বলা বাহুল্য,
চতুর্থ
শিল্প
বিপ্লব
এরই
মধ্যে
‘Industry 4.0’
নামে
ব্যাপকভাবে
পরিচিতি
লাভ
করেছে।
আঠারো
শতকের
শেষার্ধে
শিল্পোৎপাদনের
ক্ষেত্রে
ইংল্যান্ডে
যে
বৈপ্লবিক
পরিবর্তনের
সূচনা
হয়,
সেটিই
হচ্ছে
শিল্প
বিপ্লব।
শিল্প
বিপ্লবের
ফলে
ইংল্যান্ড
বিশ্বের
প্রথম
শিল্পোন্নত
রাষ্ট্রে
পরিণত
হয়
এবং
দেশটির
অর্থনীতিতে
ব্যাপক
উন্নতি
সাধন
হয়।
তাই
কখনো
কখনো
ইংল্যান্ডকে
‘পৃথিবীর কারখানা’
বলা
হয়।
চতুর্থ
শিল্প
বিপ্লব
শব্দটি
সর্বপ্রথম
প্রবর্তন
করেন
একদল
বিজ্ঞানী,
যারা
জার্মান
সরকারের
জন্য
একটি
উচ্চ
প্রযুক্তিগত
কৌশল
তৈরি
করছিলেন।
ওয়ার্ল্ড
ইকোনমিক
ফোরামের
নির্বাহী
চেয়ারম্যান
ক্লাউস
শোয়াব
২০১৫
সালে
ফরেন
অ্যাফেয়ার্সে
প্রকাশিত
একটি
নিবন্ধের
মাধ্যমে
চতুর্থ
শিল্প
বিপ্লব
শব্দটিকে
বৃহৎ
পরিসরে
উপস্থাপন
করেন।
শোয়াব
তখন
এমন
সব
প্রযুক্তির
কথা
উল্লেখ
করেন,
যার
মাধ্যমে
হার্ডওয়্যার,
সফটওয়্যার
ও
বায়োলজিকে
(সাইবার-ফিজিক্যাল
সিস্টেমস)
একত্র
করে
পৃথিবীকে
উন্নতির
পথে
আরো
গতিশীল
করা
যায়।
শোয়াব
আশা
করেন,
যুগটি
রোবোটিক্স
বুদ্ধিমত্তা,
ন্যানোটেকনোলজি,
কোয়ান্টামকম্পিউটিং,
বায়োটেকনোলজি,
ইন্টারনেট
অব
থিংস,
ইন্ডাস্ট্রিয়াল
ইন্টারনেট
অব
থিংস,
ডিসেন্ট্রালাইজড
কনসেনসাস,
পঞ্চম
প্রজন্মের
ওয়্যারলেস
প্রযুক্তি,
থ্রিডি
প্রিন্টিং
ও
সম্পূর্ণ
স্বশাসিত
যানবাহনের
ক্ষেত্রে
উদীয়মান
প্রযুক্তির
যুগান্তকারী
যুগ
হিসেবে
চিহ্নিত
হবে।
ওয়ার্ল্ড
ইকোনমিক
ফোরামের
ওই
প্রস্তাবনার
বাস্তবায়ন
পর্যায়ে
বর্তমানে
অবশ্য
চতুর্থ
শিল্প
বিপ্লবকে
কভিড-১৯
মহামারী-পরবর্তী
অর্থনীতি
পুনর্গঠনের
কৌশলগত
টেকসই
সমাধান
হিসেবে
অন্তর্ভুক্ত
করা
হয়েছে।
বিগত
সময়ের
সব
হিসাব-নিকাশ
বাতিল
করে
আমাদের
দরজায়
এখন
যে
শিল্প
বিপ্লবটি
কড়া
নাড়ছে,
সেটি
হচ্ছে
কৃত্রিম
বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক
চতুর্থ
শিল্প
বিপ্লব;
যার
গতির
দৌড়
কল্পনার
চেয়েও
বেশি।
চতুর্থ
শিল্প
বিপ্লবটির
ভিত
হচ্ছে
‘জ্ঞান ও
কৃত্রিম
বুদ্ধিমত্তা’ভিত্তিক
কম্পিউটিং
প্রযুক্তি।
রোবটিক্স,
আইওটি,
ন্যানো
প্রযুক্তি,
ডাটা
সায়েন্স
ইত্যাদি
প্রযুক্তি
প্রতিনিয়ত
চতুর্থ
শিল্প
বিপ্লবকে
নিয়ে
যাচ্ছে
অনন্য
উচ্চতায়।
চতুর্থ
শিল্প
বিপ্লবের
প্রভাব
সবচেয়ে
বেশি
পড়বে
কর্মবাজারে।
অটোমেশন
প্রযুক্তির
ফলে
ক্রমে
শিল্প-কারখানা
হয়ে
পড়বে
যন্ত্রনির্ভর।
টেক
জায়ান্ট
কোম্পানি
অ্যাপলের
হার্ডওয়্যার
নির্মাতা
প্রতিষ্ঠান
ফক্সকন
এরই
মধ্যে
হাজার
হাজার
কর্মী
ছাঁটাই
করে
তার
পরিবর্তে
রোবটকে
কর্মী
হিসেবে
নিয়োগ
দিয়েছে।
গত
বছরগুলোয়
চীনের
কারখানাগুলোয়
রোবট
ব্যবহারের
হার
বৃদ্ধি
পেয়েছে
বহুগুণে।
ওয়ার্ল্ড
ইকোনমিক
ফোরাম
তাদের
একটি
গবেষণা
প্রতিবেদনে
জানিয়েছে,
২০২২
সালের
মধ্যে
রোবটের
কারণে
বিশ্বজুড়ে
সাড়ে
সাত
কোটি
মানুষ
চাকরি
হারাবে।
এসব
আশঙ্কার
ভেতরেই
রয়েছে
আগামী
দিনের
অর্থনৈতিক
সমৃদ্ধি
অর্জনের
বিশেষ
সম্ভাবনা।
বাংলাদেশে
বর্তমানে
তরুণের
সংখ্যা
প্রায়
পাঁচ
কোটি,
যা
মোট
জনসংখ্যার
৩০
শতাংশের
বেশি।
বাংলাদেশের
ক্ষেত্রে
আগামী
৩০
বছরজুড়ে
তরুণ
বা
উৎপাদনশীল
জনগোষ্ঠী
সংখ্যাগরিষ্ঠ
থাকবে।
বাংলাদেশের
জন্য
চতুর্থ
শিল্প
বিপ্লবের
সুফল
ভোগ
করার
এটাই
সবচেয়ে
বড়
হাতিয়ার।
জ্ঞানভিত্তিক
এ
শিল্প
বিপ্লবে
প্রাকৃতিক
সম্পদের
চেয়ে
দক্ষ
মানবসম্পদই
হবে
বেশি
মূল্যবান।
চতুর্থ
শিল্প
বিপ্লবের
ফলে
বিপুল
পরিমাণ
মানুষ
চাকরি
হারালেও
এর
বিপরীতে
সৃষ্টি
হবে
নতুন
ধারার
নানা
কর্মক্ষেত্র।
নতুন
যুগের
এসব
চাকরির
জন্য
প্রয়োজন
উঁচু
স্তরের
কারিগরি
দক্ষতা।
ডাটা
সায়েন্টিস্ট,
আইওটি
এক্সপার্ট,
রোবটিক্স
ইঞ্জিনিয়ারের
মতো
আগামী
দিনের
চাকরিগুলোর
জন্য
সবচেয়ে
বেশি
উপযোগী
তরুণ
জনগোষ্ঠী।
অক্সফোর্ড
বিশ্ববিদ্যালয়ের
এক
গবেষণা
অনুযায়ী,
আগামী
দুই
দশকের
মধ্যে
মানবজাতির
৪৭
শতাংশ
কাজ
স্বয়ংক্রিয়
কৃত্রিম
বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন
যন্ত্রের
মাধ্যমে
হবে।
চতুর্থ
শিল্প
বিপ্লবের
ফলে
শ্রমনির্ভর
এবং
অপেক্ষাকৃত
কম
দক্ষতানির্ভর
চাকরি
বিলুপ্ত
হলেও
উচ্চ
দক্ষতানির্ভর
যে
নতুন
কর্মবাজার
সৃষ্টি
হবে,
সে
বিষয়ে
আমাদের
তরুণ
প্রজন্মকে
তার
জন্য
প্রস্তুত
করে
তোলার
এখনই
সেরা
সময়।
দক্ষ
জনশক্তি
প্রস্তুত
করা
সম্ভব
হলে
জনমিতিক
লভ্যাংশকে
কাজে
লাগিয়ে
চতুর্থ
শিল্প
বিপ্লবের
সুফল
ভোগ
করার
ক্ষেত্রে
বাংলাদেশ
অন্য
অনেক
দেশ
থেকে
অনেক
বেশি
উপযুক্ত।
এক্ষেত্রে
আমাদের
জন্য
সবচেয়ে
ভালো
উদাহরণ
হতে
পারে
জাপান।
দ্বিতীয়
বিশ্বযুদ্ধের
পর
ভঙ্গুর
অর্থনীতি
থেকে
আজকের
দ্বিতীয়
বৃহত্তম
অর্থনীতির
দেশ
জাপান
পৃথিবীকে
দেখিয়ে
দিয়েছে
শুধু
মানবসম্পদকে
কাজে
লাগিয়ে
অর্থনৈতিক
ও
সার্বিক
জীবনমানের
উত্তরণ
ঘটানো
যায়।
জাপানের
প্রাকৃতিক
সম্পদ
অত্যন্ত
নগণ্য
এবং
আবাদযোগ্য
কৃষিজমির
পরিমাণ
মাত্র
১৫
শতাংশ।
জাপান
তার
সব
প্রাকৃতিক
প্রতিকূলতা
অতিক্রম
করেছে
জনসংখ্যাকে
সুদক্ষ
জনশক্তিতে
রূপান্তর
করার
মাধ্যমে।
জাপানের
এ
উদাহরণ
আমাদের
জন্য
সবচেয়ে
বেশি
উপযোগী।
বাংলাদেশের
সুবিশাল
তরুণ
জনগোষ্ঠীকে
জনসম্পদে
রূপান্তর
করতে
পারলে
আমাদের
পক্ষেও
উন্নত
অর্থনীতির
একটি
দেশে
পরিণত
হওয়া
অসম্ভব
নয়।
শিল্প-কারখানায়
কী
ধরনের
জ্ঞান
ও
দক্ষতা
লাগবে,
সে
বিষয়ে
আমাদের
শিক্ষাক্রমের
তেমন
সমন্বয়
নেই।
চতুর্থ
শিল্প
বিপ্লব
মোকাবেলায়
শিক্ষা
ব্যবস্থাকেও
ঢেলে
সাজাতে
হবে।
প্রাথমিক
পাঠ্যক্রম
থেকেই
তথ্য
ও
যোগাযোগ
প্রযুক্তি
বিষয়টি
অন্তর্ভুক্ত
করতে
হবে।
সারা
দেশে
সাশ্রয়ী
মূল্যে
ব্রডব্যান্ড
ইন্টারনেটের
ব্যবস্থা
করতে
হবে।
সরকারি-বেসরকারি
অফিসের
ফাইল-নথিপত্র
ডিজিটাল
ডকুমেন্টে
রূপান্তর
করতে
হবে।
আর
নতুন
ডকুমেন্টও
ডিজিটাল
পদ্ধতিতে
তৈরি
করে
সংরক্ষণ
ও
বিতরণ
করতে
হবে।
এ
বিষয়ে
বর্তমানে
ব্যাপক
আলোচনা
হচ্ছে,
তবে
সুনির্দিষ্ট
ও
বিস্তারিত
পদক্ষেপ
নেয়ার
প্রস্তাব
এখনো
অনেকটা
অনুপস্থিত
মনে
হয়।
কেবল
পরিকল্পনার
মধ্যে
সীমাবদ্ধ
না
থেকে
অবকাঠামোগত
উন্নয়নের
পাশাপাশি
আমাদের
মানবসম্পদকেও
যথাযথভাবে
প্রস্তুত
করতে
হবে
এ
পরিবর্তনের
জন্য।
আর্টিফিশিয়াল
ইন্টেলিজেন্স,
আইওটি,
ব্লকচেইন
এসব
প্রযুক্তিতে
বাংলাদেশ
এখনো
অনেক
পিছিয়ে।
এসব
প্রযুক্তি
কাজে
লাগিয়ে
ট্রাফিক
ব্যবস্থাপনা,
পণ্য
সরবরাহ,
চিকিৎসা,
শিল্প-কারখানা,
ব্যাংকিং,
কৃষি,
শিক্ষাসহ
নানা
ক্ষেত্রে
কাজ
করার
পরিধি
এখনো
তাই
ব্যাপকভাবে
উন্মুক্ত।
সত্যিকার
অর্থে
যেহেতু
তৃতীয়
শিল্প
বিপ্লবের
সুফলই
আমরা
সবার
কাছে
পৌঁছতে
পারিনি,
চতুর্থ
বিপ্লব
মোকাবেলার
জন্য
আমাদের
প্রস্তুতি
কতটকু
তা
আরো
গভীরভাবে
ভাবতে
হবে।
ব্যাপক
সমন্বিত
কর্মপরিকল্পনা
ও
প্রয়োজনীয়
অবকাঠামো
স্থাপনের
মাধ্যমে
তা
করা
সম্ভব।
উল্লেখ্য,
শুধু
আমাদের
দক্ষ
জনগোষ্ঠী
নেই
বলে
পোশাক
শিল্পের
প্রযুক্তিগত
খাতে
কম-বেশি
তিন
লাখ
বিদেশী
নাগরিক
কাজ
করেন।
অবাক
হতে
হয়
যখন
দেখা
যায়
প্রায়
এক
কোটি
শ্রমিক
বিদেশে
হাড়ভাঙা
পরিশ্রম
করে
আমাদের
দেশে
যে
রেমিট্যান্স
পাঠান,
আমরা
তার
প্রায়
অর্ধেকই
তুলে
দিই
মাত্র
৩
লাখ
বিদেশীর
হাতে।
তাই
শুধু
শিক্ষিত
নয়,
দেশে
দক্ষ
জনগোষ্ঠী
গড়ে
তোলার
দিকে
মনোাযোগ
দিতে
হবে।
শুধু
দেশেই
নয়,
যারা
বিদেশে
কাজ
করছেন
তাদেরকেও
যথাযথ
প্রশিক্ষণ
দিয়ে
বিদেশে
পাঠাতে
হবে।
বিদেশে
আমাদের
এক
কোটি
শ্রমিক
আয়
করেন
১৫
বিলিয়ন
ডলার।
অন্যদিকে
ভারতের
১
কোটি
৩০
লাখ
শ্রমিক
আয়
করেন
৬৮
বিলিয়ন
ডলার।
কর্মক্ষেত্রে
আমাদের
শ্রমিকদের
অদক্ষতাই
তাদের
আয়ের
ক্ষেত্রে
এ
বিরাট
ব্যবধানের
কারণ।
সংগত
কারণেই
আমাদের
উচিত
কারিগরি
দক্ষতার
ওপর
আরো
জোর
দেয়া।
সময়ের
সঙ্গে
তাল
মিলিয়ে
আমাদের
শিক্ষা
ব্যবস্থায়
পরিবর্তন
আনাটাও
একান্ত
জরুরি।
আগামী
দিনের
সৃজনশীল,
সুচিন্তার
অধিকারী,
সমস্যা
সমাধানে
পটু
জনগোষ্ঠী
গড়ে
তোলার
উপায়
হলো
শিক্ষা
ব্যবস্থাকে
এমনভাবে
সাজানো,
যাতে
এ
দক্ষতাগুলো
শিক্ষার্থীর
মধ্যে
সঞ্চারিত
হয়
এবং
কাজটি
করতে
হবে
প্রাথমিক
শিক্ষা
থেকে।
একই
ধরনের
পরিবর্তন
হতে
হবে
উচ্চশিক্ষার
স্তরে।
প্রত্যেক
বিশ্ববিদ্যালয়ের
শিক্ষকদের
প্রশিক্ষণের
জন্য
টিচিং
অ্যান্ড
লার্নিং
সেন্টার
প্রতিষ্ঠা
প্রয়োজন।
যেখানে
বিশ্ববিদ্যালয়ের
শিক্ষকরা
চতুর্থ
শিল্প
বিপ্লবের
গ্র্যাজুয়েট
তৈরি
করার
জন্য
স্কিল
বিষয়ে
নিজেরা
প্রশিক্ষিত
হবেন।
শিক্ষার্থীদের
প্রচলিত
প্রশ্নোত্তর
থেকে
বের
করে
এনে
তাদের
কেস
স্টাডি,
অ্যাসাইনমেন্ট,
প্রজেক্ট
ইত্যাদির
মাধ্যমে
শিক্ষকদের
মূল
বিষয়ের
সঙ্গে
যুক্ত
করতে
হবে।
শিক্ষার্থীদের
প্রকাশযোগ্যতা,
দলীয়
কাজে
দক্ষতা
তৈরির
জন্য
ওইসব
কেস
স্টাডি,
অ্যাসাইনমেন্ট
কিংবা
প্রজেক্টের
উপস্থাপনাকে
করতে
হবে
বাধ্যতামূলক
এবং
সেটি
শুধু
নিজ
নিজ
শ্রেণীকক্ষে
সীমাবদ্ধ
রাখলে
হবে
না,
ছড়িয়ে
দিতে
হবে
নানা
অঙ্গনে।
উচ্চশিক্ষার
সর্বস্তরে
শিল্পের
সঙ্গে
শিক্ষার্থীর
সংযোগ
বাড়াতে
হবে।
প্রয়োজনে
শিক্ষানবিশী
কার্যক্রম
বাধ্যতামূলক
করতে
হবে,
যাতে
শিক্ষার্থীরা
তাদের
ডিগ্রি
অর্জনের
পাশাপাশি
বাস্তব
জীবনের
কার্যক্রম
সম্পর্ক
হাতে-কলমে
শিখতে
পারেন।
চতুর্থ
শিল্প
বিপ্লব
মোকাবেলা
করে
এটিকে
আশঙ্কার
পরিবর্তে
সম্ভাবনায়
পরিণত
করতে
হলে
আমাদের
বর্তমান
শিক্ষা
ব্যবস্থার
পরিবর্তন
আনা
প্রয়োজন।
দেশে
প্রচলিত
সব
শিক্ষা
ব্যবস্থাকে
একীভূত
করে
বিশেষ
করে উচ্চমাধ্যমিক
স্তর
পর্যন্ত
এক
ধারায়
নিয়ে
আসতে
হবে
এবং
সেই
ধারায়
বিজ্ঞানভিত্তিক
শিক্ষাকে
প্রাধান্য
দিতে
হবে।
শিক্ষকমণ্ডলীর
দক্ষতা
বৃদ্ধির
লক্ষ্যে
ট্রেনিংয়ের
ব্যবস্থা
করতে
হবে।
চৌকস
প্রতিভাবান
লোকজনকে
শিক্ষকতায়
আগ্রহী
করার
জন্য
নানা
সুযোগ-সুবিধার
ব্যবস্থা
করতে
হবে।
উচ্চ
শিক্ষাস্তরে
গবেষণাভিত্তিক
শিক্ষা
ব্যবস্থা
গড়ে
তুলতে
হবে
এবং
যারা
বুদ্ধিবৃত্তির
চর্চা
ও
গবেষণায়
নিয়োজিত,
তাদের
মূল্যায়ন
করতে
হবে।
এখন
দেখা
যায়
ভালো
পদ-পদবি
পাওয়ার
জন্য
রাজনৈতিক
লেজুড়বৃত্তিই
প্রধান
মাপকাঠি
হয়ে
উঠেছে,
ফলে
গবেষণা
ও
বুদ্ধিবৃত্তিক
চর্চার
চেয়ে
শিক্ষকরা
রাজনৈতিক
লেজুড়বৃত্তিতে
বেশি
আগ্রহী।
ফলে
শিক্ষার
মূল
উদ্দেশ্য
থেকে
তারা
বিচ্যুত
হয়ে
পড়েছেন।
এ
অবস্থা
খুবই
উদ্বেগজনক।
গবেষণা
ক্ষেত্রে
বাজেট
বাড়াতে
হবে।
শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে
গবেষণায়
অর্থায়নে
এগিয়ে
আসতে
হবে।
প্রচুর
বাংলাদেশী
গবেষক
বিদেশে
বেশ
ভালো
ভালো
গবেষণায়
নিয়োজিত।
প্রয়োজনরোধে
তাদের
সুযোগ-সুবিধা
দিয়ে
এ
দেশে
এসে
কাজ
করার
ব্যাপারে
উদ্বুদ্ধ
করতে
হবে।
শিল্পপ্রতিষ্ঠান
ও
একাডেমিয়া
একত্রে
কোলাবরেশনের
মাধ্যমে
হাতে-কলমে
শিক্ষা
ও
গবেষণার
ক্ষেত্রে
এগিয়ে
আসতে
হবে।
আমাদের
উচিত
হবে
সব
বিভাগ/সেক্টর
তাদের
নিজস্ব
কাজকে
আরো
বেগবান
করার
লক্ষ্যে
চতুর্থ
শিল্প
বিপ্লবের
প্রযুক্তি/ভাবনা
সামনে
রেখে
কর্মপরিকল্পনা
তৈরি
করা।
অতঃপর
সব
সেক্টরের
কর্মপরিকল্পনাকে
সুসমন্বিত
করে
একটি
জাতীয়
কর্মপরিকল্পনা
তৈরি
করে
সবাই
মিলে
কাজ
করতে
হবে।
মো. রফিকুজ্জামান: সাবেক অতিরিক্ত সচিব