শিক্ষা ভাবনা

এমন বেতন কাঠামোয় কি ফিনল্যান্ড সুইডেনের শিক্ষা সম্ভব?

যেকোনো জাতির শিক্ষা, সম্পদ ও উন্নয়ন একই সূত্রে গাথা থাকে। আমাদের শিক্ষা, সম্পদ ও উন্নয়নের ভিত্তি হলো আমাদের জনসংখ্যা, যাকে একসময় দূরদর্শিতার অভাবে বাংলাদেশের বোঝা বলা হতো।

যেকোনো জাতির শিক্ষা, সম্পদ ও উন্নয়ন একই সূত্রে গাথা থাকে। আমাদের শিক্ষা, সম্পদ ও উন্নয়নের ভিত্তি হলো আমাদের জনসংখ্যা, যাকে একসময় দূরদর্শিতার অভাবে বাংলাদেশের বোঝা বলা হতো। কিন্তু বাস্তবতা হলো এ জনসম্পদ ছাড়া বাংলাদেশে এমন কোনো প্রাকৃতিক বা অর্থনৈতিক সম্পদ নেই যার ওপর ভিত্তি করে দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা যায়।

কিন্তু আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক চাহিদার ভিত্তিতে এ বিপুল জনসংখ্যার জন্য যদি প্রয়োজনীয় শিক্ষা ও দক্ষতা অর্জন নিশ্চিত করা না যায়, তাহলে এ জনসম্পদ বোঝায় পরিণত হবে—এতে কোনো সন্দেহ নেই। কারণ মানুষ স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানবসম্পদে রূপান্তরিত হয় না, ব্যাপক রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনার মাধ্যমে এ রূপান্তর ঘটাতে হয়।

আমাদের শিক্ষার্থীদের মানবসম্পদে রূপান্তরের লক্ষ্যে শিক্ষানীতি ও কারিকুলাম তৈরি করা হয়েছে। এসব শিক্ষানীতি ও কারিকুলাম কতটা সফল হয়েছে, তা বোঝার জন্য আমরা একটু বেকার জনসংখ্যার দিকে দৃষ্টি দিতে পারি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০২৪ সালের প্রথম ত্রৈমাসিক জরিপের তথ্যানুযায়ী জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সময়ে দেশে মোট তরুণ বেকারের সংখ্যা ২৫ লাখ ৯০ হাজার। প্রকৃত সংখ্যাটা আরো বড় হওয়ার কথা।

যারা কর্মে প্রবেশ করেছেন তাদের অনেকেই আবার নিজের কাজ ও আয় নিয়ে সন্তুষ্ট নন। তারা মনে করেন, যোগ্যতা অনুযায়ী তারা উপযুক্ত কাজ ও আয়ের সুযোগ পাননি। আবার চাকরিদাতারা বলছেন, চাকরি দেয়ার জন্য তারা যথেষ্ট উপযুক্ত প্রার্থী পাচ্ছেন না। এ পরিপ্রেক্ষিতে চাকরিপ্রার্থী ও চাকরিদাতাদের এ বিপরীতমুখী অভিজ্ঞতা ও অভিযোগ বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায়, আমাদের বিদ্যমান শিক্ষা ব্যবস্থা যুগের চাহিদার নিরিখে উপযুক্ত গ্র্যাজুয়েট তৈরি করতে পারছে না। চাকরি বা কাজের খাত তৈরি করতে যে ধরনের উদ্যোক্তা লাগে, আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা সেটাও তৈরি করতে পারছে না।

তাহলে আমাদের আধুনিক কারিকুলাম, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মাদ্রাসা, বইপত্র, প্রশিক্ষণ, অবকাঠামো, উপকরণ দিয়ে কী লাভ হচ্ছে? লাভ তেমন হচ্ছে না, এটা একটা বাস্তবতা। তাহলে সংকটটা কোথায়?

একটা শিক্ষা ব্যবস্থা বাস্তবায়নের প্রধান নিয়ামক হলো ভালো শিক্ষক। যেমন সক্রেটিস, প্লেটো বা অ্যারিস্টোটল—তারা সর্বকালের অন্যতম সেরা শিক্ষক হিসেবে ইতিহাসে স্থান করে নিয়েছেন। ধর্ম প্রবর্তকরাও একই কাতারে পড়েন। কিন্তু তাদের কারিকুলাম, অবকাঠামো, প্রশিক্ষণ, উপকরণ বা পেডাগোজি কী ছিল? বর্তমানে প্রচলিত এসবের কিছুই তাদের কাছে ছিল না, কিন্তু তারা সর্বকালের সেরা শিক্ষক। এটা সম্ভব হয়েছিল, কারণ তারা শিক্ষক হিসেবে যোগ্য, স্বতঃস্ফূর্ত ও সন্তুষ্টচিত্তে নিবেদিত ছিলেন। শিক্ষকের মাঝে যোগ্যতা, স্বতঃস্ফূর্ততা ও সন্তুষ্টি নিশ্চিত করতে না পারলে ভালো কারিকুলাম, অবকাঠামো, প্রশিক্ষণ, উপকরণ, আধুনিক পেডাগোজি—সবই ব্যর্থ হয়। এখন দেখা যাক, আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার সংকট কোথায়?

আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার প্রধান সংকট হলো যোগ্য, স্বতঃস্ফূর্ত ও সন্তুষ্টচিত্তের শিক্ষকের অভাব। প্রাইমারি থেকে টারশিয়ারি পর্যন্ত সব স্তরেই এ সংকট রয়েছে। যোগ্য শিক্ষক নেই বলে যোগ্য ছাত্র তৈরি হয় না। আবার যোগ্য ছাত্র না থাকার কারণে শিক্ষকতা ও অন্য পেশার জন্য যোগ্য প্রার্থী পাওয়া যায় না। এ দুষ্টু চক্র ভাঙতে হলে আগে যোগ্য শিক্ষক নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু আমাদের পর্যাপ্ত যোগ্যতাসম্পন্ন আগ্রহী শিক্ষক নেই কেন?

একজন শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবনের ভিত হলো তার প্রাথমিক শিক্ষা। এখন দেখা যাক, প্রাথমিক শিক্ষার এ ভিত গড়ার কারিগরকে কীভাবে সন্তুষ্টচিত্তে শিক্ষকতায় যোগ দিতে উদ্বুদ্ধ করা হয়।

বাংলাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর অধিকাংশ সরকারি। ২০২০ সালের আগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সদ্য যোগদানকারী একজন শিক্ষকের প্রারম্ভিক মূল বেতন ছিল ৯ হাজার ৭০০ টাকা যা এখন ১১ হাজার টাকা। জেলা শহরের একজন শিক্ষকের মূল বেতনের ৪৫ শতাংশ বাড়ি ভাড়া ভাতা, ১ হাজার ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা এবং ২০০ টাকা টিফিন ভাতাসহ মাসে সর্বসাকল্যে ১৭ হাজার ৬৫০ টাকা বেতন-ভাতা পেয়ে থাকেন। এখান থেকে প্রতি মাসে জিপিএফ, যৌথ বীমা ও কল্যাণ তহবিলের কর্তন বাদ দিলে হাতে আসে নিট ১৫-১৬ হাজার টাকা। এ টাকা দিয়ে একজন শিক্ষক কীভাবে সংসার চালাবেন?

এ কারণে গ্রামাঞ্চলের অনেক শিক্ষক স্কুলের আগে ও পরে কৃষি খেতে কাজ করে সংসার চালাতে বাধ্য হন। যার কৃষিজমি নেই বা যে শিক্ষক শহরে বাস করেন, তিনি সংসার চালানোর জন্য ব্যবসায় যুক্ত হন বা বাসায় বাসায় ঘুরে প্রাইভেট টিউশন করেন। একজন শিক্ষকের জন্য এ কাজগুলো কি সম্মানজনক? আর এভাবে কি যোগ্য, স্বতঃস্ফূর্ত ও সন্তুষ্টচিত্তের শিক্ষক হওয়া যায়?

এক্ষেত্রে একটি সস্তা যুক্তি দেয়া হয়—এ টাকায় না পোষালে আপনি এ পেশায় এলেন কেন? তারা বাধ্য হয়েই আসেন। যে বাধ্য হয়ে কোনো কাজ করে, সে কি সেটা ভালোবেসে করে? অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী আছেন যারা শিক্ষক হতে চান, কিন্তু হতে পারেন না। কারণ বাংলাদেশে শিক্ষকের না আছে সম্মান, না আছে সুযোগ-সুবিধা।

বাংলাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের বেতন দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে কম এবং পৃথিবীর মধ্যে সর্বনিম্নদের অন্যতম। এ কারণে সবচেয়ে কম বেতন-ভাতা দিয়ে আমরা সবচেয়ে নিম্নমানের শিক্ষক বাছাই করার ফর্মুলা প্রয়োগ করি। সবচেয়ে নিম্নমানের শিক্ষক দিয়ে আবার আমরা সবচেয়ে ভালো কারিকুলাম সর্বোত্তম উপায়ে বাস্তবায়ন করার অলীক স্বপ্ন দেখি। এভাবে শিক্ষা ব্যবস্থার শক্ত ও ভালো ভিত তৈরির চেষ্টা হাস্যকর ও অবাস্তব।

আমরা ফিনল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, জাপান, সুইডেন ইত্যাদি দেশের মতো কারিকুলাম বাস্তবায়ন করতে চাই। কিন্তু তাদের দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সেই দেশের বিবেচনায় উচ্চ গ্রেডে বেতন পেয়ে থাকেন যা আমাদের শিক্ষকদের তুলনায় ২০-৩০ গুণ বেশি। তাদের চাহিদা, সক্ষমতা ও অন্যান্য বাস্তবতাও আমাদের চেয়ে ভিন্ন। ফলে ফিনল্যান্ড, নেদারল্যান্ডসের কারিকুলাম বাস্তবায়ন অধরাই থেকে যায়।

দেশের অধিকাংশ নিম্ন ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় বেসরকারি বা এমপিওভুক্ত। সেখানে সদ্য যোগদানকারী একজন শিক্ষকের প্রারম্ভিক মূল বেতন ১২ হাজার ৫০০ টাকা। সঙ্গে বাড়ি ভাড়া ভাতা ১ হাজার টাকা এবং চিকিৎসা ভাতা ৫০০ টাকা। সর্বসাকল্যে ১৪ হাজার টাকা। এখান থেকে আবার মূল বেতনের ১০ শতাংশ বা ১ হাজার ২৫০ টাকা অবসর সুবিধা ও ভবিষ্য কল্যাণ তহবিল খাতে কর্তনের পর হাতে আসে ১২ হাজার ৭৫০ টাকা। এ বাজারে কীভাবে ১২ হাজার ৭৫০ টাকায় সংসার চালাতে হয়, তা শেখার জন্য স্কুল খোলা দরকার। যা-ই হোক, এ শিক্ষকরাও চাষাবাদ, ব্যবসায় বা বাসায় বাসায় প্রাইভেট টিউশন করে সংসার চালাতে বাধ্য হন যা মর্যাদাহীন ও গ্লানিময়।

দেশের অধিকাংশ কলেজও বেসরকারি বা এমপিওভুক্ত। এসব কলেজে সদ্য যোগদানকারী একজন প্রভাষকের প্রারম্ভিক মূল বেতন ২২ হাজার টাকা। বাড়ি ভাড়া ভাতা ১ হাজার টাকা এবং চিকিৎসা ভাতা বাবদ ৫০০ টাকা। সেখান থেকে আবার মূল বেতনের ১০ শতাংশ অবসর সুবিধা ও কল্যাণ তহবিল খাতে কর্তন হয়। ফলে হাতে আসে হাজার বিশেক টাকা।

বাংলাদেশে উচ্চ শিক্ষার মূল ধারা এখনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সদ্য যোগদানকারী একজন প্রভাষকের প্রারম্ভিক মূল বেতন নবম গ্রেডে একটি ইনক্রিমেন্টসহ ২৩ হাজার ১০০ টাকা। মেট্রোপলিটন সিটির বাইরে মূল বেতনের ৪০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া ও ১ হাজার ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতাসহ সর্বসাকল্যে প্রাপ্তি দাঁড়ায় ৩৪ হাজার টাকার কাছাকাছি। বিবিধ কর্তন বাদ দিয়ে নিট ৩০ হাজার টাকার মতো পকেটে আসে। এ টাকায় একজন তরুণ শিক্ষক ঘর-সংসার সাজাবেন নাকি বাবা-মাকে দেখবেন? এ টাকায় কি ভদ্রোচিত জীবনযাপন সম্ভব?

পিএইচডি সম্পন্ন করার পর আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন জার্নালে ন্যূনতম ডজনখানেক গবেষণাপত্র প্রকাশ করে কমপক্ষে ১২ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা দিয়ে একজন শিক্ষক তৃতীয় গ্রেডে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পান। পঞ্চম গেডের একজন আমলার শুধু গাড়ির পেছনে সরকার যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে, সেটা তৃতীয় গ্রেডে সদ্য যোগদানকারী একজন অধ্যাপকের সমুদয় মাসিক বেতন-ভাতার চেয়েও বেশি। এই যদি হয় অবস্থা, তাহলে একজন মেধাবী ও যোগ্য শিক্ষার্থী কেন স্বতঃস্ফূর্ত ও সন্তুষ্টচিত্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হবেন?

ভারতের থেকে আমাদের মাথাপিছু আয় বেশি (বিশ্বব্যাংকের তথ্যমতে, ২০২৪ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ২৫২৯ দশমিক ১ ডলার আর ভারতের মাথাপিছু আয় ২৪৮৪ দশমিক ৮ ডলার)। বাংলাদেশে দৈনন্দিন জিনিসপত্রের দাম আবার ভারতের থেকে বেশি। ফলে বাংলাদেশের একজন শিক্ষকের বেতন ভারতের একজন শিক্ষকের বেতনের থেকে বেশি হওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবতা হলো সব স্তরেই বাংলাদেশের একজন শিক্ষকের বেতন ভারতের একজন শিক্ষকের বেতনের থেকে কয়েক গুণ কম। এভাবে বাংলাদেশে মেধাবী ও যোগ্য শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত ও সন্তুষ্টচিত্তে শিক্ষকতায় আসতে নিরুৎসাহিত করা হয়।

এটাই হচ্ছে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় সংকট। কোনোভাবেই আমরা যোগ্য ও মেধাবীদের শিক্ষকতায় আকর্ষণ করতে পারছি না। শিক্ষক যদি নিজেকে বঞ্চিত, উপেক্ষিত, অবহেলিত ভাবেন, তাহলে তার কাছ থেকে আমরা স্বতঃস্ফূর্ত ও মানসম্পন্ন সেবা আশা করতে পারি না। শিক্ষক এ সমাজেরই একজন মানুষ। তিনিও নিজের একটা পরিচ্ছন্ন বাড়িতে পরিবার নিয়ে বসবাস করার স্বপ্ন দেখেন, সন্তানদের পুষ্টিকর খাবার আর ভালো স্কুলে দিতে চান, বাবা-মার ভালো চিকিৎসা করাতে চান, নিজের একটা সস্তা গাড়িতে চড়তে চান। এ চাওয়াগুলো মোটেই বেশি নয়।

শিক্ষা ব্যবস্থার প্রধান নিয়ামক বা যোগ্য শিক্ষক নিশ্চিত করতে না পারলে আমাদের সব আয়োজন বৃথা যাবে। সমস্যা হলো যাদের হাতে যোগ্য ও মেধাবীদের শিক্ষকতায় আকর্ষণ করার ক্ষমতা, তাদের সন্তানরা বাংলাদেশী কারিকুলামে পড়াশোনা করে না। তাই তাদের বাংলাদেশী শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে কখনো দরদ জাগে না। শিক্ষকরা অযোগ্য আর মেধাহীন—এসব বাখোয়াজি করে তারা তাদের দায় সারেন।

তারা সরকারি অর্থে বিদেশ ভ্রমণে গিয়ে মাঝে মাঝে দূর থেকে বিদেশী শিক্ষা ব্যবস্থার চাকচিক্য দেখে মুগ্ধ হন, দেশে সেটা চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেন কোনো সম্ভাব্যতা যাচাই না করেই। বাস্তবায়ন কৌশল, সক্ষমতা ও প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে কোনো বাস্তব গবেষণা ছাড়াই তারা এসব চালু করেন। মাঝখান থেকে নষ্ট হয়ে যায় সরকারের হাজার কোটি টাকা আর গরিবের সন্তানদের মূল্যবান জীবন। ওদিকে ইংলিশ মিডিয়ামে নিরাপদে সযত্নে পড়ালেখা চলে তাদের সন্তানদের।

শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন না ঘটিয়ে, কোনোভাবেই দেশের টেকসই পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। আর যোগ্য ও মেধাবীদের শিক্ষকতায় আকর্ষণ করার বাস্তব পদক্ষেপ না নিলে কোনোভাবেই শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন সম্ভব নয়। দেশের উন্নয়ন ঘটাতে হলে আগে শিক্ষক ও শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে যার জন্য মেধাবীদের স্বতঃস্ফূর্ত ও সন্তুষ্টচিত্তে শিক্ষকতায় আনতে হবে।

ড. মো. মুনিবুর রহমান: সহযোগী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

আরও