পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে করণীয়

বৃক্ষ আচ্ছাদন বাড়ানোর জন্য শুধু চারা বিতরণ বা রোপণ কর্মসূচি যথেষ্ট নয়। কোথায় কী ধরনের গাছ লাগানো হবে, কীভাবে রোপণ করা হবে এবং রোপণের পর কীভাবে নিয়মিত পরিচর্যা নিশ্চিত করা হবে—এসব বিষয়কে সমান গুরুত্ব দিতে হবে।

জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় বর্তমান সরকার আগামী পাঁচ বছরে দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্প্রতি ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ স্লোগান সামনে রেখে দেশব্যাপী ২৯ হাজার ৬২১টি মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

এ কর্মসূচির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো প্রত্যেক শিশুকে প্রতি বছর বৃক্ষরোপণে সম্পৃক্ত করা এবং আগামী পাঁচ বছরে দেশের শিক্ষাঙ্গনে পাঁচ কোটি গাছ লাগানো। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফলদ, বনজ ও ঔষধি বৃক্ষ রোপণের পাশাপাশি এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রতি বছর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ৫ হাজার টাকা করে বিশেষ জলবায়ু সচেতনতা অনুদান দেয়া হবে। নতুন প্রজন্মকে পরিবেশ সংরক্ষণের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রে এটি একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ।

তবে শুধু উচ্চাভিলাষী কর্মসূচি ঘোষণা করলেই কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না। অতীতের অভিজ্ঞতা বলছে, দেশে প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক গাছের চারা রোপণ করা হলেও পরিচর্যার অভাব, পরিকল্পনার দুর্বলতা এবং নিয়মিত তদারকির ঘাটতির কারণে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে চারা বাঁচেনি। অথচ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সাফল্য কেবল কতটি চারা রোপণ করা হলো, তার ওপর নির্ভর করে না; বরং কতটি গাছ পরিণত হলো, সেটিই প্রকৃত সাফল্যের মানদণ্ড। তাই এ কর্মসূচির শুরু থেকেই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, পরিচর্যা এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

বৃক্ষ পরিবেশ ও মানবসমাজের জন্য কতটা মূল্যবান, তা নানা সময়ে বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে। ৫০ বছর বয়সী একটি গাছ প্রায় ১০ লাখ টাকার বায়ুদূষণ রোধ করে, ৫ লাখ টাকার অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং প্রায় ৫ লাখ টাকার সমপরিমাণ মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি ও ফল-কাঠের সুবিধা দেয়। একটি বড় ছায়াদানকারী বৃক্ষ নগরের তাপমাত্রা ১-৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমাতে পারে এবং প্রায় ১০টি এয়ার কন্ডিশনারের সমপরিমাণ শীতলতা প্রদান করে। অর্থাৎ একটি গাছ শুধু পরিবেশ নয়, জনস্বাস্থ্য, কৃষি এবং অর্থনীতির জন্যও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ।

এ কারণে একটি দেশের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় মোট ভূমির অন্তত ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা প্রয়োজন বলে মনে করা হয়। অথচ সরকারি হিসেবে বাংলাদেশে বৃক্ষ আচ্ছাদিত ভূমির পরিমাণ মাত্র ১০-১৫ শতাংশ। অন্যদিকে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) তথ্য অনুযায়ী, পৃথিবীর স্থলভাগের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বা ৪ দশমিক ৬ বিলিয়ন হেক্টর এলাকায় বনভূমি রয়েছে। বিশ্বের সর্বাধিক বনভূমি রয়েছে রাশিয়ায়, যার পরিমাণ ৮১ কোটি ৪৮ লাখ ৪৬০ হাজার হেক্টর বা বিশ্বের মোট বনভূমির ২০ দশমিক ৪১ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ব্রাজিল, যেখানে ৪৯ কোটি ১৫ লাখ ৫৭ হাজার হেক্টর বনভূমি রয়েছে এবং বিশ্বের বৃহত্তম অ্যামাজন বনাঞ্চলের প্রায় ৬২ শতাংশ এ দেশেই অবস্থিত। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে কানাডা, যার বনভূমির পরিমাণ প্রায় ৩৪ কোটি ৬৮ লাখ ৭৬ হাজার হেক্টর। প্রতিবেশী ভারতেও বনভূমির পরিমাণ ৭২ দশমিক ৭৩ মিলিয়ন হেক্টর। মিয়ানমারে মোট এলাকার প্রায় ১৯ শতাংশ বনভূমি এবং জাপানের প্রায় ৬৭ শতাংশ এলাকাই বনাচ্ছাদিত। এ তুলনামূলক চিত্র স্পষ্ট করে যে পরিবেশগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশে সবুজ পরিসর বাড়ানো কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

তবে বৃক্ষ আচ্ছাদন বাড়ানোর জন্য শুধু চারা বিতরণ বা রোপণ কর্মসূচি যথেষ্ট নয়। কোথায় কী ধরনের গাছ লাগানো হবে, কীভাবে রোপণ করা হবে এবং রোপণের পর কীভাবে নিয়মিত পরিচর্যা নিশ্চিত করা হবে—এসব বিষয়কে সমান গুরুত্ব দিতে হবে।

শুরুতেই সঠিক স্থান নির্বাচন এবং মানসম্মত চারা নিশ্চিত করতে হবে। বৃক্ষ রোপণের জন্য বন্যামুক্ত উঁচু ও মাঝারি উঁচু জমি নির্বাচন করা উচিত। এক বছর বয়সী সুস্থ, সবল, রোগ ও পোকামাকড়মুক্ত এবং সঠিক জাতের চারা ব্যবহার করতে হবে। একই সঙ্গে সরকারি ও বেসরকারি উন্নতমানের নার্সারি থেকে চারা সংগ্রহ নিশ্চিত করতে হবে। কারণ নিম্নমানের চারা বা অনুপযুক্ত স্থানে রোপণ করলে কর্মসূচির লক্ষ্য অর্জন কঠিন হয়ে পড়বে।

এরপর প্রতিটি চারা নির্ধারিত মাপের গর্তে প্রয়োজনীয় জৈব ও রাসায়নিক সার ব্যবহার করে সঠিক দূরত্ব বজায় রেখে রোপণ করতে হবে। বর্ষার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সময়কে রোপণের সবচেয়ে উপযুক্ত মৌসুম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। রোপণের পর চারাকে শক্তভাবে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে দিতে হবে, যাতে ঝড়-বাতাসে হেলে না পড়ে। কোনো চারা নষ্ট হলে একই জাতের সমবয়সী চারা দিয়ে দ্রুত সেই স্থান পূরণ করতে হবে। রোপণের পর অন্তত ১৫-২০ দিন নিয়মিত সেচ, রোগ-পোকা দমন, গবাদি পশুর ক্ষতি থেকে সুরক্ষা এবং প্রতি বছর বর্ষার আগে ও পরে সার প্রয়োগ ও গোড়ার মাটি আলগা করার মতো পরিচর্যার কাজ নিয়মিত করতে হবে। কারণ বৃক্ষরোপণের প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করে রোপণের দিনের আনুষ্ঠানিকতার ওপর নয়, বরং পরবর্তী কয়েক বছরের ধারাবাহিক পরিচর্যার ওপর।

বৃক্ষরোপণের ক্ষেত্রেও একটি জাতীয় পরিকল্পনা থাকা প্রয়োজন। বসতবাড়ির আশপাশের খালি জায়গা, গ্রামীণ রাস্তা, সড়ক ও মহাসড়কের দুই ধার, স্কুল-কলেজ, অফিস-আদালত, কলকারখানার অব্যবহৃত জমি, নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুরপাড়, উপকূলীয় বেড়িবাঁধ এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। পাশাপাশি মাদরাসা, মসজিদ, মন্দির, শ্মশান ও কবরস্থানের অব্যবহৃত জমিও বৃক্ষরোপণের আওতায় আনা যেতে পারে। অন্যদিকে নগরাঞ্চলে বাড়ির ছাদ, বারান্দা ও ব্যালকনিকে সবুজায়নের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

তবে সব স্থানে একই ধরনের গাছ রোপণ করলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না। এলাকার জলবায়ু, মাটির ধরন এবং ব্যবহার বিবেচনায় প্রজাতি নির্বাচন করতে হবে। বসতবাড়ির আশপাশে আম, জাম, লিচু, নারকেল, সুপারি, পেয়ারা, লেবু, আমড়া, বেল, কদবেল, নিম ও কৃষ্ণচূড়ার মতো ফলদ, ঔষধি ও ছায়াদানকারী গাছ উপযোগী। বাড়ির সামনে ছোট ও ফুলের গাছ এবং পেছনে বড় গাছ রোপণ করলে আলো-বাতাস চলাচলেও সুবিধা হয়।

একইভাবে গ্রামীণ রাস্তা, সড়ক ও মহাসড়কের পাশে কৃষ্ণচূড়া, রাধাচূড়া, সোনালু, পলাশ, বকুল, দেবদারু, পাকুড়, অশ্বত্থ এবং দেশীয় ফলের গাছ রোপণ করা যেতে পারে। বিদ্যালয়, অফিস-আদালত ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের খোলা জায়গায় শোভাবর্ধনকারী ও চিরসবুজ গাছ উপযোগী। নদীর তীর ও উপকূলীয় এলাকায় তাল, নারকেল, সুপারি ও ঝাউ, পাহাড়ি অঞ্চলে আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, পেয়ারা, পেঁপে ও ড্রাগনের মতো উদ্যান ফসল, প্রাকৃতিক জলাশয়ের ধারে দীর্ঘমূলবিশিষ্ট বৃক্ষ, হাওড় অঞ্চলে হিজল, করচ, বরুণ, পিটালি, মূর্তা, কদম ও জারুল এবং বরেন্দ্র অঞ্চলের খরাপ্রবণ এলাকায় তাল, খেজুর, আম, কাঁঠাল, নিম, তেঁতুল, বাবলা, বট, পাকুড় ও শিমুলের মতো গাছ বেশি উপযোগী। পাশাপাশি আমলকী, হরিতকি, বহেড়া, নিম ও বসাকের মতো ঔষধি গাছ এবং কাজুবাদাম, রাবার, সেগুন, মেহগনি, চাপালিশ ও বাঁশের মতো অর্থকরী গাছও রোপণে গুরুত্ব দেয়া যেতে পারে।

দেশে বর্তমানে প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষ নগরে বসবাস করে। ফলে জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে সফল করতে নগরবাসীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা অপরিহার্য। ছাদবাগানে আম্রপালি, বারোমাসি থাই পেয়ারা, লেবু, ড্রাগন ফল, ডালিম, পেঁপে, কুল, সফেদা, করমচা, আতা, আমড়া ও আঙুরের মতো ফলদ গাছ রোপণ উৎসাহিত করতে হবে। একই সঙ্গে শহরের সড়কদ্বীপে এমন বাহারি ও শক্তপোক্ত গাছ লাগাতে হবে, যা ধুলাবালি ও দূষণ সহ্য করতে সক্ষম।

তবে এ বিশাল কর্মসূচির সাফল্য নিশ্চিত করতে হলে কয়েকটি নীতিগত বিষয়কে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। প্রথমত, বাড়িঘর বা অফিস-আদালতের দেয়াল এবং বৈদ্যুতিক তার বা খুঁটির খুব কাছাকাছি গাছ রোপণ করা যাবে না। দীর্ঘ সময় জলাবদ্ধ থাকে এমন স্থানে বৃক্ষরোপণ থেকেও বিরত থাকতে হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, চারা রোপণের পর অন্তত ১৫ বছর পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নির্দিষ্ট পরিকল্পনা থাকতে হবে। কারণ রোপণ নয়, গাছকে পরিণত অবস্থায় পৌঁছে দেয়াই এ কর্মসূচির প্রকৃত লক্ষ্য।

একই সঙ্গে গ্রামীণ রাস্তা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ, উপকূলীয় বাঁধ ও প্রাকৃতিক জলাশয়ের ধারে রোপিত গাছের পরিচর্যায় স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করা যেতে পারে। কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের এ কাজে যুক্ত করলে একদিকে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, অন্যদিকে গাছের নিয়মিত পরিচর্যাও নিশ্চিত হবে। পর্যাপ্ত সংখ্যক উন্নতমানের চারা উৎপাদনের জন্য সরকারি ও বেসরকারি নার্সারিগুলোকে বিনামূল্যে মাতৃগাছের চারা ও প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহের উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি প্রত্যেক গ্রাম ও শহরে চারা বিক্রির জন্য আলাদা বাজার গড়ে তোলা এবং এ খাতে অপ্রয়োজনীয় খাজনা প্রত্যাহার করাও বিবেচনা করা যেতে পারে।

পরিবেশগত ভারসাম্যের কথা বিবেচনায় রেখে আকাশমণি ও ইউক্যালিপটাসের মতো পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর প্রজাতির গাছ রোপণ নিরুৎসাহিত করতে হবে। অন্যদিকে নগর সবুজায়নে ছাদবাগানকে আরো জনপ্রিয় করতে পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে প্রচার-প্রচারণা, লিফলেট, পোস্টার ও বিলবোর্ড ব্যবহার করা যেতে পারে। ছাদবাগানিদের পৌর করের একটি অংশ মওকুফ, বিনামূল্যে চারা, টব, মাটি, জৈবসার ও সেচের উপকরণ সরবরাহের মতো প্রণোদনাও কার্যকর হতে পারে।

দীর্ঘমেয়াদে এ কর্মসূচির সুফল নিশ্চিত করতে বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব, সঠিক রোপণ পদ্ধতি ও পরিচর্যার বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে জাতীয় পর্যায়ের পাশাপাশি ইউনিয়ন, পৌরসভা, উপজেলা, জেলা, সিটি করপোরেশন ও বিভাগীয় পর্যায়ে সফল বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যার জন্য পুরস্কারের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এতে ব্যক্তি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্থানীয় সরকার ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হবে।

২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের এ কর্মসূচি নিঃসন্দেহে একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ। তবে এর সফলতা নির্ভর করবে পরিকল্পিত বাস্তবায়ন, উপযুক্ত প্রজাতি নির্বাচন, দীর্ঘমেয়াদি পরিচর্যা, জনসম্পৃক্ততা এবং কার্যকর তদারকির ওপর। গাছ লাগানোর সংখ্যার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো সেই গাছকে বাঁচিয়ে রাখা। সরকার যদি গাছ রোপণ, পরিচর্যা ও জবাবদিহিকে সমান গুরুত্ব দিয়ে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে পারে, তবে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ শুধু বৃক্ষ আচ্ছাদনই বাড়াবে না, বরং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং একটি টেকসই সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ার ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করবে।

নিতাই চন্দ্র রায়: সাবেক মহাব্যবস্থাপক (কৃষি), বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন

আরও