নতুন বাংলাদেশে স্বচ্ছ ও জবাবদিহির শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় ডাটা জার্নালিজম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে

২০১৪ সালে আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেছি। এরপর কয়েক বছর ঢাকা থেকে প্রকাশিত একটি ইংরেজি দৈনিক পত্রিকায় সাংবাদিক ও সহসম্পাদক হিসেবে কাজ করেছি।

মুহাম্মদ ইমরান, অ্যাডজাঙ্কট ফ্যাকাল্টি, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়। মিডিয়া রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভের (এমআরডিআই) সঙ্গে কাজ করছেন ডাটা জার্নালিস্ট প্রশিক্ষক হিসেবেও। ব্রিটিশ সরকারের শিভেনিং স্কলারশিপের অধীনে কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে Computational and Data Journalism বিষয়ে এমএসসি সম্পন্ন করেছেন। বণিক বার্তার সঙ্গে ডাটা জার্নালিজমের প্রকৃতি ও চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে এর সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেছেন।সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সাবরিনা স্বর্ণা

শুরুতেই ডাটা জার্নালিজম বিষয়ে আপনার আগ্রহের কারণ এবং এটা শেখার ক্ষেত্রে এ পর্যন্ত আপনার যাত্রা কেমন ছিল যদি বর্ণনা করতেন।

২০১৪ সালে আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেছি। এরপর কয়েক বছর ঢাকা থেকে প্রকাশিত একটি ইংরেজি দৈনিক পত্রিকায় সাংবাদিক ও সহসম্পাদক হিসেবে কাজ করেছি। সে সময় ‘পানামা পেপারস’ কেলেঙ্কারির ঘটনা সামনে আসে। এটা সাম্প্রতিক বছরগুলোয় অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার একটি অন্যতম দৃষ্টান্ত। ডাটা জার্নালিজমের কৌশল ব্যবহার করে যেভাবে বিষয়গুলো উপস্থাপন করা হয়েছিল তা আমাকে মুগ্ধ করেছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতেই ডাটা জার্নালিজম নিয়ে জানতে ও শিখতে আগ্রহী হয়ে উঠি।

তবে সেই সময় বাংলাদেশে ডাটা জার্নালিজম নিয়ে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণের সুযোগ ছিল না। কিন্তু আগ্রহ থাকায় আমি স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে শেখা শুরু করি। কিছু কোর্স সম্পন্ন করি ম্যাসিভ ওপেন অনলাইন কোর্সেস (এমওওসি) প্লাটফর্ম যেমন EdEx ও Coursera থেকে। এছাড়া যারা অনলাইনে ডাটা জার্নালিজমের প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন, তাদের কাছ থেকেও শেখার চেষ্টা করেছি। বিশেষ করে লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমসের বেন ওয়েলশের কথা বলব, যিনি ইউটিউবে ডাটা সাংবাদিকদের জন্য সহজবোধ্য পাইথন প্রোগ্রামিং নিয়ে ভিডিও সিরিজ প্রকাশ করতেন।

পরবর্তী সময়ে যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিসের (এফসিডিও) দেয়া শিভেনিং স্কলারশিপ পাই, যার মাধ্যমে ২০২৩ সালে কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ে Computational and Data Journalism-এ মাস্টার্স প্রোগ্রাম শুরু করি। এর ঠিক আগেই আমি যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট স্কুল অব জার্নালিজম থেকে একটি স্কলারশিপ নিয়ে ডাটা জার্নালিস্টদের ডাটা স্কিল শেখানোর লিড প্রোগ্রাম (Lede Program) সম্পন্ন করি।

প্রথাগত জার্নালিজম থেকে ডাটা জার্নালিজম কীভাবে ভিন্ন?

আমাদের জীবন দিন দিন আরো ডিজিটাইজড হচ্ছে। ব্যক্তিগত পর্যায় থেকে শুরু করে যেকোনো প্রতিষ্ঠানে প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণে তথ্য তৈরি হচ্ছে। এসব তথ্যে সুশাসন, দুর্নীতি, অপরাধ, বিচার, নির্বাচন ও রাজনৈতিক প্রভাব, জনস্বাস্থ্য, মহামারী, পরিবেশ ও জলবায়ু প্রভৃতি সংক্রান্ত নানা গল্প লুকিয়ে আছে। সেসব গল্প খুঁজে বের করতে এবং পাঠকের কাছে বর্ণনা করতে ভিন্ন ধরনের সাংবাদিকতা—ডাটাসেট বিশ্লেষণ, কম্পিউটেশনাল কৌশল (যেমন প্রোগ্রামিং) এবং গল্প বলার দক্ষতা থাকা প্রয়োজন। এটিই মূলত ডাটা জার্নালিজম।

তবে ডাটা জার্নালিজমের মূলেও রয়েছে প্রথাগত সাংবাদিকতাই। অর্থাৎ প্রচলিত সাংবাদিকতার যে নিয়ম, যেমন তথ্য যাচাই, প্রাসঙ্গিকতা বজায় রাখা, পাঠকের জন্য বিষয়বস্তু সহজ ও আকর্ষণীয় করে তোলা—এসব ডাটা জার্নালিজমের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

কিন্তু প্রথাগত ঘরানার সাংবাদিকরা দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন প্রতিবেদন, বিশেষত অর্থনৈতিক প্রতিবেদন তৈরিতে তথ্য ব্যবহার করে আসছেন। এক্ষেত্রে ডাটা জার্নালিজম প্রচলিত তথ্যানুসন্ধানী সাংবাদিকতা থেকে কীভাবে আলাদা?

এটা সত্য যে সাংবাদিকরা দীর্ঘদিন ধরে ডাটা ব্যবহার করে আসছেন—বিশেষত আর্থিক বা ক্রীড়া সাংবাদিকতায়। তবে প্রচলিত সাংবাদিকতায় তথ্য ব্যবহার করা হয় প্রতিবেদনে উল্লিখিত গল্পের ভিত মজবুত করতে। অন্যদিকে ডাটা জার্নালিজম শুরুই হয় তথ্য ঘিরে। বড় ডাটাসেট বিশ্লেষণ করে সাংবাদিকরা খুঁজে বের করেন এমন কোনো কাহিনী, প্রবণতা বা ঘটনা যেগুলো হরহামেশা সাদা চোখে দেখা যায় না।

এছাড়া ডাটা জার্নালিজমে আরো সফিস্টিকেটেড কিছু টুলস ব্যবহার করা হয়, যেমন কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এবং ইন্টার‌্যাক্টিভ ডাটা ভিজুয়ালাইজেশন। আর ডাটা বলতে কেবল সংখ্যা বোঝায় না; টেক্সট, ছবি, ভিডিও, স্যাটেলাইটের তথ্য, এমনকি পুরনো দলিল-দস্তাবেজ থেকেও ঘটনা অনুসন্ধান ও উপস্থাপন করা যেতে পারে।

আপনি বর্তমানে ডাটা জার্নালিজমের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গণমাধ্যমে। আবার ডাটা জার্নালিস্ট হিসেবে কাজও করছেন। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে মূলত জানতে চাই—দেশে ডাটা জার্নালিজমের চর্চায় কী কী চ্যালেঞ্জ দেখছেন?

ডাটা জার্নালিজমের চর্চায় বহুমুখী চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তবে চ্যালেঞ্জ কেবল বাংলাদেশে রয়েছে এমন নয়, অন্য অনেক উন্নয়নশীল দেশেও সেসব সমস্যা বিদ্যমান।

অনেকগুলো চ্যালেঞ্জের মধ্যে অন্যতম হলো আমাদের সমাজ-সংস্কৃতিতে তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণের বিষয়টিকে যথাযথ গুরুত্ব দেয়া হয় না। অথচ ডাটা জার্নালিজমের চর্চায় তথ্য অতীব জরুরি। ডাটা জার্নালিস্টদের কাজ ডাটা তৈরি করা নয়। তারা বিদ্যমান ডাটা সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে তা থেকে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করেন। তাই দেশে তথ্য যথাযথ সংরক্ষণের সংস্কৃতি যত সমৃদ্ধ হবে, প্রতিবেদনও তত বেশি বিশ্লেষণধর্মী ও বস্তুনিষ্ঠ হবে।

উদাহরণ দিয়ে যদি বলি, লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ—দুটো প্রতিষ্ঠানই তাদের ওয়েবসাইটে মাসিক অপরাধ পরিসংখ্যান প্রকাশ করে। কিন্তু এ দুই প্রতিষ্ঠানের ডাটাসেট তুলনামূলক পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যাবে, লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানে বেশ বিস্তারিতভাবে সবকিছু উল্লেখ করা হয়েছে। শহরের বিভিন্ন স্থান ও এলাকাভিত্তিক তথ্য আলাদাভাবে উপস্থাপন করা হয়। এমনকি মানচিত্র এবং আগের মাসের থেকে পরিস্থিতির কতটা উন্নতি হয়েছে সেটিও উল্লেখ থাকে এ পরিসংখ্যানে।

অন্যদিকে আমি গত সপ্তাহে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে দেখেছি, সেখানে সর্বশেষ তথ্য দেয়া আছে ২০২৩ সালের জুনের। হতাশাজনক বিষয় হলো, সে পরিসংখ্যানও অ্যাকসেসিবল কোনো ফরম্যাটে নেই এবং তার পরিধি অতি সীমিত।

দ্বিতীয়ত, ডাটা জার্নালিজমের ক্ষেত্রে সরকারি উন্মুক্ত তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সরকার তাদের নীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে যেসব তথ্য-উপাত্ত ব্যবহার করে, জনসাধারণেরও এ তথ্যে প্রবেশাধিকার আছে। এতে জনগণ ক্ষমতায়িত হয় এবং তারা যেকোনো প্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহির আওতায় আনতে পারে। ডাটা জার্নালিজম সরকারি তথ্যকে সহজভাবে উপস্থাপন করে সরকার ও জনগণের মধ্যে স্বচ্ছ সম্পর্ক গড়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

কিন্তু বাংলাদেশ নীতিগতভাবে উন্মুক্ত তথ্যে জনসাধারণের প্রবেশাধিকারকে সমর্থন করলেও বাস্তবে এর চর্চা হয় সামান্যই। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থা ওপেন ডাটা ওয়াচ বিভিন্ন দেশে তথ্যের উন্মুক্ততা ও সম্পূর্ণতা পর্যবেক্ষণ করে। সংস্থাটির ২০২৩ সালের প্রতিবেদনে তথ্যের উন্মুক্ততা বিচারে ১৯৫টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৪০তম।

এর বাইরে ডাটা জার্নালিজমের চর্চায় আরেকটি বড় প্রতিবন্ধকতা হলো দেশে সাংবাদিকদের ডাটা লিটারেসির অভাব। ২০২৩ সালে ইউরোপিয়ান ডাটা জার্নালিজম সেন্টার পরিচালিত স্টেট অব ডাটা জার্নালিজম শীর্ষক জরিপ অনুযায়ী, বাংলাদেশে ১ শতাংশেরও কম সাংবাদিক ডাটা জার্নালিজম বিষয়ে অভিজ্ঞ। বর্তমানে দেশের হাতে গোনা কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাটা জার্নালিজমের ওপর মডিউল রয়েছে, কিন্তু সেগুলোও একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ের বলেই মনে হয়েছে আমার কাছে।

এসব প্রতিবন্ধকতা থেকে উত্তরণের সম্ভাব্য উপায় কী?

বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার তাৎক্ষণিক সমাধান নেই। সাংবাদিকদের মধ্যে ডাটা সাক্ষরতা বাড়ানো একটা দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া, যার জন্য সময় ও ধারাবাহিক প্রয়াস দরকার। একইভাবে ভালো মানের ডাটা তৈরি অনেক সময় সরকার বা নীতিনির্ধারকদের ওপর নির্ভর করে, যা গণমাধ্যমের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। তাছাড়া বাজেটস্বল্পতার কারণে অনেক সংবাদমাধ্যম ডাটা জার্নালিজমে বিনিয়োগ করতে পারছে না।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এগিয়ে আসতে পারে। গণমাধ্যমের ভেতর যাদের রিসোর্স বেশি তারাও ভূমিকা রাখতে পারে এবং এক্ষেত্রে দু-একটি গণমাধ্যম ছোট পরিসরে হলেও কিছু পদক্ষেপ নিচ্ছে। সেটা আশার ব্যাপার।

আমার মতো যাদের এ বিষয়ে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ রয়েছে তারাও এগিয়ে আসতে পারেন।

ছোট ছোট এ পদক্ষেপ একদিন হয়তো দেশে শক্তিশালী ডাটানির্ভর সাংবাদিকতার ভিত তৈরি করবে।

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সংকট বা গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোর ক্ষেত্রে ডাটা জার্নালিজম কীভাবে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, এমন একটি উদাহরণ দিতে পারবেন?

গণমাধ্যমকে প্রায়ই ‘ফোর্থ এস্টেট’ বলা হয়। কারণ এটি সরকার ও অন্যান্য ক্ষমতাধর প্রতিষ্ঠানের ওপর তদারকির কাজ করতে পারে। ডাটানির্ভর সাংবাদিকতা এ ভূমিকাকে আরো এক ধাপ ওপরে নিয়ে যেতে পারে। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক আন্দোলন ও পরবর্তী বাংলাদেশে জনগণের সবচেয়ে নানা প্রত্যাশার একটি হলো একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহির সরকার। ডাটা জার্নালিজম ‘নতুন বাংলাদেশে’ এমন শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আগামী নির্বাচনে প্রার্থীরা যে অসংখ্য বক্তৃতা বা প্রতিশ্রুতি দেবেন সেগুলো বিশেষায়িত টুলস ব্যবহার করে একজন ডাটা জার্নালিস্ট বিশ্লেষণ করতে পারেন এবং এর মাধ্যমে রাজনীতিকদের দ্বারা কীভাবে বক্তব্য, ভয়, প্রতিশ্রুতি ও গল্পের কাঠামো নির্ধারিত হয় সেদিকে আলোকপাত করতে পারেন। অথবা প্রার্থীদের হলফনামার তথ্যের ভেতরেও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার বিশাল সুযোগ রয়েছে।

সর্বশেষ জানতে চাই, তরুণ সাংবাদিকদের জন্য কী পরামর্শ দেবেন, যারা ডাটানির্ভর সাংবাদিকতা শেখায় আগ্রহী?

ডাটা জার্নালিজমের সবচেয়ে চমৎকার দিকগুলোর একটি হলো, আন্তর্জাতিকভাবে এটি খুবই সক্রিয় ও সহায়তামূলক কমিউনিটি। অনেক অভিজ্ঞ ডাটা সাংবাদিক তাদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অনলাইনে ভাগ করে নিচ্ছেন। ডাটা জার্নালিজমবিষয়ক ইউটিউব ভিডিও, ব্লগ, টিউটোরিয়াল, অনলাইন কোর্স; সবই সহজলভ্য।

এক্ষেত্রে একটি ভালো রিসোর্স হতে পারে গ্লোবাল ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম নেটওয়ার্ক (জিআইজেএন)। তাদের ওয়েবসাইটে গেলে ডাটা জার্নালিজমের নানা দিক নিয়ে গাইড ও টুলস খুঁজে পাওয়া যাবে।

আরো নির্দিষ্ট করে বললে, যারা ডাটা সাংবাদিকতার কাজ শুরু করতে চান, তারা যদি এক্সেল বা গুগল শিট ভালোভাবে রপ্ত করেন, পাশাপাশি কিছু মৌলিক পরিসংখ্যানের ধারণা ও ডাটা ভিজুয়ালাইজেশনের কিছু কৌশল আয়ত্ত করতে পারে তাহলেই ডাটানির্ভর গল্প বলার একটা বড় অংশ তারা আয়ত্তে আনতে পারবেন।

এছাড়া আন্তর্জাতিক মানের ডাটা জার্নালিজমের কাজ পড়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেজন্য নিয়মিত বিবিসি, দ্য গার্ডিয়ান এবং দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের ডাটানির্ভর প্রতিবেদনগুলো পড়া উচিত।

আরও