শহর কিংবা গ্রামের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, হকার, কৃষক বা ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারাও সহজে ডিজিটাল লেনদেনের আওতায় আসতে পারবেন। এজন্য তাদের ডিজিটাল সিস্টেমে আলাদা ব্যয় বহন করতে হবে না। এটির মাধ্যমে ব্যাংকিং সেবার প্রসার ঘটবে বেশি এবং নগর অর্থ ব্যবস্থাপনার বাড়তি ব্যয় কমানো যাবে। এসব নানাভাবে সরকারের রাজস্ব আহরণকে সহজ ও স্বচ্ছ করবে। কারণ ব্যবসার প্রকৃত আয়-ব্যয়ের হিসাব দৃশ্যমান হবে। এভাবে ব্যবসায়ীদের নীতি সুবিধা দেয়ার কাজটিও অনেক সহজ হয়ে যাবে। ডিজিটাল লেনদেনকে বড় প্রযুক্তিগত সহযোগিতা দিয়ে ই-কমার্স, অনলাইন সেবা এবং এসএমই খাতের উদ্যোগের বিকাশ হবে বেশি। কারণ এ উদ্যোগগুলোর সফলতাও ডিজিটাল প্রযুক্তির ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। বিক্রির অর্থ তাদের ব্যাংক হিসাব বা ডিজিটাল ওয়ালেটে জমা হবে এবং তার হিসাবও উদ্যোক্তারা সহজভাবে পাবেন। একই সঙ্গে ক্রেতাদের দ্রুত ও আধুনিক সেবা দিয়ে ব্যবসার গ্রহণযোগ্যতা অনেক বাড়ানো যাবে। উন্নত বিশ্বের অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে যে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে গতিশীল করার পাশাপাশি দুর্নীতি ও আর্থিক অনিয়ম কমাতেও কার্যকর ভূমিকা রাখে।
ড. এম মেজবাহউদ্দিন সরকার: অধ্যাপক, ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়