আন্তর্জাতিক আবহাওয়া
বিশেষজ্ঞরা
বিভিন্ন
আবহাওয়া
মানচিত্র
ও
সূচক
(প্রধানত মেডেন-জুলিয়ান
ওছিলেশন
বা
সংক্ষেপে
এমজেও)
বিশ্লেষণ
করে
এ
সিদ্ধান্তে
উপনীত
হয়েছেন,
২০১৮
সালের
দক্ষিণ
এশিয়ার
বর্ষা
মৌসুম
(ইন্ডিয়ান মনসুন
নামেও
পরিচিত)
অফিশিয়ালি
শুরু
হয়েছে
২৯
মে
থেকে।
এ
সময়
বাংলাদেশে
বর্ষা
মৌসুম
শুরু
হয়েছে
কিনা,
তার
জন্য
অবশ্য
আবহাওয়া
বিশেষজ্ঞদের
ওপর
নির্ভর
করতে
হয়
না
বা
আবহাওয়া
মানচিত্র
ও
সূচক
বিশ্লেষণও
করতে
হয়
না।
ঢাকা
শহরের
রাস্তার
পাশে
‘পানির
নিচে
রাস্তা
ভালো’ সাইনবোর্ডের
উপস্থিতি
কিংবা
শহরের
বিভিন্ন
অংশের
অলিগলিতে
মৌসুমি
নৌকার
উপস্থিতিই
বর্ষা
মৌসুম
আসার
নিশ্চয়তা
দেয়।
তবে
ঢাকা
ও
চট্টগ্রাম
শহরে
সরকারের
অপরিকল্পিত
উন্নয়নের
ফলে
বর্ষা
মৌসুমের
উপস্থিতি
জানাতে
নতুন
একটা
আবহাওয়া
সূচক
যুক্ত
হয়েছে,
যে
সূচকটির
নাম
‘ফ্লোট
ওভার’।
ফ্লাইওভার
বা
উড়াল
সড়কের
ওপর
পানি
জমে
বর্ষা
মৌসুমের
নতুন
সূচক
ফ্লোট
ওভার
বা
ভাসমান
সড়কের
জন্ম
হয়েছে।
২০১৮ সালের
বর্ষা
মৌসুমে
কেমন
বৃষ্টিপাত
হবে
বাংলাদেশে,
তা
আলোচনার
আগে
আবহাওয়া
ও
জলবায়ু
সম্পর্কিত
একটি
গুরুত্বপূর্ণ
সংজ্ঞা
জেনে
নেয়া
যাক।
বাংলাদেশের
মৌসুমি
বৃষ্টিপাত
‘এল-নিনো
সাউর্দান
ওছিলেশন’ বা
এল-নিনো
ও
লা-নিনা
নামে
দুটি
প্রক্রিয়ার
সঙ্গে
সম্পর্কযুক্ত।
মধ্য
ও
পূর্ব
বিষুবীয়
প্রশান্ত
মহাসাগরের
পানির
তাপমাত্রা
প্রতি
দুই
থেকে
সাত
বছর
পরপর
স্বাভাবিক
তাপমাত্রার
চেয়ে
বেড়ে
বা
কমে
যায়।
ওই
অঞ্চলের
সমুদ্রপৃষ্ঠের
পানির
তাপমাত্রা
যদি
পরপর
পাঁচ
মাস
স্বাভাবিক
তাপমাত্রার
চেয়ে
শূন্য
দশমিক
৫
ডিগ্রি
সেন্টিগ্রেড
বেশি
থাকে,
তবে
ওই
অবস্থাকে
বলা
হয়
এল-নিনো।
বিপরীতক্রমে
পরপর
পাঁচ
মাস
স্বাভাবিক
তাপমাত্রার
চেয়ে
শূন্য
দশমিক
৫
ডিগ্রি
সেন্টিগ্রেড
কম
থাকে,
তবে
ওই
অবস্থাকে
বলা
হয়
লা-নিনা।
মধ্য
ও
পূর্ব
বিষুবীয়
প্রশান্ত
মহাসাগরের
পানির
তাপমাত্রা
স্বাভাবিক
তাপমাত্রার
চেয়ে
বেড়ে
যায়
এল-নিনো
বছরে
এবং
কমে
যায়
লা-নিনা
বছরে।
বাংলাদেশের
জলবায়ু
পর্যালোচনা
করে
দেখা
যায়,
সাধারণত
যে
বছর
মধ্য
ও
পূর্ব
বিষুবীয়
প্রশান্ত
মহাসাগর
এলাকায়
এল-নিনো
অবস্থা
বিরাজ
করে,
সে
বছর
বর্ষা
মৌসুমে
বাংলাদেশে
স্বাভাবিকের
চেয়ে
কম
বৃষ্টিপাত
হয়ে
থাকে;
বিপরীতক্রমে
যে
বছর
মধ্য
ও
পূর্ব
বিষুবীয়
প্রশান্ত
মহাসাগর
এলাকায়
লা-নিনা
অবস্থা
বিরাজ
করে,
সে
বছর
বর্ষা
মৌসুমে
বাংলাদেশে
স্বাভাবিকের
চেয়ে
বেশি
বৃষ্টিপাত
হয়ে
থাকে।
২০১৭ সালটি
ছিল
লা-নিনার
(পূর্ব প্রশান্ত
মহাসাগরের
পানির
তাপমাত্রা
স্বাভাবিকের
চেয়ে
কমপক্ষে
শূন্য
দশমিক
৫
ডিগ্রি
সেন্টিগ্রেড
কম
থাকে)
বছর।
যদিও
এ
লা-নিনাটি
ছিল
অপেক্ষাকৃত
দুর্বল
প্রকৃতির।
এ
লা-নিনা
অবস্থা
চালু
ছিল
২০১৮
সালের
এপ্রিল
পর্যন্ত।
এ
কারণে
২০১৮
সালে
বাংলাদেশে
স্বাভাবিকের
চেয়ে
বেশি
বৃষ্টিপাতের
সম্ভাবনা
রয়েছে।
উপরে
উল্লেখ
করা
হয়েছে,
লা-নিনার
বছরে
বাংলাদেশে
স্বাভাবিকের
চেয়ে
বেশি
বৃষ্টিপাত
হয়।
অন্য যে
কারণে
এ
বছর
বাংলাদেশে
স্বাভাবিকের
চেয়ে
বেশি
বৃষ্টিপাতের
সম্ভাবনা
রয়েছে
তা
হলো,
বর্ষা
মৌসুমের
শুরুতে
(কালবৈশাখী মৌসুমে)
২০১৮
সালে
সারা
বাংলাদেশে
স্বাভাবিকের
চেয়ে
বেশি
বৃষ্টিপাত
হওয়া।
এ
বৃষ্টিপাতের
ফলে
বাংলাদেশের
মাটিতে
বর্ষা
মৌসুমের
শুরুতে
যে
পরিমাণ
আর্দ্রতা
থাকার
কথা,
তা
অপেক্ষা
বর্তমানে
অনেক
বেশি
আর্দ্রতা
বিরাজ
করছে।
আবহাওয়াবিজ্ঞান
অনুসারে,
কোনো
স্থানের
বৃষ্টিপাতের
ওপর
ওই
স্থানের
মাটির
আর্দ্রতার
একটা
প্রভাব
থাকে।
মাটি
শুষ্ক
থাকলে
কম
বৃষ্টিপাত
হবে।
মাটি
আর্দ্র
থাকলে
বেশি
বৃষ্টিপাত
হবে।
একটু
সহজ
ভাষায়
ব্যাখ্যা
করা
যাক
ব্যাপারটা।
বৃষ্টি
হওয়ার
জন্য
সাধারণত
বাতাসের
আর্দ্রতা
১০০
ভাগ
থাকতে
হয়।
বর্ষা
মৌসুমে
বঙ্গোপসাগর
থেকে
দক্ষিণ-পশ্চিম
মৌসুমি
বায়ু
বাংলাদেশে
প্রবেশ
করে,
তার
আর্দ্রতা
সবসময়
১০০
শতাংশ
থাকে
না।
বায়ু
কোনো
কোনো
সময়
৬০
থেকে
৯০
শতাংশ
আর্দ্র
থাকে।
আকাশে
অবস্থিত
মেঘ
বৃষ্টিপাতের
জন্য
প্রয়োজনীয়
অবশিষ্ট
আর্দ্রতা
সংগ্রহ
করে
মাটি,
পুকুর,
নদী,
হাওড়-বাঁওড়
ইত্যাদি
থেকে।
ওইসব
স্থানে
অবস্থিত
পানি
বাষ্পীয়ভবনের
মাধ্যমে
উড়ে
গিয়ে
মেঘের
সঙ্গে
যুক্ত
হয়ে
মেঘের
মধ্যস্থ
বায়ুকে
সম্পৃক্ত
করে।
অর্থাত্
বায়ুর
আর্দ্রতা
১০০
শতাংশে
নিয়ে
আসে।
একটি
নির্দিষ্ট
তাপমাত্রায়
বায়ু
১০০
শতাংশের
বেশি
জলীয়বাষ্প
ধরে
রাখতে
পারে
না।
যেমন
করে
আপনার
বাসায়
ছাদে
অবস্থিত
পানির
ট্যাংক
পূর্ণ
হয়ে
গেলে
অতিরিক্ত
পানি
নিষ্কাশন
পাইপের
মাধ্যমে
নিচে
পড়তে
থাকে,
ঠিক
একইভাবে
মেঘের
জলীয়বাষ্প
বৃষ্টির
আকারে
ভূপৃষ্ঠের
দিকে
পড়ে।
উপরে
উল্লেখ
করেছি,
এ
বছর
কালবৈশাখী
মৌসুমে
বাংলাদেশের
স্বাভাবিকের
চেয়ে
অনেক
বেশি
বৃষ্টিপাত
হয়েছে
এবং
ওই
বৃষ্টিপাতের
ফলে
মাটি
এরই
মধ্যে
পুরো
আর্দ্র
অবস্থায়
রয়েছে।
পুকুর-ডোবাগুলোও
এরই
মধ্যে
পূর্ণ
হয়ে
গেছে
বৃষ্টির
পানিতে।
এ
কারণেও
২০১৮
সালে
বাংলাদেশে
স্বাভাবিকের
চেয়ে
বেশি
বৃষ্টিপাতের
সম্ভাবনা
রয়েছে।
এবার আলোচনা
করা
যাক
আবহাওয়া
পূর্বাভাসের
গাণিতিক
মডেলগুলো
বাংলাদেশে
২০১৮
সালের
বৃষ্টিপাত
নিয়ে
কী
পূর্বাভাস
দিচ্ছে।
আমেরিকার
বিখ্যাত
কলাম্বিয়া
বিশ্ববিদ্যালয়ের
আবহাওয়া
ও
জলবায়ুবিষয়ক
একটি
গবেষণা
প্রতিষ্ঠান
ইন্টারন্যাশনাল
রিসার্চ
ইনস্টিটিউট
ফর
ক্লাইমেট
অ্যান্ড
সোসাইটি।
এটি
আবহাওয়া
ও
জলবায়ু
গবেষকদের
কাছে
খুবই
গ্রহণযোগ্য
একটি
প্রতিষ্ঠান,
যেমন
গ্রহণযোগ্য
বাংলাদেশের
মানুষের
কাছে
বাটা
জুতা
বা
স্যান্ডেল।
গবেষণা
প্রতিষ্ঠানটি
নিয়মিতভাবে
পৃথিবীব্যাপী
আবহাওয়ার
মৌসুমি
(সিজনাল) বা
উপমৌসুমি
(সাব-সিজনাল)
পূর্বাভাস
দিয়ে
থাকে।
এ
প্রতিষ্ঠানের
সর্বশেষ
পূর্বাভাস
(মে মাসে)
মানচিত্রে
দেখা
যাচ্ছে,
২০১৮
সালের
জুন,
জুলাই
ও
আগস্টে
বাংলাদেশ
ও
উত্তর-পূর্ব
ভারতে
স্বাভাবিকের
চেয়ে
৩০
থেকে
৫০
শতাংশ
বেশি
বৃষ্টিপাত
হওয়ার
সম্ভাবনা
রয়েছে।
সংযুক্ত
মানচিত্রে
দেখা
যাচ্ছে,
প্রায়
পুরো
গঙ্গা
অববাহিকায়
স্বাভাবিকের
চেয়ে
বেশি
বৃষ্টির
সম্ভাবনা
রয়েছে।
স্বাভাবিকের
চেয়ে
বেশি
বৃষ্টির
সম্ভাবনা
মানে
স্বাভাবিকের
চেয়ে
বেশি
বন্যার
সম্ভাবনা।
বাংলাদেশে
বর্ষাকালে
বৃষ্টিপাত
পর্যবেক্ষণ
করলে
দেখা
যায়,
বেশ
কিছুদিন
দেশব্যাপী
নিয়মিত
বৃষ্টির
পরে
এক
থেকে
তিন
সপ্তাহ
প্রায়
বৃষ্টিহীন
থাকে।
এ
অতিবৃষ্টি
ও
অনাবৃষ্টির
চক্রটা
আবহাওয়া
বিজ্ঞানীরা
ব্যাখ্যা
করেন
এমজেও
নামে
একপ্রকার
আবহাওয়া
চক্রের
মাধ্যমে
(MJO is an eastward moving disturbance of clouds, rainfall, winds,
and pressure that traverses the planet in the tropics and returns to its
initial starting point in 30 to 60 days, on average.)।
আবহাওয়া
চক্রটি
আবিষ্কার
করেন
রোনাল্ড
মেডেন
ও
পাউল
জুলিয়ান
নামে
দুজন
বিজ্ঞানী,
১৯৭০
সালে।
আবহাওয়া
চক্রটি
বিষুবীয়
অঞ্চলের
সমুদ্র
ও
তত্সংলগ্ন
আকাশের
মধ্যে
একটি
মিথস্ক্রিয়া।
এমজেও আবহাওয়া
চক্রটিকে
প্রথমত
দুটি
ভাগে
ভাগ
করা
হয়:
সক্রিয়
বাষ্পীভবন
দশা
ও
নিষ্ক্রিয়
বাষ্পীভবন
দশা।
শীতকালে
সকালবেলা
পুকুরের
পানির
তাপমাত্রা
পুকুরের
পানির
উপরের
বাতাসের
তাপমাত্রা
থেকে
বেশি
থাকার
কারণে
পুকুরের
পানি
থেকে
ধোঁয়া
(বাষ্প) উঠতে
দেখা
যায়।
ঠিক
একই
কারণে
শীতকালে
নিঃশ্বাস
ছাড়লে
মুখ
থেকে
বের
হওয়া
আর্দ্র
গরম
বাতাস
ঠাণ্ডা
বাতাসের
সংস্পর্শে
এলে
ধোঁয়ার
কুণ্ডলির
রূপ
নেয়।
এ ধোঁয়াকে
আমরা
মানুষসৃষ্ট
মেঘও
বলতে
পারি।
ঠিক
একই
প্রক্রিয়ার
সমুদ্রপৃষ্ঠের
গরম
পানি
বাষ্পায়িত
হয়ে
আকাশে
উড়ে
যায়।
পদার্থবিজ্ঞান
বা
ভূগোল
বিষয়ে
পড়েছি,
বায়ুমণ্ডলের
সর্বনিম্ন
স্তরে
ভূপৃষ্ঠ
থেকে
উপরের
দিকে
উঠতে
থাকলে
বায়ুর
চাপ
কমতে
থাকার
কারণে
বাতাসের
তাপমাত্রাও
কমতে
থাকে।
সমুদ্রপৃষ্ঠ
থেকে
বাষ্পায়িত
হয়ে
আকাশে
উড়ে
যাওয়া
জলীয়বাষ্পের
তাপমাত্রাও
কমতে
থাকে
এবং
একসময়
ওই
জলীয়বাষ্পের
কণাগুলো
ঘনীভূত
হয়ে
মেঘের
সৃষ্টি
হয়।
এমজেও
আবহাওয়া
চক্রটির
দশা
দুটিকে
যথাক্রমে
অতিবৃষ্টি
ও
অনাবৃষ্টি
বলা
হয়।
কারণ
সক্রিয়
বাষ্পীভবন
দশা
যখন
সমুদ্রের
কোনো
স্থানে
অবস্থান
করে
তখন
ওই
স্থানের
সমুদ্রের
পানি
বেশি
পরিমাণে
বাষ্পায়িত
হতে
থাকে।
ফলে
বেশি
মেঘের
সৃষ্টি
হয়
এবং
বেশি
বৃষ্টিপাত
ঘটায়।
নিষ্ক্রিয়
বাষ্পীভবন
দশায়
বিপরীত
ঘটনা
ঘটে।
এমজেও আবহাওয়া
চক্রটিকে
সক্রিয়
ও
নিষ্ক্রিয়
বাষ্পীভবনের
ওপর
ভিত্তি
করে
আটটি
দশায়
ভাগ
করা
হয়।
এমজেও
যখন
২
ও
৩
নম্বর
দশায়
(ফেস) থাকে,
তখন
উত্তর
ও
উত্তর-পূর্ব
ভারত
মহাসাগরের
পানিতে
প্রচণ্ড
সক্রিয়
বাষ্পীভবন
হয়ে
থাকে।
ফলে
আকাশ
ভর্তি
থাকে
মেঘে।
গ্রীষ্মকালে
এমজেওর
অবস্থান
কিছুটা
উত্তর
দিকে
সরে
যায়।
ফলে
এমজেও
যখন
২
ও
৩
নম্বর
দশায়
(ফেস) থাকে,
তখন
বাংলাদেশ
ও
উত্তর-পূর্ব
ভারতে
ভারি
বৃষ্টি
হয়ে
থাকে।
মে
মাসের
১৭
তারিখের
পর
থেকে
এমজেও
২
নম্বর
দশায়
ছিল
এবং
২৮
তারিখ
থেকে
৩
নম্বর
দশায়
প্রবেশ
করেছে।
আগামী
কয়েক
দিনের
মধ্যে
এমজেও
৪
নম্বর
দশায়
প্রবেশ
করবে।
আগামী
এক
সপ্তাহ
পরে
যখন
এমজেও
৫
নম্বর
দশায়
প্রবেশ
করবে
তখন
বাংলাদেশের
ওপর
চলমান
বৃষ্টিপাতে
সাময়িক
বিরতি
দেখা
যায়।
দেশব্যাপী
দীর্ঘস্থায়ী
বৃষ্টিপাত
অবস্থা
বিরাজ
করে
না,
যতক্ষণ
পর্যন্ত
এমজেও
আবহাওয়া
চক্রটি
আবারো
২
ও
৩
নম্বর
দশায়
ফিরে
আসে।
আবহাওয়া ও
জলবায়ু
বিজ্ঞানীরা
এমজেও
আবহাওয়া
চক্রটির
অবস্থান
দেখে
কোনো
স্থানের
দৈনন্দিন
ও
সাপ্তাহিক
আবহাওয়ার
পূর্বাভাস
করে
থাকেন।
পক্ষান্তরে
এল-নিনো
ও
লা-নিনার
অবস্থা
দেখে
কোনো
স্থানের
মাসিক
বা
মৌসুমি
আবহাওয়ার
পূর্বাভাস
করেন।
ভারত
মহাসাগরের
ওপর
এমজেও
আবহাওয়া
চক্রটির
সক্রিয়
ও
নিষ্ক্রিয়
অবস্থান
দেখে
বাংলাদেশের
বৃষ্টিপাতের
পূর্বাভাস
করা
সম্ভব
পাঁচ-সাতদিন
আগে।
একইভাবে
এল-নিনো
ও
লা-নিনার
অবস্থা
দেখে
মৌসুমি
বা
উপমৌসুমি
আবহাওয়ার
পূর্বাভাস
করা
সম্ভব।
যেহেতু আবহাওয়াবিজ্ঞানের
প্রচলিত
জ্ঞান
ব্যবহার
করে
দেখা
যাচ্ছে,
২০১৮
সালে
বাংলাদেশে
স্বাভাবিকের
চেয়ে
বেশি
বৃষ্টিপাত
হওয়ার
যথেষ্ট
সম্ভাবনা
রয়েছে
এবং
আবহাওয়ার
পূর্বাভাসের
গাণিতিক
মডেলগুলোও
তা
সমর্থন
করছে,
তাই
দুর্যোগ
ব্যবস্থাপনা
মন্ত্রণালয়,
খাদ্য
মন্ত্রণালয়ের
কর্মকর্তা
ও
সরকারের
নীতিনির্ধারণী
ব্যক্তিদের
প্রতি
অনুরোধ,
এখনই
দুর্যোগ
(সম্ভাব্য অতিবৃষ্টি
ও
বন্যা)
মোকাবেলায়
প্রয়োজনীয়
ব্যবস্থা
নিয়ে
রাখুন।
লেখক: আবহাওয়া ও
জলবায়ু
গবেষক
কানাডার ওয়াটারলু সিটি করপোরেশনের পরিবেশবিষয়ক উপদেষ্টা