প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষায় রেকর্ড বরাদ্দের কথা বলা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রতিটি নির্বাচনী আসনে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পরিকল্পনার কথা জানাচ্ছে সরকার। শিক্ষায় বরাদ্দকৃত বাজেট কি শেষ পর্যন্ত অবকাঠামো নির্মাণেই রূপ নেবে?
শুধু নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অবকাঠামো নির্মাণকে শিক্ষা উন্নয়ন বলা যাবে না। বাংলাদেশে বর্তমানে ৫৮টি সরকারি ও প্রায় ১১৫-১২০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। লাখ লাখ শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষায় অধ্যয়নরত। কিন্তু বর্তমানে উচ্চশিক্ষিত বেকারের হারও ঊর্ধ্বমুখী; প্রায় ১৩ শতাংশের বেশি। এটি স্পষ্ট করে যে উচ্চশিক্ষার সম্প্রসারণের সঙ্গে শ্রমবাজারের চাহিদার যথাযথ সমন্বয় হয়নি। একই সঙ্গে দ্রুত অনেক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় যোগ্য শিক্ষক ও গবেষণা সক্ষমতারও ঘাটতি রয়েছে।
এ অবস্থায় নতুন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পরিবর্তে বিদ্যমান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গুণগত মানোন্নয়নই সরকারের অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। শিক্ষক উন্নয়ন, গবেষণা, আধুনিক শিক্ষণ পদ্ধতি এবং চতুর্থ শিল্প বিপ্লব উপযোগী দক্ষতা উন্নয়নে বিনিয়োগ বেশি প্রয়োজন। পাশাপাশি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার ভিত্তিও শক্তিশালী করতে হবে।
অন্যদিকে দেশের শিল্প, ব্যবসা, কৃষি ও সেবা খাত এখনো মূলত স্বল্পমজুরি ও শ্রমঘন অর্থনীতির ওপর নির্ভরশীল। উচ্চ দক্ষতাভিত্তিক শিল্প ও কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ ছাড়া শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়ালে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যাও বাড়তে পারে। তাই বাজেটের মূল গুরুত্ব হওয়া উচিত অবকাঠামো নয়, বরং শিক্ষার গুণগত উন্নয়ন, গবেষণা এবং অর্থনীতির চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মানবসম্পদ গড়ে তোলায়।
উচ্চশিক্ষার প্রধান সমস্যাগুলো কী কী? উচ্চশিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে নির্বাচিত নতুন সরকারের অগ্রাধিকার কী হওয়া উচিত?
উচ্চশিক্ষার সংকটকে এককভাবে ব্যাখ্যা করা যায় না। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রেক্ষাপটে শ্রমবাজার দ্রুত রূপান্তর হচ্ছে, কিন্তু আমাদের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা এখনো অনেকাংশে পুরনো কাঠামোর মধ্যেই রয়ে গেছে।
মূল সমস্যা চারটি ক্ষেত্রে স্পষ্ট—পুরনো ও অপ্রাসঙ্গিক পাঠ্যক্রম, মুখস্থনির্ভর মূল্যায়ন ব্যবস্থা, প্রচলিত শিক্ষণ পদ্ধতি এবং দুর্বল গবেষণা ও শিল্প-একাডেমিয়া সংযোগ। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে শিক্ষক স্বল্পতা, অতিরিক্ত পরীক্ষানির্ভরতা এবং অনেক ক্ষেত্রে ছাত্র ও শিক্ষক রাজনীতির নেতিবাচক প্রভাব।
নতুন সরকারের অগ্রাধিকার হওয়া উচিত উচ্চশিক্ষার গুণগত রূপান্তর। এজন্য প্রয়োজন শিক্ষক উন্নয়ন, গবেষণায় বিনিয়োগ, শিল্পের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ পাঠ্যক্রম, বিশ্ববিদ্যালয়ে সুশাসন এবং দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত ধারাবাহিকতা, যাতে শিক্ষার্থীরা চতুর্থ শিল্প বিপ্লব উপযোগী দক্ষতা অর্জন করে কর্মসংস্থানে কার্যকরভাবে অবদান রাখতে পারে।
সরকার কারিগরি শিক্ষায় জোর দেয়ার কথা বলছে। বিদ্যমান কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়তে অনীহা দেখাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। সেখানে নেই প্রয়োজনীয়সংখ্যক শিক্ষক, পর্যাপ্ত ল্যাব সুবিধা এবং তার কারিকুলাম সেকেলে। কারিগরি শিক্ষাকে সম্পূর্ণ ঢেলে সাজাতে নতুন সরকারকে কী ধরনের পদক্ষেপ নিতে হবে?
কারিগরি শিক্ষার সমস্যা শুধু অবকাঠামোর নয়; এটি প্রাসঙ্গিকতা, গুণগত মান এবং সামাজিক গ্রহণযোগ্যতার সংকট। শিল্প খাতের চাহিদার সঙ্গে দক্ষতার অসামঞ্জস্য এবং কর্মসংস্থানের পর্যাপ্ত সুযোগ ও স্পষ্ট ক্যারিয়ার পথের অভাবে অনেক শিক্ষার্থী এ ধারায় আগ্রহী হচ্ছে না।
সমাধানের জন্য প্রয়োজন একটি সমন্বিত জাতীয় সংস্কার। কারিকুলামকে শিল্পের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে, শিক্ষকদের নিয়মিত শিল্প সংযুক্ত প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে এবং ল্যাব ও ওয়ার্কশপ আধুনিকায়ন করতে হবে। পাশাপাশি শিল্প শিক্ষা অংশীদারত্ব জোরদার করে ইন্টার্নশিপ ও অ্যাপ্রেন্টিসশিপ সম্প্রসারণ এবং উদ্যোক্তা উন্নয়নে ঋণ ও ইনকিউবেশন সুবিধা বাড়াতে হবে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, শিল্পায়ন ছাড়া কারিগরি শিক্ষার পূর্ণ সফলতা সম্ভব নয়। সরকারকে এমন শিল্পনীতি গ্রহণ করতে হবে, যা উচ্চ মূল্যসংযোজনকারী ও প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পের সম্প্রসারণ ঘটায়। কারিগরি শিক্ষা, শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থানকে আলাদা নয়, একটি সমন্বিত জাতীয় উন্নয়ন কৌশলের অংশ হিসেবে দেখতে হবে।
স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান প্রশ্নবিদ্ধ। পাঠ্যক্রম থেকে শুরু করে গবেষণা সবকিছু নিয়ে বিতর্ক, অভিযোগ রয়েছে। এআইয়ের ব্যবহার কি এক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন আনতে পারবে?
শিক্ষার মান নিয়ে যে প্রশ্ন উঠছে, তা অমূলক নয়। গত দুই দশকে উচ্চশিক্ষার ব্যাপক সম্প্রসারণ হলেও সেই অনুপাতে শিক্ষক উন্নয়ন, গবেষণা, ল্যাবরেটরি, অর্থায়ন, সুশাসন এবং শিল্প-একাডেমিয়া সংযোগ গড়ে ওঠেনি।
একই সঙ্গে আমাদের পাঠ্যক্রম, শিক্ষণ পদ্ধতি ও মূল্যায়ন ব্যবস্থা এখনো অনেকাংশে মুখস্থনির্ভর এবং দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লবের যুগের শিক্ষাদর্শনের প্রভাব বহন করছে। ফলে শিক্ষার্থীরা বাস্তব সমস্যা সমাধান, উদ্ভাবন, সমালোচনামূলক চিন্তা এবং দ্রুত পরিবর্তিত কর্মবাজারের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনে পিছিয়ে পড়ছে। অনিশ্চয়তা ও দ্রুত পরিবর্তনের এ যুগে এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা, যা মূলত নির্দিষ্ট ও পূর্বানুমানযোগ্য পেশার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করে, তা ক্রমেই সময়োপযোগিতা হারাচ্ছে।
গবেষণার ক্ষেত্রেও বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। গবেষণায় বিনিয়োগ সীমিত, শিল্প-একাডেমিয়া যৌথ গবেষণা দুর্বল এবং গবেষণার ফলাফলকে উদ্ভাবন, প্রযুক্তি উন্নয়ন কিংবা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে যুক্ত করার কার্যকর ব্যবস্থা এখনো গড়ে ওঠেনি।
প্রযুক্তি, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), শিক্ষার নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে। তবে শুধু শ্রেণী কক্ষে এআই যুক্ত করলেই শিক্ষার মান বাড়বে না। গবেষণা, তথ্য বিশ্লেষণ, প্রোগ্রামিং এবং ব্যক্তিকেন্দ্রিক শিক্ষণকে সমৃদ্ধ করতে এআই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে, কিন্তু প্রয়োজন সঠিক নীতি, দক্ষ শিক্ষক এবং দায়িত্বশীল ব্যবহার।
তাই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত শুধু ‘AI in Education’ নয়, বরং ‘Education for the AI Era’—অর্থাৎ এমন শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে শিক্ষার্থীরা এআইকে শুধু ব্যবহারই করবে না, বরং এর সক্ষমতা ও সীমাবদ্ধতা বুঝবে, সমালোচনামূলকভাবে মূল্যায়ন করবে এবং নতুন জ্ঞান, উদ্ভাবন ও মূল্য সংযোজনে কাজে লাগাতে শিখবে। শিক্ষা, গবেষণা, শিল্প ও প্রযুক্তিকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নিতে পারলেই শিক্ষার গুণগত মানে টেকসই পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে।
কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে এআইয়ের প্রভাব নিয়ে অনেক উদ্বেগ রয়েছে। বাংলাদেশের কোন খাতগুলো সবচেয়ে বেশি পরিবর্তনের মুখোমুখি হতে পারে?
এআই সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলবে পুনরাবৃত্তিমূলক, নিয়মভিত্তিক ও তথ্যনির্ভর কাজের ওপর। ফলে ব্যাংকিং, বীমা, কল সেন্টার, হিসাবরক্ষণ, ডেটা এন্ট্রি এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসতে পারে। একই সঙ্গে তৈরি পোশাক, লজিস্টিকস ও খুচরা ব্যবসায় অটোমেশন আরো বাড়বে।
তবে এআই শুধু কিছু কাজের ধরন পরিবর্তন করবে না, নতুন ধরনের কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি করবে। স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি, উৎপাদনশীল শিল্প, সফটওয়্যার, ডেটা অ্যানালিটিকস এবং সৃজনশীল খাতে দক্ষ জনশক্তির চাহিদা বাড়বে।
তাই সবচেয়ে বড় ঝুঁকি এআই নয়, বরং দক্ষতার ঘাটতি। যারা নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারবে না, তারাই বেশি ঝুঁকিতে থাকবে। এজন্য এখন থেকেই শিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং reskilling ও upskilling—এ বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন। সঠিক প্রস্তুতি নিতে পারলে এআই কর্মসংস্থান কমানোর পরিবর্তে উৎপাদনশীলতা ও উচ্চমূল্যের নতুন কর্মসংস্থান তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
আজকের শিক্ষার্থীরা যদি আগামী দশকের চাকরির বাজারের জন্য প্রস্তুতি নিতে চায়, তাহলে কোন দক্ষতাগুলোকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া উচিত?
ভবিষ্যৎ কর্মবাজারে সাফল্যের জন্য চারটি দক্ষতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—সমালোচনামূলক চিন্তাশক্তি, সৃজনশীলতা, যোগাযোগ দক্ষতা ও সহযোগিতামূলকভাবে কাজ করার সক্ষমতা। এর পাশাপাশি ডিজিটাল সক্ষমতা, অভিযোজন ক্ষমতা এবং আজীবন শেখার মানসিকতাও অপরিহার্য। কারণ প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির ফলে কাজের ধরন, প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও পেশার প্রকৃতি ক্রমাগত পরিবর্তিত হবে।
তাই শুধু বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান অর্জন যথেষ্ট নয়; শিক্ষার্থীদের এসব দক্ষতা গড়ে তুলতে শিক্ষণ পদ্ধতি ও মূল্যায়ন ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে হবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক গবেষণা, সফল অভিজ্ঞতা ও প্রমাণভিত্তিক শিক্ষা পদ্ধতি থেকে শিক্ষা নিয়ে বাংলাদেশের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ সংস্কার করতে হবে।
আমাদের পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা আশানুরূপ নয় বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদরা। টিচিং ইউনিভার্সিটি থেকে রিসার্চ ইউনিভার্সিটিতে রূপান্তরের পথে বাধা কোথায়?
প্রধান বাধা তিনটি—গবেষণা তহবিলের ঘাটতি, শিক্ষকদের অতিরিক্ত পাঠদানের চাপ এবং শিল্প-বিশ্ববিদ্যালয় সংযোগের দুর্বলতা।
সমাধানের জন্য কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরীক্ষামূলকভাবে গবেষণাকেন্দ্রিক হিসেবে গড়ে তোলা যেতে পারে। একই সঙ্গে যেসব শিক্ষক গবেষণায় সক্রিয়, তাদের পাঠদানের চাপ কমিয়ে গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় সময় ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা নিশ্চিত করা উচিত।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, গবেষণাকে ব্যয় হিসেবে নয়, বিনিয়োগ হিসেবে দেখতে হবে। যে দেশ গবেষণায় বিনিয়োগ করে, সেই দেশই ভবিষ্যতের প্রযুক্তি, শিল্প, অর্থনীতি ও মানবসম্পদ উন্নয়নে নেতৃত্ব দেয়। বাংলাদেশকেও গবেষণাকে জাতীয় উন্নয়ন কৌশলের কেন্দ্রবিন্দুতে স্থান দিতে হবে।
ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সংযোগ জোরদারে নির্বাচনী ইশতাহারে পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার। এ কাজ কি সঠিক পথে এগোচ্ছে? কার্যকর ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সংযোগ স্থাপনে করণীয় কী?
সরকার এ বিষয়ে ইতিবাচক উদ্যোগের কথা বলেছে। তবে এর কার্যকর বাস্তবায়ন ও কাঠামোগত অগ্রগতি এখনো বড় চ্যালেঞ্জ।
কার্যকর ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সংযোগ গড়ে তুলতে হলে পাঠ্যক্রম প্রণয়নে শিল্প খাতের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে, বাধ্যতামূলক ইন্টার্নশিপ ও কর্মভিত্তিক শিক্ষা চালু করতে হবে, যৌথ গবেষণা ও উদ্ভাবনে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়-শিল্প সহযোগিতার জন্য নীতিগত ও আর্থিক প্রণোদনা দিতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়কে শুধু ডিগ্রি প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান নয়, বরং গবেষণা, উদ্ভাবন, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শিল্প অর্থনীতির জ্ঞানভিত্তিক অংশীদার হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।