সকাল থেকে শোনা যাচ্ছিল চারদিক থেকে ঢাকা ঘেরাও কর্মসূচি শুরু হয়েছে। গত রাত আড়াইটার সময় হঠাৎ করে পরিবর্তিত কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। ঢাকা ঘেরাওয়ের কর্মসূচিটি নির্ধারিত ছিল ৬ আগস্টের। কিন্তু তা একদিন এগিয়ে ৫ আগস্ট আনা হলো আন্দোলনকারীদের ক্যারিসমায়। দেড় দশকে দেশের অর্থনীতি, সমাজ-সংসার এমন এক সর্বগ্রাসী আত্মহননের পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে গোটা দেশ এক হয়ে তার ও তার সাঙ্গোপাঙ্গদের বিতাড়ন দাবি করা অনিবার্য হয়ে উঠেছিল। এখন তিনি কখন কেন পালাবেন, সঙ্গে অর্থ নেবেন কিনা বোঝা যাচ্ছিল না। পরে জানা গেল মালপত্র-তল্পিতল্পা সব গোছানো, তোলা হলো কালো রঙের ঢাউস সি-প্লেনে। শোনা গেল প্রথমে হেলিকপ্টারে উড়বেন। পুরো জাতিকে চাণক্য পণ্ডিতের ছকে সম্মোহিত করার কারসাজিটাও সেদিন ছিল সক্রিয়। পালাবার মুহূর্তটার পরিকল্পনা ছিল নাটকীয়। নানা কল্পকাহিনীতে ঠাসা।
জুলাই আন্দোলনের সফল পরিসমাপ্তি ঘটে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট। দিনটি ছিল সোমবার। আন্দোলনকারীসহ অনেকের কাছে দিনটি ‘৩৬ জুলাই’ হিসেবে পরিচিত। মাত্র মাসখানেকের মধ্যে একটি অরাজনৈতিক আন্দোলন এভাবে রাজনৈতিক চরিত্র লাভ করবে, এটা সাধারণ মানুষের চিন্তায় ছিল না।
দুপুরের দিকে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর জানায়, জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন সেনাপ্রধান। সূত্রের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এএফপি খবর প্রকাশ করে জানায়, শেখ হাসিনা এবং তার ছোট বোন (পরে আরো জানা যায় তাদের পরমাত্মীয়, সামরিক উপদেষ্টাসহ) গণভবন থেকে নিরাপদ স্থানে চলে গেছেন। সামাজিক মাধ্যমে হেলিকপ্টারে করে দেশ ত্যাগ করার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়। ঢাকায় ধীরে ধীরে ইন্টারনেট সচল হতে থাকে।
সাবেক সরকারপ্রধান দেশপ্রধানের উদ্দেশ্যে পদত্যাগপত্র দিয়ে দেশ ছেড়ে যাওয়ার পর গণভবনে ঢুকে পড়ে হাজার হাজার মানুষ। তার আগে গণভবন ছেড়ে চলে যায় নিরাপত্তা বাহিনী। এ সময় গণভবনের ভেতরে অগ্নিসংযোগ, ভাংচুর এবং ব্যাপক লুটপাট করা হয়। গরু, মাছ, হাঁস, মুরগি, আসবাবপত্র, ফ্রিজ, এসিসহ নানা পণ্য নিয়ে যেতে দেখা যায় এতদিন জিম্মি করে রাখা মানুষকে। অন্যদিকে সংসদ ভবনে জনতার স্রোত দেখা গেছে। সংসদ ভবনের ভেতরেও আগুন দেয়া হয়, সেখান থেকে মানুষকে জিনিসপত্র নিয়ে যেতে দেখা যায়।
আন্দোলন শুরু হয়েছিল কোটা সংস্কারের দাবি নিয়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হওয়া এ আন্দোলনের সঙ্গে সারা দেশের চাকরিপ্রত্যাশী তরুণরা একজোট হন। ২০২৪-এর ১ জুলাই থেকেই শিক্ষার্থীরা নিজেদের সংগঠিত করে আন্দোলনের পরিসর বাড়াতে থাকেন। ‘বাংলা ব্যারিকেড’ নাম দিয়ে প্রথমে তারা দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করেন। এ সময়ে শিক্ষার্থীরা সরকারের সঙ্গে বসতে চেয়ে কোনো সাড়া পাননি। এমনকি শুরুতে ক্যাম্পাসে সরকারদলীয় শিক্ষার্থী সংগঠন কোটা সংস্কারের পক্ষে কথা বললেও সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের মন্তব্যের সূত্র ধরে পরে নিজেদের বক্তব্য পাল্টে ফেলে।
১৪ জুলাই আন্দোলনে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। তখনকার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর একটি কথার সূত্র ধরে শিক্ষার্থীরা মধ্যরাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো থেকে দলে দলে বেরিয়ে আসেন এবং মিছিলে স্লোগান তোলেন ‘তুমি কে আমি কে রাজাকার রাজাকার; কে বলেছে কে বলেছে স্বৈরাচার স্বৈরাচার’, ‘চেয়েছিলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার’। সংবাদ সম্মেলনে দেয়া প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য পূর্বনির্ধারিত ছিল কিনা, তিনিই ভালো বলতে পারতেন, তবে এর পরদিন পেটোয়াদের নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে রীতিমতো তাণ্ডব চলে। ঘটনার সময়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রায় নির্বিকার দাঁড়িয়ে থাকে। সেদিনের আক্রমণের ভয়াবহতা দেখে অন্তত এটা বোঝা গিয়েছিল, এ হামলার প্রতিকার ও বিচার না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ফিরবে না।
এ ঘটনার পেছনে তৎকালীন সরকারের সেরা উজিরের সুস্পষ্ট ইঙ্গিত ছিল। ১৫ জুলাই দুপুরে সাংবাদিকদের সামনে তিনি বলেছিলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠে ভ্রান্ত পথে পরিচালিত শিক্ষার্থীদের রাজাকার পরিচয়-সংশ্লিষ্ট স্লোগান আমাদের জাতীয় মৌলিক চেতনার সঙ্গে ধৃষ্টতার শামিল।’ তিনি আরো বলেন, ‘কোটাবিরোধী কতিপয় নেতা যেসব বক্তব্য দিয়েছেন, এর জবাব দেয়ার জন্য ছাত্রলীগ প্রস্তুত।’ এর পর পরই ছাত্রলীগ ও বাইরে থেকে আসা সন্ত্রাসীরা আন্দোলনকারীদের ওপর নির্বিচার হামলা চালায়। ২০১৮ সালে কোটা সংস্কারের দাবিতেও আন্দোলন হয়েছিল। শিক্ষার্থীদের তীব্র আন্দোলনের মুখে তখনকার সরকার সংস্কারের বদলে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর চাকরিতে সব ধরনের কোটা বাতিলের ঘোষণা দেন। কিন্তু ২০২৪ সালে এসে কোটা পুনর্বহালের উদ্যোগ নেয়া হলে শিক্ষার্থীরা এর প্রতিবাদে নতুন করে আন্দোলন শুরু করেন। নতুন আন্দোলন সহিংস প্রক্রিয়ায় দমন করা হবে, এটি হয়তো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও ভাবতে পারেনি।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে করণীয় নির্ধারণে রাজনীতিবিদদের সঙ্গে সেনানিবাসে বৈঠক করেন সেনাপ্রধান। বৈঠক শেষে তিনি জাতির উদ্দেশে ভাষণ না দিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেছেন। সেনাপ্রধান বলেন, ‘এখন রাজনৈতিক ক্রান্তিকাল চলছে। একটি অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হবে। সব হত্যার বিচার হবে। সেনাবাহিনীর ওপর আস্থা রাখেন। আমরা রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছি।’ জনগণের উদ্দেশে সেনাপ্রধান আরো বলেন, ‘দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখেন। আপনারা আমার ওপর আস্থা রাখেন, একসঙ্গে কাজ করি। দয়া করে সাহায্য করেন। মারামারি সংঘাত করে আর কিছু পাব না। সংঘাত থেকে বিরত হোন। সবাই মিলে সুন্দর দেশ গড়ি।’
সেনাপ্রধান বলেন, ‘আমরা রাষ্ট্রপতির কাছে যাব। অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের বিষয়ে ওনার সঙ্গে কথা বলব। তার সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করে দেশ পরিচালনা করা হবে।’ কোন কোন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সেনাপ্রধান বলেন, ‘বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও জামায়াতের ইসলামীর সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। শিক্ষক আসিফ নজরুল ও জোনায়েদ সাকিও বৈঠকে ছিলেন।’ তিনি বলেন, ‘ছাত্রদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা যায়নি। ছাত্ররা শিক্ষক আসিফ নজরুলকে শ্রদ্ধা করেন। তাকে অনুরোধ করেছেন যোগাযোগ করতে। এরই মধ্যে আসিফ নজরুল একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন।’
সব হত্যা ও অন্যায়ের বিচার হবে উল্লেখ করে সেনাপ্রধান বলেন, ‘আপনারা সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি আস্থা রাখেন। আমরা সব দায়দায়িত্ব নিচ্ছি। আপনাদের কথা দিচ্ছি, আশাহত হবেন না। যত দাবি আছে, সেগুলো আমরা পূরণ করব। দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে নিয়ে আসব। আমাদের সহযোগিতা করেন। প্রতিটি হত্যার বিচার হবে।’
৫ আগস্ট বেলা সোয়া ৩টায় নিজের ফেসবুক পেজে দেয়া ৩৮ সেকেন্ডের এক ভিডিওবার্তায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, ‘আমরা এখন আর্মি চিফের (সেনাবাহিনীর প্রধান) সঙ্গে একটা আলোচনায় আছি। আমি যতটুকু ওনার (সেনাপ্রধান) সঙ্গে কথা বলেছি, আমার কাছে মনে হয়েছে আমাদের ছাত্র-জনতার যে আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশা, তা উনি বুঝতে পেরেছেন।’
দেশবাসীকে শান্ত থাকার জন্য আহ্বান জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এদিন এক বার্তায় তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে আজকের বৈঠক সুন্দর হয়েছে। তিনি আমাকে বলেছেন দেশবাসীকে জানানোর জন্য।’
অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের লক্ষ্যে সেনাপ্রধান, নৌপ্রধান, বিমান বাহিনীর প্রধান এবং দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বঙ্গভবনে বৈঠক করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
বৈঠকে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণে সবাইকে ধৈর্য ও সহনশীল আচরণ করার আহ্বান জানানো হয়। লুটতরাজ ও হিংসাত্মক কর্মকাণ্ড বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
এদিন রাতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। ভাষণে তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন এবং আমি তা গ্রহণ করেছি। প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে আজ বঙ্গভবনে তিন বাহিনীর প্রধান এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কয়েকজন সমন্বয়কদের সঙ্গে আলোচনা হয়। শুরুতেই সেনাপ্রধান বিরাজমান সার্বিক পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে তার আলোচনা সম্পর্কে আমাকে অবহিত করেন। রাজনৈতিক নেতারাও এ সময় তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন।’
বাংলাদেশের চলমান ইস্যু নিয়ে (৫ আগস্ট) সংসদীয় নিরাপত্তা কমিটির সঙ্গে বৈঠক করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ওই দিন বিকালে তার সরকারি বাসভবনে এ বৈঠক হয়েছে। এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। ভারতের উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদ ঘাঁটিতে অবতরণ করে শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমান। এরপর বিকালে তিনি দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বলে এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়। এদিকে বাংলাদেশের পরিস্থিতি সম্পর্কে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অবগত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি ঘিরে সোমবার (৫ আগস্ট) রাজধানীতে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে বহু হতাহতের খবর পাওয়া গেছে। নিহতদের মধ্যে ৪০ জনের মরদেহ রয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক)। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের পরিচয় শনাক্ত হয়নি। একই সঙ্গে ঢামেকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে ৩৯৭ জনকে এবং ভর্তি হয়েছেন ৭১ জন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানের মুখে দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ক্ষক্ষমতায় থাকা সরকারের পতন ঘটে এবং সাবেক স্বৈরাচার পদত্যাগ করে দেশত্যাগ করেন। এ দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে ফ্যাসিবাদের অবসান ও নতুন স্বাধীনতা অর্জনের প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। ৫ আগস্ট কেবল একটি তারিখ নয়, এটি তরুণ সমাজ ও আপামর জনসাধারণের রক্তস্নাত বিজয়। দীর্ঘদিন ধরে চলা অন্যায়, দমনপীড়ন এবং ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতা রাজপথে নেমে আসে। ৫ আগস্টের লংমার্চ ও প্রবল জনস্রোতের মুখে স্বৈরাচারী সরকার পদত্যাগ ও দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য হয়।
নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন: বাকস্বাধীনতা, ন্যায়বিচার ও সাম্যভিত্তিক একটি বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনের বার্তা নিয়ে এ দিনটি এসেছে।
ভবিষ্যৎ করণীয়
ঐক্য বজায় রাখা: দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
গণতন্ত্র ও সংস্কার: রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ফিরিয়ে আনতে তরুণ প্রজন্মের চেতনা ধারণ করতে হবে।
দায়িত্বশীলতা: শহীদের রক্তের সঙ্গে যেন কোনো বেইমানি না হয়, সে বিষয়ে সচেতন থাকা। ৫ আগস্ট সবাইকে শিখিয়েছে যে জনগণের শক্তির চেয়ে বড় কোনো শক্তি নেই। এ বিজয়ের চেতনা হৃদয়ে ধারণ করে একটি সুন্দর, দুর্নীতিমুক্ত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার শপথ নিতে হবে।
ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ: সাবেক সচিব ও এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান