কোনো
দেশের
অর্থনৈতিক
উন্নয়নের
জন্য
সে
দেশের
সরকার
ও
জনগণকে
কঠিন
পথ
পাড়ি
দিতে
হয়।
প্রতীক্ষিত
উন্নয়ন
লক্ষ্যমাত্রা
অর্জনের
জন্য
রাষ্ট্র
কাঠামোর
বিভিন্ন
সংগঠন
ও
প্রতিষ্ঠানকে
অনেক
সময়
ব্যয়
করতে
হয়,
ধৈর্য
ধরে
দেখতে
হয়
গৃহীত
পরিকল্পনাগুলো
ফলপ্রসূ
হচ্ছে
কিনা।
অভীষ্ট
উন্নয়ন
সাধনে
নানামুখী
কার্যকারিতা
দেখাতে
হয়।
এক্ষেত্রে
শুধু
ভৌত
অবকাঠামোর
উন্নয়ন
করলেই
হয়
না,
সেই
অবকাঠামো
রক্ষণাবেক্ষণের
জন্য
প্রয়োজনীয়
পদ্ধতি
প্রণয়ন,
পদ্ধতির
সঠিক
পরিচালনার
নিমিত্তে
সুদক্ষ
লোকবল
তৈরি
ইত্যাদির
পাশাপাশি
মানুষের
অভ্যন্তরীণ
ক্রিয়াকলাপ,
ধ্যান-ধারণা,
পঠন-পাঠন,
শিক্ষাদীক্ষাসহ
মানবিক
গুণাবলির
উন্নয়ন
নিশ্চিত
করাও
বোঝায়।
প্রাথমিক
উন্নয়ন
যাত্রার
পাশাপাশি
সুমাত্রিক,
গড়
মান
উন্নয়ন,
সে
যে
মাত্রায়ই
অর্জিত
হোক,
তা
ধরে
রাখার
জন্যও
রাষ্ট্রকে
যথেষ্ট
বেগ
পেতে
হয়,
আবেগ
দিয়ে
ধরে
রাখতে
হয়।
বেগ
বা
আবেগের
প্রশ্ন
এজন্যই
প্রযোজ্য
যে
কোনো
কালে
প্রতিষ্ঠিত
উন্নয়নের
কথিত
নিদর্শন
পরবর্তী
সময়ে
ও
পরবর্তী
প্রজন্মের
কাছে
ভারবহ
মনে
হতে
পারে।
পূর্ববর্তী
প্রজন্ম,
যাদের
বিশ্বাসে
গ্রোথিত
উন্নয়ন
তিলক,
পরবর্তী
প্রজন্মের
কাছে
উপজীব্য
করতে
নানামুখী
মিথস্ক্রিয়ার
আশ্রয়
নেয়,
নিতে
বাধ্য
হয়।
বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের
নানা
দিকে
ছড়িয়ে
থাকা
পূর্ববর্তী
উন্নয়ন
উদাহরণগুলো
পরবর্তী
প্রজন্ম
হয়
তাই
ধ্বংস
করে
অথবা
বিমুখ
হয়।
অদ্যকার নিবন্ধে
উন্নয়ন
কী
বা
কাকে
বলে,
কীভাবে
অর্জন
করা
সম্ভব,
বিশ্বের
উন্নত
দেশগুলোর
উন্নয়নের
মডেল
কোনোটিই
আলোচনার
ইচ্ছা
নেই।
বরং
কোনো
দেশ
যা-ইবা
উন্নয়ন
অর্জন
করেছে,
তা
ধরে
রাখার
সফলতা
অথবা
তা
থেকে
বিচ্যুত
হওয়ার
কারণগুলো
নিয়ে
আলোচনা
করা
যেতে
পারে।
উন্নয়ন
পরিমাপক
বিতর্কমুখো
না
হয়েই
বলা
যায়,
বেশকিছু
সূচক
পাড়ি
দিলেই
উন্নয়নের
তকমা
নির্দাবি
হয়ে
ওঠে।
যথা
প্রকৃত
জাতীয়
আয়
বৃদ্ধি,
মাথাপিছু
প্রকৃত
আয়
এবং
পরিশেষে
আর্থিক
উন্নতি।
যদিও
উদ্ধৃত
সূচকগুলো
উন্নয়নের
গড়
ধারণা
নির্দেশক,
তবুও
গড়
মানে
জগৎ
স্বীকৃত।
সূচকগুলো
আবার
একে
অন্যের
সঙ্গে
অঙ্গাঙ্গিভাবে
জড়িত।
যেমন
প্রকৃত
জাতীয়
আয়
বৃদ্ধি
নিশ্চিত
করা
গেলে
তদমারফত
ব্যক্তিবিশেষের
মাথাপিছু
আয়
বাড়ে।
আর
মাথাপিছু
আয়
বৃদ্ধি
পেলে
অর্থনীতির
উপজীব্য
যে
কিনা
ব্যক্তি,
সংগঠন
বা
প্রতিষ্ঠান
যা-ই
হোক,
তার
বা
তাদের
আর্থিক
বিকাশ
লাভ
সম্ভব।
প্রশ্ন হলো,
ব্যক্তি
বা
সংগঠনের
আর্থিক
উন্নতি
হলে
সে
কী
করে?
তার
বা
তাদের
আচরণগত
পরিবর্তন
কি
পরিলক্ষিত
হয়?
সূচিত
আচরণগত
পরিবর্তন
কি
তার
বা
তাদের
জীবন
মানে
কোনো
কাঙ্ক্ষিত
সেবা
অথবা
ভোগ্যপণ্য
নিশ্চিত
করে?
সাধারণভাবে
দেখতে
গেলে
পরিবর্তন
বাঞ্ছনীয়।
ব্যক্তির
আয়
বাড়লে
ভোগ
বাড়ে,
অসুস্থ
হলে
ডাক্তার-নার্স
দেখায়,
হাসপাতালে
যায়,
পরিবার-পরিজন
নিয়ে
বেড়াতে
যায়।
আয়
আরো
বাড়লে
ভোক্তার
পছন্দের
পরিসর
বাড়ে,
সে
মোটা
চালের
পরিবর্তে
চিকন
চালের
ভাত
চায়,
নিম্ন
সেবার
ডাক্তার-নার্স
না
দেখিয়ে
উচ্চ
সেবার,
বেশি
খরুচে
ডাক্তার-নার্স
দেখায়।
আয়
বৃদ্ধি
পেলে
দেশের
গণ্ডি
পেরিয়ে
ভিন
দেশেও
বেড়াতে
যায়।
আবার
প্রকৃত
আয়
বৃদ্ধির
ফলে
জনসাধারণ
উন্নত
স্বাস্থ্যের
পাশাপাশি
উন্নত
শিক্ষা
গ্রহণে
ব্রতী
হয়,
প্রভূত
চিত্তবিনোদনের
ব্যবস্থায়
মানুষের
সুখী
হওয়ার
প্রবণতা
ও
সম্ভাবনা
উভয়ই
বাড়ে।
দেশে
দেশে
মানুষের
গড়
আয়ুও
বৃদ্ধি
পায়।
এ সবই
ঠিক
আছে
কিন্তু
ভোক্তার
উন্নয়নে
বাদ
সাধে
অপূর্ণাঙ্গ
বাজার
ব্যবস্থা।
আক্ষরিক
অর্থেই
অপূর্ণাঙ্গ
বাজার
ব্যবস্থা
কোনো
দেশের
অর্থনীতির
ঘুণ
পোকা।
অর্জিত
উন্নয়ন
সেক্ষেত্রে
জনগণের
সত্যিকারের
কোনো
উপকারে
আসে
না।
কষ্টার্জিত
উন্নয়ন
তখন
ধসে
পড়ে
এবং
অনাকাঙ্ক্ষিত
পরিস্থিতির
উদ্ভব
হয়।
প্রথমেই আসা
যাক
অপূর্ণাঙ্গ
বাজার
কী?
বলা
যায়,
যা
পূর্ণাঙ্গ
প্রতিযোগিতামূলক
বাজার
নয়,
তাই
অপূর্ণাঙ্গ
বাজার।
অপূর্ণাঙ্গ
বাজার
প্রতিযোগিতামূলক
বাজার
ব্যবস্থার
শর্তাবলি
পরিপালনে
ব্যর্থ।
অপূর্ণাঙ্গ
বাজারে
উৎপাদনকারী
ও
সরবরাহকারী
তাদের
উৎপাদন
ও
সরবরাহের
শেয়ার
ধরে
রাখতে
যদিও
প্রতিযোগিতা
করে
কিন্তু
এরূপ
বাজারে
প্রবেশ
বা
প্রস্থানে
বাধা
থাকে
এবং
তাত্ত্বিকভাবে
কমসংখ্যক
ক্রেতার
উপস্থিতি
লক্ষণীয়।
খুব
অল্প
কিছু
আঙ্গিকেই
অপূর্ণাঙ্গ
একচেটিয়া
বাজার
থাকতে
পারে।
যেমন
ন্যাচারাল
মনোপলি।
সেক্ষেত্রে
প্রতিযোগিতার
মাধ্যমে
উৎপাদন
খরচ
মেটানো
সম্ভব
হয়
না।
উদাহরণস্বরূপ
তেল
বা
গ্যাসের
লাইন
স্থাপন
বা
প্রতিস্থাপনের
প্রসঙ্গ
স্মর্তব্য।
অপূর্ণাঙ্গ
বাজার
কয়েক
শ্রেণীর
হতে
পারে।
যেমন
একচেটিয়া,
অলিগোপলি
বা
একচেটিয়ামূলক
ইত্যাদি।
লক্ষণীয়
এসব
বাজার
প্রায়োগিক
দিক
থেকে
নিয়ন্ত্রিত।
এরূপ
বাজার
ব্যবস্থায়
ভোক্তার
ভোগ
সিদ্ধান্ত
গ্রহণের
জন্য
প্রয়োজনীয়
তথ্য-উপাত্তের
ঘাটতি
দেখা
যায়।
অনেক
ক্ষেত্রে
ভোক্তারা
উৎপাদক
ও
সরবরাহকারীর
কাছে
জিম্মি
হয়ে
থাকে।
বর্তমান বিশ্বের
অনেক
দেশেরই
অনুন্নয়ন
ও
পশ্চাত্পদতার
মূলে
রয়েছে
এই
অপূর্ণাঙ্গ
বাজার
ব্যবস্থা।
উৎপাদন
থেকে
শুরু
করে
পরিবহন,
ব্যাংকিং,
বীমা,
গুদামজাত,
পাইকারি
ও
খুচরা
পর্যায়ে
অতি
দুর্বলতার
কারণে
উপাদান
সঞ্চারহীন।
উপাদান
সঞ্চারহীনতার
জন্য
অতি
গুরুত্বপূর্ণ
মূল্য
ব্যবস্থায়
অনমনীয়তার
জন্ম
নেয়।
এরূপ
বাজার
সম্পর্কে
ভোক্তা
পর্যায়ে
প্রভূত
জ্ঞানের
অভাব
দেখা
দেয়,
মূল্য
নিয়ন্ত্রণের
বাইরে
চলে
যায়।
ভবিষ্যৎ
মূল্য
সম্পর্কে
প্রক্ষেপণ
যথেষ্ট
কঠিন
হয়ে
পড়ে।
এরূপ
ঋণাত্মক
শক্তিবলয়ের
মিশ্র
প্রতিক্রিয়ায়
সুনিশ্চিত
বণ্টন
সম্ভব
হয়
না।
ভোগ্য
স্তরে
বিভ্রান্তির
ফলে
উৎপাদন
নিম্ন
পর্যায়েই
থেকে
যায়।
পরিণতিস্বরূপ
অর্থনীতির
আকার
ব্যাপকতা
হারায়,
এমনকি
ব্যাপকতা
অর্জনও
করতে
পারে
না।
সম্পদ
ব্যবহারে
আদর্শ
রূপ
পরিগ্রহ
করে
না
এবং
বিষম
বিতরণ
ব্যবস্থায়
অর্থনীতির
উপজীব্য
সবাই
পরিতুষ্ট
থাকে
না।
সর্বোপরি
উন্নয়ন
মুখ
থুবরে
পড়ে
এবং
প্রজন্মের
উন্নয়ন
প্রচেষ্টা
ব্যর্থতায়
পর্যবসিত
হয়।
উল্লিখিত তাত্ত্বিক
বিশ্লেষণ
এমনকি
প্রায়োগিকভাবেও
উপস্থাপন
করা
যায়।
ধরা
যাক
সু-উন্নত
পরিকল্পনা,
যথোপযুক্ত
সময়
আর
সুদক্ষ
সৎ
নেতৃত্বে
কোনো
দেশে
মাঝারি
মানের
উন্নতির
ছোঁয়া
দেখা
গেল।
সামষ্টিক
অর্থনীতিতে
আয়বৈষম্য
থাকলে
জনগণের
গড়
মাথাপিছু
আয়
বেড়ে
গেল।
কৃষিতে
বিপ্লব
আর
নতুন
নতুন
শিল্প
ও
কলকারখানা
প্রতিষ্ঠার
দরুন
কর্মসংস্থান
তৈরি
হলো।
সেবা
খাতে
ব্যাংক,
বীমা,
আধুনিক
হাসপাতাল,
হোটেল,
মোটেল,
রেস্টুরেন্ট
গড়ে
উঠল।
আধুনিক
হাইওয়ে
তৈরি
হলো।
নৌ,
স্থল
ও
বিমানবন্দর
আধুনিকায়ন
হলো।
সাধিত
হলো
প্রাতিষ্ঠানিক
সংস্কার
ইত্যাদি।
এত
কিছু
করার
পরও
তথাকথিত
সেই
আধেক
উন্নত
দেশের
বাজার
ব্যবস্থার
সংস্কার
যদি
অধরাই
থেকে
যায়,
তবে
এতসব
ভৌতিক
কাঠামো
বিনির্মাণ
ও
বিন্যাস
জনতুষ্টি,
গণভোগে
কোনো
উপকারে
আসবে
না।
এখানে বাজার
বিন্যাস
বলতে
ভোক্তা
পর্যায়ে
সেবা
ও
পণ্য
ভোগে
অনিশ্চয়তা
দূর
করা
বোঝায়।
উৎপাদক
বা
সরবরাহকারী
কোনোভাবে
যদি
নিশ্চিত
হয়
যে
পণ্যমূল্যের
ব্যাপক
পরিবর্তনেও
চাহিদার
তেমন
হেরফের
হবে
না,
তখন
তারা
পণ্যমূল্য
বাড়িয়ে
মোট
আয়
বৃদ্ধির
চেষ্টা
করবে
এবং
মুনাফা
লুটবে।
মুনাফা
লুটেরা
শ্রেণী
তাদের
উৎপাদিত
বা
সরবরাহকৃত
পণ্য
ও
সেবামূল্যের
স্থিতিস্থাপকতা
সম্পর্কে
আগেই
অবহিত
থাকার
দরুন
এক্ষেত্রে
প্রভূত
সুবিধা
পায়।
এসব
পণ্য
আবার
নিত্যপ্রয়োজনীয়
থেকে
শুরু
করে,
মৌসুমি
এমনকি
অতিমারীকালীনও
হতে
পারে।
বাজারে দৃষ্টি
দিলে
তাই
আমরা
প্রায়ই
দেখতে
বা
শুনতে
পাই,
চাল-ডাল,
পেঁয়াজ-রসুন
থেকে
শুরু
করে
কাঁচাবাজার,
মাছ-মাংস
ইত্যাদি
নিত্যপ্রয়োজনীয়
পণ্যের
বাজার
অস্থিতিশীল।
উৎপাদক
থেকে
খুচরা
বিপণন
পর্যায়ে
পণ্যমূল্যের
আকাশ-পাতাল
পার্থক্য
দেশের
বাজার
ব্যবস্থার
অতি
দুর্বলতা
নির্দেশক।
সেবা
খাতেও
দেখা
যায়
কাছাকাছি
মানের
পণ্য
সরবরাহ
করলেও
হোটেল
রেস্টুরেন্টগুলোয়
দামের
পর্বতসমান
পার্থক্য।
পরিবহন
সেবা
খাতও
দ্রষ্টব্য।
বিভিন্ন
লক্ষ্য
বা
উপলক্ষে
অযথা
ভাড়া
বৃদ্ধি
যাত্রীসাধারণের
কাছে
নাভিশ্বাসের
কারণ।
স্কুল-কলেজ,
বিশ্ববিদ্যালয়ে
ফি
বা
শিক্ষা
খরচেও
আকাশ-পাতাল
তারতম্য।
একই
বা
কাছাকাছি
মানের
কোনো
ডিগ্রি
নিতে
এ
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে
যা
খরচ
হয়,
তা
অন্য
প্রতিষ্ঠানের
দশগুণ।
কোনো
ডায়াগনস্টিক
সেন্টারে
এ
রক্ত
পরীক্ষার
খরচ
যা,
অন্য
প্রতিষ্ঠানে
তার
বিশগুণ
বেশি।
এ
রকম
মূল্যমানের
তারতম্য
বিরাজমান
থাকার
অর্থ
আমরা
স্বীকার
করে
নিচ্ছি
যে
শিক্ষাগত
ডিগ্রি
একই
হলেও
অন্তর্মূল্য
ভিন্ন,
এ
হাসপাতালের
এক্স-রে
রিপোর্ট
ঠিক
হলে
অন্যটা
ভুল
বা
নিম্নমানের
কিন্তু
তা
কোনো
কার্যকরণেই
গ্রহণযোগ্য
হতে
পারে
না।
এসব ক্ষেত্রে
উৎপাদক
স্বেচ্ছাচারী
মূল্যমান
ধার্য
এবং
আদায়
করছে,
কারণ
পণ্য
বা
সেবার
ধরন
হলো
অস্থিতিস্থাপক।
মূল্য
যতই
বাড়ুক,
রোজার
সময়
চাল,
ডাল,
তেল,
লবণ,
ছোলা,
পেঁয়াজের
চাহিদা
কমবে
না,
কোরবানি
ঈদে
মসলার
চাহিদা
বাড়বেই।
ডাক্তার,
নার্স,
হাসপাতালের
বিল
যতই
বাড়ুক,
মানুষের
রোগমুক্তির
নিমিত্তে
অন্য
কোনো
বিকল্প
নেই।
বাস
ও
অন্যান্য
রাইড
ভাড়া
যতই
বাড়ুক,
নাছোড়বান্দা
ঘরমুখো
মানুষ
ঈদ,
পূজা,
পার্বণ,
লকডাউনে
বাড়ি
ফিরবেই,
দ্বিগুণ-পাঁচ
গুণ
ভাড়া
নস্যি
মেনে
গ্যাঁট
খুলে
বের
করবেই।
জোগান
পাশে
অবস্থানকারীরা
বলবে
চাহিদা
বাড়ায়
দাম
বাড়ে।
কিন্তু
তাদের
যুক্তি
নিছক
এবং
ভুলে
ভরা।
অর্থশাস্ত্র
বলে,
দাম
হলো
স্বাধীন
চলক
বরং
চাহিদা
নির্ভরশীল
চলক।
অর্থাৎ
দাম
বৃদ্ধির
সাপেক্ষে
ভোক্তার
ভোগ
স্বাধীনতা
আছে
কিনা।
যদি
না
থাকে
তাহলে
তা
অবশ্যই
অপূর্ণাঙ্গ
বাজার
বৈ
কিছুই
নয়।
সে যাই
হোক,
কথা
হচ্ছে
অপূর্ণাঙ্গ
বাজার
কীভাবে
খেয়ে
উন্নয়নকে
গ্রাস
করে
ফেলছে?
বোধগম্য
যে
অপূর্ণাঙ্গ
বাজার
ব্যবস্থা
জনসাধারণকে
পশ্চাত্মুখিতায়
ঠেলে
দেয়।
পশ্চাত্মুখী
জনগণ
উন্নত
ভোগ
ধারণায়
বিশ্বাসী
হয়
না,
হতে
পারেও
না।
কারণ
স্বল্পমেয়াদে
তাদের
আয়
বৃদ্ধি
পেলেও
তাদের
বর্ধিত
আয়
অনিশ্চিত
বাজার
ব্যবস্থা
খেয়ে
গিলে
ফেলে।
সমাজের
একটি
পক্ষ
যারা
মুনাফা
লুটেরা,
উচ্চ
লাভবান
গোষ্ঠী
দীর্ঘমেয়াদে
রাষ্ট্রীয়
কর
ইত্যাদি
সামাজিক
খরচের
(ডেড ওয়েট
লস)
ভয়ে
সম্পদ
কুক্ষিগত
করে,
সম্পদ
লুকিয়ে,
কর
ফাঁকি
দিয়ে
অনেকে
বিদেশেও
অর্থ
পাচার
করে।
সুতরাং অপূর্ণাঙ্গ
বাজার
জনসাধারণের
স্থিতিশীল
ভোগ
ধারণায়
অনিশ্চয়তা
সৃষ্টি
করে।
ভোগ্যমূল্য
অনিশ্চয়তায়
তারা
সঞ্চয়ে
মনোযোগী
থাকলেও
সঞ্চয়ে
বাধাপ্রাপ্ত
হয়,
বিনিয়োগে
স্থবিরতার
দরুন
মূলধন
সৃষ্টি
হয়
না।
এরূপ
ক্ষেত্রে
কোনো
প্রজন্মের
কষ্টার্জিত
উন্নয়ন
পরবর্তী
সময়ে
সঠিক
পরিচর্যা
ও
ব্যবহারের
অভাবে
তথাকথিত
উন্নয়ন
টেকসই
হয়
না।
আর
তাই
অবকাঠামোগত
উন্নয়নের
পাশাপাশি
বাজার
ব্যবস্থায়
প্রতিযোগিতা
সৃষ্টি
এবং
তার
ধারাবাহিকতার
নিমিত্তে
মনোনিবেশ
জরুরি।
ড. শহীদুল জাহীদ:
ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের
ব্যাংকিং
অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের শিক্ষক