শিক্ষা
ও
সংস্কৃতি
যেমন
একটি
জাতিকে
উন্নত
শিখরে
নিয়ে
যেতে
সক্ষম,
তেমনি
একটি
জাতি
কত
উন্নত
তা
তার
সংস্কৃতির
মধ্যেই
পরিচয়
পাওয়া
যায়।
বাংলাদেশ
একটি
উন্নয়নশীল
দেশ।
আমাদের
এই
উন্নয়নশীল
দেশে
রুচিবোধের
পাশাপাশি
সামাজিক
রীতিনীতি,
কৃষ্টিচর্চাও
বৃদ্ধি
পেয়েছে।
ফলে
এসবের
পাশাপাশি
পাল্লা
দিয়ে
শিক্ষা
ক্ষেত্রে
চারুকলা
চর্চার
প্রয়োজনীয়তা
লক্ষণীয়ভাবে
বৃদ্ধি
পেয়েছে।
তাই
বাংলাদেশের
চারুকলার
প্রাতিষ্ঠানিক
চর্চা
দেরিতে
হলেও
প্রায়
সত্তর
বছর
হতে
চলেছে।
এর
মধ্যে
স্বাধীনতার
পর
চারুকলার
প্রাতিষ্ঠানিক
চর্চার
ব্যাপক
প্রসার
লাভ
করেছে।
বর্তমানে বাংলাদেশে
অবস্থানরত
বিভিন্ন
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে
চারুকলা
বিষয়ে
অনেক
শিক্ষার্থী
ভর্তি
হচ্ছেন।
প্রতি
শিক্ষাবর্ষে
চারুকলা
বিষয়ে
ভর্তির
আসন
সংখ্যা
(আনুমানিক) ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ে
(চারুকলা অনুষদ)
১৩৫,
২.
রাজশাহী
বিশ্ববিদ্যালয়ে
(চারুকলা অনুষদ)
১২০,
৩.
চট্টগ্রাম
বিশ্ববিদ্যালয়ে
(চারুকলা অনুষদ)
১২০,
৪.
খুলনা
চারুকলা
ইনস্টিটিউটে
১২০,
৫.
জগন্নাথ
বিশ্ববিদ্যালয়ে
(চারুকলা বিভাগ)
২০০,
৬.
জাহাঙ্গীরনগর
বিশ্ববিদ্যালয়ে
(চারুকলা বিভাগ)
১০০,
৭.
কবি
নজরুল
ইসলাম
বিশ্ববিদ্যালয়,
ত্রিশালে
(চারুকলা বিভাগ)
১০০,
৮.
ইউডা
বিশ্ববিদ্যালয়ে
(চারুকলা বিভাগ)
২০০,
ও
শান্ত-মারিয়ামে
৪৩০।
এ পরিসংখ্যানে
দেখা
যায়
সরকারি
ও
বেসরকারি
চারুকলা
বিষয়ে
প্রায়
১
হাজার
৫২৫
জন
ভর্তি
হন।
ফলে
প্রতি
বছর
পাস
করে
বের
হচ্ছেন
অন্তত
১
হাজার
৫০০
জন।
এছাড়া
আসন
সংখ্যা
ক্রমেই
বেড়েই
চলেছে।
অন্যদিকে
জাতীয়
বিশ্ববিদ্যালয়ে
অন্তর্ভুক্ত
কলেজগুলোয়
প্রতি
শিক্ষাবর্ষে
কলেজপ্রতি
৪০টি
আসনে
প্রায়
৩০০
শিক্ষার্থী
ভর্তি
হন।
পরিসংখ্যান
অনুযায়ী
দেখা
যায়,
এ
দেশে
প্রতি
বছর
১
হাজার
৭০০
শিক্ষার্থী
চারুকলা
বিষয়ে
পাস
করে
বের
হচ্ছেন।
চলমান
উন্নয়নে
শিল্পীদের
ভূমিকা
অনেক
ঊর্ধ্বে,
সে
বিষয়ে
আমরা
প্রত্যেকেই
যখন
গুরুত্বের
সঙ্গে
বিবেচনা
করব
তখনই
দেশের
উন্নয়নশীলতা
বৃদ্ধি
সম্ভব।
আমরা হয়তো
অনেকেই
জানি
না
যে
আমাদের
ডমেস্টিক
ফ্যাশন
মার্কেটে
চারুকলার
ছাত্রছাত্রীরা
কয়েক
দশক
ধরে
অনেক
বড়
একটি
ভূমিকা
পালন
করে
আসছেন,
তাদের
ডিজাইন
ও
আর্ট
অনেক
সুনামের
সঙ্গে
বিক্রি
হচ্ছে।
চলমান
উন্নয়নে
শিল্পীদের
ভূমিকা
অনেক
ঊর্ধ্বে,
বিষয়টি
সরকারকে
অবশ্যই
গুরুত্বের
সঙ্গে
বিবেচনা
করতে
হবে।
কিছুদিন
আগে
বুননের
উদ্যোগে
চারুকলা
বিভাগের
শিক্ষার্থীর
সঙ্গে
ডলি
থাই
(ম্যানেজিং ডিরেক্টর,
ক্লোথ
আর
ইউএস
লিমিটেড,
সাউকত
হোসেন
সোহেল unifil
Textile, বুনন
টিমসহ
আমি
চারটি
ওয়েবিনারে
যুক্ত
হয়েছিলাম
এবং
আমি
বেশ
অবাক
হলাম
ছাত্র-ছাত্রীরা
এটা
জানেনই
না
যে
তারা
এ
টেক্সটাইল
সেক্টরে
অবদান
রাখতে
পারেন।
আমাদের
রফতানিমুখী
টেক্সটাইল
ও
গার্মেন্ট
সেক্টরের
সঙ্গে
চারুকলার
ছাত্র-ছাত্রীদের
একটি
যোগসূত্র
তৈরি
করা
দরকার।
আমাদের গার্মেন্ট
টেক্সটাইল
ইন্ডাস্ট্রিতে
চারুকলা
বিভাগের
ছাত্র-ছাত্রীরা
যে
অবদান
রাখতে
পারেন,
এ
বিষয়ে
আমরা
ভাবি
না;
কিন্তু
আমাদের
এ
বিষয়ে
ভাবা
দরকার,
কেননা
তারা
এ
সেক্টরে
তাদের
সৃজনশীলতা
দিয়ে
অত্যন্ত
সফলতার
সঙ্গে
অবদান
রাখতে
পারেন,
যদি
আমরা
তাদের
এ
সুযোগ
করে
দিই।
এই
আধুনিক
ইন্ডাস্ট্রিতে
ভিজ্যুয়াল
মার্চেন্ডাইজিং,
নিত্যনতুন
প্রিন্ট
ডিজাইন
ক্রিয়েশন
গুরুত্বপূর্ণ
ব্যাপার,
যেখানে
প্রয়োজন
হয়
সৃজনশীল
চিন্তাধারা
ও
শৈল্পিক
মনন;
যা
চারুকলার
ছাত্র-ছাত্রীদের
মধ্যে
আছে
কিন্তু
তাদের
সিলেবাসে
আমাদের
টেক্সটাইল
ডিজাইন
নিয়ে
কোনো
পাঠ্যসূচি
না
থাকায়
তারাও
চিন্তা
করতে
পারছেন
না
যে
এ
টেক্সটাইল
সেক্টরে
অবদান
রাখতে
পারেন।
৪০
বছর
ধরে
আমরা
এ
সেক্টরকে
এগিয়ে
নিয়েছি
কিন্তু
আমরা
এটা
ভাবিনি
যে
চারুকলার
শিক্ষার্থীরা
এ
সেক্টরে
অবদান
রাখতে
পারেন,
পাশাপাশি
টেক্সটাইল
ইঞ্জিনিয়ারিং
প্রতিষ্ঠানগুলোয়ও
চারুকলার
বেসিক
ধারণা
প্রদান
করে
কিছু
বই
রাখা
দরকার
ছিল।
আমাদের চারুকলার
যত
প্রতিষ্ঠান
রয়েছে,
তাদের
পাঠ্যক্রমে
টেক্সটাইল
ডিজাইন
ও
ফ্যাশন
ট্রেন্ড
অন্তর্ভুক্ত
করা
দরকার।
এছাড়া
আমাদের
ইন্ডাস্ট্রি
মালিকদের
অনুরোধ
করব,
আপনারা
আপনাদের
বায়িং
হাউজ
ও
ইন্ডাস্ট্রিতে
চারুকলার
শিক্ষার্থীদের
ইন্টার্নশিপ
ও
চাকরির
সুযোগ
করে
দেবেন।
কেননা
এরা
ডিজাইন
ক্রিয়েশন
পার্ট
ও
ভিজুয়াল
মার্চেন্ডাইজিংয়ে
বড়
অবদান
রাখতে
পারবেন
এবং
এমনও
হতে
পারে
তাদের
ক্রিয়েটিভ
ডিজাইন
দিয়ে
নতুন
নতুন
বায়ারদের
দৃষ্টি
আকর্ষণ
করতে
পারবেন
আপনারা।
চারুকলা ইনস্টিটিউটগুলোর
শিক্ষকদের
অনুরোধ
করব,
আপনারা
টেক্সটাইল
ও
গার্মেন্ট
সেক্টরের
সঙ্গে
সমন্বিত
উদ্যোগ
গ্রহণের
চেষ্টা
করেন।
এতে
এই
সম্ভাবনাময়
সেক্টরে
আপনাদের
ছাত্র-ছাত্রীদের
কর্মসংস্থানের
সুযোগ
তৈরি
হওয়ার
পাশাপাশি
তাদের
শিল্পকলা
দিয়ে
অবদান
রাখতে
পারবেন
আমাদের
অর্থনীতির
মূল
চালিকাশক্তিসম্পন্ন
সেক্টরে।
আমরা
এখনো
বেশির
ভাগ
ক্ষেত্রে
বায়ারপ্রদত্ত
ডিজাইন
কপি
করে
ডিজাইন
করি
কিন্তু
এখন
সময়ের
পরিবর্তনের
সঙ্গে
সঙ্গে
ক্রিয়েশন
ডিপার্টমেন্টের
আরো
চাহিদা
বাড়ছে,
যেখানে
আমরাই
নিত্যনতুন
ডিজাইন
ডেভেলপ
করে
বায়ার
আকর্ষণের
চেষ্টা
করছি
এবং
এই
গুরুত্বপূর্ণ
জায়গায়
প্রয়োজন
শৈল্পিক
মননসম্পন্ন
জনবল।
চারুকলার
শিক্ষার্থীদের
এ
জায়গাগুলোয়
কাজ
করার
সুযোগ
করে
দিতে
হবে।
বিশ্ববাজারে টিকে
থাকতে
হলে
নিজেদের
ক্রিয়েটিভিটি
প্রদর্শন
করতে
হবে,
যা
ভারতসহ
অনেক
সফল
দেশ
করে
আসছে।
মো. সালাউদ্দিন: চেয়ারম্যান, এএসকে
অ্যাপারেলস
অ্যান্ড
টেক্সটাইল
সোর্সিং
হেড অব অপারেশন, বুনন