চট্টগ্রাম নগরীর উত্তর আগ্রাবাদ এলাকায় নালায় পড়ে ৯ জুলাই মর্মান্তিক মৃত্যু হয় হুমায়রা নামে তিন বছর বয়সী এক শিশুর। এর আগে গত ৮ এপ্রিল নগরীর কাপাসগোলায় হিজড়া খালে পড়ে মারা যায় সেহেরিশ নামের ছয় মাস বয়সী এক শিশু। এ নিয়ে গত আট বছরে (২০১৭-২৫) চট্টগ্রাম শহরে ১৬ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হলো শহরের নালা ও খালে পড়ে গিয়ে। পানি নিষ্কাশনের জন্য চট্টগ্রাম শহরে প্রাকৃতিকভাবে একটি চমৎকার ব্যবস্থা থাকার পরও এখানে নালা ও খালে পড়ে হতাহতের সংখ্যা দিন দিন মারাত্মক আকার ধারণ করছে। বাংলাদেশের অন্যান্য শহর অপেক্ষা স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য এবং ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থাকা সত্ত্বেও অপরিকল্পিত নগরায়ণ, জনসচেতনতা এবং যথাযথ সমন্বয়ের অভাবে বন্দরনগরীর পরিবেশ নানা হুমকির সম্মুখীন। চট্টগ্রাম শহরে ১৫ বছর ধরে ক্রমাগতভাবে খাল ও নালা দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ, ভবনের নির্মাণসামগ্রী ও পাইলিংয়ের মাটি খালে নিক্ষেপ, খালের ওপর নির্মিত কালভার্টের ত্রুটিপূর্ণ নকশা, কালভার্টের নিচে ওয়াসা, গ্যাস ও বিটিসিএলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পাইপলাইন, নিয়মিতভাবে খাল ও নালা পরিষ্কারের অভাব, নালা-নর্দমায় পলিথিন ও প্লাস্টিকের বিভিন্ন জিনিস নিক্ষেপ, পাহাড়ি বালিতে খাল-নালা ভরাট হয়ে যাওয়া, জোয়ারজনিত প্লাবন, গৃহস্থালি ও দোকানপাটের আবর্জনা খালে নিক্ষেপ, জলাশয় এবং পুকুর ভরাট সর্বোপরি নিয়মনীতি না মেনে অপরিকল্পিতভাবে ভবন নির্মাণের ফলে পরবর্তী সময়ে দেখা যায়, এ আধুনিক-সভ্য সমাজ ও সময়ে নালায় ও খালে পড়ে হতাহত হওয়া চট্টগ্রামে একটি নিয়মিত দুর্ঘটনায় পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন গবেষণা ও রিপোর্টে দেখা যায়, ২০১৭ থেকে ২০২৫-এর জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম নগরীতে নালায় ও খালে পড়ে এ পর্যন্ত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগরীতে ২০১৭ থেকে এ পর্যন্ত নালায় ও খালে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় এ মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ নগরীতে বসবাসকারী নারী-পুরুষ, শিশু-বৃদ্ধ হতাহতের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে ক্রমাগতভাবে। নগরীর নতুন এ দুর্যোগের কারণ ও প্রতিকার খুঁজে বের করা জরুরি। সুতরাং এ বিষয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা ও অনুসন্ধান প্রয়োজন।
আধুনিক ও সভ্য সমাজে নালা ও খালে পড়ে মৃত্যু একটি মর্মান্তিক ঘটনা। চট্টগ্রাম মহানগরীর সাম্প্রতিক অন্যতম একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে নালা ও খালে পড়ে মৃত্যু হওয়া। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নজর না দেয়ায় এটি নিয়মিত দুর্ঘটনায় পরিণত হয়েছে। এ বিষয়ে আজ পর্যন্ত কোনো ডাটাবেজ ও গবেষণা হয়নি বিধায় এর প্রকৃত ইতিহাস ও ধরন কোথাও লিপিবদ্ধ নেই। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগ ২০১৭ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত স্নাতকোত্তর পর্যায়ে গবেষণার মাধ্যমে চট্টগ্রামের নালা ও খালে পড়ে মৃত্যুর একটি ডাটাবেজ তৈরি করে এবং জিআইএস মানচিত্রের মাধ্যমে স্থানিক দুর্ঘটনার চিত্র পর্যালোচনা করে কারণ চিহ্নিতের চেষ্টা করা হয়। গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়, চট্টগ্রাম শহরে ২০১৭ থেকে এ পর্যন্ত (১০ জুলাই, ২০২৫) ১৬ জন নাগরিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। এসব মৃত্যুর মধ্যে ১০ জন পুরুষ এবং ছয়জন নারী এবং তাদের বয়স ছয় মাস থেকে ৬৫ বছর পর্যন্ত। এসব দুর্ঘটনায় আটজন নালায় পড়ে এবং আটজন বিভিন্ন খালে (চশমা, চাক্তাই, নাছির ও হিজড়া খাল) পড়ে মারা যায়। এসব দুর্ঘটনায় ২০১৭ ও ২০১৮ সালে একজন করে, ২০২১ সালে পাঁচজন, ২০২৩ সালে তিনজন, ২০২৪ সালে চারজন এবং ২০২৫-এর জুলাই পর্যন্ত দুজনের মৃত্যু হয়। চট্টগ্রাম শহরে খাল-নালা ও ড্রেনে পড়ে প্রাণহানির ঘটনা একটি মারাত্মক জননিরাপত্তা সংকট। ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগ গবেষণায় গত কয়েক বছরে ১৬টি প্রাণহানি সমস্যার ভয়াবহতা তুলে ধরেছে। প্রাপ্ত গবেষণার ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, নিরাপত্তাহীন, অরক্ষিত ও খোলা খাল-নালা, রাতের অন্ধকার পর্যাপ্ত আলোর অভাব, জনসচেতনতার অভাব এবং চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ের অভাব এ সমস্যার মূল কারণ। এছাড়া মাঠ পর্যায়ের গবেষণায় মৃত্যুর পেছনে প্রধান যে কারণগুলো চিহ্নিত করা হয় তা হলো—
এক.
নগরীর উন্মুক্ত ও অরক্ষিত খাল-নালা ও নর্দমা: চট্টগ্রাম শহরের অনেক খাল-নালা ও নর্দমা উন্মুক্ত/খোলা অবস্থায় রয়েছে, যার ফলে পথচারীরা প্রতিনিয়ত খাল-নালায় পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। চট্টগ্রাম শহরে নালা ও খালের দৈর্ঘ্য প্রায় ১ হাজার ১০৭ কিমি (এর মধ্যে নালা ৯৪৬ কিমি এবং ৫৭টি খালের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৬১ কিমি)। ৫৭টি খালের মধ্যে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) নিয়ন্ত্রণাধীন ৩৬টি খাল এবং সিটি করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণাধীন ২১টি খাল। চট্টগ্রাম শহরে খালগুলোর প্রকৃত ডাটাবেজ না থাকায় বিভিন্ন গবেষণা ও পরিকল্পনা প্রণয়নে নানা ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হয়। চট্টগ্রাম শহরে আগে থেকেই ৭১টি খালের কথা বিভিন্ন প্রতিবেদন ও গবেষণায় উল্লেখ থাকলেও বর্তমানে এর অস্তিত্ব সম্পূর্ণ বিলীন। আবার কিছু প্রতিবেদনে বলা হয় ৫৭টি খালের কথা। চলমান জলাবদ্ধতা প্রকল্প কাজ করছে ৩৬টি খাল নিয়ে। সুতরাং এখন থেকেই চট্টগ্রাম শহরের খালগুলোর প্রকৃত তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে জিআইএস-ভিত্তিক ডাটাবেজ তৈরি না করলে নালা ও খালে পড়ে মৃত্যু প্রতিরোধে কার্যকর কোনো উদ্যোগ বা ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।
দুই.
ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত না হওয়া: ২০২১ সালে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) কর্তৃক ২১ কিলোমিটারব্যাপী নালা-খালের ৫ হাজার ৫২৭টি ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করার কথা বলা হলেও ওই প্রতিবেদনের বিস্তারিত ব্যাখ্যা কোথাও পাওয়া যায়নি। ওই প্রতিবেদনে গবেষণা পদ্ধতি ও ঝুঁকির মাত্রার স্কেলগুলো কী কী তাও অজানা। তাছাড়া চিহ্নিত ৫ হাজার ৫২৭টি ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে পর্যাপ্ত নিরাপত্তাবেষ্টনী দিলে হতাহতের পরিমাণ অনেক কমানো যেত। তবে গত ১৮ এপ্রিল সংঘটিত দুর্ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম শহরের ৪১টি ওয়ার্ডে নালা-খালের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের উদ্যোগ নেয়া হয়। এখন প্রয়োজন এ উদ্যোগের ফলে প্রাপ্ত ফলাফল মাঠ পর্যায়ে পরীক্ষা করে ঝুঁকির মাত্রা অনুযায়ী (উচ্চ, মধ্যম ও নিম্ন ঝুঁকি) ব্যবস্থাপনা গ্রহণ।
তিন.
সমন্বয়ের অভাব: চট্টগ্রাম শহরের সার্বিক নাগরিক সেবা প্রদান ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নির্বিঘ্ন করতে অনেক প্রতিষ্ঠান একসঙ্গে কাজ করছে। চট্টগ্রাম শহর ভূপ্রকৃতিগত কারণে ভিন্ন ধরনের হওয়ায় বিভিন্ন পরিকল্পনা প্রণয়নেও বিভিন্ন সংস্থার সার্বিক সমন্বয়ের প্রয়োজন। সিডিএর ১৯৯৫ সালের মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থাকে প্রাইমারি, সেকেন্ডারি ও টারশিয়ারি—এ তিন শ্রেণীতে ভাগ করা হয়। বিদ্যমান ড্রেনেজ ব্যবস্থার সঙ্গে নগরের অনেক বিষয় ও সংস্থা পারস্পরিক জড়িত, যেমন সিডিএ, চসিক, ওয়াসা, পাউবো, রেলওয়ে, বন্দর, বাখরাবাদ গ্যাস সিস্টেম, পরিবেশ অধিদপ্তর ও ফায়ার সার্ভিস ইত্যাদি। চট্টগ্রাম শহরের ১০০০-১২০০ কিমি দৈর্ঘ্যের নালা-খালের রক্ষণাবেক্ষণ, সৌন্দর্য, নিরাপত্তা নিশ্চিন্তের জন্য সবার যথাযথ সমন্বয়ের অভাব লক্ষণীয়। বিশেষ করে গত কয়েক বছরব্যাপী সিডিএ এবং চসিকের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের অভাব রয়েছে, যার ফলে নালা-খালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিঘ্নিত হচ্ছিল।
চার.
জলাবদ্ধতা: জলাবদ্ধতার কারণে চট্টগ্রাম শহরের ওপর নানা নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। জলাবদ্ধতায় ব্যাহত হয় নাগরিক স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। ভেঙে পড়ে পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা, ব্যাহত হয় শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও ব্যবসা-বাণিজ্যের স্বাভাবিক গতি। আবাসিক ভবনে জলাবদ্ধতার পানি প্রবেশ করে নষ্ট হয়ে যায় ফার্নিচারসহ মূল্যবান গৃহস্থালি সামগ্রী। সৃষ্টি হয় অর্থনৈতিক সংকট। নষ্ট হয় বিভিন্ন ভবনের কাঠামো। সর্বোপরি ময়লা, আবর্জনা শহরের চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে সৌন্দর্যহানিও ঘটায়। জলাবদ্ধতার সময়ে নালা, খাল, সড়কের পানি একাকার হয়ে নালা ও খালে পড়ে মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ায়।
পাঁচ.
পর্যাপ্ত আলোর অভাব: বন্দরনগরী চট্টগ্রামের অনেক এলাকায় সড়কবাতির অভাব রয়েছে, বিশেষ করে সন্ধ্যার পর, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বৃদ্ধি করে প্রতিনিয়ত। চট্টগ্রামে নালা-খালে পড়ে ১৬টি মৃত্যুর ঘটনার মধ্যে বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে সন্ধ্যা থেকে রাতের অন্ধকারে।
ছয়.
বর্ষাকালে চট্টগ্রাম শহরের প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা, পাহাড়ধস এবং নালা-খালে পড়ে হতাহত হওয়া। প্রতি বছর এসব দুর্ঘটনা নিয়মিত হলেও এক্ষেত্রে দ্রুততম সময়ে সাড়া দেবে এমন বিশেষায়িত কোনো ধরনের টিম নেই। এ ধরনের টিম থাকলে নালা-খালে পড়ে হতাহতের সংখ্যা অনেক ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। চট্টগ্রাম শহরে এ ধরনের নগর দুর্যোগের আরো কিছু কারণ হলো নালা-খালে বিভিন্ন সংস্থার সরবরাহ লাইন, নালা-খাল থেকে উত্তোলিত বর্জ্যের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার অভাব, পুকুর-জলাশয়ে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার অভাব, ঝুঁকিপূর্ণ/অদক্ষ পরিবহন ব্যবস্থা এবং খালসংলগ্ন অপ্রশস্ত সড়ক ও গলিপথ।
পাহাড়-নদী-সমুদ্রবেষ্টিত এ নগরীর নালা ও খালে পড়ে হতাহত রোধে সমন্বিত উদ্যোগের কোনো বিকল্প নেই। ভূমির ঢাল, উচ্চতা, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বৃষ্টিপাত, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাবের মতো প্রাকৃতিক বিষয়ের সঙ্গে মানবসংশ্লিষ্ট কিছু বিষয়, যেমন সুষ্ঠু বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি, এলাকাভিত্তিক মনিটরিং টিম, রেসকিউ টিম, যথাসময়ে খাল-নালা সংস্কার ইত্যাদি গবেষণার মাধ্যমে খুঁজে বের করতে হবে। ১৬ জন নাগরিকের মৃত্যুর পর বন্দরনগরী চট্টগ্রামের এ সমস্যা নিরসনে আর অবহেলার সুযোগ নেই। এজন্য চট্টগ্রাম শহরের নালা ও খালে পড়ে মৃত্যুর বিভিন্ন দিক (যেমন ইতিহাস, প্রকৃতি, ধরন, কারণ) পর্যালোচনা থেকে দেখা যায়, নগর পরিবেশের এ সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে কোনো একক সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা রাখা যথেষ্ট নয়। নালা ও খালে পড়ে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পেতে এবং পুরো শহরকে নিরাপদ নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে হলে এর ভূপ্রকৃতির ধরন বিবেচনায় নিয়ে আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি পাবলিক-প্রাইভেট সহযোগিতায় খালগুলোর নিরাপত্তাবেষ্টনী নিশ্চিত করতে হবে। এলাকাভিত্তিক মনিটরিং টিম ও হেল্প সেন্টার গড়ে তুলতে হবে। এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোয় সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড, লাল পতাকা ও সড়ক বাতি স্থাপন করতে হবে । এছাড়া সিডিএ এবং সিটি করপোরেশনের সমন্বিত কমিটি গঠন করে মাসিক ভিত্তিতে খাল ও নালার নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করা উচিত। নান্দনিকভাবে বিভিন্ন খাল ও নালার পার্শ্ববর্তী স্থানে ফুল ও গুল্মজাতীয় গাছ লাগিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যেতে পারে। সামগ্রিকভাবে ব্যাপক প্রচারণা, জনসচেতনতা, সরকারি-বেসরকারি নানা কার্যকর উদ্যোগ হতে পারে চট্টগ্রাম নগরীর এ সমস্যা থেকে মুক্তির পথ।
ড. মো. ইকবাল সরোয়ার: অধ্যাপক, ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়