পদ
সৃজনের
কার্যক্রমে
উল্লেখযোগ্য
অগ্রগতি
হয়েছে।
২২.
দীর্ঘদিন
ঝুলে
থাকা
মাধ্যমিক
ও
উচ্চশিক্ষা
অধিদপ্তরের
চতুর্থ
শ্রেণীর
কর্মচারীদের
নিয়োগের
জটিলতার
আংশিক
অবসান
ঘটিয়ে
৭০২
জন
চাকরিপ্রার্থীকে
নিয়োগ
দেয়া
হয়েছে।
২৩.
সব
সরকারি
কলেজকে
ই-ফাইলিংয়ের
আওতায়
আনার
উদ্যোগ
নেয়া
হয়েছে।
২৪.
সব
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে
মনিটরিং
করার
জন্য
মাঠ
পর্যায়ের
মনিটরিং
ব্যবস্থা
ঢেলে
সাজানো
হয়েছে।
আশা
করা
যাচ্ছে
এ
মনিটরিংয়ের
ফলে
অতি
দ্রুত
সব
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে
শৃঙ্খলা
ফিরে
আসবে।
২৫.
সারা
দেশের
মাধ্যমিক
স্কুলে
আকস্মিক
পরিদর্শন
চালু
করা
হয়েছে।
এতে
বিনা
অনুমতিতে
শিক্ষকদের
কর্মস্থলে
অনুপস্থিতির
হার
প্রায়
শূন্যের
কোটায়
নেমে
এসেছে।
২৬.
সারা
দেশে
২০
হাজার
স্কুলে
পর্যাপ্ত
বৈজ্ঞানিক
সরঞ্জামাদি
সরবরাহ
করা
হয়েছে।
২৭.
উচ্চশিক্ষা
অঙ্গনে
অস্থিরতা
নিয়ন্ত্রণে
রাখা
সম্ভব
হয়েছে।
২৮.
ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়
অধিভুক্ত
সাত
কলেজের
বিরাজমান
সমস্যাগুলোর
সমাধান
করা
হয়েছে।
২৯.
কলেজগুলোয়
চাহিদা
পূরণের
উদ্যোগ
নেয়া
হয়েছে।
৩০.
স্বতন্ত্র
এবতেদায়ি
মাদ্রাসার
বেতন
কাঠামো
করার
জন্য
নীতিমালা
চূড়ান্ত
করা।
৩১.
স্কুল
ও
কলেজে
শিক্ষক
আত্তীকরণ
বিধিমালা
প্রণয়ন।
৩২.
বেসরকারি
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের
অধ্যক্ষ
ও
উপাধ্যক্ষ
নিয়োগ
বিধিমালা
প্রণয়নের
উদ্যোগ
গ্রহণ
করা।
৩৩.
বিশেষ
চাহিদাসম্পন্ন
শিশুদের
জন্য
অটিজম
একাডেমি
স্থাপনের
ক্ষেত্রে
উল্লেখযোগ্য
অগ্রগতি
সাধন
হয়েছে।
৩৪.
বেসরকারি
শিক্ষকদের
অবসর
সুবিধা
সহজীকরণ
করা
হয়েছে।
৩৫.
দীর্ঘদিন
বন্ধ
থাকার
পর
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের
একাডেমিক
স্বীকৃতি
এবং
পাঠদানের
অনুমতি দেয়া
হয়েছে।
৩৬.
কওমি
মাদ্রাসার
পাঠ্যসূচিতে
মুক্তিযুদ্ধের
ইতিহাস
পড়ানোর
উদ্যোগ
গ্রহণ
করা
হয়েছে।
৩৭.
শিক্ষার্থীদের
আমিষের
ঘাটতি
মেটাতে
পরিপত্র
জারি
করা
হয়েছে
এবং
এরই
মধ্যে
৬
হাজার
স্কুলে
মিড
ডে
মিল
চালু
করা
হয়েছে।
২০২০
সালে
পর্যায়ক্রমে
সব
স্কুলে
মিড
ডে
মিল
চালু
করা
হবে।
৩৮.
বন্ধ
থাকা
শিক্ষাবৃত্তিগুলো
চালু
করার
উদ্যোগ
নেয়া
হয়েছে।
৩৯.
মাঠ
পর্যায়ের
সব
কর্মকর্তা
ও
কর্মচারীকে
স্বাস্থ্য
ও
পুষ্টি
বিষয়ে
প্রশিক্ষণ
দেয়া
হচ্ছে।
৪০.
প্রতিটি
স্কুলে
শিক্ষার্থীদের
স্বাস্থ্য
মনিটরিং
করার
উদ্যোগ
গ্রহণ
করা
হয়েছে।
প্রত্যেক
স্কুলে
ওজন
ও
উচ্চতা
মাপার
যন্ত্র
ক্রয়
করা
হবে।
৪১.
রিপ্রডাকটিভ
হেলথ
ও
জেন্ডার
ইকুইটি
বিষয়ে
সব
স্কুলে
সচেতনতামূলক
কার্যক্রম
চালুর
উদ্যোগ
গ্রহণ
করা
হয়েছে।
৪২.
পারিবারিক
ও
মানসিক
স্বাস্থ্য
নিশ্চিত
করার
লক্ষ্যে
সব
স্কুলে
কাউন্সেলিংয়ের
ব্যবস্থা
গ্রহণ
করা
হয়েছে।
৪৩.
মাধ্যমিক
পর্যায়ের
শিক্ষার্থীদের
বয়স
বিবেচনা
করে
পুষ্টিকর
খাদ্যতালিকা
সব
অভিভাবকের
হাতে
পৌঁছানোর
ব্যবস্থা
করা
হয়েছে।
৪৪.
কো-এডুকেশন
চালু
আছে
যেসব
স্কুলে,
সেসব
স্কুলে
ছাত্রছাত্রীদের
জন্য
আলাদা
ওয়াশ
ব্লক
তৈরি
করা
হয়েছে।
৪৫.
শিক্ষার্থীরা
যেন
বিদ্যালয়ে
খেলাধুলা
ও
শরীরচর্চা
করার
সুযোগ
পায়,
তার
ব্যবস্থা
গ্রহণ
করা
হয়েছে।
৪৬.
২০১৯
সালে
‘বঙ্গবন্ধু
শেখ
মুজিবর
রহমান
ও
মুক্তিযুদ্ধকে
জানো’
শীর্ষক
একটি
প্রজেক্ট
সপ্তম
শ্রেণীর
সব
শিক্ষার্থী
অত্যন্ত
সফলভাবে
সম্পন্ন
করেছে।
প্রজেক্টের
অংশ
হিসেবে
শিক্ষার্থীরা দলবদ্ধভাবে
বঙ্গবন্ধু
ও
মুক্তিযুদ্ধ
শীর্ষক
লাখ
খানেক
রিপোর্ট
ও
ডকুমেন্টরি
তৈরি
করেছে।
৪৭.
একটি
প্রজেক্টের
মাধ্যমে
২০২০
সাল
থেকে
শিক্ষার্থীদের
সাতটি
সফট
স্কিলসে
দক্ষ
করে
তোলার
উদ্যোগ
নেয়া
হয়েছে।
এগুলো
হলো,
Creativity,
Criticality, Morality, Social Commitment, Employability, Adaptability and
Health। এসব
সফট
স্কিলস
ধারাবাহিক
মূল্যায়নের
মাধ্যমে
মূল্যায়িত
হবে।
৪৮.
নিয়মিতভাবে
প্রতি
বৃহস্পতিবার
শিক্ষার্থীদের
দিয়ে
শিক্ষাঙ্গন
পরিচ্ছন্নতা
কর্মসূচি
বাস্তবায়ন
হচ্ছে।
৪৯.
শতবর্ষী
১৩টি
কলেজকে
‘সেন্টার
অব
এক্সলেন্স’
হিসেবে
গড়ে
তোলার
উদ্যোগ
নেয়া
হয়েছে।
৫০.
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের
দেয়াল
ঘেঁষে
সিগারেটের
দোকান
না
রাখার
নির্দেশনা
জারি
করা
হয়েছে।
৫১.
নীতিশিক্ষার
অংশ
হিসেবে
বিভিন্ন
স্কুল
ও
কলেজে
সততা
স্টোর
চালু
করা
হয়েছে।
পর্যায়ক্রমে
সব
স্কুল-কলেজে
সততা
স্টোর
চালু
করা
হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
এক
বছরের
অর্ধশতাধিক
অর্জনের
তালিকা
দেখে
মনে
হয়
শিক্ষাসংশ্লিষ্ট
সবাই
মুক্তির
উপায়
উদ্ভাবনের
কাজে
জীবন
উৎসর্গ
করে
দিয়েছেন।
এ
যেন
অন্ধের
হাতি
দেখার
মতো
অবস্থা।
কেউ
পাঠ্য
বিষয়কে
দায়ী
করছেন,
কেউ
শিক্ষকদের
ওপর
দায়
চাপাচ্ছেন,
কেউ
পারিবারিক
পরিবেশের
ওপর
দোষ
দিচ্ছেন,
কেউ
নৈতিক
শিক্ষার
কথা
বলছেন,
কেউ
সহশিক্ষা
কার্যক্রমের
অভাবের
কথা
বলছেন,
কেউ
শিক্ষার্থীদের
দারিদ্র্যের
ওপর
দায়
চাপাচ্ছেন,
কেউ
আকাশ
সংস্কৃতির
নিয়ন্ত্রণহীনতাকে
দায়
দিচ্ছেন,
কেউ
বিদেশী
ভাষার
চাপ
কমানোর
কথা
বলছেন,
কেউ
শিক্ষক-শিক্ষার্থী
অনুপাত
এবং
সম্পর্ক
সময়
বৃদ্ধির
কথা
বলছেন,
কেউ
সঙ্গ
দোষের
কথা
বলছেন,
কেউ
কেউ
বেকারত্বের
কথাও
বলছেন।
এসবের
পরিপ্রেক্ষিতে
শিক্ষার্থীদের
বৃত্তির
ব্যবস্থা
হচ্ছে,
মিড
ডে
মিলের
ব্যবস্থা
হচ্ছে,
নৈতিক
শিক্ষার
নামে
ধর্মীয়
শিক্ষায়
জোর
দেয়া
হচ্ছে,
বিজ্ঞানমনস্ক
করার
চেষ্টা
করা
হচ্ছে,
মানবিক
ও
সমাজবিজ্ঞান
শিক্ষাকে
গুরুত্ব
দেয়া
হচ্ছে,
শিক্ষক
বাছাইয়ের
উদ্যোগ
দেখা
যাচ্ছে,
নীতিশিক্ষা
দেয়া
হচ্ছে,
তথ্যপ্রযুক্তির
ব্যবহার
বাড়ছে।
যেকোনো
সমস্যার
সমাধান
করতে
হলে
সমস্যার
গভীরে
প্রবেশ
করে
কাজের
লক্ষণ
বিশ্লেষণ
করে
কারণ
বের
করতে
হয়।
কিন্তু
শিক্ষার
উন্নয়ন
ও
অগ্রগতিতে
ব্যস্ত
সরকারের
পুরো
সমস্যার
লক্ষণ
বিশ্লেষণের
সময়
নেই।
ক্ষুদ্র
ক্ষুদ্র
পরিসর
থেকে
সমস্যার
সমাধান
চলছে।
এখানে
সংবিধান,
শিক্ষানীতি,
মুক্তিযুদ্ধের
চেতনা
মাথার
ওপরে
তোলা
আছে।
আর
তোলা
আছে
শিক্ষা
ব্যবস্থার
প্রধান
নিয়ামক
শিক্ষক
ও
শিক্ষার্থী,
যাদের
এক
দল
শিক্ষা
দান
করেন
এবং
অন্য
দল
শিক্ষা
গ্রহণ
করে—এটাই
এখন
সবচেয়ে
উপেক্ষিত।
শিক্ষার্থীদের ব্যাগের
ওজন
হাইকোর্টের
নির্দেশের
পরও
কমানো
গেল
না।
শিক্ষার্থীর
স্মরণশক্তি
ও
মনের
ওপর
অসম্ভব
চাপ
সৃষ্টিকারী
বিদেশী
ভাষা
শিক্ষার
প্রয়োজনীয়তাকে
বিবেচনা
করা
হলো
না।
বিশ্ববিদ্যালয়ের
শেষ
ডিগ্রি
অর্জন
পর্যন্ত
শিক্ষার
বাহন
মাতৃভাষা
বাংলা
করা
গেল
না।
শিক্ষার্থীদের
পরীক্ষার্থী
হওয়া
থেকে
বিরত
রাখা
হলো
না।
প্রাথমিক
শিক্ষার
লক্ষ্য
অর্জনে
মারাত্মক
পিছিয়ে
থাকা
থেকে
মুক্ত
হওয়া
গেল
না।
আধুনিক
জ্ঞান-বিজ্ঞানের
গুরুত্বপূর্ণ
রচনা
বাংলায়
ভাষান্তরের
ব্যবস্থা
হলো
না।
স্বাধীনতার
৫০
বছর
অতিক্রম
করার
কালেও
শিক্ষার
প্রকৃতি,
শিক্ষাকালের
মেয়াদ,
উচ্চশিক্ষা
লাভের
যোগ্যতা,
শিক্ষা
বিষয়ে
সরকারের
দায়িত্ব
নিয়ে
এখনো
পরীক্ষা-নিরীক্ষা
চলমান।
শিক্ষা
খাতে
জাতীয়
আয়ের
৫
শতাংশ
বরাদ্দ
হলো
না।
সমাজের
গুণগত
পরিবর্তনে
শিক্ষার
প্রয়োজনীয়তা
অস্বীকার
না
করলেও
দায়িত্ব-সংশ্লিষ্টদের
চিন্তার
জড়ত্ব
কাটছে
না।
সেই
জড়ত্ব
পুরো
শিক্ষা
ব্যবস্থার
মধ্যে
রয়েছে।
স্বাধীনতাও
আমাদের
জড়ত্ব
কাটাতে
পারল
না।
[শেষ]
এম আর খায়রুল উমাম:
প্রাবন্ধিক;
সাবেক
সভাপতি
ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি)