বৃষ্টি কিছুটা কমে পানির উচ্চতা ১০ ইঞ্চির নিচে নেমে আসায় ট্রেন চালুর বিষয়ে আমরা চিন্তা করেছিলাম। কিন্তু আবার ভারি বৃষ্টি শুরু হওয়ায় সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে হয়েছে। পরিস্থিতি নিরাপদ হলেই চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল পুনরায় শুরু করা হবে। যাত্রীদের নিরাপত্তাই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
চট্টগ্রাম-দোহাজারীর প্রায় ৪৭ কিলোমিটার রেলপথকে অন্তত পাঁচ ফুট উঁচু করার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে ভবিষ্যতে দুই থেকে তিন ফুট পানি জমলেও রেললাইন তলিয়ে যাবে না এবং অতিবৃষ্টির মধ্যেও রেলযোগাযোগ সচল রাখা সম্ভব হবে। আপাতত এ প্রকল্পের টেন্ডার প্রক্রিয়া চলছে। কাজ শুরু হলে আমরা আশা করছি, এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান হবে। রেলপথের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে সরকার শুধু বিদ্যমান অবকাঠামো সংস্কার নয়, নতুন রেলপথ নির্মাণ, লোকোমোটিভ ও কোচ বাড়ানো এবং রেল ব্যবস্থার আধুনিকায়নের কাজও এগিয়ে নিচ্ছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে একটি নতুন সরাসরি (কর্ড) রেলপথ নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা চলছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে নারায়ণগঞ্জ-কুমিল্লা অংশে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরত্ব কমবে এবং যাত্রা সময় প্রায় ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট সাশ্রয় হবে।
হাবিবুর রশিদ: প্রতিমন্ত্রী, সড়ক ও পরিবহন এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়